কুসুমপুর
-আবু মকসুদ
ভ্রষ্ট নগরের আঙ্গিনায়
হেঁটে পৌঁছাতে চেয়েছিলাম গন্তব্যে
অশ্বক্ষুরের শ্রান্তি নয়
দুরূহ ধাঁধায় নিঃশ্বাসের মাত্রা ছাড়িয়ে
রক্তের জন্মদাগ খুঁজতে
বাজি ধরেছিলাম।
তুমি এলে দিগন্তে দেখা দিলো
স্বপ্নস্বর্ণ রথ
কাছের পাহাড়ে লুকোচুরি খেলা
শেষে আমরা দুজন শীতঋতু খরিদ করেছি
প্রদীপ জ্বালানো শেষে
ভুজপত্রে লিখেছি সাংসারিক সংরাগ ।
বাঁশপাতা উড়ে উড়ে বেলা বয়
লাল রোদ্দুরে ছেয়ে যায় ঢেউয়ের সকাল
পৃথিবী শুক্লাপক্ষের চিঠি পড়ে
মফস্বলী বন্দনায় করে পাখি সঞ্চয়।
নির্জনে কাঁচের বাসনভাঙ্গা শব্দ গতি
ঘুরিয়ে দেয়, উদাসিন কুসুমপুরে
ক্ষত্রিয় নিধনে দাঁড়িয়ে যান পরশুরাম
ব্রহ্মাস্ত্র খসে গিয়ে দেখা দেয় রেখাশূন্য দিন।
এখন ফলায় হিরের মতো রোদে আর
প্রভাবিত হই না, মরে গেছে হীরের নিয়তি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


