somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাসর রাতের গল্প:

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভ্যালেন্টাইন উদযাপন এবার একটু আগে আগেই হয়ে গেল। বিশ্ব ভালবাসা দিবস উদযাপন হয়ে গেল বাসর রাতেই। সেই বাসর রাতের ফ্রেশ গল্প বলতেই একটু আড্ডায় এসে বসলাম। ছবির চেয়েও রঙিন। নাটকের অভিনয়ের চেয়েও অনেক রোমান্টিক। অনেক স্বপ্নের রাত। কখনও কল্পনাও করেনি আমাদের সুপ্রিয় নায়করা এধরণের স্বপি্নল বাসর রাতের কথা। সারারাতে নাকি কোন রোমান্টিকতা ছিল না, শুধু গাল গল্পে নিদ্রাহীন রাত কেটেছে। কথাটা অবিশ্বাস্য!!! আহা, কল্পনা আর বাস্তবের ফারাকটা এতো বিশাল কেন? সকাল হতেই ছুটে এসেছিল সবাই জানতে। আপনজনরাই শুধু কাছে আসার সুযোগ পেয়েছিল। জানতে পেরেছিল সেই রোমান্টিক রাতের কথা। তারই ছিটেফোটা বর্ননা চলে আসল আড্ডার পাতায়।

কেমন কেটেছে রাতটা জিগ্যেস করতেই লজ্জায় নুইয়ে গেল কুমড়ো গাছের ডাঁটার মতো। বলল, ঘুমোতে পারেনি। অনভ্যাসের কারণে। এই শীতের রাতেও নাকি ঘেমে গোসল হয়ে গিয়েছিল। কাপড়ের সু্যটকেস গাড়ী করে তখনও আসেনি বলে পোশাক বদলাতে পারেনি। বেয়াড়া ড্রাইভারটাও রসিক হয়ে উঠল। গতকালও যে স্যার স্যার বলতে বলতে পেছনে পেছনে ঘুরতো সেও আজকে মহা বেত্তমিজ। সুপ্রিয় নায়কদের লজ্জায় ফেলতে সবাই যেন ষড়যন্ত্রে মেতেছে। একসাথে এতোগুলো রোমান্টিক নায়কের বাসর রাতের গল্প জমজমাট হতে পারতো। কিন্তু বেরসিক বাড়ীওয়ালী সব ভেস্তে দিল। জোর করে সবাইকে এক রুমে। এর মধ্যে অনেকের আছে নাক ডাকার অভ্যাস। তাই, ভয়ে তারা ঘুমোতে চাননি। একজন নাকি সারারাত পায়চারি করেছেন। প্রেয়সীকে বলার মতো কোন কথা খুঁজে পাননি।

তবে বাসর রাতের কিছু দম্পতির অভিযোগ যে ভালবাসা দিবসকে এভাবে অ্যাবিউজ করা ঠিক হয়নি। যারে দেখতে নারি তার সাথে জোর করে রাত কাটানোর বলপূর্বক চেস্টা করা অভিভাবকদের ভারী অন্যায় হয়েছে। সমমনারা একসাথে রাত কাটায়নি। কাটিয়েছে যাদেরকে সারাজীবন ভেংচি কেটেছে আর ঘেন্না করেছে। আজকালকার অভিভাবকরা কেন যে এতো বেরসিক!!! হিন্দী ছবি দেখেও যদি তাদের একটু বুদ্ধি বাড়তো। অনেকে নাকি অভিভাবকদের নিকুচি করেছে। এধরণের ভালবাসা তারা চান না। জোর করে বাসর রাতে ঢুকলেই যে ভালবাসা পয়দা হবে এই কথা ঠিক না।

তবে নায়করা একবাক্যে স্বীকার করেছেন কেউ দৈহিক নির্যাতনের শিকার হননি। এটা অনেকটা আপ্ত বাক্যের মতো। শালারা জোর করে ধরে নিয়ে গেলেও দৈহিক নির্যাতন না হওয়াতে তারা সারাদিন বেশ উৎফুল্ল্ল ছিলেন। বাড়ীওয়ালা বেশ খোশমেজাজে। কারণ, নায়করা তেমন একটা গোলযোগ করেননি। নীরবে গল্প করেছে। তারপরেও গরাদের ওপারে টানা বারান্দা থেকে সতর্ক চোখ রেখেছিলেন। বাসর রাত কাটিয়ে এখন তারা শ্বশুরবাড়ীতে বিদায় নিয়েছেন বলে [link|http://www.shamokal.com/details.php?nid=50855|evoxIqvjv wb
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শাবাশ বাঙালী!যদিও ওদের লজ্জা বলতে কিছুই নাই তারপরও শরম যদি কিছু থেকে থাকে সেটাও শরমিন্ধা হয়ে যাবে রমিজের আচরনে।

লিখেছেন স্পর্স, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩২








শাবাশ বাঙালী!যদিও ওদের লজ্জা বলতে কিছুই নাই তারপরও শরম যদি কিছু থেকে থাকে সেটাও শরমিন্ধা হয়ে যাবে রমিজের আচরনে।আশা রাখব এখন থেকে ওনি ধারাভাষ্য কক্ষে(যদি আর বসতে পারে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

সারা বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশের ছেলে, কেউ নেই অভিনন্দন জানানোর।

লিখেছেন আদম_, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩৬

আমাদের তমাল, কুয়েটের শিক্ষার্থী, সিরাজগন্জের ছেলে, “ইয়াং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৬” জিতেছেন। প্রতি বছর সারা দুনিয়ায় মাত্র একজনকেই এই পুরস্কার দেয়া হয়। আমাদের শাহরুখ নূর-এ-তমাল তার মেধা যোগ্যতা দিয়ে দেশের পতাকাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও ....

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১৬



শীতের কুয়াসার অবগুন্ঠন সরিয়ে প্রকৃতি হেসে উঠবে ধীরে , অতি ধীরে । নির্ঝরের স্বপ্ন ভেঙে গাছে গাছে , পত্র-পল্লবে ছড়িয়ে যাবে সে হাসি রঙের রোশনাই মেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিশপ্ত বটবৃক্ষ (গল্প) -১

লিখেছেন গেম চেঞ্জার, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৪০



বিশাল একটি বটবৃক্ষ
গ্রামের নাম বটিজার গাঁ। নামকরণের কারণ অনেক হাস্যকর তবে এতটুকু বিশ্বাসযোগ্য এখনো। বিশ্বাসযোগ্য হবার কারণ হলো বিশাল বটগাছটি। এটি এখনো স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ধাঁধা

লিখেছেন জেন রসি, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪১




সময়ের গান

যেকোনো মুহূর্তে বৃষ্টি নামতে পারে। আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা দেখে তেমনটাই মনে হচ্ছে। কিন্তু মুগ্ধকে আজ ঘরে বসে থাকলে চলবেনা। অথবা বলা যেতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×