আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা

সাব্বাশ ড: ইদ্রিস আলী

১৫ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0

দেশে সাংবাদিকদের উপর সত্যি সত্যি কি শনির দৃস্টি পড়েছে? না হলে, সাংবাদিকরা বারবার নিগৃহীত আর নির্যাতিত হচ্ছেন কেন? ড: ইদ্রিস আলী কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে দৈনিক জনকন্ঠে দূর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত। স্বভাবতই ইদ্রিস আলী ক্ষেপে যান। ডেকে পাঠালেন দুই সাংবাদিককে। তারপর উততম মধ্যম দেওয়া হলো। দেশে এখন কোন রাজনৈতিক সরকার নেই। তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যখন দূর্নীতির বিরুদ্ধে সাড়া জাগানো মামলা চলছে, তখন ইদ্রিস আলীদের স্পর্ধা আমাদের অবাক করে দেয়।

আজকের সমকালের রিপোর্টেবলা হয়, "কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষে দুই সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করার কারণে তাদের পেটানো হয়। গতকাল সোমবার আগারগাঁওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সচিব ও কর্মকর্তাদের পিটুনিতে আহত ওই দুই সাংবাদিককে পরে র‌্যাব উদ্ধার করে।

ঘটনা তদন্তেø শিক্ষা মণ্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (কারিগরি ও মাদ্রাসা) হুমায়ুন খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল দৈনিক জনকণ্ঠে চেয়ারম্যানের দুর্নীতির ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ঘটনার পর চেয়ারম্যান জনকণ্ঠের বার্তা সম্পদককে ফোন করে সংশিস্ট প্রতিবেদকে দেখা করতে বলেন। বার্তা সম্পদকের অনুরোধে জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার মোশতাক আহমেদ নিউ এজ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সিদ্দিকুর রহমানকে নিয়ে বেলা ২টার দিকে কারিগরি বোর্ডে উপস্থিত হন। মোশতাক আহমেদ সমকালকে বলেন, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে বলতে সচিব মোঃ শাহজাহান, পিএস মোঃ মামুনসহ অন্য কর্মচারীরা জড়ো হন। চেয়ারম্যান ইশারা করার সঙ্গে সঙ্গে দরজা আটকে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। লাঠিসোটা দিয়ে তারা সাংবাদিকদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত। এতে তাদের গায়ের শার্ট ছিঁড়ে যায় ও মাথার বিভিন্ন স্থানে কেটে যায়। এক পর্যায়ে পেটাতে পেটাতে দোতলা থেকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় তাদের মোবাইল ফোন ও পত্রিকার পরিচয়পত্র কেড়ে নেওয়া হয়"।

এরপর কি হবে? ইদ্রিস আলী চাকরি হারাবেন? তদন্তের রিপোর্টে কি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার পর জেল হাজতে পচবেন? খুব সম্ভবত কোনটাই না। পুরোটা নির্ভর করে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কানেকশন অথবা সাংবাদিক জনতার রোষের ও প্রতিক্রিয়ার মাত্রার উপর। এদেশে নিরীহ মানুষ যেমন বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেল খাটে তেমন টাকা পাচারকারী দূর্নীতিবাজদের বিদেশে পাঠিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। মাঝখানে ইদ্রিস আলীদের স্পর্ধা কমবে না, তারা অবলীলায় সাংবাদিক পেটাবেন। কি বিচিত্র সেলুকাস!! শুধু এদেশেই এসব সম্ভব। নাম তার বাংলাদেশ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাংবাদিকসাংবাদিকসাংবাদিক সাংবাদিক ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সমাজ সংসার  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৩৯
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: হুমম। বাংলাদেশেই সম্ভব।

ভালা করছেন পোস্টটা দিয়া
২. ১৫ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৪২
কেমিকেল আলী বলেছেন: দেখনে কোন মেজরের বা বিগডিয়ারের(!) দুলা ভাই !!
কিংবা উনার দুলাভাইও বিগডিয়ার হইতে পারে!!
৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৭
কনফুসিয়াস বলেছেন: অবাক হবার মতই ঘটনা।
পরবর্তীতে কি হলো জানতে ইচ্ছা করছে।
৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: চেয়ারম্যানের সাহসের তারিফ করি।
৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৭
রবিনহুড বলেছেন: সাংবাদিকরা কি ধোয়া তুলশি পাতা....
প্রতি দিন পত্রিকায় যত গুলা খবর আসে তার কতগুলো সত্যি বলে প্রমানিত হয়....

তাদের আপরাধের কি শাস্তি হওয়া দরকার না? নাকি তাদের মিথ্যাচার আপরাধের পর্যায়ে পড়ে না? (কথা গুলো শুধু মাত্র মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের জন্য বলা হল, সত্যনিষ্ঠ সংবাদ এর জন্য আবশ্যই স্বাধুবাদ জানাই)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ