somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন আবুল বারাকাত ও তাঁর একজন ছাত্রের অভিজ্ঞতা।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আবুল বারাকাত স্যার।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন স্বনামধন্য শিক্ষক।তাঁর ৬০০টির বেশি গবেষণা কর্ম রয়েছে।তিনি ২৪টি গবেষণাগ্রন্থ, ১১৯টি জার্নাল প্রবন্ধ,২২১টি গবেষণা মনোগ্রাফ রচনা করেছেন এবং ২৩৪টি গবেষণাপত্র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন।এটি আমার সৌভাগ্য যে,আমি তাঁর বিভাগের একজন ছাত্র।স্যারকে নিয়ে কয়েকটি অভিজ্ঞতার কথা বলি।

প্রথমত, ২০১০ সাল।বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি এক মাস হয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাস;কয়েকজন মিলে পরিকল্পনা করলাম ভাষার মাসে দেয়াল পত্রিকা বানাবো।কিছু অর্থ দরকার,গেলাম স্যারের কাছে।কিছু নবীন ছাত্রকে তিনি শুরুতেই হাসিমুখে সম্ভাষণ জানিয়ে আমাদের ভয় দূর করে দিলেন।অর্থের প্রয়োজন শোনার সাথে সাথে তিনি আমার নাম শুনে চেক লিখে দিলেন।

দ্বিতীয়ত,প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি।এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সৃজনশীল কাজ যেমন বিতর্ক প্রতিযোগিতা,মঞ্চ নাটক,খেলাধুলা,বইমেলা,সেমিনার,শিল্পকর্ম প্রদর্শন সহ অনেক অনুষ্ঠানই বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন হতে দেখেছি।উক্ত কাজগুলির যতগুলোর পোস্টার দেখেছি তার অধিকাংশের সহযোগিতায় জনতা ব্যাংকের নাম দেখেছি।অনেক আয়োজকদের এটিও বলতে শুনেছি যে,উক্ত অনুষ্ঠান গুলির একটিও আয়োজন করা সম্ভব হতোনা জনতা ব্যাংকের অর্থায়ন ব্যাতিত।উল্লেখ্য এই সময়ে আবুল বারাকাত স্যার জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন।এই কাজগুলির প্রত্যেকটি সিএসআর অর্থাৎ সামাজিক দায়বদ্ধতা এর আওতায় পরে।

একটি ব্যাংকের মুনাফার শতকরা ১০ ভাগ সিএসআর এ খরচ করতে হয়।মাননীয় অর্থমন্ত্রী যিনি বিস্ময়করভাবে ইংরেজি সাহিত্য পড়ে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হয়েছেন,যিনি পাকিস্তান সরকারের একজন আমলা ছিলেন,বিশিষ্ট নারী প্রেমী ও কবি এরশাদের যিনি মন্ত্রী ছিলেন,যিনি বাংলিশ ভাষার একজন প্রসারকারী,যিনি পৃথিবীর মধ্যে সম্ভবত একমাত্র অর্থমন্ত্রী যিনি নিজে স্বীকার করেছেন- তিনি শেয়ার মার্কেট বোঝেন না,একটি নিম্ন আয়ের দেশের অর্থমন্ত্রী হয়ে যিনি ৮ হাজার কোটি টাকাকে সামান্য বলেন, তিনি সম্প্রতি জনতা ব্যাংকের সিএসআর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাংলাদেশে ৫৬ টি ব্যাংকের মধ্যে অধিকাংশই সিএসআর নিয়মমাফিক খরচ করে না।জনতা ব্যাংক সৃজনশীল ক্ষেত্রে ও ডাচ বাংলা ব্যাংক ছাত্র বৃত্তির মাধ্যমে সেখানে একটি উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম।

পুনশ্চঃ রাবিশ ও খবিশ বলা বাদ দিয়ে বিশ্রামে যান।আপনার চুলহীন মাথার বৃদ্ধ অর্থনৈতিক চিন্তাই দেশ আজ ক্লান্ত।



৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন ব্লগার

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:০৯

যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!

আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই গোমরাহের পথে আছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৭

সেক্যুলার দলকে সমর্থন ততো দিন পর্যন্ত দিয়ে যেতে হবে, যতো দিন ইসলামী দলগুলো 'যোগ্য' না হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের কোন ইসলামী দলই দেশ চালাতে সক্ষম নন।

ইসলামে বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেগা মিয়া

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০



সকাল ৭ টা। আশ্বির্নের মাঝামাঝি।
হাজী শারাফত আলীর ছেলে মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাতে তার ভালো ঘুম হয়নি। তার ভাই বোনদের কথা মনে পড়লেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×