মানুষ হিসাবে আমরা সবসময়ই চাই ভদ্রতার মুখোশ পড়ে থাকতে।কাউকে ভাল না লাগলেও প্রকাশ্যে সহজে তার বদনাম করি না, খুব বিরক্ত হলেই করি। এই তিনজন এর উপর আমি বেশ বিরক্ত শুধু আমি না অনেকেই দেখেছি বিরক্ত।তাদের অনেক বলা হয়েছে স্বভাব বদলানোর জন্য তবুও নিজেকে শুধরাননি তারা।তাই দিলাম আজ রাগটা ঝেড়ে।
১-অংধনু- দিনরাত যখনি ব্লগে ঢুকি দেখি তার চাদবদন। সরি তার চাদবদন না তার লেখার লিংক। আবার সে লেখা যেমন তেমন লেখা না তা আবার প্রভা,অপুর্ব,রাজীব কে নিয়ে।এই ছাগলটাকে ব্লগে আগে খুব বেশী দেখিনি। গত জুলাই আগস্ট মাসে অবশ্য কিছুদিন হাউমাউ করেছে।কিন্তু এখন যা শুরু করল তা কিছুতেই সুরুচীর পরিচয় দেয় না। প্রতি পোস্টে ঘুরে ঘুরে উনার ফাউল লেখার লিংক দেওয়া।উনার এই কাজটায় আমি চরম বিরক্ত।
২-কা কা কা- চাচা মিয়া পুরান মাল। বারবার নাম বদল করেছেন। এই হন জোছনা এই হন মেঘলা। একসময় ছিল অনেক নিক এবং সেইনিকগুলো দিয়ে নিজের পোস্টে নিজেই দিয়েছেন +।উনার সমস্যা হল কথা নাই বার্তা নাই হঠাৎ করেই তার অখাদ্য কোন এক পোস্টের লিংক দিয়ে বসবে আপনার পোস্টে। ধরেন আপনি পোস্ট দিলেন আপনার পেঠব্যাথা করছে উনি করবে কি বলবে, খুব ভাল লাগল এ নিয়ে আমার লেখাটি পড়ে দেখুন শুটকি ভর্তার সাথে করল্লা ভাজির রেসেপি
তয় চাচামিয়ার নারীদের প্রতি রয়েছে অনেক ঠান। না লুলামি নয় আরো বড় কিছুতেই তার আকর্ষন।
৩-কয়সাল কপি- ফুলকপি না বাধাকপি এই লোক তা আল্লাহ মালুম।কোনকিছু না পড়ে না বুঝে একের পর এক পোস্টে তার সাইটের বিজ্ঞাপন দিয়ে যাবে কমেন্ট আকারে। আবার কিসের ছবি টবি নিয়ে দেখি মাতামাতি করছে।এসব করে মানুষকে বিরক্ত করার মানে কি? চট্রগ্রামের প্রতি আমার আলাদা একটা ঠান কাজ করে। ওখানকার মানুষ অনেক অতিথিপরায়ন।কিন্তু অন্য এলাকার লোক অনাহুত অতিথিকে কি চোখে দেখে তা এই ছাগলের বুঝা উচিৎ।আমি বুঝে পাই না এমন আবাল চট্রগ্রামে জন্ম নিল কিভাবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


