পাসর্পোট নবায়ন কিংবা নতুন পাসর্পোটের জন্য অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী কে অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হতে হয়।সৌদি প্রবাসীরাও এর বাহিরে নয়। সৌদি আরবে যে সমস্ত প্রবাসী বাংলাদেশী কাজ করেন তাদের বেশির ভাগ লোককে দিনেই কাজ করতে হয়। তাই কোম্পানী থেকে তারা ছুটি পান না বা ছুটি পেলেও তাদের বেতন কাটা হয়। রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস খোলা থাকে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত, এর মধ্যে নতুন পাসর্পোট বা নবায়নের জন্য আবেদন পত্র জমা নেওয়া হয় সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২.৩০ টা পর্যন্ত, আর বিলি করা হয় দুপুর ২টার পর। জরুরী ভিত্তিতে পাসর্পোটের আবেদন করলে তা সকালে জমা দিলে বিকালে পাওয়া যায়,তবে ফি গুনতে হয় দ্বিগুন, আর সাধারন আবেদন করলে পাওয়া যায় এক সপ্তাহ পর। এর মধ্যে বেশীর ভাগ লোকেই জমা দেওয়ার ১ সপ্তাহ পর আবার নিতে আসেন কারন দ্বিগুন ফি। সুতরাং বলা যায় যে পাসর্পোট নতুন বা নবায়ন করতে হলে কোন ব্যাক্তিকে ২ দিন কাজে অনুপস্থিত থাকতে হবে। যাতে ঐ ব্যাক্তি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে,আর দেশ বঞ্চিত হচ্ছে মূল্যবান বৈদেশিক মূদ্রা থেকে।কারন ২দিন অনুপস্থিতির জন্য কোম্পানী তার বেতন কেটে নিবে এবং যাতায়াত বাবত তাকে দ্বিগুন খরচ গুনতে হবে।
দক্ষ,অদক্ষ লোকের পাসর্পোট নতুন বা নবায়নের ফি জানার জন্য দেখুন Click This Link
যারা রিয়াদ বা জেদ্দার বাহিরে থাকেন তাদের কে জরুরী ভিত্তিতে পাসর্পোট বানিয়ে নিতে হয় কারন অন্যান্য শহর থেকে এখানে এসে আত্বীয় স্বজন না থাকলে থাকার জন্য আলাদা খরচ গুনতে হবে।
দূতাবাস কৃর্তপক্ষ ইচ্ছা করলে এই সব ভোগান্তি অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব বলে আমার মত অনেক সৌদি প্রবাসীর ধারনা।
রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ওয়েবসাইট।[wjsK= http://www.Bangladeshembassy.org.sa ]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


