আমার প্রিয় পোস্ট

আমার ব্লগে ইতিবাচকের পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্যও আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। নেগেটিভ কমেন্টগুলো নিয়ে ঝগড়া না করে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া এবং এপ্রেশিয়েট করাই আমার বৈশিষ্ট্য। :) twitter.com/aisajib

গুগল অফিস থেকে চিঠি

২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

[অনুগ্রহ করে পোস্টটি পড়ুন।]

খুব ছোট ছিলাম। প্রাইমারি শিক্ষার অনুপাতে ক্লাস ফাইভ কি সিক্সে। তখন থেকেই ইন্টারনেটের প্রতি অসাধারণ আগ্রহ আর উৎসাহটা টের পাই। বড় ভাইয়ার কাছে ইন্টারনেটে খুঁটিনাটি শিখেছিলাম।
প্রথম দিকে (এখনও) সাইবার ক্যাফে থেকেই কম্পিউটার ব্যবহার করতাম। তখন ব্রাউজার খুললেই গুগলের হোমপেজ ওপেন হত। তখন অবশ্য বুঝতাম না যে এটাও একটা ওয়েবসাইট। আর তখন আমি গুগলকে গুগলি বলে উচ্চারণ করতাম।

খুব শীঘ্রি বিষয়টা ধরতে পারলাম। টেবিলের ইংরেজী বানান আর গুগলের ইংরেজী বানানে সুন্দর একটা মিল আছে। টেবিলের উচ্চারণ যদি টেবলি না হয়ে টেবিল হয়, তাহলে গুগলের উচ্চারণও গুগলি না হয়ে গুগল-ই হবে। এইভাবে ভুলটার সংশোধন করলাম।

ছোটবেলা থেকেই ওয়েবসাইট তৈরীর প্রতি প্রচন্ড নেশা ছিল। এ পর্যন্ত কয়টা পঙ্গু ওয়েবসাইট বানিয়েছি তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। তবে শেষ পর্যন্ত গুগলপেজ আর ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগস্পটকে আঁকড়ে ধরেছি। তারা এখনো আমার সাথেই আছে। গুগলের খুব কম সার্ভিসই আছে যেগুলো আমি ব্যবহার করিনি। একসময় গুগল গ্রুপস নিয়ে প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় করেছি। একসময় বুঝলাম ওটা আমার জন্য না। তারপর গ্রুপস ছেড়ে হাই ফাইভ ইত্যাদিতে আগ্রহ দেখালাম। কিছুদিন ভালই গেল। তবে আমার বুঝতে দেরি হলো না যে ওগুলো মানুষের মূল্যবান সময়টাকে পিটিয়ে হত্যা করা ছাড়া আর কিছুই না। উপলব্ধি করলাম ওটাও আমার কাজে আসবে না। সেই থেকে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক নামের শব্দটাকে আমি অপছন্দ করি। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আজ পর্যন্ত আমি অরকুট বা ফেসবুকে কোন রেজিষ্ট্রেশনই করিনি। হাইফাইভে যেটা ছিল ওটা আপাতত বন্ধ।

বড় ভাইয়া ওয়েবসাইট বানাতে এক্সপার্ট। ওনার সাটে দেখতাম গুগল বস্ বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন। দেখে খুবই ভাল লাগত। কারণ সময়ের সাথে সাথে আমিও বুঝতে পেরেছি যে, গুগলের লোগো যতই হাস্যকর হোকনা কেন, গুগলকে ছাড়া ইন্টারনেট একপ্রকার অচল হয়ে পড়বে। ঠিক তাই, ইন্টারনেটের প্রসারে গুগলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যাই হোক, আমি ছোটখাট ওয়েবসাইট বানাতাম। একসময় সব ছেড়ে বাংলা ব্লগে ঢুকলাম। ভালই যাচ্ছিল। এখনও ভালই যাচ্ছে। তবে আমার চিন্তাধারার পরিধি একটু বড়ই ছিল। তাই ইংরেজীতে ব্লগি শুরু করলাম এখানে (http://aminulislam333.wordpress.com & http://aminulislam333.blogspot.com)। ইংরেজী ব্লগিংটাকে আমি ইংরেজী চর্চার অন্যতম একটি স্থান হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম।

যাই হোক, কথা বলছিলাম জনপ্রিয় গুগলের অন্যতম সার্ভিস গুগল এডসেন্স নিয়ে। আজকাল কমবেশী সবাই এ সম্বন্ধে জানেন। আমি যখনই জানতে পারলাম যে ব্লগসাইটেও এডসেন্স ব্যবহার করা যায়, বিন্দুমাত্র দেরি না করে সাইন আপ করলাম। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গুগল আমার রেজিষ্ট্রেশন গ্রহণ করে একটিভ করে দিল। আর আমিও মহানন্দে বিজ্ঞাপন শো করতে থাকলাম। খুব বেশিদিন হয়নি গুগল এডসেন্স ব্যবহার করছি। অথচ গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানতাম আরো তিন চার বছর আগেই। (এতদিনে মাথার কিছুটা উন্নতি হয়েছে তো, তাই মাতব্বরিও বেড়েছে।)

নিয়মমাফিক একাউন্ট দশ ডলার পেরুলে ট্যাক্স ইনফরমেশন চাইল মহোদয় গুগল। দিলাম। ইমেইলের মাধ্যমে গুগল জানাল,
"আপনার পোস্টাল ঠিকানায় (বাসায়) একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে যা আপনার পিন কোড বহন করছে। আমরা আশা করছি আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যেই এটা আপনার কাছে পৌঁছে যাবে। অনুগ্রহ করে পৌঁছা মাত্রই আপনার পিন প্রয়োগ করে পেমেন্ট রিলিজ করবেন। ধন্যবাদ।"

ত্রিভূজ ভাইয়ার একটি পোস্টে পড়েছিলাম যে, এই কার্ডটা সহজে হাতে আসেনা। আমাদের পোস্ট অফিসের গুণধর ও কাজের প্রতি অতিশয় যত্নশীলতার (!) কারণে তা পোস্ট অফিসেই পড়ে থাকে। সেক্ষেত্রে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাবার পর পেমেন্ট রিলিজ করা হয়ে থাকে। তবুও আশায় বুক বেঁধে রইলাম। তিন সপ্তাহ শেষ হবে এই মাসের ২০ তারিখে।

আশ্চর্যজনকভাবে, ১৮ তারিখে পিওন চিঠি নিয়ে হাজির! আমার মা তো অবাক। এমনিতে ইন্টারনেট সম্পন্ধে ততটা জ্ঞান রাখেননা, তবে গুগল যে বিশাল একটি কোম্পানী, তা আমাদের দুই ভাইয়ের কাছ থেকে বহুবারই শুনেছেন। সেই গুগল থেকে প্রেরিত চিঠি যা আমেরিকা থেকে এসেছে, গ্রহণ করতে মায়ের কেমন লাগবে সেটা বর্ণনা করতে যাওয়াটা বোকামী। (বর্ণনা করা যায় না।)


যাই হোক, আমিও খুবই উত্তেজিত (এক্সাইটেড) ছিলাম। গুগলের অফিস থেকে স্ট্যান্ডার্ড মেইল। যদিও খুব সাধারণ ব্যাপার। তবে পনেরো বছর বয়সে আনন্দ করার জন্য এটি একটি যথেষ্ট খোরাক।



--------
তবে একটি প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। গুগল চেক পাঠালে, সেই চেক কিভাবে ভাঙ্গাবো? কেউ জানলে অনুগ্রহ করে বিস্তারিত জানাবেন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গুগলটাকাগুগল অ্যাডসেন্স ;
প্রকাশ করা হয়েছে: জীবনের ডায়েরী  বিভাগে ।

 

  • ৩৭ টি মন্তব্য
  • ১১১১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
comment by: মদন বলেছেন: আপনার নামে যদি কোন ব্যাংক একাউন্ট থাকে তাহলে সেখানেই ভাঙাতে পারবেন।
শুভ কামনা রইলো।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: যে কোন ব্যাংকে? তবে আমার নামে কোন ব্যাংক একাউন্ট নেই।

আচ্ছা, কোন ধরণের একাউন্ট থাকতে হবে? আজকাল তো আবার মোবাইলের প্যাকেজের মত ব্যাংকের একাউন্টেরও অভাব নেই!

২. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: কনগ্রাচুলেশন। কেমনে কি করে জানাইলে আমিও টেরাই মাইরা দেখতে পারতাম।



আরে মিয়া আমিও তুমার বয়সী। একই এলাকায় থাকি। আমি থাকি কল্যাণপুরে।
৩. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: ব্রাইট বলেছেন: আপনার নামে আজই একটা ব্যাংক একাউন্ট করে ফেলুন। নাহলে বিপদে পড়ে যেতে পারেন। যেমন গুগল চেকের তারিখ আপনার ব্যাংক একাউন্ট খোলার পূর্বে থাকলে ব্যাংক তা গ্রহন করবে না।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: পনেরো বছর বয়সে কি একাউন্ট খোলা যায়? কি একাউন্ট খুলতে হবে?

৪. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
comment by: ব্রাইট বলেছেন: আর আপনাকে অভিনন্দন।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

৫. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: তুমি কি ডি-টাইপ কলোনীতে থাকো? আমিনুল ইসলাম। মডেল একাডেমীর নবম শ্রেণীর পদ্মা শাখার???
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: না। মিরপুর এক নম্বর। আর আমি মডেল একাডেমীতেও পড়িনা।

এনিওয়ে, তুমি কোথায় থাকো বা কিসে পড়?
(অনুমতি ব্যাতিরেকেই তুমি করে বললাম, যেহেতু আমাকে তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে যে আমারই বয়সী!)

৬. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: আশ্চর্য হচ্ছি আমি, যতোই জানতে পারছি আপনাদের দুজনের কর্মকান্ড, আমিনুল এবং তাজুল। স্যালুট আপনাদের।

মানসিকতাটা নষ্ট করবেননা প্লিজ; আপনাদের জেনারেশনে বড় অভাব দেখি ওটার।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিক বুঝলাম না। পরামর্শ যখন দিতেই হবে, সবিস্তারে বলুন।

৭. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: অবকাশ বলেছেন: অভিনন্দন।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭
comment by: ব্রাইট বলেছেন: সেভিংস বা কারেন্ট এক ধরনের হলেই হবে। অনেক ব্যাংক দেশের বাইরের চেক ভাঙানোর জন্যে বড় অংকের টাকা কেটে রাখে। যেমন এবি ব্যাংক ১১৫০ টাকা কেটে নেয়। শুনতেছি এখন আবার ২৫ ডলার বেশী চার্জ রাখবে। তো চেকে ডলারের পরিমান কম হলে লাভের গুড় পিপড়ায় খেয়ে নিবে।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: হায় হায়, তাহলে? কোন উপায় কি নেই যাতে তারা খুব একটা টাকা কাটবে না?

বা অন্য কারো একাউন্ট থেকে টাকা ভাঙ্গানো যায় কি?

৯. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: আর খুব একটা সবিস্তারে তো বলার প্রয়োজন দেখিনা আমিনুল; যে মানসিকতা আপনি (এবং মুন্না) লালন করছেন, তা সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যেতে দেবেন না- এইটুক অনুরোধ করছি মাত্র।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। আপনাদের দোয়া এবং সার্বক্ষণিক মতামত এবং পরামর্শ-উৎসাহ থাকলে মনমানসিকতা হারাবার কোন লক্ষণ বা কারণ দেখি না। তবে মুন্নার ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। যার যার ভার তার তার।

১০. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯
comment by: আমিনুল ইসলাম বলেছেন: কোন ব্যাংকে একাউন্ট খুলব, এই বয়সে একাউন্ট খোলা যায় কিনা, কি ধরণের একাউন্ট খুলব ইত্যাদি সাহায্য চাই। আমি অনলাইনে aminulislam333 তে আছি ইয়াহু আইডিতে।
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: হায় হায়, মানুষ কই।

১১. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:১৬
comment by: তাকা বলেছেন: আপনে এখন গুগল এডসেনসে গিয়া পেমেন্ট অপশনে হোল্ড কইরা রাখেন। যতদূর মনে পড়ে এগসেনস একন ৫০ ডলারেই চেক রিলিজ করে। তাই বার বার চেক ইস্যু না করে ১০০/২০০ ডলার জমার পরেই চেক ডেলিভারি নিলে বার বার ব্যাংকের চার্জ গোনা থেকে রেহাই পাবেন।

যাইহোক আপনে নিজের নামে একটা সেভিংস একাউন্ট খুলেন। যে কোন বয়সেই একাউন্ট খোলা যায়। প্রাইভেট ব্যাংকে চার্জ একটু বেশিই কাটে সরকারী ব্যাংকের থেকে, তবে আমার কাছে প্রাইভেটের সার্ভিস ভাল মনে হয়।

সবশেষ অনুরোধ আপনে যেইভাবে সবাইরে আপনার সাইটে যাইতে অনুরোধ করেন (অনেক দিন থেকেই দেখছি তাই বল্লাম) তাতে কইরা আপনের একাউন্ট এডসেনস পুলিশের কাছে ধরা খাইতে বাধ্য আর যদই ধরা খান তাইলে কইলাম পুরা একাউন্ট বাতিল (বিশ্বাস না হইলে টার্মস এন্ড কন্ডিশন দেখতে পারেন)। তাই এইরকম না করাই ভাল। আপনে ব্লগ/ওয়েবসাইটে লিখতে থাকেন দেখবেন এমনিতেই আপনার সাইটে অনেকে যাবে এবং এডে ক্লিক করবে। একটু ধৈর্য ধরেন এই আর কি।

সবশেষে সাধুবাদ জানাই আপনার স্পিরিটরে।

আরও বিস্তারিত হয়ত রাগিব বলতে পারবেন।

ভাল থাকবেন। গুড লাক
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মন্তব্যটা করার জন্য। আপনার পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করব।

১২. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: অভিনন্দন।
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৩
comment by: কোপা সামছু বলেছেন: গুগুলের টাকার আমার ভাগ কই?
১৪. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
comment by: রাগিব বলেছেন: দেশে চেক ভাঙানো যায় সিটিব্যাংক এনএ বা অন্যান্য বিদেশী ব্যাংকে। সিস্টেম জানি না। তবে মোটামুটি শ খানেকের উপরে হলেই চার্জ দিয়ে টাকা ভাঙানো পোষাবে।
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাইয়া কে ধন্যবাদ।

১৫. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:০০
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: আপনার সাইটগুলো দেখলাম। খুবই সুন্দর সাজানো-গোছানো। ভালো লাগলো। শুভ কামনা রইল।
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: ডেলফ বলেছেন: বাহ :)
১৭. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমি মডেল একাডেমীতে নবম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ি।

বাসা নাভানা গার্ডেন

ই.হক কোচিং কল্যাণপুর শাখায় পড়ি।



তোমার বিষয়ে বলো। তোমাকে ইয়াহুতে এড করেছি। অনেকদিন পর সমবয়সী একজনকে পেয়ে ভাল লাগলো। :)
১৮. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমার এক বন্ধুর নাম আমিনুল। ও আমার সাথে পড়ে।


রিয়াজ ভাই, আপনার কথাটাকে মেনে চলার চেষ্টা করবো। কতটুকু পারবো জানিনা। কিন্তু আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করবো এই কথা বলতে পারি। ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমার কোন আচরণে আপনি কখনো কষ্ট পেলে দূঃখিত।।।
১৯. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
comment by: এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন:


অভিনন্দন।
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
comment by: অন্তীম বলেছেন:
অভিনন্দন

আমার একবার ১০৫ ডলার হওয়ার একাউন্ট ইনভেলিড হয়েগেছিল
২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: দুঃখ জানাতেই হয়।

২১. ২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
comment by: আমিনুল ইসলাম বলেছেন: গতকাল পোস্টটি প্রকাশ করেছিলাম। অনেক্ষণ কেউ কোন সাড়া শব্দ না দেয়ায় চলে যাই। পড়ে এতগুলো মন্তব্য আসবে বুঝতে পারিনি।

যাই হোক, যারা কাল পড়েননি, আজ পড়ছেন, তাদের প্রতি মন্তব্য জানানোর আমন্ত্রণ রইল।

 

 


ইংরেজি ব্লগিংয়েই ইদানীং আমাকে বেশি নিয়মিত দেখা যায়।
http://www.aisajib.com
http://personal.aisajib.com


লেখালেখির শুরুটা ২০০৬ সালের দিকে। প্রথমদিকে হাবিজাবি লিখলেও পরবর্তীতে প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখিতে আসক্তি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ