আমার প্রিয় পোস্ট
- মহা- বিদ্রোহী লুল ক্লান্ত - পাহাড়ের কান্না
- Top 10 অ্যাকুস্টিক গিটার Song ব্লগ লিঙ্ক mp3 ডাউনলোড লিঙ্ক সহ ।দেখি আপনাদের সাথে মিলে কিনা
- মেঘেরদেশ
- গ্র্যান্ড থেফট অটো - স্যান অ্যান্ড্রিয়াস গেমসে সমস্যা : গেমস বিশেষজ্ঞদের সাহায্য চাই
- আমিনুল ইসলাম
- মাসুদ রানার বই অবলম্বনে ৫০ টি মুভি । MR-9 এর ফ্যানরা, এখন ভিজুয়ালে পাবে রানার স্বাদ। । - দিপ
- Relaxing & Nature sounds - মে ঘ দূ ত
- ছেলে হাফ প্যান্ট পড়লে অশ্লীল ছেলে,মেয়ে পড়লে বড়লোকের মেয়ে - রাতুল_শাহ
- এই কারণে চলে যাওয়া!? - নীলতারা
- আমার দেখা সেরা শর্টফিল্ম গুলোর কালেকশন, একটি মাস্টওয়াচ পোস্ট - নিয়নের আলো
- ইন্ডিয়ান মিউজিশিয়ানদের জোচ্চুরি
(আসুন কিছু হিন্দি গানের অর্জিনাল ভার্সন শুনি) - আলআমিন মিরাজ
- আজকে গুগলের লোগোগুলো দেখেছেন ? একদিনে এতগুলো লোগো কখনো দেখিনি !! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- প্রথম আলো স্পোর্টস বিভাগ খেলার খবর না লিখে যদি অন্য খবর লিখতো!
- আলিম আল রাজি
- ব্লগের সাম্প্রতিক হড়ড়ড়ড়ড় গল্প ও পোস্টগুলোর সংকলন (গাছভুদাই™ সমগ্র)
- নাফিস ইফতেখার
- পুনমের বিরুদ্ধে মামলাঃ নারীমুক্তি/স্বাধীনতায় বড় ধাক্কা

- নীল_পদ্ম
- জীবন্ত করে ফেলুন স্থির চিত্রকে !!!!!!!!!


- হাসান জোবায়ের
- ব্যোমকেশ সমগ্র- (৩০টি রহস্যগল্পের ডাউনলোড লিঙ্ক / রহস্য প্রেমিদের অবশ্য পাঠ্য) - জাহাজী পোলা
- হাতে পেলাম নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট। দেখুন এর চেহারা। - শোভন এক্স
- উইন্ডোজ সেভেনকে জেনুইন করে ফেলুন জেনুইন সিরিয়াল দিয়ে - এ আর খান
- আপনার BTCL ফোনের বিল অনলাইন দেখুন - ইনজাম
- ভিকারুন্নেসা আর আইডিয়াল, ছাত্রছাত্রীরা এক অসুস্হ প্রতিযোগীতায় ব্যস্ত। - টিভি পাগলা
- মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিছু বইয়ের ডাউনলোড লিংক ২ - জাওয়াদ হাসান
- আমার প্রিয় ১০টা সারপ্রাইজ ট্যুইস্ট মুভি
(রিপোস্ট) - আসিফ মুভি পাগলা
- তার মানে ঠিক পথেই এগুচ্ছে বাংলা ব্লগ; আপনাকেই ক্ষমা চাইতে হবে রুবাইয়াত হোসেন। - আলিম আল রাজি
- গানগুলো শুনেছেন তো? না শুনলে মিউজিকের চূড়ান্ত শিল্পের স্বাদ থেকে আপনি এখনো বঞ্চিত। সেরা গানের কালেকশন (লিংকসহ) - জন রাসেল
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- এই লেখা পড়ার পর আপনি ভুলেও বাংলালায়ন নিবেন না - আমিনুল ইসলাম
- ইভা রহমানের হাত থেকে জাতির কি নিস্তার আছে? - কৌশিক
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন সদস্যকে দেখেই বুঝে নিন তার পদবি কি। - হা...হা...হা...
- আমার প্রিয় কিছু ১৮+ জোক্স (শেষ পর্ব) - কোর আই সেভেন
- কেমুন হইতো, যদি সামুর ব্যানারের নিচেরটা এমুন হইতো?

[টাইম পাস পোস্ট] - আমিনুল ইসলাম
- উবুন্টুতে টারমিনাল ব্যবহার করে ASCII আর্ট। - নির্জন রহমান
- জাগরণের গান-২ : মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিঙ্ক (৬টি ডিস্ক-১০১টি গান) - সপ্রতিভ
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- দেখে নিন উইকিলিকসের সার্ভার রুমের ছবি - আমিনুল ইসলাম
- আর্মি স্টেডিয়ামের হরর শো, শাহরুখের অনবদ্য 'উপস্থাপনা' এবং মিলার জন্য শিক্ষা - আমিনুল ইসলাম
- উবুন্টুতে বিজয়ঃ জনাব মোস্তাফা জব্বার সাহেবের নতুন চুরি - জিয়া চৌধুরী
- সাংবাদিকতার একটি অন্ধকার দিক - নতুনদেশ
- অভ্র থাকা সত্ত্বেও বিজয় ব্যবহার করতে চান? করুন ... সম্পূর্ণ ফ্রি-তে!!! (বিজয় ব্যবহার করেও কাগুর কান্নাকানি দেখেন...)
- তাজুল ইসলাম মুন্না
- কাউরে পঁচানোর এবং নিজে পঁচাইন্যা থেইকা বাঁচার 5 Rules - ইফতেখার নাঈম
- A legend , A re-knowned and A non-known - ALL ABOUT LOVE (২টি ইন্সট্রুমেন্টালের ও ১টি গানের ডাউনলোড লিংক সহ, ভালোবাসার নতুন সংজ্ঞা) - নিশম
- ফিরে পান ব্রাউজারে লেখা প্রতিটি অক্ষর (ব্রাউজার ক্র্যাশ করলে/কারেন্ট গেলে/পিসি রিস্টার্ট হলেও) (সামুর অটোড্রাফট - আমি তোমার ক্ষ্যাতা পুড়াই!)
- নাফিস ইফতেখার
- ২০১০ এর এই পর্যন্ত ব্যবসায় সেরা চলচ্চিত্রগুলো - মইন
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- কমেডি মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- রহস্য-রোমান্চ মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- হরর মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- সবকথা কৌতুক নিয়া!
- তাজুল ইসলাম মুন্না
হরর মুভি
- মাথা খারাপ
- ফেসবুক বন্ধে প্রতিবাদের ঝড় সাইবার ওয়ার্ল্ডে - হাসান বিপুল
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- পোস্টটি উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড লিংক্স থেকে লেখা
আমার প্রাথমিক বিশ্লেষণ - আমিনুল ইসলাম
- ~ উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড Lynx রিভিউ- সবকিছুকে ছাড়িয়ে ~ - পাপী
- কৌতুক সংগ্রহ সামগ্রী বিলকুল হঁসতে মানা - মাসুদ চৌধুরী
- ফ্রি গেমস্ - মাসুদ চৌধুরী
- ফটোগ্রাফির শখ থাকলে আগে এই ফটোগুলান দেখেন... মজা পাইতেও পারেন (৫+ মানের পোস্ট) - হেমায়েতপুরী
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- মুভি : ২০১২ : সম্পূর্ণ কাহিনী - আমিনুল ইসলাম
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি -৫ [ Gooooooogle অফিস ] - কুঁড়ের বাদশা
- কিছু শকিং মুভি। - হাসান মাহবুব
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- মাননীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা - আমাদের ভাগ্য কি চিরদিন অপরিবর্তিত থাকবে? MUST READ - আমিনুল ইসলাম
- ব্যতিক্রমী বিশ্ব রেকর্ড ও হবু বিশ্বরেকর্ড [সচিত্র] - আমিনুল ইসলাম
- এক ছাগু কারাগারে ... - রাগিব
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- অর্পিত [পর্ব ১] - আমিনুল ইসলাম
- হাইব্রিড নয়, হরলিকস নয়, আমিনুল বেড়ে উঠুক স্ব-প্রতিভায় - নার্ভাস নাইনটিজ
- নবম শ্রেণীর ছাত্র আমিনুলের বিবর্তন ওয়েবসাইটি নিয়ে আমার কিছু ভাবনা - কৌশিক
- ক্লাস নাইনে আমার ছিল প্রকৃতি - আর এখন বিষ্ময় বালক আমিনুলের আছে প্রযুক্তি - কৌশিক
বিশালতার মাঝে একদিন - ১
২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:১৩
রাত করে ঘুমিয়েছি। তাই নিজে থেকে ঘুম ভাঙছিল না। অবশ্য আমি সন্ধ্যায় ঘুমিয়ে পড়লেও নিজ থেকে কখনোই আমার ঘুম ভাঙে না।
তবে সেদিন একটু বেশিই টায়ার্ড থাকায় আম্মুর দশ-বারোবার ডাকার পরও ঘুম ভাঙেনি। পরে আমার বিরুদ্ধে মোটামুটি একটা যুদ্ধ ঘোষণা করা হলো। লক্ষ্য, আমাকে ঘুম থেকে উঠানো। অবশ্য যুদ্ধের প্রথম আক্রমণেই আমি হেরে গেলাম। যাই হোক, ঘুম থেকে উঠা মাত্রই আফসোস করা শুরু করলাম আরেকটু আগে কেন উঠলাম না। ঘড়িতে তখন প্রায় ছ'টার কাছাকাছি। সাতটার মধ্যে মোহাম্মদী গেস্ট হাউজের সামনে থাকতেই হবে যে কোনো উপায়ে।
তড়িঘড়ি করে কোনোরকমে হাত-মুখ ধুয়ে তৈরি হয়ে নিলাম। আম্মু-আব্বু, আপু আর মামা-মামি আগেই তৈরি হয়েছিল। অবশ্য আমার তৈরি হওয়ার জন্য কেউ বসে থাকেনি। সবাই মেকআপে ব্যস্ত। মনে হয় আরো দু'চার ঘণ্টা সময় থাকলে আরো দু'চার ঘণ্টাই টানা মেকআপ চলতো। ![]()
যাই হোক, সাতটা বাজার দশ মিনিট আগে বের হলাম আমরা সবাই। ফ্ল্যাট থেকে মোহাম্মদী গেস্ট হাউজ পাঁচ মিনিটের পথ। সঙ্গে একটি না দু'টি ব্যাগে সারাদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। গেস্ট হাউজের সামনে এসে দেখলাম বাস অনেক আগেই চলে এসেছে। কিন্তু দেরি করার ফল হলো সবার পেছনের সিট! ধুর! মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল।
যাই হোক, বাসে উঠার পরও প্রায় 30 মিনিট পর বাস ছাড়লো। পাংচুয়ালিটি বা সময়ানুবর্তিতা জিনিসটা বাংলাদেশে একেবারেই নেই। আর আমি মনে করি যাদের মাঝে আছে তাদের উচিৎ 'দেশের' সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উদ্দেশ্যে সময়ানুবর্তিতা ছেড়ে দেয়া। কারণ আমি নিজেই বহুবার এমন বিভিন্ন প্রোগ্রাম ইত্যাদিতে সময়মতো গিয়ে দেখি বেশি আগে চলে গেছি।
যেমন, জাতীয় প্রেসক্লাবে একদিন সকালে 9টায় একটা প্রোগ্রাম হওয়ার কথা ছিল। বারবার বলে দেয়া হয়েছে সময় যেন ঠিক থাকে। আমি 8.45মিনিটে গিয়ে দেখি কারো কোনো খবরই নেই। সেই অনুষ্ঠান শুরু হয় 10.45-এর দিকে।
যাই হোক, বাস ছাড়ার পর বেশ ভালো লাগলো। সকালের দৃশ্য এমনিতেই খুব সুন্দর। তার উপর ঘন কুয়াশা পড়েছে। ড্রাইভার কীভাবে গাড়ি চালাচ্ছিল সেটাই চিন্তার বিষয় ছিল। আঁকাবাঁকা রাস্তা পেরিয়ে পাহাড়-পর্বতের মধ্য দিয়ে ছুটে চলছিল আমাদের বাস। এর মধ্যে নাস্তা দেয়া হয়, তবে কারোরই তেমন খিদে না থাকায় সবাই নাস্তা রেখে দেই।
দারুণ ও মনে রাখার মতো প্রচুর দৃশ্য দেখার পর অবশেষে 11.30 থেকে 12.00 টার মধ্যে কোনো এক সময় আমাদের বাস গন্তব্যে পৌঁছলো। বাস থেকে নামলাম। সেখানে উঠতে হবে আরেক যানে। সেটার পাস ছিল আমাদের কাছে। পাস দেখিয়ে টিকেট নিলাম। তারপর রোমাঞ্চকর এক যাত্রার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম রোমাঞ্চকর এক ব্রিজের উপর দিয়ে।
সবার মুখে জাহাজ-জাহাজ শুনলেও নিজ চোখে দেখে সাধারণ একটা লঞ্চই মনে হলো, যদিও এগুলোর কাজ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। যাই হোক, জাহাজে উঠে পড়লাম আরেক বিপদে। সিট নেই। এজেন্সি থেকে সিটের কথা বলা হলেও এখানে এসে দেখলাম ডেকের উপর কতগুলো প্লাস্টিকের চেয়ার ছাড়া আর কোনো সিট নেই। ভেতরে বসার জায়গা দেখলেও সেখানে কাউকে ঢুকতে দিতে দেখলাম না। ভয়াবহ রোদে গা পুড়ে যেতে লাগলো। কিন্তু কিছু করার ছিল না। ডেকের ছায়ার সাইডটা লোকে পরিপূর্ণ। এখনই যদি রোদেই বসা না যায়, তাহলে পরে আর বসাই যাবে না। তাই কোনোরকমে সবার জন্য চেয়্যার রাখা হলো। পরে অবশ্য বুঝেছিলাম সিটের দরকার পড়ে না। জাহাজ চলতে শুরু করলে মানুষ কেউ ভেতরে থাকে না। সবাই বাইরে চলে এসে ঘোরাঘুরি করে। যত রোদই হোক, তখন ঠান্ডা বাতাস লাগতে থাকে।
যাই হোক, বরাবরের মতোই নির্ধারিত সময়ের 45 মিনিট পর জাহাজ ছাড়লো। সবার মধ্যেই একটা উত্তেজনা।জাহাজ ছাড়ার আগে স্পিকারে একবার কোরআন তেলাওয়াত হয়েছিল। ব্যাপারটা ভালোই লেগেছিল। যেন বিপদের মুখে রওনা দেয়ার শেষ মুহুর্তে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করা।
যাই হোক, কিছু দূর যেতে না যেতেই আমরা সবাই হারিয়ে গেলাম প্রকৃতির এক অচেনা পরিবেশে। দারুণ সব দৃশ্য উপভোগ করতে থাকলাম। জাহাজে লোকসংখ্যা অতিরিক্ত ছিল। নাহলে মজাটা আরেকটু বেশিই করা যেত।
কতক্ষণ পর জাহাজ এলো বিপদজনক অঞ্চলে। পুরো জাহাজ দুলতে শুরু করলো। একটু ভয় ভয় করলেও ভয়ের চেয়ে ব্যাপারটা উপভোগই করছিলাম। একরকম হঠাৎ করেই যেন খোলা সাগরে চলে এলো জাহাজটি। আমাদেরও চোখ জুড়াতে থাকলো পাহাড়-পর্বতের মনোরম সব দৃশ্য।
যাই হোক, প্রকৃতির মধ্য দিয়েই চলতে থাকলো আমাদের যাত্রা। কিছুক্ষণ পর স্পিকারে গান ছাড়া হলো। দারুণ একটি গান। আগে কখনো শুনিনি গানটি। তাছাড়া পরিস্থিতি ও জায়গার সঙ্গে গানটা দারুণভাবে ম্যাচ করেছিল। গানটি হলো ক্লান্তির শহর ছেড়ে। এখনো গানটি প্রায় প্রতিদিনই শুনি। যতবারই শুনি, ততবারই মনে পড়ে সেই স্মৃতি।
গানটি ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকে । সম্ভব হলে গানটি শুনতে শুনতে লেখাটি পড়ুন।
এর মধ্যে আরেকটা কাণ্ড ঘটলো। পিচ্চি একটা জাহাজ কোত্থেকে যেন উদয় হলো। আমরা অনেক দূর থেকে প্রথমে ওটার অস্তিত্ব দেখলাম। তারপর ধীরে ধীরে বিন্দুটা বড় হতে থাকলো এবং একসময় দেখলাম আমাদের একেবারে কাছে চলে এসেছে। যদিও জাহাজের নিজস্ব কোনো ভাষা বা মুখভঙ্গি নেই, তবুও আমাদের পাশ কাটানোর সময় যেন মনে হলো কত ভাব দেখিয়ে পাশ কাটাচ্ছে!
যাই হোক, এসবের মধ্য দিয়েই চলতে থাকলো আমাদের যাত্রা। প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম পানির রঙ বদলে যাচ্ছে। একটু আগের সেই পানি আর নেই। অদ্ভূত এক রঙ ধারণ করেছে পানি। মনে হচ্ছিল ভিন্ন কোনো জগতে চলে এসেছি আমরা হঠাৎ করেই। লক্ষ্য করে দেখলাম, আশেপাশে বা দূর-দূরান্তে যত দূরেই চোখ যায় পানির এই একই রঙ। অবাক লাগলো এভাবে রঙ বদলে যাওয়া দেখে। মনে হচ্ছিল অস্বাভাবিক আকারের বিশাল এক সুইমিং পুলে চলে এসেছি! আর বদলে যাওয়া রঙে যখন ফেনা তুলে আমাদের জাহাজ এগিয়ে যাচ্ছিল, সেই দৃশ্য কেবল উপভোগ করাই যায়, বর্ণনা করা যায় না।
মুগ্ধ হয়ে এই দৃশ্য দেখতে থাকলাম। ফটোগ্রাফিতে শখ থাকায় ক্যামেরায় ছবিও তুলছিলাম। কিন্তু ঐ সময়টায় এমন মনে হচ্ছিল যে ছবি তোলার কিছু নেই। যেদিকেই তাকাই কেবল পানি আর পানি। ডাঙার নাম-গন্ধও নেই। খালি পানিতে কী ছবি তুলব খুঁজে পেলাম না।
অনেকক্ষণ পর অবশেষে দেখা পেলাম প্রত্যাশিত সেই ডাঙার। প্রথমে বিন্দু হয়ে দেখা দিয়ে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকলো। আমরা সবাই নিশ্চিত হতে পারছিলাম না এটাই সেই জায়গা কি না। তবে যখন জাহাজের দিক ঘোরানো হলো, বুঝতে বাকি রইলো না, বিশাল এক সমুদ্রের মাঝে, বাংলাদেশের এক কিনারে, সেইন্ট মার্টিন আমাদের সামনে উপস্থিত।
[পরবর্তী পর্বে সমাপ্য]
লেখাটির প্রথম প্রকাশ আমার ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা ব্লগে | আরো ছবিসহ বিস্তারিত পড়তে চোখ রাখুন ইংরেজি ব্লগে ।
মন্তব্য আমন্ত্রিত।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমণ, সেইন্ট মার্টিন, ছবিব্লগ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: জীবনের ডায়েরী বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১১:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
টেকি মামুন বলেছেন:
সেন্টমার্টিন নাকি ডুবে যাবে ??সত্যি নাকি ??আমিতো এখনও যাইতেই পারলাম না এত তাড়াতাড়ি ডুবলে চলবো
লেখক বলেছেন: সেইন্টমার্টিন যেতে না পারলে ইনানী বিচে যাইয়েন। একই জিনিস। পার্থক্য খুবই সামান্য।
টেকি মামুন বলেছেন:
ইনানী বিচ দেখা হয়ে গেছে অসাধারণ প্রবালগুলো ।তবে সেন্টমার্টিনতো বিশাল তাই যাবার জন্য উচখোচ আরকি ।
কৌশিক বলেছেন:
হেভি ভ্রমণ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














