বৈশম্পায়ন
লাভাস্রোতের মতো নেমে যাচ্ছে তরল অন্ধকার
শরীরের গহিন থেকে আ-রো গহিনে। সেখানে জলোমগ্নতা,
অচেনা নদীর বাঁকে তমসার মিথস্ক্রিয়া। সিগারেটে নীল আগুণ;
সেওতো পোড়াচ্ছে বুক। শরীর হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ
নীল থেকে আরো নীলাভ। হু-হু করে বেড়েই চলেছে শহরে
দুঃখের ফারেনহাইট। চেয়ে দ্যাখো, সে যেন তার
সমস্ত সৌন্দর্য্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কী উত্তাল!
কী ভীষণ সামুদ্রিক তার রংধণু শরীর!
তবু মন খারাপ করা হাওয়ার ঘূর্ণি কেবল তাকে ঘিরেই।
কাজলকালো রাত নেমেছে। এ' শহরেই
আঁধারমাঝে কোথাও একা বসে আছে বৈশম্পায়ন।
২০০৪
ঢাকার চিঠি -৩
সারাদিন জুড়ে রিমঝিম আর রিমঝিম
খুলে গেছে আজ অশ্রুনগরীর দ্বার
কারো আজ আসবার কথা ছিলো
বৃত্ত ছেড়ে তাই দিগন্ত বেয়ে হাটছে সময়
বাতাসে ভাসছে দুঃখ-জাগানিয়া কিছু জলজ সৌরভ
বিচ্ছিন্নতা আমাদের জন্য নয়
আমাদের জন্য হৃদয় নিংড়ে আনা কিছু সুপ্রাচীন সবুজ
চিরহরিতের গেলাসে পান করে নেয়া
সহস্র পাইন্ট স্ফটিক অশ্রু
চলে এসো নৈর্ঋতা
তোমার অপেক্ষায় আজ সমস্ত শহর
আর একটা ক্ষয়ে যাওয়া ক্রিসেনথেমাম
২০০৩
প্রাচীন আগুণ
কী ভেবেছো! ভুলে গেছি পদ্যলেখা?
ক্যালেন্ডারের সবগুলো ক্রসমার্ক?
স্নায়বিক আর্কাইভে তুলে রাখা প্রচ্ছন্ন বিষাদেরা
একটু একটু করে মিলিয়ে যাচ্ছে
আর ফিরছে মন্দিরের ঘন্টাধ্বনিরা
মাঝরাত্তিরে বাড়ি ফিরে পকেট হাতড়ে আমি
খুঁজে ফিরি স্বপ্ন। ছেঁড়া পকেটে আর
কতটুকুই বা স্বপ্ন ধরে! বলো।
নগ্ননৃত্যে সময়, আমার প্রিমাভেরা-মন
এ্যাপোলোর মতো অহং শরীরে নিয়ে
আজও কেমন দাঁড়িয়ে আছি
কী ভেবেছো! ভালোবাসতে ভুলে গেছি!
১৯৯৯
যুবা ও বাল্য বয়সে লিখিত কিছু 'শিশুসুলভ' কবিতা (!) নিবেদিত হলো আপনাদের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



