অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি ।।
আর এস এস ফিড

আমার লিঙ্কস

আমার প্রিয় পোস্ট

ব্লগীয় ধর্ষকদের যুক্তি : যত দোষ নন্দ ঘোষ

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪২ |

শেয়ারঃ
677 1

ব্লগার অপূর্ন -র পোস্টে করা কমেন্টটা কিছুটা এডিট করে পোস্ট আকারে রাখার প্রয়োজন মনে করলাম । যারা বেহায়া নারীদের পাল্লায় পড়ে ধর্ষন করতে 'বাধ্য' হইতেছেন , তাদের জন্য এই পোস্ট । আর যারা এইসব নির্লজ্জ বাস্টার্ডদের কথায় হতবাক হয়ে গেছেন , তারাও পড়তে পারেন ।

আমার মনে হইতে শুরু করছিল পুরুষ জাতি পুরাপুরি পার্ভার্টে পরিনত হইছে । তাদের মধ্যে আর আত্মসম্মানবোধ বলে কিছু অবশিষ্ট নাই থাকলে নিজেদের এইভাবে ধর্ষক বলে প্রচার করতে পারতনা । আমার ভাইদের ধন্যবাদ, প্রতিবাদ করে পুরুষজাতির সম্মান রক্ষা করার জন্য । অন্যকে সম্মান দিলেই কেবল নিজে সম্মান পাওয়া যায় ।

এবার কিছু কথা বলি , ওইসব পুরুষ নামধারী বাস্টার্ডদের দেয়া যুক্তির নমুনা ।

অনেক পুরুষই যে কথাটা বলছেন তা হল,
শালীন পোষাক পড়লে সমস্যা কি ? :
কয়েকমাস আগে খবরে পড়ছিলাম, একটা গরুকে রেপ করা হইছে । আমি বলি কি, গরুটাকে নগ্ন রাখার দরকার কি ছিল ? জানি গরুকে কেউ কাপড়-চোপড় পরায় না । কিন্তু পরাইলে সমস্যা কি ? আছে কোন সমস্যা ? পরাইলে হয়ত রেপ হইত না । হয়ত রেপিস্ট ভাবত এইটা কোন স্পেশাল গরু । হয়ত । ট্রাই করতে সমস্যা কি ?

মাদ্রাসার এক হুজুর বাচ্চা ছেলেদের রেপ করেন । বাচ্চা ছেলেগুলাকে বোরখা পরানো হয়না কেন ? জানি ছেলেদের বোরখা পরানো হয়না । কিন্তু হইলে সমস্যা কি ? ছেলেদের বোরখা পরা নিষিদ্ধ তো না ! সমস্যা আছে কোন ?

শালীন পোষাক পরলে কোন সমস্যা নাই । কিন্তু সমস্যাটা হল, ধর্ষকের জন্য সেই পোষাক কখনই যথেষ্ট শালীন হবেনা ।

সমস্যাটা হল, আপনারা আসল সমস্যাটাই ধরতে পারতেছেন না । ভিক্টিমের দোষ আছে কিনা এটা খোঁজার মানেই হইল অপরাধীর অপরাধ জাস্টিফাই করার সুযোগ । এইভাবে যদি হিসাব করেন তাহলে দুনিয়ার যাবতীয় অপরাধকে আপনারা জাস্টিফাই করতে পারবেন । কারন কোন মানুষই নিখুঁত না । ভিক্টিমের কিছু না কিছু দোষ পাওয়া যাবেই । ঠিক কতবড় অপরাধ করলে একটা মানুষকে ধর্ষন করা জায়েজ ?

সমস্যাটা হল, অপরাধীর কাজকর্মকে আপনি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করতেছেন ভিক্টিম কে উপদেশ বা শাস্তি দিয়ে । চুরি করছে কুদ্দুস, আপনি মাইর দিলেন ইউনুসরে, কারন ইউনুস চুরি করার মত জিনিষ পকেটে নিয়ে ঘুরতেছে । সে সাবধান হইলনা কেন ? মজার ব্যাপার ! ইউনুসের জিনিষও চুরি গেল, মাইরও সে খাইল । কুদ্দুসকে সবাই মুখে মুখে ভর্ৎসনা করে ছেড়ে দিল (না না কাজটা খুব খারাপ হইছে কুদ্দুসের শাস্তি হওয়া দরকার, কিন্তু আগে ইউনুসরে মারো ) । কুদ্দুস কেন আবার চুরি করবেনা ?



ধর্ষন একটা ক্রাইম । যেমন কাউকে খুন করা । আপনি একটা মানুষকে খুন করতে পারেন কোন যুক্তিতে ? কোন যুক্তি দিয়েই একটা ক্রাইমকে জাস্টিফাই করা যায়না । এমনকি একটা ক্রাইমের পরিবর্তেও আপনি আরেকটা ক্রাইম করতে পারেননা । আপনার প্রতি ক্রাইম হলে আপনি আদালত বা আইনের সাহায্য নেবেন । বদলা নিতে আরেকটা খুন করতে পারবেননা । এটাই সভ্য সমাজের নিয়ম । অশালীন পোষাক পড়া মেয়েরা কার প্রতি ক্রাইম করতেছে ?

আমি অশালীন পোশাক সমর্থন করিনা । কিন্তু এটাকে কুসংস্কৃতি বলা যায়, বড়জোর সামাজিক অনাচার । এটা কোন ক্রাইম নয় । কুসংস্কৃতিকে সচেতনতা আর নৈতিক শিক্ষা দিয়ে ডিফেন্ড করতে হবে । ধর্ষন বা ইভটিজিং করে নয় ।

যারা বলেন, একজায়গায় পর্দাশীল আর বেপর্দা ২ টা মেয়ে থাকলে কুনজর পড়বে বেপর্দা মেয়েটার উপর, তারা জবাব দিয়া যান, সাজিয়া আফরিন একজন হিজাবী মেয়ে ছিলেন । এত বেহায়া মেয়েলোক চারপাশে থাকতে, ধর্ষক তার দিকে দৃষ্টি দিল কেন ?

পর্দানশীন 'ইসলামী' দেশে ধর্ষন হয়না : সত্য । কারন ধর্ষনের সংজ্ঞা হইল, একজনের মত ছাড়াই তার সাথে জবরদস্তি যৌন সংসর্গ স্থাপন করা । আর যেই দেশে 'মেয়েদের মত' জাতীয় কোন বস্তুরই স্বীকৃতি নাই , সেই দেশে ধর্ষন হবে কিভাবে ? যেই দেশে কেউ ধর্ষনের অভিযোগ করতে গেলে তারে জেনা করার অভিযোগে দোররা মারা হয়, তাদের ধর্ষনের রিপোর্ট কম হবেনা তো কি সুইজারল্যান্ডে হবে ?
যাদের দেশে ধর্ষনের রেকর্ড এত কম, তাদের দেশে ভয়ে অন্যান্য দেশ নিজেদের নারীকর্মী পাঠানো বন্ধ করে দিছে ।
আচ্ছা , মুখতার মাই যেন কে ?

অশালীন মেয়েদের কারনে ভদ্র নিরীহ মেয়েরা ধর্ষিত হয় : আহহা ! ধর্ষকরা অত খারাপ না । কিন্তু সারাক্ষন অশ্লীল পোষাক পরা মেয়ে দেখতে বাধ্য হয় । আর তাদেরকে না পেয়ে নিরীহ মেয়েদের উপর হামলা চালায় । ভালো কথা, তো তারা পর্ণ দেখা বন্ধ করেনা কেন ? ধরে নেই, আপনি দেশের যাবতীয় মেয়েকে (২ বছরের বাচ্চাকেও) হিজাব পরায় দিলেন । তবুও ধর্ষকরা এই যুক্তিটি দিতে পারবে । কারন তখনও তারা পর্ণ দেখবে । পর্ণ তো আপনি খুঁজে বের করেই দেখেন, নাকি ? এটা কেউ আপনাকে দেখতে বাধ্য করেনা ।
। আচ্ছা, এত্ত এত্ত বেহায়া বেশরম মেয়ে, যারা কিনা নিজেদের ইজ্জত লুটায় দেওয়ার জন্য অস্থির, তারা থাকতে ধর্ষকদের নিরীহ মেয়েদের উপর ঝুঁকি নিয়ে জবরদস্তি করার দরকারটা কি ? একান্তই যদি এমন বেহায়া মেয়েও না পায়, তাইলে যৌনকর্মীও আছে এই দেশে । ক্রাইম করার দরকার পরে কেন ?

খলের যুক্তির অভাব হয়না ।




একহাতে তালি বাজেনা : বিশেষ করে ইভটিজিং জাতীয় যৌন নিপীড়নের ক্ষেত্রে অপরাধীকে বাচাতে এ কুযিক্তিটি দেয়া হয় । একহাতে তালি বাজেনা সত্য । কিন্তু অপরাধ একতরফাভাবে করা যায় । আপনি যখন ছিনতাই করেন একহাতেই তালি বাজে । যখন ডাকাতি করেন, চুরি করেন, খুন করেন, এক হাতেই তালি বাজে । নির্যাতিতর দোষ আছে কিনা এটা খুঁজতে যাবার মানে কি ? মানে হল নির্যাতনকারীর অপরাধ কম করে দেখানো ।

কোন পতিতাকে যৌন নির্যাতন, কিংবা ধর্ষন করা কি জায়েজ ?


আমার ডান্ডা খারায় যায় আমি কি করমু :
কয়েকজন ধার্মিক মনোভাবাপন্ন ব্লগার এটি বলেছেন । এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া । আপনি যদি মেয়েদের সালওয়ার কামিজে দেখে অভ্যস্ত হন তাহলে জিন্সে দেখে আপনার 'খারায়' যেতে পারে । যদি বোরখা দেখে অভ্যস্ত হন, সালওয়ার কামিজে দেখে আপনার 'খাড়ায়' যেতে পারে । আর যদি মেয়েদের না দেখতে অভ্যস্ত হন তবে আশেপাশে কোন মেয়ে আছে এই চিন্তাতেও আপনার 'খারায়' যেতে পারে । এমতাবস্থায় আপনার ধর্ম আপনাকে যে নির্দেশ দিয়েছে তাই করবেন । বাড়ি গিয়ে অজু করে নামাজ পড়বেন ।

কারন বেপর্দা বেহায়া মেয়েলোকের সংখ্যা পৃখিবীতে কমার কোন চান্স নাই । কিন্তু আপনাকে তো বেহেশতে যাইতেই হবে, তাই না ?

ছিলা কলা ও মাছি তত্ব : এইটাও অত্যন্ত ধার্মিক কিছু মানুষের বক্তব্য । কেউ গায়ে পেট্রল লাগায় ঘুরলে আগুনের কি দোষ ? অথবা , ছিলা কলায় মাছি তো বসবেই । আচ্ছা ধরেন, গে-রা বাচ্চা ছেলে দেখলে লোভ সামলাইতে পারতেছেনা । তাদের আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠতেছে । কি করবেন ? ছেলেদের বোরখা পরাইতে শুরু করবেন ? ছেলেদেরও তো ফুটা আছে । তো ধর্ষক গে-দের হাত থেকে বাঁচার জন্য ঠিক কি ধরনের ব্যবস্থা নিবেন আপনারা ?

ভালো কথা , আমাদের দেশের ৯০ ভাগ পুরুষ মাঝরাস্তায় সবার সামনে উলঙ্গ হয়ে যায় । আপনার কি মনে হয় কেন তাদের ছিলা কলায় মাছি বসেনা ?

উত্তেজিত ছেলে বনাম ক্ষুধার্ত হায়না : এ যুক্তিটিও কেউ কেউ দিয়েছেন । তাদের বক্তব্য, ছেলেদের ব্যাপক উত্তেজনা দিয়ে তৈরী করা হইছে । তারা ক্ষুধার্ত হায়না । মেয়েদের চাইতে তাদের উত্তেজনা অনেক বেশী । কাজেই তারা নিজেদের সামলাইতে পারেনা । আর যাদের এমন হয়না তারা নাকি পুরুষই না ।
মজার ব্যাপার হল, মধ্যপ্রাচ্যে এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশে মেয়েদের খৎনা করার কারন হিসেবে ঠিক এর বিপরীত যুক্তি দেয়া হয় । মেয়েদের যৌন উত্তেজনা বেশী বলে তা দমিয়ে রাখতে যৌনাঙ্গের মূল অংশটাই কেটে ফেলা । তো হতেই পারে আমাদের দেশে হয়তো উল্টাটাই সত্যি । সেক্ষেত্রে একই যুক্তি অনুসারে তাদের উচিত হবে নিজেদের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা । আমরা মেয়েরা নাহয় উত্তেজনাহীন ভদ্র সভ্য পুরুষ দিয়াই কাজ চালায় নিব ।

সমস্যাটা আপনার হইলে ব্যবস্থাও তে আপনাকেই নিতে হবে, তাইনা ? অন্যকে গাড়ী চড়তে দেখে আপনের কষ্ট হইলে আপনে তার গাড়ী চুরি করতে পারেননা , তাকে গাড়ী চড়তে বাধা দিতেও পারেননা । নিজে গাড়ি কিনেন । অথবা আপনি নিজেই বাইরে বের হওয়া বন্ধ করেন ।

যেসব পুরুষ মেয়ে দেখলে ধর্ষনের ইচ্ছা (অথবা ইভ টিজিং এর ইচ্ছা) সামলাতে পারেননা , তারা অন্তপুরবাসী হন । কারন বেহায়া মেয়েলোক দুনিয়াতে কমবেনা....ইশশ...কিন্তু আপনাকে তো পরকাল নষ্ট করলে চলবেনা...তাই না ?

নিজের পরকাল বাঁচাতে আকুল ধর্ষকরা দুই চোখ ঢাকা বোরখাও পরতে পারেন ।

নারীরা অশালীন পোশাক পরবে ক্যান: কিছু পুরুষ কোনোভাবেই নারীকে খারাপ পোষাকে দেখতে চাননা । আপনার মনে হতেই পারে, এটা তো খারাপ কথা নয় । তাদের পোস্ট দেখে যে কারো মনে হওয়াটা স্বাভাবিক, আমাদের দেশীয় পুরুষরা অত্যন্ত শালীনতাপ্রিয় । এটি ভালো । আমিও সমর্থন করি । কিন্তু কিছুতেই ভেবে পাইনা, তাইলে তারা খুঁজে খুঁজে পর্ণ দেখে কেন ? রাস্তাঘাটে বেহায়া মেয়েলোক এসে পড়লে না হয় আপনি দেখতে বাধ্য হন, ফলে আপনার ইহকাল পরকাল হুমকীর মুখে পড়ে । কিন্তু নেটে তো একটা ফিল্টার লাগানোই যথেষ্ট । তা দূরে থাক, আপনি আরো সার্চ করে করে খুঁজে বের করেন । বাংলাদেশ থেকে পর্ণ খোঁজার হার কেমন, তা ওয়েবে সার্চ করে দেখতে পারেন । তাও বাদ দেই, এই সামু ব্লগেই হট ভিডিও চেয়ে যারা ইমেইল এর সারি দিয়েছিলেন, তাদের অনেককেই দেখি শালীন পোশাকে মেয়ে দেখতে ভীষন আগ্রহী । হিপোক্রেটস !

যেই দেশের ৯০ভাগ পুরুষ রাজপথে উলঙ্গ হয়ে প্রশ্রাব করে , যেই দেশে ৯০ভাগ পুরুষ ইন্টারনেটে ঢোকে পর্ণ খুঁজতে, তাদের মুখে শালীনতার কথা মানায়না ।


আমাদের দেশের মেয়েরা এখনও অনেক ভদ্রভাবে চলাফেরা করে । প্রচুর মেয়েরা হিজাব , বোরখা পরছে । কিন্তু একতরফা মার খেতে খেতে তারা আর এত ভদ্র থাকবেনা । সেদিন আর দূরে নেই যখন মেয়েরা রাস্তায় ব্লেড হাতে চলাফেরা করবে । মরিয়া হয়ে হয়ত তারা একযোগে আক্রমন করতে শিখে নেবে । সেদিন আপনার সবেধন নীলমনি পুরুষাঙ্গটি বাঁচাতে পারবেন তো ? আপনাদের যে ওই একটিই সম্বল পৃথিবীতে ।

-----------------------------------------------------------------------

যারা বাংলা কথা বুঝেও না বুঝার ভান করে আলোচনাকে অন্যপথে নিতে চায়, তাদের জন্য একটি সংযুক্তি :

আমার পোস্টের উদ্দেশ্য: ভিক্টিমের প্রতি নেগেটিভ মানসিকতার বদল ।

কেন ? : কারন তাতে মানুষ অপরাধীর অপরাধ হালকাভাবে দেখতে শুরু করে । ভিক্টিমের প্রতি নয়, অপরাধীর প্রতি সহানুভূতি জন্মায় ।

ফলে ? : এই সহানুভূতির ফলে অপরাধীর কঠোর শাস্তির দাবী থেকে সরে আসে । উল্টো ভিক্টিমকে শাস্তি দিতে চায় ।

এবং ? : ভয়ে ভিক্টিম রিপোর্ট করতে চায়না । কথনো সে নিজেও অপরাধবোধে ভুগে এমনকি আত্মহত্যা করে ।

অতএব ? : অপরাধীকে আইনগতভাবে দিতে হবে কঠোর শাস্তি (অর্থাৎ পুরুষত্বহীন করা এবং মৃত্যুদন্ড ) । সামাজিকভাবে করতে হবে চরম ঘৃণা এবং বয়কট । তাতে করে পোটেনশিয়াল ধর্ষকামীরাও হবে সাবধান ।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী নির্যাতন; ধর্ষন; ইভ টিজিং; ;
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


১৩৭টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন