somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপনাকে কুতকুত খেলার জন্য আনা হয় নাই.....দয়া করে কুতকুত খেলবেন না।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আমরা কুতকুত খেলার জন্য গত নির্বাচনে বিজয়ী করিনি।কুতকুত খেলার অনেক লোক আছে। দয়া করে আপনি সে কাতারে সামীল হবেন না। আপনি যে ওয়াদা করে নির্বাচিত হয়েছেন দয়া করে তা পালন করুন , আর যদি তা করতে ব্যর্থ হন তাহলে বলে দিন আপনি পারবেন না। দয়া করে কুতকুত খেলবেন না দেশের জনগনের সাথে।

যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরধী বিচার নিয়ে কথা বলছি। আপনি ওয়াদা করেছিলেন ক্ষমতায় এসে তাদের বিচার করবেন। আপনার মেয়াদ তিন বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত আপনি বিচার সম্পূর্ন করা তো দূরের কথা অনেক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ও গঠন করতে পারেন নাই। আপনাকে গত নির্বচনে আমরা তরুনরাই বেশী ভোট দিয়েছি। অনেক আশাছিল আপনার সময় বিচার শেষ হবে। কিন্তু এখন যা দেখছি আপনি বিচারের নামে লোক দেখানো কুতকুত খেলছেন। আমি বিচার প্রক্রিয়ার কথা বলছি না, প্রশ্ন তুলছিনা ট্রাইবুনাল নিয়ে ও। আমি শুধু সরকারের ব্যর্থতার দিক গুলা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। যা দেশকে বিচার পাওয়া থেকে পেছনে ঠেলে দিচ্ছে।

১) এতদিনেও সাইদী ছাড়া কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে ১ বছরের মত হয়েছে। রাজাকার বলতে সবার আগে যার নামটি আসতো সব সময় সেই গোলাম আজম কে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।

২) শুরুর দিন থেকে শুনে আসছি সরকারের হাতে সব প্রমান আছে। তাদের কে অপরাদী প্রমান করতে যা যা দরকার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সব প্রমান আছে।

৩) যাও সাঈদীর বিচার কাজ শুরু হয়েছে , স্বাক্ষীর যে নমুনা দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে সরকার সত্যিকার ভাবে কুতকুত খেলতেছে। এই নিয়ে নয় জন স্বাক্ষীকে জেরা করল সাঈদীর আইনজীবী। তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, জেল খাটার অভিযোগ, নারী নির্যাতনের অভিযোগ আছে , পাশাপাশি এক জনরে কথার সাথে আরেক জনের কথার ও অমির আছে।

৪) স্বাক্ষীদের যাদের মুক্তিযুদ্ধা বলা হচ্ছে সেখানেও প্রশ্ন উঠেছে। মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ২০১১ তে পাওয়া। দেশে কি প্রকৃতি মুক্তিযোদ্ধার অভাব ছিল ??? নাকি তারা সবাই এখন আর জীবীত নাই। জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান শেখ মুজিবুর রহমান যাদের ৪০০০০ জন কে সনদ দিয়েছিলেন তাদের একজনকে ও কেন স্বাক্ষী হিসেবে রাখা হয় নাই।

এখন আসছে মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর ফোরাম নামন সংগঠনটির কথা। এখানেও দুভাগ। আওয়ামীলীগ আর বিএনপি। বিএনপির কথা বাদ দিলাম। তারা সরাসরী এই বিচার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে। প্রশ্ন হল আওয়ামীলীগ এর সেক্টর ফোরাম এ কি ঐ ৪০০০০ এর একজন ও নাই। জিয়াউর রহমান এ সংখ্যা বাড়িয়ে করেছিলেন ৬০০০০ আর এরশাদ এটাকে ১ লাখ এ উন্নত করেছিলেন। এখন সংখ্যা হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ।
প্রথম যে ৪০০০০ ছিল সেখান থেকে কেন স্বাক্ষী করা হয়নি ????? ( আমার পরিসংখ্যানে কিছু ভুল থাকলে ক্ষমা করে দিবেন আশা করি, প্রকিত সংখ্যাটা আমাকে জানাবেন , সংখ্যাগুলা আমি বাংলাভিশনে ফ্রন্টলাইনে শুনেছিলাম )।

৫) যেখানে আপনার স্বাক্ষী দুরবল থাকে সেখানে আপনি অপরাধী কি মুখন্ত বলবেন নাকি ??

৬) যদি আপনার কাছে এখন পর্যন্ত প্রযাপ্ত স্কাক্ষ প্রমান না থাকে তাহলে কেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করে এক বছর ধরে জনগনের অর্থ তাদের পেচনে খরচ করছেন??? কেন ট্রাইবুনাল তৈরি করলেন ?? কেন আইনজীবী নিয়োগ করলেন ?? সব হাতে পাওয়ার পর আপনি এই সব করতেন ? এত তাড়াতাড়ি করে কি জনগনকে বুঝাতে চেয়েছিলেন আমি শুরু করছি। আর এর কারনে দেশের কত অর্থ ব্যয় হচ্ছে তার কি হিসাব করেছেন ?

এখন পর্যন্ত বিচারের কিছুই হল না। এখনও সময় আছে এই ধরনের বিচারের নামে কুতকুত খেলা বন্ধ করে সত্যিকারের বিচার করেন, যেখানে স্বাক্ষীদের নিয়ে কেউ কোন প্রশ্ন তুলবেনা, প্রশ্ন তুলবেনো তাদের মুক্তিযুদ্ধের পরিচয় নিয়ে, প্রশ্ন তুলবেনা তাদের চরিত্র নিয়ে।তা নাহলে জনগন আপনাকে ক্ষমা করবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪৭
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×