আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি,কার তাতে কী ?-(দ্বিতীয় এবং শেষ কিস্তি)

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:০০

শেয়ার করুন:                   Facebook

তিন.
কম্পিউটার টিপে টিপে আমার যে সামান্য কমনসেন্স জন্মেছে তাতে করে আমি নিশ্চিত জানি ইন্টারনেট একটি ফ্রি মাধ্যম এবং এখানে কোন কিছু সেন্সর করার কথা বলা অর্থহীণ।আমি সর্বভূক ধরনের প্রানী।ব্লগে আমি তাই চোরের ছড়া,রাসেলের শিশ্ন সমৃদ্ধ লেখা,ত্রিভুজের মহাজ্ঞানী লেখা হোসেইন আর রাগইমনের পাল্টাপাল্টি পোস্ট কোন কিছুকেই বাদ দেই না,সব গুলোই পড়ি। যেটা সঠিক মনে হয়,সেটাকে সমর্থন করি,যেটা ভুল মনে হয় সেটাও বলি আর যেটা বুঝতে সক্ষম হই না,সেটা থেকে নীরবে কেটে পড়ি।

ব্লগে অম্লীল শব্দ,বাক্য এগুলো বাদ দেয়া সম্ভব না জেনেই আমি ব্লগিংয়ের প্রথম দিকে সবার কাছে বিনীতভাবে জানিয়েছিলাম,আমার এসব ভালো লাগে না,এবং আমি এসব পড়া থেকে বিরত থাকি।আমি যেমন কারো লেখার অধিকারকে বন্ধ করে দিতে পারি না,তেমনি আমার পড়ার অধিকারেও নিশ্চয়ই কেউ বাগড়া বসাতে আসে না।

চার.
কথা আমি তুলিনি,তুলেছেন আরিল।ক্ষুদ্র ইংরেজী জ্ঞানে যতোটুকু বুঝেছি,তিনি ব্লগের যে বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়ে পয়েন্ট আউট করেছেন,তার মধ্যে আছে অম্লীলতা এবং নুইসেন্স।ত্রিভুজ একটা পোস্ট দিয়ে চোরের একটি কমেন্টের দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করলেন এবং চোরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার জন্যও বললেন।আমি বেশকিছুদিন ধরে ব্লগে লগইন না করেই বসে বসে লেখা পড়ি,তো এই পর্যায়ে আমার মনে হলো যে অম্লীলতার সংজ্ঞা নির্ধারনের যে কথা উঠেছে,সেখানে আমারও কিছু বক্তব্য আছে এবং সেটা জানাতেই আমি আরিলকে একটা চিঠি লিখলাম। হোসেইনের কাছে ঝুমকার লেখা অম্লীল,ত্রিভুজের কাছে চোরের কমেন্ট অম্লীল আর আমার কাছে নিজামীর ছবি অম্লীল। এতে তো কোন সমস্যা থাকার কথা না।আমার মতো অনেক ব্লগারই আমার সাথে সহমত পোষন করলেন,এবং দেখতে দেখতে শখানেক কমেন্ট চলে আসলো।এখন অম্লীলতার সংজ্ঞা নির্ধারন করতে হলে আমাদের এতোজনের কথাকেও গুরুত্ব দিতে হবে বলে আমার বিশ্বাস।

পাচঁ.
কথা উঠেছে আমার অতিরিক্ত আবেগের বিষয় নিয়ে,সত্যি সত্যিই আমি আবেগ প্রবন মানুষ।
কোথাও কোথাও যুক্তিকে অফ করে,আবেগের ঠেলায় উথলে উঠলে কোন সমস্যা নেই।আমার বাবা চাচারা ছিলেন ভাসানী ন্যাপের তুমুল একটিভ কর্মী,তিনি কিন্তু চীনা পন্থি কমিউনিস্ট নেতাদের কথা শুনে ‘‘দুই কুকুরের কামড়া কামড়ি’’ বলে মুক্তিযুদ্ধে যাওয়া থেকে বিরত থাকেন নি।আমার দাদা মুসলিম লীগের নেতা ছিলেন,সিলেট আলীয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল,সে যুগের বেশ লেখাপড়া জানা মানুষ।তিনি অনেক যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছিলেন যে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী পৃথিবীর সেরা সেনাবাহিনীর একটি,সেটার বিরুদ্ধে দুই তিনটা গুলি ফুটিয়ে কিছু হবে না,তিতুমীরের বাশের কেল্লার মতো আরেকটি বোকামি হচ্ছে,সিপাহী বিদ্রোহ করে অনর্থক হাজার হাজার মানুষ ফাসিতে ঝুলছে এবং আরো অনেক ইতং বিতং ব্যাপার। বাংলাদেশকে স্বাধীণতা পেতে হলে গান্ধীর মতোই নাকি অহিংসতা চালিয়ে যেতে হবে আর সেটাই মোক্ষম পন্থা।

ভাগ্যিস,সেই মহান বিম্লেষন উপেক্ষা করে থ্রি নট থ্রি নিয়ে যুদ্ধে যেতে বাংলার কৃষক,শ্রমিক,ছাত্র,বেকারের কোন অসুবিধা হয় নি,আর তাই ৯ মাসের মাথাতেই অনেক বুঝদার মানুষের কথাবার্তাকে ভুল প্রমানিত করেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে।প্রচন্ড আবেগের যে শক্তি,তার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী পরাজিত হয়েছিল।আর যারা বসে বসে বলছিলেন ‘বাঙালির আবেগ বেশি,ফালতু লাফায়’তারা অনেকেই গর্তে লুকালেন,আর বাকিরা মুখ চুন করে বসে থাকলেন।সেই বিশেষজ্ঞদের প্রতি আমার করুনা ছাড়া কিছুই নেই।

ছয়.
আমি হলাম,সেই বেকুব জনতার উত্তরসূরী।প্রচন্ড আশাবাদী একজন মানুষ।আমার দেশ নিয়ে,আমার কৃষ্টি নিয়ে আমার সাহিত্য নিয়ে আমার আশাবাদের শেষ নেই।ইউনূসের নোবেল পাওয়ার পর আমি কখনোই ভাবি না এটা শেষ নোবেল,আমি ভাবি এটা শুরু।কয়েক বছরের মাঝেই সাহিত্যে কিংবা পদার্থ বিদ্যায় আরো কোন বাংলাদেশী নিশ্চয়ই একটা সত্যিকারের নোবেল নিয়ে আসবে,্তারপর আরেকজন তারপর আবার...।

সাত.
আর সেই জন্মগত আশাবাদ থেকেই আমি বিশ্বাস করি এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে।
আসলে মধ্যবিত্তের বেচে থাকার জন্য কোন না কোন স্বপ্ন লাগে,আমার স্বপ্নের এক বড়ো অংশ জুড়ে আছে রাজাকারের বিচার হওয়ার সম্ভাবনা।
শেখ মুজিবকে যখন হত্যা করা হয়,তখন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের সিলমোহর ভেঙ্গে সেই হত্যার বিচার করা যাবে,তেমনটি আমিও কোনদিন ভাবি নি,কিন্তু অনেকেই কিন্তু ভেবেছেন।তারেক রহমানকে কোনদিন জেলে পাঠানো যাবে,সেটা আমি কোনদিন ভাবিনি অন্তত এই মাস তিনেক আগেও,কিন্তু সেটা সম্ভব হয়েছে।উদীচি অনুষ্ঠানে বোমা মারার পর সেই জংলীদের ধরা যাবে,তা অনেকেই ভাবেন নি,কিন্তু সেই জংলীরা কিন্তু ঠিকই গলায় দড়ি পড়েছেন।
সুতরাং যারা ভাবছেন ‘পারবে বলেও মনে হয় না’তারা ভাবতে থাকুন।আমাদের স্বপ্ন দেখা তাতে কমে যাবে না।

সম্ভব।সবই সম্ভব।জাহানারা ইমামের ডাকে সাড়া দিতে ৯২ সালে বিনাভাড়ায় মালগাড়ি চড়ে ঢাকা এসেছি,তখনই জানতাম সম্ভব।উপড়ে ফেলে তো ৩০ থেকে ৩ সিটে নিয়ে এসেছিলেন জাহানারা ইমাম।আবারও আমি ,আমার মতো হাজার হাজার মানুষ ঠিকই ডাক শোনার অপেক্ষায় আছে।একজন নেতা কি আসবেন না ?আসবেন।

যারা কম্পিউটারের কীবোর্ড চেপে হিসাব কষে দেখাবেন,আসবেন না,তিনি অফ যান।তিনি আমার দাদার সাথে লুডু খেলুন।দাদার সাথেই তার যুক্তিবিদ্যায় জমবে ভালো,আমার সাথে না।আমি আমার আবেগ নিয়ে অপেক্ষা করে যাবো,রাজাকারের বিচার দেখার আগে আমি মরতে চাই না।

আট.
কথা উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের একটা ছবি আমি কেন ব্যবহার করেছি আমার পোস্টে।আমি চিঠি লিখছিলাম একজন বিদেশীকে ।তাকে বলছিলাম,আমার জাতির সেই গৌরব বেদনার কথা। আমি জানাতে চেয়েছিলাম কেন আমার কাছে কিছু ছবিকে অম্লীল মনে হয়,যে গুলো আমার কিছু বুদ্ধিমান ব্লগার বন্ধুদের কাছে শুধুই ‘রাজনৈতিক নেতাদের ছবি’।

আমি সেই চিঠিতে আমার আবেগ ঢেলে দিয়েছি,সেই আবেগের জন্মটা কোথায় সেটা বুঝাতে আমার বাবা চাচাদের গলিত দেহের একটা ছবি আমার চোখের সামনে তুলে ধরেছি,তথাকথিত ‘রাজনৈতিক নেতাদের’ প্রতি আমার তীব্র ঘৃণার জন্ম দেয় এই সব ছবি, একজন বিদেশীকে আমার ঘৃণার কারন বুঝাতে এই ছবি ব্যবহারে অনেকের আপত্তি থাকতে পারে;তারা মুক্তিযুদ্ধকে ইতিহাসের বইয়ের পাতায় আবদ্ধ করে ষোলই ডিসেম্বর আর পচিশে মার্চ একটু নেড়েচেড়ে দেখুন,কিন্তু আমি আমার জাতির বেদনাকে আমার চোখের ভেতরে রাখতেই পছন্দ করি,আমার ঘৃণার কারন হিসেবে সেই ছবি লক্ষ লক্ষ দেশী বিদেশীকে দেখাতে আমি আপত্তি করি না।এই ছবি প্রদর্শনের জন্য আরিলের কাছে আমাকে ব্যান করার আবেদন জানাবেন না বলে আমাকে শান্তনা দেয়ার যে নিষ্ঠুর রসিকতা টুকু করেছেন তাতে আমার আপ্লুত হবার কিছু নেই,কারন আমি তার তিল মাত্র পরোয়া করি ভাবলে ভুল ভাবছেন।

আমার এই প্রচেষ্ঠাকে যাদের বেজায় ফাক মনে হয়,তাদের জানাই ;সত্যি সত্যিই আমার বুকের মাঝে বিশাল শূণ্যতা,পূর্ব পুরুষের রক্তে দাবী পূরনে ব্যর্থতার খা খা শূণ্যতা;সেই শূন্যতা পূরন করার কোন উপায় যেহেতু আমার জানা নেই,তাই আবেগ দিয়েই আমি সেটা ভরে রাখতে চাই।

দশ.
মুক্তিযুদ্ধে ‘নিহত’দের জন্য আপনারা প্রার্থনা করুন,সেটা করাই উচিত;মগবাজারে বিশেষ বিশেষ দিনে ‘রাজনৈতিক নেতা’ নিজামী এবং মুজাহিদও তাদের জন্য দোয়া করে থাকেন।তবে আমার কাছে তারা ‘নিহত’ নন,তারা ‘শহীদ’।সেই ‘শহীদ’রা যে শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন তা আমার কেন যেন মনে হয় না,আর তাই আমি ক্রমাগত তাদের কথা বলে যাই।

এটা আমার বোকামি বলুন,শস্তা আবেগ বলুন আর যাই বলুন;আমার কিছু যায় আসে না। নিহত আর শহীদের শাব্দিক অর্থ সমান,এটা ভাষা সৈনিক গোলাম আযম বুঝতে পারেন,আমার মতো ইমম্যাচুউর এবং স্বল্প শিক্ষিত পাবলিক সেটা বুঝবে না।আমাকে সেটা বুঝাবার চেষ্ঠা করে আসলেই কোন লাভ নেই।

 

 

  • ৪৩ টি মন্তব্য
  • ৭৪১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:০৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আড়ইফ ভাই, পুরো ১ ঘন্ট ধরে সবার লেখা পড়লাম। আমি আশাবাদি ও আবেগ আমার অহংকার। আপনার সাথে একমত পোষন করছি।
২. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:০৭
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আরিফ*
৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:০৭
comment by: আলভী বলেছেন: ৭ এবং ১০ অনুচ্ছেদ পড়তে গিয়ে কেন যেন চোখ ঝাপসা হয়ে যায়।
৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:১০
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ডাকের অপেক্ষায় আছি..........
৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:১৩
comment by: নাদান বলেছেন: দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও আজও জাতীয় সংগীত শুনলে চোখটা ভিজে ওঠে, এই আবেগের জন্য আমি লজ্জিত নই।
৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:১৭
comment by: হাসিব বলেছেন: ঠিকাছে ।
৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২০
comment by: আরশাদ রহমান বলেছেন: রাজাকারদের কৃতকর্মের শাস্তি পরকালে কি হবে তা খোদাই জানেন কিন্তু বাঙালী সারাজীবন তাদেরকে ঘৃনা করবে। আর একদিন না একদিন তাঁদের বিচারের রায় কবরে ঝুলিয়ে দিয়ে আসবে ভবিষ্যত প্রজন্ম যদি তারা জীবিত না থাকে।
৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২১
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনি যেই আবেগ ধারন করে আছেন, তাকে শ্রদ্ধা জানাই ... আপনি যে স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্ন আমিও দেখি ... আমি চাইনা আমার সন্তান আমাকে প্রশ্ন করুক কেন ওদের বিচার করতে পারিনি?

তবে আরিফ ভাই, আমাদের এখন ওয়ার্ক প্ল্যানও তৈরী করতে হবে ...
আপনি যে নেতার স্বপ্ন দেখেন সে নেতার তৈরী হবার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই ব্লগটা একটা দারুন স্টেজ ...
রাজাকারদের বিচারের ব্যাপারে আপনার চিন্তাভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসুন ...
অধম কিছু প্রস্তাব রাখছিল (লাস্ট পোস্টে)... সময় করে ঘুরে যাবেন ... আপনার মূল্যবান কমেন্ট/আইডিয়া জরুরী
৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২১
comment by: মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন: আপনার আবেগের বিশুদ্ধতার জন্যে কুর্নিশ জানাই। এই আবেগের অংশীদার আমিও। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমি মৌলবাদী, এই ঘোষণা দিতে আমার কিছুমাত্র দ্বিধা নেই।
১০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২৪
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: কিছুই বলার নাই এরকম একটা পোস্টের পরে।
১১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২৬
comment by: হাসিব বলেছেন: সেইজন্যই আমি ঠিকাছে কয়া অফ দিসি @ ধুসর গোধুলী
১২. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: অভিভূত!
বিশেষ করে - "রাজাকারের বিচার দেখার আগে আমি মরতে চাই না।" একটা খাঁটি প্রার্থনা। আশা করি আপনার এই ইচ্ছা পুরন হবে। আমিও আপনার সাথে একই আশায় বসে থাকবো।
১৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩১
comment by: মেঘ বলেছেন: জেবিতকদা ব্লগে জেনে থাকবেন আমি কিঞ্চিত অসুস্থ। আপনার লিখা পড়ে আমি চাঙ্গা হয়ে উঠলাম। আমি আমার মায়ের ধর্ষণকারীর সাথে ডাংগুলি খেলেত পারবো না। যারা পারবে তাদের ও থাকতে দেব না। এ আমি কবরে যাবার আগ পর্যন্ত আমার এথিকস হিসেবে পালন করতে চাই। আপনার সহযাত্রী হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। লাল সালাম কমরেড।
১৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩২
comment by: মেঘ বলেছেন: *জেবতিকদা,খেলতে
১৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩৮
comment by: র্দশক বলেছেন: কি বলব আর? আমরা বোকারা আবেগ নিয়েই থাকি! তাতে কার কি? কিন্তু লজ্জা লাগে 'শিক্ষিত' জনের লজ্জাহীনতা দেখে, তাদের স্ববিরোধী কথা শুনে।

মুক্তচিন্তার কথা বলে হাতে গাইডলাইন ধরাইয়া দিলে তো অসুবিধা।
১৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪০
comment by: র্দশক বলেছেন: অরুপ ভাইয়ের ছবি বিযয়ক পোস্ট পড়ে আমি কি বলব বুঝতে পারছি না। সেইম!
১৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
comment by: উৎস বলেছেন: জেবতিক দা এই লেখাটার দরকার ছিল আজকে। অনেক ধন্যবাদ।

রাজাকাররা কেউ মরে গেলে এজন্য আমার দুঃখ লাগে, হারামজাদা বিচারের আগেই পার পেয়ে গেল।
১৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৫৫
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: ...এই সব দেশদ্রোহীরা একদিন গণপিটুনি খেয়ে মরবে, আপনি দেইখেন আরিফ ভাই। আমার দেশের মানুষ কখনো হারে নাই। আমরা কখনো হারবো না। বাংলা বেঁচে থাকুক আমার শোণিতের স্পন্দনে, ভালবাসি অনেক অনেক বেশি।
১৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:০২
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: অনেকদিন ধরে লিখি না। ভাল লাগেনা। কেন তা বলতে পারবো না।

জেবতিক এর এই লেখা পড়ার পর লগইন করতে বাধ্য হলাম যাতে এক আবেগপ্রবন মানুষ হিসেবে আরেক আবেগপ্রবন সত্বার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করতে পারি।

ধন্যবাদ জেবতিক এমন মুল্যবান একটি লেখার জন্যে।
২০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:০৩
comment by: হোসেইন বলেছেন: ভাইয়েরা,পীর এ কামেল সুফি সাদিক বলেছেন,আবেগ কম দিতে।
আপনারা কমেন্টএ আবেগ বেশি দিলে আরিফ জেবতিকরে ঝাইড়া আরেকটা পোস্ট পড়ব,আর ত্রিভুজরা হেইটারে ঠেইলা টপ লিস্টে তুলব।

খিয়াল কইরা।
২১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:০৪
comment by: অরূপ বলেছেন: তীরন্দাজ থামলে আমরা কোথায় যাব?
দেখে ভালো লাগলো
২২. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:১১
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: আবেগ প্রবন বলে আবার কেউ গালি দিলে , এই পোস্টটা দেখিয়ে দেব !
বাংলাদেশ , মুক্তিযুদ্ধ আর রাজাকার - এই তিন জায়গায় আমি তীব্র আবেগীই থাকতে চাই ।

বিচার চাই , আমৃত্যু চাইবো , আমার বংশ ধরেরা চাইতে থাকবে ।
২৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:১৬
comment by: হোসেইন বলেছেন: এতো দেরী হবে না।আমরা দেইখা যাবো।@রাগ ইমন।
২৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:১৭
comment by: শ্যাজা বলেছেন: বাপ রে।
২৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৫৫
comment by: হিমু বলেছেন: পোড়া একটা বাড়ি থেকে ধোঁয়া ওঠে, বাইরে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকে এক সুফি। হ্যাঁ, তার বাবাকে আর ভাইকে দেয়ালের গায়ে দাঁড় করিয়ে এক ম্যাগাজিন গুলি খালি করেছে এক পাক সেনা। মা আর বুবুকে খুন করার আগে পালা করে ধর্ষণ করেছে কয়েকজন। ছোট্ট ভাইটা এসবের কিছুই বোঝেনি, ওকে আছড়ে মেরেছে এক মিলিশিয়া। বাড়িতে এই খানসেনাদের ডেকে এনেছে রাজাকার সর্দার হোসেন মিয়া। তার সাথে সুফির এখন গভীর যোগাযোগ। না, হোসেন মিয়াকে সে গালি দেবে না। হোসেন মিয়ার বিচারও চাইবে না সুফি। কারণ পাকিস্তান সমর্থন করা কোন অপরাধ নয়। এ কথা হয়তো কোন তাফসীরে আছে, কিংবা আছে কোন সুফি কবিতায়। সুফি শুধু বোঝে গভীর অধ্যাত্মবাদ, মাবাবাবুবুভাইকে নিয়ে সে এখন আর ভাবনা চোদায় না। অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাবার সময় এসেছে। দরজায় টোকা দিচ্ছে ইয়াজুজ মাজুজ। খোলো খোলো দ্বার।

২৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:০৮
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: মন্তব্য নিস্প্রয়োজন।
২৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:৪৯
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ধৈর্য ধরে আমার বক্তব্য পড়া আর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।
২৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৩:২১
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: রাজাকারের বিচার... !
দূর্ভাগা বলে দেখা হবে কিনা জানিনা !
আমাদের উত্তর প্রজন্ম দেখবে নিশ্চয়ই..আশায় বাঁধি ঘর !

আমি তাহলে এখন আর ব্যান্ড নেই ! ভাল লাগছে !
২৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৩:৩১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আরিফ ভাই,আপনার লেখা পড়ে অনেকদিন পরে চোখে পানি এসেছে,ছেলে হিসাবে নাকি চোখে পানি আসা ঠিক না,তবে দেশকে এইটুকুই দিতে পারার জন্য আমি খুশি,এখনো মনে হয় অনুভূতিটা আমাদের নষ্ট হয়ে যায়নি।
৩০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৩:৩৩
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: অপূর্ব।!!!
৩১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৩:৩৯
comment by: এহহামিদা বলেছেন: স্বাগতম জেবতিক
৩২. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৩:৫৩
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: জেবতিক, লাল সালাম আপনারে পোস্টটার জন্য...

গণহত্যাকারী, নারী ধর্ষনকারী আর তাদের দোষরদের শাস্তি চাওন শুধু আবেগী বচন না, যৌক্তিক দাবীও বটে!

এইজায়গায় যুক্তি আর আবেগ "মিচুয়ালি এক্সক্লুসিভ" না, বরং পরিপুরক।
৩৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:২১
comment by: হাসান মোরশেদ বলেছেন: 'আমরা তো মঞ্জরী, সেই সব পদ্মের
বুকে যার গান আছে, অবিরাম যুদ্ধের ।'

চলুক । কারো ভাবা ভাবিতে কিচছু যায় আসে না ।
স্বজন হত্যার বিচারের দাবী উচচারন যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে মানুষ জন্মের নামে কলংক হবে ।
৩৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন: সেলাম
৩৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৯:৪৫
comment by: সাদিক বলেছেন: সুন্দর প্রকাশ
৩৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: পড়লাম। খুব কিছু কি বলা দরকার?
৩৭. ০১ লা মে, ২০০৭ রাত ২:২৩
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: অ.র.পি: নাহ।কিছুই আর বলার নেই।
৩৮. ০১ লা মে, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
comment by: বকলম বলেছেন: আমরা সবাই তো দেখি এই বিষয়ে একমত। What will be the Next Step? এই চোদ্দ কোটি মানুষের দেশে একজন সৎ ও যোগ্য নেতার অপেক্ষায় আমরা। সেই নেতা আমরা কবে পাব যার ব্যপারে এভাবে আমরা ঐক্যমতে পৌছতে পারব? সকলের এই সম্মিলিত আবেগকে কিভাবে শক্তিতে রূপান্তর করা যাবে তাই আজ ভাববার বিষয়।

যদি আজ যে দশ+এক এগারো জন অপেক্ষাকৃত অধিক সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে দেশ চালাচেছ তাদের পরবর্তী সরকারে আমরা ক'জন দেখতে চাই, এটা জানতে চাওয়া হলে আপনাদের প্রায়জন 'না' বলবেন। বলবেন, ক্ষমতার লোভ তারাও ছাড়তে পারলো না! । তাহলে কি 'সমাজতান্ত্রীক' ব্যাবস্থা চান। তাতেও জনগনের 'হা' বলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাহলে কি চান। হয়তো বেশীর ভাগই মত দেবেন, দুই বড় দলের সৎ (!) ও ত্যাগী (!) নেতাদের সামনের কাতারে আনা হোক। দুই নেত্রী দলীয় প্রধান থাকুক, কিন্তু রাষ্ট্রের প্রধান বিচক্ষন ও জ্ঞানী কাউকে দেয়া হোক। কিন্তু প্রশ্ন হলো তার কি কোন Scope বর্তমান প্রেক্ষাপটে আছে?!

(বকলমীয় মন্তব্য, বলতে পারেন 'পাগলে কিনা বলে')
৩৯. ০১ লা মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৪
comment by: ফজল বলেছেন: চমৎকার
৪০. ০১ লা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: বকলম,আপনার কথার জবাবে একটা আলাদা পোস্ট দিব পরে,দেখে নিয়েন।
৪১. ০১ লা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৮
comment by: চোর বলেছেন: পুরাটা না পইড়া কমেন্ট মারা ঠিক হবে না।
৪২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৯
comment by: সমুদ্র বলেছেন: জয়বাংলা
৪৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪২
comment by: নির্বাক সুশীল বলেছেন: আমরা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি,কার তাতে কী ?-

 



 


দলবদ্ধ মানুষ দেখতে ভালো লাগে । কিন্তু নিজের জন্য দল খুঁজে পাই না ।
বিশ্বাসের পক্ষে কথা বলি । আর উন্মুখ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৪৯৫১০