এ নিয়ে হয়ত অনেক লেখালেখিও হয়েছে।
উনার ব্যাপারে আরো কিছু বলি যুদ্ধে যাওয়ার আগে উনি বাংলাদেশের ইন্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হয়।আমেরিকার ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতেও এডমিশন হয়েছিল।
কিন্তু যুদ্ধে যাওয়ার জন্য সে যেতে পারে নি।কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতার উজ্জ্বল তারকা।সে কখনো হারে নি তার প্রতিপক্ষের কাছে।
আসলে আমি উনার ব্যাপারে জানতে পরি যখন পূর্ব-পশ্চিম গল্পটা পড়ি।
আমার মনেই ছিল না যে এমন ১টা কাহিনী আমি ৮ম শ্রেণীতে থাকতে পড়ছিলাম।
যাই হোক এর পর আমি উনার ব্যাপারে আরো কিছু জানার চেষ্টা করি।কিন্তু আমার পরীক্ষার জন্য আর এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় পাই নি।আমাকে গত বছর ভাইয়া ১টা বই উফার দেয়।বইটার নাম ৭১ এর চিঠি।আমি এ চিঠিটা যতবারই পড়ি ততবার কান্না পায়।
আফছোছ লাগে
উনার ব্যাপারে পুরা জানতে এখানে ক্লিকান Click This Link
১টা চিঠি লিখছি যা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমির লেখা তার মামাকে উদ্দেশ্য করে
আগরতলা
১৬ জুন,'৭১
প্রিয় মামা,
অবাক হয়ো না!এটা লেখা হয়েছিল আর তোমার কাছ পর্যন্ত পৌছাল ও।
পড়ার পর চিঠিটা নষ্ট করে ফেলো।এ নিয়ে মাকে কিছু লিখে জানানোর চেষ্টা কোরো না।
তাহলে বিপদে পড়তে হবে।
তাড়াহুড়া করে লিখলাম।হাতে সময় খুব কম।
বেস ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে কাল এখান থেকে চলে যেতে হবে।
আমরা একটা ন্যায় সংগত যুদ্ধে লড়ছি।আমরা জয়ী হব।
আমাদের সবার জন্য দোয়া কোরো।কী লিখব বুঝতে পারছি না-কত কী নিযে লেখার আছে।নৃশংসতার যত কাহিনী তুমি শুনেছ,ভয়াবহ ধ্বংসের যত ছবি তুমি দেখেছ,জানবে তার সবই সত্যি।
ওরা আমাদের নৃশংসতার সাথে ক্ষতবিক্ষত করেছে,মানব-ইতিহাসে যার তুলনা নেই।
আর নিউটন আসলেই যথার্থ বলেছেন,একই ধরনের হিংস্রতা নিয়ে আমরাও তাদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ব।ইতিমধ্যে আমাদের যুদ্ধ অনেক এগিয়ে গেছে।বর্ষা শুরু হলে আমরা আক্রমনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেব।
জানি না আবার কখন লিখতে পারব।আমাকে লিখো না।সোনার বাংলার জন্য সর্ব্বোচ্চ যা পারো করো।
এখনকার মতো বিদায়।
ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাসহ,
রুমী
এ চিঠিটা ৭১'এর চিঠি থেকে নেয়া।
কেউ যদি রুমি সম্পর্কে আরো কিছু জানেন তবে আমার এখানে পোষ্ট করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

