somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাদা-কালো দিনগুলি (আমার বর্ষ পূর্তি)

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবনের কেটে যাওয়া ক্ষণে কতো কিছুতেই চোখ পড়ে। তেমনিভাবে একদিন চোখ পড়ে www.somewhereinblog.net। সেটা সম্ভবত ২০০৮ সালের ২৬ কি ২৮ ই আগস্ট প্রথম আলো পত্রিকায়। এই সাইটে ঢুকে আমি তো অবাক!!! কতো জন ছদ্মনামে, কতো জন মূল নামে লিখছে, মন্তব্য করছে। এসব দেখে এই ব্লগের প্রতি একটা আসক্তি তৈরী হয়ে গেল। প্রত্যেক দিনই কিছু সময় এই ব্লগে দিতে লাগলাম। দেখলাম অসম্ভব উত্তপ্ত সময়ে আমি এই ব্লগে পদার্পণ করেছি। চারদিক ব্যান নামক শব্দে মুখর। আজ ও তো কাল আরেকজন। তখন নিরাপদ একটা শব্দ ছিল “উঁ”। আজও অনেকের সম্ভবত এই কথা মনে পড়ে। তো এই হলো আমার ব্লগে আসার পূর্বসূত্র।

যেভাবে লেখা শুরু- একদিন এ.এস.এম রাহাত খানের এই পোস্টে শ্রদ্ধেয় বিবর্তনবাদী’র মন্তব্য দেখে ওনাকে মেসেঞ্জারে এ্যাড করি। পরে প্রথম দিন ওনার সাথে চ্যাটের সময়ই একটা ছোটখাট বিতর্ক হয়ে যায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। পরে তিনি আমাকে ব্লগে নিয়মিত লিখতে বলেন। আমি বললাম, আমি তো বাংলা লিখতে পারি না। তিনি বললেন বাংলা লেখাতো খুবই সহজ। পরে বললাম আমি তাহলে ব্লগে লেখার চেষ্টা করব। এর কয়েকদিন পরেই আমি ব্লগে রেজিঃ করি। তারপর লিখি।

প্রথম পোস্টের অভিজ্ঞতা- আমার প্রথম পোস্টটি ছিল খুবই কষ্টের। টাইপ করে বাংলা না লিখতে পারার কারণে মাউস দিয়ে ক্লিক করেই লিখেছিলাম প্রথম পোস্টটি। সময় লেগেছিল দুই ঘন্টা। পরে একটু পরেই দেখি আমার সম্পূর্ণ পোস্টটি উধাও!!! তারপর আবারো দুই ঘন্টা। লেখাটা যখন আমি পোস্ট করি তখন রাত চার টা। সেই পোস্টের কাহিনী আজও মনে পড়ে।

সর্বপ্রথম মন্তব্য প্রাপ্তি- লেখার কিছুদিন পর ভাবলাম আমি কোন মন্তব্য পাই না কেন? এর কয়েকদিন পরেই দেখি আমার পোস্টে একটি মন্তব্য। এবং এটি ছিল প্রথম পোস্টের প্রথম মন্তব্য। আর সেই মন্তব্যকারী ছিলেন মেঘাচ্ছন্ন। যাকে আজকাল ব্লগে দেখাই যায় না।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর- আমি যখন ব্লগে রেজিঃ করি তখন ছাগুদের ম্যাৎকার ছিল এখনের চেয়ে অনেক বেশী। রাতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষরের পোস্টগুলোতে অনেক মাইনাস দেখতাম। একদিন বইমেলায় গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারেরর দাবিতে গণস্বাক্ষর ফরমে স্বাক্ষর করে এলাম। এর কয়েকদিন পর চন্দ্রিমা উদ্যানে আমি, রোমাস ভাই ও দণ্ডিত পুরষ মিলে স্বাক্ষর নিতে শুরু করি। প্রচুর সাড়াও পাই। সবচেয়ে ভালো লেগেছিল এই ভেবে যে, এরকম একটা পবিত্র কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পেরেছিলাম।

সর্বপ্রথম বিরোধ- ব্লগে সর্বপ্রথম বিরোধ হয়েছিল নির্ঝর ভাইয়ের সাথে। এই বিরোধ হয়েছিল ওনার সাথে বিনা কারনেই। আমি ওনার সকল পোস্টেই মাইনাস দিতাম, বক্র মন্তব্য করতাম কিন্তু ওনি সকল পোস্টেই প্রেরণাদায়ী মন্তব্য করতেন। প্লাস দিতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, বিরোধকে একমাত্র ভালোবাসা দিয়েই জয় করা যায়। একদিন ওনার এই বিশ্বাসেরই প্রতিফলন ঘটল। আজ ওনি আমার একজন অতি প্রিয় ব্লগার।

যাদের খুব কাছ থেকে ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি- এই ব্লগে অনেকেরই ভালোবাসা পেয়েছি। পেয়েছি বিশুদ্ধ মনের অকৃত্রিম উদারতা। আজ যাদের নাম না বললেই নয়-

*নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
*বিবর্তনবাদী
*আব্দুর রহমান (রোমাস)
*মানুষ পাখি
*সোনালীডানা
*নিলআকাশেরদুঃখ
*চিটি (হামিদা আখতার)
*জটিল
*ছন্নছাড়ার পেন্সিল
*আকাশ_পাগলা
*দুরন্ত স্বপ্নচারী
*আমড়া কাঠের ঢেকি
*তাজা কলম
*হাসান মাহবুব


আরো অনেকেই। যাদের নাম এখন মনে পড়ছে না।

প্রিয় ব্লগার- এই ব্লগে অনেকেই আমার প্রিয় ব্লগার। কারণ তাদের দুর্দান্ত লেখায় আমি মুগ্ধ হয়েছি বরাবরই। তেমনি কয়েকজন---

নির্ঝর নৈঃশব্দ্য- নির্ঝর ভাইয়ের গল্প ও কবিতা সবসময়ই আমি পড়ি। অসাধারণ ওনার লেখা। যারা এই ব্লগে নিয়মিত কবিতা লেখেন এবং সবচেয়ে বেশী কবিতা যাদের নিঃসন্দেহে তিনি অন্যতম।

ইমন জুবায়ের- ইমন জুবায়ের? হ্যাঁ তিনি আমার একজন অতি প্রিয় ব্লগার। প্রথমে ওনার পোস্টগুলো প্রিয়তে নিলেও পরে আর নিইনি। দেখলাম প্রিয়তে নিলে ওনার প্রায় সব পোস্টই প্রিয়তে নিতে হবে। বাদ দিলাম প্রিয়তে নেয়া। ওনাকেই রেখে দিলাম হৃদয়ের মণিকোঠায় সবার অজান্তে।

ম্যাভেরিক- এমনই আরেকজন প্রিয় ব্লগার হলেন ম্যাভেরিক ভাই। ওনার গণিতের সপ্তকৌতুক, শব্দরাজ্যে অভিযান এই পোস্টগুলি পড়লে বুঝা যায় যে ওনি কতো কিছু জানেন।

অমি রহমান পিয়াল- মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যেক বাংলাদেশী মানুষের জীবনে শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পিয়াল ভাইয়ের পোস্ট পড়ে অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। আজ অতিক্রান্ত এক বছরে পিয়াল ভাইকে জানাই স্যালুট। সেইসাথে জুবায়ের ভাই, ম্যাভেরিক ভাই ও পিয়াল ভাইদের কাছ থেকে আরো জ্ঞানগর্ভমূলক পোস্ট নিয়মিত আশা করি।

রাসেল (........)- রাসেল ভাইও আমার একজন প্রিয় ব্লগার। যদিও অনেকের কাছে ওনি বিতর্কিত। আমি মুগ্ধ ওনার ক্ষুরধার লেখা ও অনমনীয় মনোভাবের জন্য (সব ক্ষেত্রে নয়) । ওনি কাউকেই ছাড় দেন না। ওনাকে আমি ব্লগে দলাদলির জঘন্য মানসিকতায় সিক্ত ব্লগারদের কাতারে দেখি নি। যে বিষয়টা আমাকে বেশী আকৃষ্ট করে।

মাসুদুল হক- আস্তিক-নাস্তিক বিষয়ে ওনার পোস্টগুলি সত্যি আস্তিকদের প্রশংসার দাবি রাখে। যদিও ওনি বড্ড অনিয়মিত।

যেসব ঘটতে দেখেছি- ব্লগে অনেক ব্লগারকে ব্যক্তিবিশেষের চামচামি, দালালিতে নিমজ্জিত হতে দেখেছি। দেখেছি চামচাদের অদৃশ্য গ্রুপ দলবেঁধে প্লাস-মাইনাস ও মন্তব্যের যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। অনেক জ্ঞানগর্ভমূলক পোস্টকে নীরব পায়ে হেঁটে চলে যেতে দেখেছি। আবার অনেক অন্তঃসারশূণ্য পোস্টে মন্তব্যের হিড়িক পড়তেও দেখেছি। অনেক ব্লগারকে দেখেছি শুধু মন্তব্য পাবার জন্য মন্তব্য করতে, পোস্ট দিতে কিন্তু লেখার বিষয়বস্তু বিবেচনা না করেই। এরা ছিল, আছে এবং থাকবে।

অনেক মেধাবী ও জনপ্রিয় ব্লগারকে এই ব্লগ থেকে চলে যেতে দেখেছি। দেখেছি তাদের নির্মমভাবে ব্যান হওয়া। হাসিব ভাই যাদের মধ্যে অন্যতম। এই খেলায় রেসিডেন্টরা অগ্রগামী। দেখেছি লুলকে লুল বলায় ব্যান হতে। অনেক ব্লাগার গালি খেয়ে ব্যান হয়েছে; আবার অনেক ব্লগারকে গালি দিয়েও সেই ব্লগারকে বহাল তবিয়তে ব্লগিং করতে দেখেছি। দেখেছি এই ব্লগের সর্বশ্রেষ্ঠ হরিদাস পাল হলো মডারেশন। এই মডারেশনের পক্ষপাতিত্ত্ব বজায় ছিল, আছে এবং থাকবে। ব্যক্তিবিশেষের বেলায় মডারেশন হয়নি, আর হবেও না। এবং এও বুঝে গেছি যে, মডারেশনের স্বেচ্চাচারিতা মেনে নিয়েই এই ব্লগে ব্লগিং করতে হবে। অন্যথায় নয়!!!

যা খুঁজে পাইনি- ব্লগে অনেক কিছু খুঁজে পেলেও কোন নাস্তিক খুঁজে পাইনি। পেয়েছি নাস্তিক শব্দের আড়ালে কিছু উগ্র হিন্দুত্ববাদী আর কিছু উগ্র বিদ্বেষী। কিন্তু এ দু ধরনের লোকের কাজ এক এবং অভিন্ন। এই শ্রেণীর কোন বিদ্বেষীকে অন্য কোন ধর্মের সমালোচনা করতে অন্তত আমি দেখিনি কবেলমাত্র ইসলাম ধর্ম ছাড়া। নাস্তিকের প্রকৃত স্বরূপ দেখার অপোয় এখনো আছি। জানিনা প্রকৃত নাস্তিক ব্লগে ভবিষ্যতে দেখা যাবে কি না.......

নিয়মিত যাদের মন্তব্য পেয়েছি- অনেক ব্লগারই নিয়মিত আমার নগন্য পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মন্তব্য পেয়েছি নির্ঝর ভাইয়ের। এর পরের নামটা নিঃসন্দেহে সোনালীডানা ভাই।

মডারেশনে কাছ হতে প্রাপ্ত পুরস্কার- ব্লগারদের কাছ থেকে ভালোবাসা যেমন পেয়েছি, তেমনি মডারেশনের ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছি। আমার ব্লগ আইডলের একটি প্রতিক্রিয়াশীল আচরণের প্রতিবাদ করে ২৮ দিনের গোয়েন্দা নজরদারি (ওয়াচ) ও ৩ বার জেনারেল নামক সম্মানে ভূষিত হয়েছি। ২২ দিন পর ভিত্তিহীনভাবে মডারেশনের চকচকে ধরালো কাঁচিতে একটি পোস্ট নিঃশ্বেষ হতে দেখেছি। এই হলো মডারেশনের কাছ হতে ১ বছরে প্রাপ্তি।

আমার সীমাবদ্ধতা- এই ব্লগে একটা বছরে আমার কিছু সীমাবদ্ধতা আবিষ্কার করেছি। জ্ঞানগর্ভমূলক পোস্টে নিজের অজ্ঞতার কারণে মন্তব্য করতে পারি না। শুধুই নীরবে একটা প্লাস দেয়া ছাড়া।

*দালালি, দলাদলি, ব্যক্তিবিশেষের পোস্টে মন্তব্য এসব করতে পারি না।
*লুল হতে পারিনি।
*রেসিডেন্ট ভাঁড়ও হতে পারিনি।

এগুলি হলো আমার সীমাবদ্ধতা।

অতিক্রান্ত একবছরে উল্লেখিত ভালো গুণ গুলিতে আমি নিমজ্জিত হতে পারিনি। আগামী এক বছর বেঁচে থাকলে এইসব গুণের অধিকারী হতে পারব কি না সেটা অনাগত ভবিষ্যৎই বলে দেবে.......

অতিক্রান্ত এক বছরে এসে আজ এই কথাগুলো বেশী মনে পড়ে যায়-

“সময় চলে গেছে
সময় চলেছে
চলতি জীবনের
গল্প বলছে
পাল্টে গেলি তুই
আমিও পাল্টে
গিয়েছি মাঝপথে হাঁটতে হাঁটতে....”

(কবীর সুমন)
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×