আমার প্রিয় পোস্ট

ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

বিতর্ক অর্থহীন ঝগড়ার নামান্তর

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

কতগুলো কারণে নিজেকে 'বিতর্ক' থেকে সযতনে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। কারণ, আমার খুব নিকট অতীতের উপলব্ধি হচ্ছে, বিতর্ক = ঝগড়া।

আলোচনা থেকে নিজেকে সরাই নি অবশ্য। কারণ আলোচনা আর বিতর্কের (ঝগড়ার) মধ্যে খুব স্পষ্ট পার্থক্য আছে। আলোচনা ব্যপারটা আদান প্রদানের কিন্তু বিতর্ক বা ঝগড়া একেবারেই তা না। বিতর্ক করে মানুষ [গাঢ়]নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমান করে[/গাঢ়] 'জিতে' যাওয়ার আশায়। আর ঝগড়া করে মানুষ [গাঢ়]অন্যকে নিচে নামিয়ে[/গাঢ়] 'অপেক্ষাকৃত উপরে' থাকার আসায়। সমস্যা হলো, আমাদের কাছে শব্দগুলোর অর্থ পরিষ্কার না। তাই বিতর্ক আর ঝগড়া গুলিয়ে ফেলি। যখন দেখলাম গুলিয়ে ফেলার রোগ মানুষের ডায়বেটিকসের মত প্রবল আকারে আছে, তখন চুপ থাকাই শ্রেয় মনে হল। আলোচনার ক্ষেত্রে অবশ্য চুপ নেই আমি। কিন্তু যেই মুহুর্তে দেখব কেউ বিতর্ক শুরু করতে চাইছে, তখন নিজেকে সরিয়ে আনব। বিতর্কের মূল উদ্দেশ্য থাকে জিতে যাওয়া। সত্যি বলতে কি, যখন মানুষ ঝগড়ার ঠিক মাঝখানে থাকে, তখন অনেক বলার পরেও চুপ করে যাওয়াটা সত্যিই কঠিন। সত্যিই। কারণ আমরা কখনই মানুষকে এই ধারণা দিতে চাই না যে আমরা হেরে গেছি। যদি কখনও পারি নিজেকে সরিয়ে আনতে, তাহলে নিজেকে বিজয়ী মনে হয়!

সব ধরণের আলোচনায় আমি আছি!

ঝগড়ায় বা বিতর্কে অপরপক্ষের আর নিজের মাঝে স্পষ্ট সীমানা টানি থাকে। প্রথম থেকেই জানা থাকে, সে আমার 'শত্রু', আমার বিপক্ষ। বিপক্ষের মধ্যে ভাল কিছু দেখা আসলেই সম্ভব না, বিপক্ষের ভাল চাওয়া সম্ভব না। শত্রু থাকে 'যুদ্ধে'। আর যুদ্ধে শত্রুর সাথে ভাল আচরন করাও কাপুরুষতা। আমি তাই কোন যুদ্ধ করতে রাজি নই। আমার সাথে মতের অমিল হলেও আমি 'এভরি থিং ইজ ফেয়ার' বলে যে কোন উপাত্ত হাতে নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ব না। আমার অমিল মতের সাথে, মানুষের সাথে না। নিজের সবটুকু সততা নিয়ে বলতে পারি, মানুষের ভাল চাই। মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না। যদি আমার কথা কারও ব্যক্তিগত কষ্টকে জাগিয়ে দেয়, তাহলে খারাপ লাগে। তাই ভুল করি নি জেনেও, চরম অভদ্রের মত দেয়া থাপপড়ের হুমকি খেয়ে নিজেরই মায়া লাগে হুমকি দাতার জন্য। অন্তত: আমার পক্ষ থেকে কষ্ট দেয়া মূল উদ্দেশ্য ছিল না, নিচে নামানো মূল উদ্দেশ্য ছিল না, তাই। আমাকে একজন ম্যাসেঞ্জারে বলেছে, মাফ চাওয়াটা আমাদের দেশে এখনও দুর্বলতার চিহ্ন। কথা ঠিক বুঝেছি ব্লগে। তবে দেশীয় স্টাইল বলেই খারাপ কিছু নিজেতে ঢুকাতে পারি না!

বিতর্ককে আলোচনা বলে ভুল করে ঢুকে পড়েছি অনেক বার। বার বার ভুলে যাই আমাদের দেশের মানুষের এখনও 'আলোচনা' করার মানসিকতা তৈরি হয় নি। প্রথমেই অপর পক্ষকে মিথু্যক ধরে নেয়। ভুল ধরে নেয় না। এটাই বিতর্কের প্রয়োজনীয়তাকে খুব বড় করে দেয় মানুষের কাছে। বিতর্ক... জনগণের সামনে প্রতিপক্ষকে ধূলোয় মিশিয়ে দেয়ার সময়... তাই বিতর্কের কথা ভেবে উল্লাসে মেতে উঠেন অপর পক্ষকে 'মিথ্যুক' ভেবে নেয়া মানুষগুলো।

ভুল বুঝাবুঝি আর সমঝোতা হতে পারে 'আলোচনা'র মাধ্যমে। অন্যে পুরাটুকুই ভুল করছে এমন ধারণা নিয়েও আলোচনার মাধ্যমেই 'সংশোধন' সম্ভব। আর আলোচনার প্রথম ধাপ হচ্ছে শোনা। অন্যের কথাই যদি না শুনলাম, তাহলে বুঝব কি করে তার সমস্যা কোথায়? যখন দেখি 'শোনা' হচ্ছে না, স্পষ্ট স্বীকোরক্তি পাই শোনা হচ্ছে না, তখন চুপ করে যাই। লাভ নেই কোন, তাই।

কখনও বা যদিও বিতর্ক করা যায়, সবার সাথে 'বিতর্ক'ও শোভন না। যে অস্ত্র হিসেবে মুখ ভর্তি ড্রেইনের পানি নিয়ে টার্গেটের দিকে ছিটায়, তার সাথে যুদ্ধে জিততে নিজেরও মুখে ড্রেইনের পানি নিতে হবে। ওটা যে রুচিতে কুলায় না!

ড্রেইনের পানিটা সামনা সামনি ছুঁড়া হলে সাহস আছে বুঝতে হবে। রাগের মাথায় করা তাও বুঝা যায়। কিন্তু পিছনে যখন ছুঁড়া হয়, তখন যাদের পক্ষ থেকে ছুঁড়া হয়, তাদের [গাঢ়]প্রত্যেকের[/গাঢ়] উপর আমার আস্থা উঠে যায়। বিতর্কের উদ্দেশ্য নিয়ে চরম সংশয়ে পরে যাই। বিতর্কে জিতে গিয়ে কি অর্জন করতে চাইছে তাই নিয়ে সংশয়ে পড়ে যাই। এবার তাই হল। তাই চুপ।

 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৯
অতিথি বলেছেন: এমনিতেই ব্যস্ততার জন্য আসতে পারি না.. তাও মাঝে মাঝে আসি একটু রিফ্রেশ হতে... কিন্তু যা অবস্থা এখন ব্লগের... যেন জাতি হিসেবে আমরা কতটা নীচ তা প্রমাণ করার জন্য এই ব্লগে লিখে যাচ্ছে সবাই। (আমি ব্লগারদের ভাষার ব্যাবহার নিয়ে বলছি)

যাই হোক.... কিছু কিছু সময় আছে চুপ করে থাকতে হয়... তাই সম্ভবত সব ভাল ব্লগাররা চুপ করে যাচ্ছে একে একে... এই পরিস্থিতি হয়তো পরিবর্তন হবে.. সেই সুদিনের অপেক্ষায় আছে সবাই....
৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২৬
অতিথি বলেছেন: ঝগড়ার অর্থ নিয়ে বিতর্ক এবং ঝগড়া করতে ইচ্ছে করছে যে!!
কিন্তু নিজেকে সরিয়ে নিয়ে বিজয়ী হবার সত্যে এসে থমকে যেতে চাই।।।
৬. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: ঝগড়া আবারও? আলোচনা করা যায় না? :)
৭. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩২
অতিথি বলেছেন: হঁ্যা, তাও করা যায়। আলোচনায় কিনা হয়.... কখনো বিতর্ক, কখনো বা ঠুনকো ঝগড়া.... আলোচনাটাকে শুধু আলোচনায় সীমাবদ্ধ করা খুব একটি সহজ কাজ নয়।। তবে অসম্ভব নয়।।। (মুচকিহাসি)
৮. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৬
অতিথি বলেছেন: হ্যা, রাগ ঝেড়ে দেয়াটা কিন্তু সহজ কাজ। আজকে একটা হাদীস মনে পড়ছে, 'সেই সবচেয়ে বড় বীর যে নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে।' ইদানিং কথাটার অর্থ খুব ভাল বুঝতে পারছি!
৯. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৩
অতিথি বলেছেন: তবে যারা রাগটাকে ব্যবহার সঠিকভাবে করতে পারে তারা সত্যিই পূজনীয়।

হাদীসের কথা আমাকে বড় বীর বানিয়ে দিলো!!
১১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২০
সাইফ ভুইয়া বলেছেন: মানুষকে এতটা কাছে থেকে দেখার অভিজ্ঞতা ব্লগে আসার আগে আর হয়নি। এ আমি ঘোষনা দিয়েই বলতে পারি। মনের একেবারে গভীরের চিত্রতা ব্লগেই পাওয়া যায় সুস্পষ্ট আকারে। যতটা আলো আছে তা যেমন দেখা যায়, কতটা অাঁধার আছে তাও অনায়াসে বেড়িয়ে আসে। মানুষ চিনতে ব্লগের জুরি নেই। ঃ)
১২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫১
সময়! বলেছেন: বিতর্ক ছাড়া আলোচনা হয় নাকি? আশ্চার্য্য!
১৩. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৫
অতিথি বলেছেন: আজকে পড়ার মত তেমন কোনো পোষ্ট নেই। প্রথম মন্তব্যটা করতে এসে আপনার লেখাটা পেলাম। আপনার মতামত মানতে পারলাম না। আলোচনায় তর্ক বিতর্ক থাকবেই। বিতর্কহীন আলোচনা মুকের সাথে আলোচনার মতনই। আর বিতর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে নিজের অপারগতা প্রমাণ করা। আপনি এই পোষ্টের মাধ্যমে নিজের উক্ত অপরাগতাকে, জানার লিমিটেশনকে একটা আড়াল দিতে চাইছেন। সব ধরনের আলোচনায়ই পক্ষ বিপক্ষ থাকবে। অতএব, সেখানে বিতর্কও থাকবে। আলোচনা বলতে বুঝায়, কেমন আছো? ভালো আছি। আজকের ডালটায় বেশি লবন হইছে। অপরজন বলবে- আসলে বেশি লবন হয়ে গেছে। ঠিক এ পর্যন্ত আলাপকে আলোচনা বলা যায়। এরপর আলোচনা চলতে চলতে একসময় দুজনের মধ্যে কিছু মতের অমিল দেখা দিবে। একজন বললো- বুয়াকে পাল্টানো উচিৎ; অপরজন এর বিরোধীতা করলো। বুয়া রাখা না রাখা নিয়ে বিভিন্ন টপিকস নিয়ে কথোপকথন চলতে লাগলো। এখনই এটা বিতর্কে রুপ নিল। কিছুক্ষন পর এর সমাধানও বের হলো। সহজেই বুঝা যায়, বিতর্ক ছাড়া আলোচনা ভিত্তিহীন। বিতর্কের মাধ্যমেই একজনের ভেতর কি আছে তা খনন করে বের করে আনা যায়।

ত্রিভুজ ভায়া তোমাকে চেনা হয়ে গেছে। জ্ঞানপাপী ভাই তোমার চেহারা দেখিয়ে দিছে। নিজেকে যিনি ইনডিয়ান বলে দাবি করেন, তিনি আবার জাতি নিয়ে কথা বলতে এসেছেন। আপনার ওয়েব সাইটে, 'মা' 'মা' শব্দগুলো এতটা বিদগুটে ব্যবহার করেছেন যে আপনি কি বাঙ্গালী না আংরেজ সেটা বের করতে খুব কষ্ট হইছে। চোরের মায়ের বড় গলা।
১৪. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০২
অতিথি বলেছেন: ট্র্যাপ,
আমি কিন্তু বলেছি, বিতর্কের আসল সংজ্ঞা হচেছ নিজেকে সেরা প্রমান করে, যুক্তির মাধ্যমে, তারপরে অন্যকে হারানো। ব্লগে অর্থটা বদলে গেছ। অন্যকে নিচে নামানোর চেষ্টা চলে অবিরত, নিজেকে উপরে উঠানো না। এতেই আমার আপত্তি!
১৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০৪
অতিথি বলেছেন: আপনি যা বললেন সেটা মোটেও আলোচনা না, সেটা আলাপ। আলোচনা হচ্ছে যাকে ইংরেজিতে বলে 'ডিসকাস', আলাপের চেয়ে অনেক ভারি শব্দ। বিতর্ক হচ্ছে ডিবেট। ডিবেটের চেয়ে ডিসকাস আমাকে টানে বেশি। সুস্থতা থাকে, গোয়ার্তুমি থাকে না।
১৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২৬
অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে
ঝগড়াতো সবসময়ই অর্থহীন,বিতর্ক নয়।তবে এই ব্লগে এসে দেখলাম বিতর্কটা একসময় গালিসর্বস্ব হয়ে সংজ্ঞা পালটে অর্থহীন বিতর্কে পরিণত হয়।
আমার মনে হয় শিরোনামটা এভাবে হলে বেশী অর্থবহ হতো 'অর্থহীন বিতর্ক ঝগড়ার নামান্তর'।
কথাগুলো সময়োপযোগী,ভালো লেগেছে।
১৭. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৭
নাজিরুল হক বলেছেন: বিতর্ক কে ঝগরা বলা যায়না। যেমনটা আপনি বলেছেন। গঠন মোলক,যেীক্তিক বিতর্ককে আমি খারাপ চোখে দেখছিনা। সমস্যা হল এ বিতর্কে যেতে গিয়ে অনেকে আবার লাইন ছিরে গালিতে চলে যায়। যা বিতর্কের মোড নষ্ট করে দেয়। সুতরাং বিতর্ক যেতে হলে সবাইকে এ বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে। নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারলে বিতর্কে না যাওয়াটাই উত্তম।
১৯. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৩
অতিথি বলেছেন: আস্তার অনেক উন্নতি হইতাছে :)
২০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৯
অতিথি বলেছেন: আমার মন্তব্যের নিচের মন্তব্যটা ভালো লেগেছে। কথা আর বাড়ানো উচিৎ না। আলোচনা আর বিতর্কের মধ্যে সম্পর্ক অবশ্যই থাকতে হবে। কেবল আলোচনা দিয়ে কিছু হবে না।
২১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০১
অতিথি বলেছেন: বিতর্ক অর্থহীন ঝগড়ার নামান্তর কথাটা আমার পছন্দ হয় নাই। এটা পরিবর্তন করা উচিৎ, যেহেতু ভেতরের কথার সাথে এটার কোনো সামঞ্জস্যতা নাই।
২২. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৫
ঝরা পাতা বলেছেন: হে বিতর্ক তুমি মোরে করেছ মহান,
তুমি মোরে দানিয়াছ সেরা আঁতেলের সম্মান।

------- কেউ না ।
২৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৪
অতিথি বলেছেন: মূল পোষ্টে-
বিতর্ক একটু কম পছন্দ করি, তাই খুব একটা জড়াতে চাই না। লিখি এবং লেখা পড়ি। তবে সত্যানুসন্ধানী কোন বিতর্ক দেখতে পেলে কষ্ট হলেও জড়াতে চাই, কারণ, আমি সত্যের পথে চলতে চাই এবং সহযাত্রীও চাই।

এ লেখায় আপনার মূল্যায়ণ যথার্থ, তবে চুপ মেরে যাওয়াটাকে সমর্থন করি না। ভাল না লাগলে জড়াবো না বিতর্কে, তাই বলে নিজের মতামত লিখবো না কেন? তাই না?
২৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩
বিডি আইডল বলেছেন: আপনের কথা অনেক শুনছি....সাক্ষাত হইলো না কখনও

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৮২৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
হে প্রভু, তুমি আমাকে অকল্যাণ বয়ে আনা এবং অর্থহীন কথা ও কাজ থেকে রক্ষা করো!

[link|http://www.somewhereinblog.net/shondhabatiblog|Ges Avwg]
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ