ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
কেউ নিজেকে কিছুর ব্যপারে 'নিরপেক্ষ' দাবী করলেই দু'টোর একটা সত্যি হয়: হয় সে সুবিধাবাদী আর না হয় সংশ্লিষ্ট ব্যপারগুেলা তার কাছে তেমন গুরুত্ব পায় না সংগত কারণেই, তাই সে কোন পক্ষ নিতে আগ্রহী না।
রাজনৈতিক দলগুলো সম্পর্কে কেউ নিজেকে 'নিরপেক্ষ' দাবী করলে সে হয় সুবিধাবাদী হয়। কোন একটা দলের পক্ষে সাফাই গেয়ে ঝামেলায় জড়াতে চায় না বলে পক্ষ বাছাই করতে নারাজ। অথবা সে সবগুলো দল নিয়ে খুব চরম বিরক্ত, বিরক্তি থেকেই কোন পক্ষ নিতে আগ্রহী না।
ধর্মের ব্যপারেও তাই। কেউ নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ দাবী করলেই বুঝি সে হয় সুবিধাবাদী--কোন পক্ষ নিয়ে েব্কায়দায় পড়তে চায় না। অথবা কোন ধর্মই তাকে অতটা কাছে টানতে পারে না, যাতে ধর্ম কোন 'ব্যপার' হতে পারে।
দু'েটাই শঙ্কাজনক। প্রবল শঙ্কাজনক।
সুবিধাবাদী মানুষ মাত্রই স্বার্থপর। বুঝে না, বিচারকও নিরপেক্ষ থাকে না, থাকে ন্যায়ের পক্ষে। তাই গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারগুলোতে নিরপেক্ষতা কোন পথ হতে পারে না।
'ধর্মনিরপেক্ষ' শুনে আমরা প্রথমটা বুঝতে চাই না। পৃথিবীতে উন্নত জাতিগুলো নিজেদের 'ধর্মনিরপেক্ষ' দাবী করে বলেই আমরা ভাবতে চাই, 'ধর্মনিরপেক্ষতা' মানেই প্রগতির লক্ষণ। উদারতার লক্ষণ। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মের নামে নিষ্পেষন শেষ হওয়ার সময় এলো বুঝি। মনে মনে সাম্যের গান গেয়ে নেই। গলা বড় করে বলি, 'সব ধর্ম সমান'। যদি বলতে না পারি 'সব ধর্ম সমান' তাহলে নিজের কাছেই ক্যামন ছোট হয়ে যাই। প্রগতিবাদী হওয়ার জন্যই ধর্মনিরপেক্ষ হতে চাই।
আমার প্রশ্ন, যদি কারও ধর্ম থাকে, তাহলে তাকে কেন দাবী করতে হবে সব ধর্ম সমান? যদি সব ধর্ম সমানই হয়, তাহলে একটা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম মানাটা কি একটু বোকামী হয়ে গেল না? বছরের এক এক সময় এক এক ধর্ম মানলেই হয়। অবশ্য তাতে শুধু নতুন আরেক ধর্মের সৃষ্টি হবে! কিন্তু প্রতিটা ধর্মই নিজের ধর্মকে 'সত্য পথ' বলে দাবী করে। ওই দাবীটা মানা মানে, সে ধর্মনিরপেক্ষ থাকতে পারছে না। তাই কেউ নিজেকে কোন ধর্মের একনিষ্ঠ ভক্ত বলে দাবী করার পরে ধর্মনিরপেক্ষ দাবী করে আমার হিসেব মিলে না!
আচ্ছা দেখুন, আমার দেয়া দ্বিতীয় সংজ্ঞাটা: ধর্মনিরপেক্ষতা মানে কোন ধর্মই তাকে অতটা কাছে টানতে পারে না, যাতে ধর্ম কোন 'ব্যপার' হতে পারে। তারমানে কোন ধর্মই তার কাছে 'ব্যপার' না। বুঝতে পারছেন, এটা যে নতুন এক ধর্ম, যেখানে প্রচলিত/প্রাচীন ধর্মগুলোর কোন অবস্থান নেই। বরং সবগুলো পুরানো ধর্মকে 'ব্যপার না' বলে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়া হয় বলেই চমকদার নতুন ধর্মের পথ খুলে দেয়, যে ধর্মের নাম 'ধর্মনিরপেক্ষতা'।
ধর্মনিরপেক্ষতার মত শান্তি আর সাম্যের চেহারার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আর সব প্রচলিত ধর্মের বিরুদ্ধে প্রবল রকমের অশ্রদ্ধা। স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষ মানুষদের কিছু লক্ষণের মধ্যে অবধারিত ভাবে আসবেই এই লক্ষণটা--আর সব ধর্মের বিরুদ্ধে অসম্মান দেখিয়ে জাতে উঠার জান কয়লা করা প্রচেষ্টা। এবং এভাবে মানুষের মারাত্মক সংবেদনশীল একটা জায়গায় নোংরা হাতে ডলাডলি করা, খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা।
একটু মিলিয়ে নিন চারপাশে।
সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল, ডেনমার্কে মুহাম্মদ (সা) এর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন নিয়ে তুলকালাম কান্ড। মুসলিমদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করুক, হিজাব, চার বিয়ে, জঙ্গীবাদী সব কিছু নিয়ে ব্যাঙ্গ করুক, মুসলিম বিশ্বে অত তুলকালাম কান্ড কখনই হবে না। হতো না। কিন্তু মুহাম্মদ (সা) এর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন নিয়ে করার কারণ হচ্ছে, এক একজন মুসলিম, সে ইসলামের সব অনুশাসন মানুক বা না-ই মানুক, সে মুহাম্মদ (সা) কে নিজের বাবা মা কিংবা সন্তানের চেয়ে বেশি ভালবাসে। এই একটা ব্যপার 'ধর্মনিরপেক্ষ' মানুষেরা কখনই বুঝতে পারবে না। এবং নিজের মাকে, বাবাকে নিয়ে চূড়ান্ত রকমের নোংরা কথা বললে যত কষ্ট হয়, তার চেয়েও বেশি কষ্ট দিয়ে যাবে। স্রেফ এই 'ব্যপার-না' ভাবের জন্যই। বুঝতে না পারার জন্যই।
ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের দাবী... ধর্মকে ঘরের চার দেয়ালে বন্দী করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
তাদের কাছে ধর্মের আইডিয়াটা ইন্টারেস্টিং। তাদের নিজেদের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর হয় 'ব্যপার না' বা 'সময়বিশেষে ব্যপার'। সময়বিশেষে যখন 'ব্যপার' তখন 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যায় ওরা। গ্রন্থে বা শাস্ত্রে কি লেখা আছে তা কোন ব্যপারই না ওদের কাছে। 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যাওয়ার একমাত্র উপযুক্ত সময়: যখন নিজের প্রয়োজন হয়। অস্থির লাগছে, জায়নামায বা পূজার পট নিয়ে বসে যাবে। পরীক্ষায় ভাল ফল দরকার। বসে যাবে আয়োজন। বিয়ে বা জন্মদিনে একটু রঙিন ব্যপার দরকার... অনিশ্চয়তাটা কারো হাতে সপে দিয়ে নিশ্চিত হওয়া দরকার... 'শখের ঈশ্বর' আছে না?
তাদের এই স্বেচ্ছাচারী ব্যবহার যারা মানতে রাজী হয় না, তাদের কিন্তু কম শুনতে হয় না। শখের ঈশ্বর বা প্রয়োজনের ঈশ্বরকে যখনই দেখে শখ মেটানোর চেয়ে বড় কোন কাজে লাগানো হচ্ছে, তখনই তাদের নানা ধরণের কমপালসিভ ডিজওর্ডার শুরু হয়। সেটা গায়ে তীব্র চুলকানি থেকে চোখ ঠিকরে বেড়িয়ে আসা, ঘন ঘন শ্বাস পড়া, হৃদপিন্ডের দ্রুত গতিতা পর্যন্ত হয়। ইমিডিয়েট রেসপন্স হিসেবে প্রথমে শুরু হয় হুল ফুঁটানো মন্তব্য। এবং তারপরে, যে কোন উপায়ে তীব্র প্রতিরোধ। শখের ঈশ্বরকে তাঁর আসল আসনে আসীন দেখে কি রকম একটা অপ্রতিরোধ্য ভয়ের স্বীকার হন মানুষগুলো।
এই যে মানুষগুলো আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার, আমার 'ধর্ম' কে 'ব্যপার না' ভেবে সব ধরণের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবেন, ব্লাসফামি বলে কিছুকে আখ্যায়িত করা হলেই সেটা খুঁচিয়ে দিয়ে মজা দেখবেন, এই ব্যপারটাতেই আমি তাদের সাম্যের বাণীর চরম বৈপরিত্য খুঁজে পাই। মানুষের বিশ্বাসের প্রতি চরম ঘৃণা নিয়ে পোলারাইজ করতে দেখি। তাই দু:খিত, ধর্মনিরপেক্ষতার সাথে একই কাতারে দাঁড়াতে পারব না কখনও। তারচেয়ে আমার ধর্মের 'পক্ষ' নিব, যেখানে অলংঘনীয় নীতি হিসেবে বলা আছে:
ধর্মের (দ্বীনের বা জীবনপথের) ব্যপারে কোন জোরজবরদস্তি নেই'। (আল বাকারা: ২৫৬)
'আর তোমার প্রভু যদি চাইতেন, তাহলে পৃথিবীর বুকে যারা আছে, তাদের সবাই ঈমান আনত এক সাথে। এরপরও কি তুমি মানুষের উপর জোরজবরদস্তী করবে ঈমান আনার জন্য?' (ইউনুস: ৯৯)
(লেখাটা অনেক আগের লেখা। গালাগালি শোনার মুডে নাই। বমি করতে হইলে অন্য ব্লগে করতে পারেন। আলোচনা হইতে পারে। আপাতত ঘুমাবো, আগামী কাল দেখা হবে।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
অতিথি বলেছেন:
ঠিকাছে।
আলভী বলেছেন:
আপনি প্রশ্ন করেছেন, কারও যদি ধর্ম থাকে - তবে তাকে কেন দাবী করতে হবে - সব ধর্ম সমান। অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ প্রশ্ন। আসেন আমরা স্বীকার না করি এবং আবাহনী, মোহামেডান, ব্রাদার্স ইউনিয়নের মত তিন চার দলে ভাগ হয়ে মারপিট করি।
অতিথি বলেছেন:
ধর্মনিপেক্ষতার অতি সাধারণ সংজ্ঞা হচ্ছে,'সবার উপরে মানুষ'।
ধর্মেরও উপরে। ধর্মান্ধ ও অর্ধশিক্ষিত ধার্মিকরা তা মানতে চায়না বলেই এত সমস্যা।
ধর্মনিরপেক্ষতা সুবিধাবাদী চরিত্র, আপনার জন্যে শঙ্কাজনক বলেছেন প্রথমে। তারপর এই শঙ্কাকে ভর করেই যুক্তি ফেঁদেছেন। এটা হচ্ছে সুবিধাবাদীর লক্ষন।
অতিথি বলেছেন:
সেটা কেন করতে হবে আলভী? আমি প্রজ্ঞাবান মানুষদের প্রজ্ঞা শুনে মুগ্ধ হতে ভালোবাসি। ইমাম শাফীঈ, চার ইমামের এক ইমামের বক্তব্য ছিল এরকম:
অতিথি বলেছেন:
আপনার কথা বুঝলাম না তীরন্দাজ।
অতিথি বলেছেন:
ত্রিভুজের ব্লগে একটা কমেন্ট দিছিলাম, হেয় উত্তর দেয় নাই (উত্তর দিবে এমনডা আশাও করি নাই):আইচ্চা, এক দেশে যদি কয়েকটা ধর্মের লোক থাকে আর প্রত্যেক ধর্মেই যদি কয়, রাজনীতি কইরা শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়া ধর্ম প্রতিষ্ঠা করো, তাইলে পরিস্থিতি কেমন হবে?
ধরলাম, এক টার্মে মুসলমানরা ক্ষমতায় গেলো। তখন তাগো নামাজ রোজা হালাল হইবো। অন্যটার্মে খেরেস্তানরা ক্ষমতায় গেলো, তখন তো হিসাবের ফেরেস্তা বেকার হয়ে যাবে।
অতিথি বলেছেন:
অসাধারন লেখা... কিছু মানুষের কাছে পরকালের চাইতে দুনিয়ার পপুলারিটি অধিক আকাঙ্খিত বস্তু।. তাদের জন্য ধর্মনীরপেক্ষতাই সবচেয়ে উত্তম ব্যাবস্থা.. সবাইকে খুশি রাখা যায়...।
ধর্ম নীরপেক্ষতা মানে নাকি সকল অধিকার রক্ষা। অথচ পশ্চিমা দেশগুলোতে যখন ধর্মভীরু মহিলাদের হেজাব করতে বাধা দেয়া হয় তখন ধর্মনীরপেক্ষরা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু আফগানিস্থানে মহিলাদের জোর করে বোরখা পড়ানো হচ্ছে কেন এটি নিয়ে তাদের চিন্তার অবধি নেই... এরকম অসংখ্য উদাহরন টানা যায়... এসব দেখে মনে হয় ধর্মনীরপেক্ষতা শব্দটি বদলে ইসলাম বৈরিতা রাখাউচিত।
তবে সুবিধাবদীদের জন্য তথাকথিত প্রগতিশীল হওয়াটাই বেশি লাভজনক। কোন পাপ কাজকে একটা যুক্তির গিট্টুতে ফেলে অনায়াসে করে ফেলা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক শিক্ষকের লিভ টুগেদারের পক্ষে সাফাই গাওয়া পত্রিকার কলামেই রয়েছে তার উদাহরন।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আমার মনে হয় 'ধর্মনিরেপক্ষ' এর সংগা নিয়ে আপনার বিশাল একটা ভুল আছে।আমি আমার উদাহরনই দেই , আমি একজন মুসলমান হিসাবে গর্বকরি সেই সাথে নিজেকে 'ধর্মনিরেপক্ষ' হিসেবে দাবি করি।
স হজ কথাতেই বলি , আগেই বলে রাখি অত বড় তাতি্বক আমি নই ও অনেক বই পড়া বিদ্যাও আমার নাই।
'ধর্মনিরেপক্ষ' বলতে ধর্মহীনতা বোঝায় না। আর এ টাতেই অনেকে গুলিয়ে ফেলে, যেমন আপনি কিছুটা ফেলেছেন।
'ধর্মনিরেপক্ষ' বলতে আমি মনে করি সকল ধর্মের সমান অধিকার , আমার ধর্ম আমার কাছে, তোমার ধর্মতোমার কাছে। আরো বলছি...
আলভী বলেছেন:
আমার কাছে সবার উপরে ধর্ম সত্য না। ছোটবেলায় উপপাদ্য পড়তাম - উপপাদ্যে সাধারণ নির্বচন বলে একটা বিষয় ছিল : কোনো একটা কিছু মেনে নিয়ে আরেকটা জিনিষ প্রমাণ করতে হবে। ধর্ম সেরকম গাণিতিক বিষয় নয় যে প্রথমে সেটাকে মেনে নেব। আপনি আজ মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়েছেন, ইসলামে মুগ্ধ। আমিও তাই। চার ইমামের মন্তব্য আপনি লিখছেন - আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ছি। হিসেবে একটু এদিক হলে আমি বা আপনি হিন্দুর ঘরে জন্ম নিতে পারতাম। আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন - তখন আপনি একই কথা বলতেন?আমার বাড়ি মো:পুর। মো:পুর থেকে মতিঝিলে বিভিন্ন পথে যেতে পারি। কোনো পথের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য আমি গলার রগ ফুলিয়ে তর্ক করি না। যারা করে তাদেরকে সুস্থ স্বাভাবিক মানুষও মনে করি না।
অতিথি বলেছেন:
কেউ হিজাব পড়ে শান্তি পায়, পশ্চিমা বিশ্ব যাই করুক না কেন, আমার তাতে আপত্তি নেই, সে অধিকার আমার আছে বলেও মনে করি না।কিন্তু কাউকে হিজাব পড়তে (বা না পড়তে) বাধ্য করা হলে, আমি তা কে অন্যায় মনে করি।
এখানে সুবিধাবাদী চরিত্র কোথায় দেখলেন? বরং, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কোন সুবিধা ভোগ করতে চাওয়া হচ্ছে সুবিধাবাদীর লক্ষন।একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র আমার দৃষ্টিতে সেই অপরাধেই অপরাধী।
অতিথি বলেছেন:
আমি যতদূর বুঝি, ইসলাম ধর্মও মানুষের অধিকারের ক্ষেত্রে 'ধর্ম নিরপেক্ষ'। অথচ, অনেকের ইসলাম লা'নত সর্বস্ব।
অতিথি বলেছেন:
এখানে আস্তমেয়ের বক্তব্যের বিরোধীতাকারীরা নিজেদের মানুষ হিসেবে দাবী করে... তারা মানবতা নিয়ে অনেক চিন্তিত...তাদের মনুষত্ব্যের একটি প্রমাণ আজকের প্রথম পেজেই আছে....
[link|http://www.somewhereinblog.net/trivuzblog/post/28693302|GB
অতিথি বলেছেন:
মাহবুব সুমন আপনার ভাবনার সাথে বাস্তবতার অনেক ফারাক রয়েছে... সেটি দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন....আর ইসলাম মানি এক কথা মুখে বললেই হয় না... জ্ঞান অর্জন ইসলামে ফরজ করা হয়েছে শুনে শুনে ধর্ম পালন করার জন্য নয়... ইসলাম সম্পর্কে জানুন... ইসলামে ধর্মনীরপেক্ষতার বর্তমান যে চিত্র দেখা যায় তার কোন সমর্থন পাবেন না..
আমার প্রথম মন্তব্যটা পড়ে দেখুন...
আলভী বলেছেন:
ত্রিভুজ > donot generalize. its bad
অতিথি বলেছেন:
আপনি যাকে আপনার ব্লগে মন্তব্য করতে ব্যান করেছেন, তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা শোভনতার পর্যায়ে গড়ে না ত্রিভুজ।
অতিথি বলেছেন:
তাছাড়া এটা চোরের কথা, আমার নয়। আমার কথার উত্তরে ওদিকে আঙ্গুল তোলা কি ঠিক হলো ?
একজন পুরুষ বলেছেন:
পরকালের অনন্ত নহর বহর আপনা গো লাইগ্যা - থাকুন সুখের হেরেমেআর দুনিয়ার 70 বছর যারা চায় তাগো তা ছেড়ে দেবার আত্মা নাই?
কেমুন মানুষ তুমরা?
অতিথি বলেছেন:
আলভীও একই কথা বলেছেন...।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ত্রিভুজ,আমি আমার মতো চিন্ন্তা করি , ভেড়ার পালের মতো কাউকে অনুসরন করি না।ফারাক টা কই পাইলেন সেইটা বল্লে বোঝা স হজ হতো আমার জন্য।আমার কাছে 'ধর্মনিরেপক্ষতা' বলতে কি বুঝায় সেইটাই আমি বলতে চেষ্টা করছি, আরো বলব।
অতিথি বলেছেন:
মাহবুব সুমন ভাই, বলেন।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ত্রিভুজ,আস্তমেয়ের সাথে আমার মতের মিল আছে , অমিলও আছে, তার মানে এি না যে তার সব কথাতেই সায় আমাকে দিতে হবে, এটা আমার পিতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আর ইসলামি গ্যান ( বানাম ভুল) বলতে কি বুজাচ্ছেন ? আমি শুনে শুনে ইসলাম মানি না বা কেউ এসে বল্ল এইটে ইসলাম আর সেইটা নিয়া লাফা লাফি শুরু করে দিব এবং অন্ধ ভাবে সেটা মেনে নিব সেরকম বেকুব আমি না, আমি আমার যুক্তি , বিশ্বাস দ্্বারা চালিত হই।
আপনার লিং ক দেখলাম, তারা কি মতে চালিত হয় সেটা আমি জানি কিন্তু অনুসরন তাদের করি না , যেমন করি না ধর্মেনামে ব্যাসায়ীদের ইসলাম।
অতিথি বলেছেন:
আলভী এবং তীরন্দাজ, আপনাদের জন্য, এবং ব্লগের আরও কিছু মানুষের জন্য আমি একটা পোস্ট লিখছি দুই তিন ধরে 'দর্শনে ধর্ম, ধর্মের দর্শন'। মনোযোগ বসছে না তাই শেষ হচ্ছে না। শেষ হলে পোস্ট করে দিব এবং সেখানে আলভী, বিশেষত আপনি আপনার জবাব পাবেন। স্যরি, একটু অপেক্ষা করতে হবে।
তীরন্দাজ এবং মাহবুব সুমন,
আসলে ধর্মের মূল ব্যাপারটাই হলো অতিপ্রাকৃতের ইনভলভম্যান্ট বা চোখে যা দেখা যায় না তার উপর বিশ্বাস। আল্লাহ, ফেরেশতা, আখিরাত, মৃত্যুর ওপারের জীবন, এগুলা নিয়ে কোন তর্ক চলে না, কারণ এগুলা স্রেফ বিশ্বাস। আপনি যদি এগুলোতে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনি ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারেন, কারণ ধর্ম আপনার কাছে 'ব্যাপার না'। সব ধর্ম তাই সমান। আপনার কাছে মানুষ 'ব্যাপার, মানুষের তৈরি মত 'ব্যাপার' তাই আপনি ওগুলোর পক্ষে আর সব আজগুবি ব্যাপারের বিপক্ষে।
এখন, যারা অদৃশ্যে সত্যি বিশ্বাস করছে, তাদের জন্য কিন্তু পৃথিবীর সত্য অন্য রকম। আমিও দাবী করি আমার কাছে মানুষ সবচেয়ে বড়, কিন্তু ব্যাপার হলো, আপনার আমার সংজ্ঞা অফ কিসে মানুষের ভালো হবে, সেটা আলাদা। কারণ, আমাদের দুই জনের বিশ্বাসের পার্থক্য। এটা রিজলভড হওয়ার না। আপনি এই বিশ্বাসের পার্থক্য থেকে যেই সিদ্ধান্তই নিবেন, সেটাই আমার থেকে অনেক অন্য রকম হবে।
অগোছালো শোনালে স্যরি। ঘুম পেয়েছে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আমি কি বলেছি আমি অবিশ্বাসি ?আমিও বিশ্বাস করি ইসলমে যা কিছু বিশ্বাস আনতে বলা হয়েছে, মুল পার্থক্য হলো ধর্মনিরেপক্ষতা বলতে আপনার কাছে একরকম আমার কাছে এক রকম।
অতিথি বলেছেন:
নাহ, বলেন নি তো। এখানে আমি আপনি বলতে আপনি ব্যক্তি বুঝাতে চাই নি, যুক্তির এ পক্ষ ও পক্ষ বুঝাতে চেয়েছি শুধু।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
কিন্তু আপনি আমাকে মেনশন করে উল্লেখ করেছিলেন !! এনিওয়ে , আমি আফ, 2008 এ এ নিয়া কথা হবে, সুম্মা আমিনম এমএসএণ?
অতিথি বলেছেন:
এমএসএনের হিসাব আলাদা আমি আপনার যুক্তির রিফিউটেশন করছিলাম, এক সাথে তীরন্দাজকে বলতে গিয়ে সমস্যা হয়েছে। স্যরি।
অতিথি বলেছেন:
আমার মনে হইতেছে তোমার জন্ম সাল এবং স্থান কিঞ্চিৎ ঝামেলাকর। চৌদ্দশ বৎসর পূর্বে কোন আরব বেদূঈন গোত্রে জন্ম হইলে ভাল করিতে মেয়ে। তোমাকে উপদেশ দিব না, সেটা দেবার লোক তোমার অপ্রতুল নহে, ভর্ৎসণাও করিব না, যেরূপে চলিতেছ, উহাও জুটিয়া যাইবে ভালে, শুধু বলিব - পৈতৃকতার খাতিরে পৌত্তলিকতাকে ছাড়িবার যে আশ্চর্য ক্ষমতা বিধাতা তাঁহার মুষ্টিমেয় কিছু সৃষ্টির প্রতি বর্ষন করিয়াছেন তুমি তাহাদিগের একজন। এই অপরূপ অন্তর্ণিহিত গুনটি প্রস্ফুটিত করতঃ অপরের নেত্রে ধরণী অবলোকন রহিত করিয়া স্বীয় মহিমায় অবতীর্ণ হইবে এই দোয়া করি। কামনাটাও উহার ব্যতিক্রম নহে।ভালো থাকিও।
অতিথি বলেছেন:
অসাধারণ পোষ্ট কখন ঠুকে দিলেন? সত্যিই অনেক মূল্যবান সংজ্ঞা উঠে এসেছে। খুবই সহজভাবে। নিরপেক্ষতা নিয়ে এভাবে মনে হয় আমাদের 'বুদ্ধিজীবি'গণও ভাবতে পারছেন না, পারলে দেশে নিরপেক্ষ নেতৃত্ব সন্ধানী ইস্যূতে এতগুলো প্রাণ অকালে ঝরে যেত না।লেখাটাকে আরো সমৃদ্ধ করে, মানে আরেকটু ফ্রেশ করে নিউজ এ পাঠিয়ে দিন অথবা ভবিষ্যতের সংগ্রহে; বই জাতীয় কিছু বুঝাচ্ছি।
অতিথি বলেছেন:
যাদের জাগতিক চিন্তায় সততা অভাব প্রতিটি চিন্তায় প্রতিসফুটিত হয়, তাদের ধর্মচিন্তাতেও সততার বদলে অর্থহীন কথার বেসাতি।একে আমি ধর্মব্যাবসা বলি, ধর্মের প্রতি ভালোবাসা নয়!
অতিথি বলেছেন:
আমিও তাই বলি তীরন্দাজ, যেটা পরের পোস্টে বলেছি। আর যারা নিজেদের ধর্ম নিরপেক্ষ বলে দাবি করে, তারাও কিভাবে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে পারে সেটাও বলেছি। তাদের জাগতিক চিন্তায় সততা, সুরুচি এবং মানবতার অভাব পুরাপুরি বিদ্যমান। নিজেরা ধর্ম পালন করেন না, কিন্তু ধর্মের কথা বলে যখন রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন হয়। কোনটাই ধর্মের প্রতি ভালবাসা নয়।
অতিথি বলেছেন:
ভাগ্যিস, অস্ট্রেলিয়া ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, তা না হইলে এই সব আস্তগো লাত্থি দিয়া বাইর কইরা দিত। সৌদি আরবসহ স্বঘোষিত আরবদেশগুলিতে তো অন্য দেশের মুসলমানদেরতো রেসিডেন্টও করে না, নাগরিক অধিকারও দেয় না। এই হইলো বর্তমানের ইসলামিক দেশ।
অতিথি বলেছেন:
সৌদি আরব একটি মুসলিম কান্ট্রি হয়ে অন্য মুসলমানদের রেসিডেন্ট করে না এটি দিয়ে কিভাবে ইসলামিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিছু প্রমাণ করা হলো বুঝলাম না...সৌদিআরব অন্য রাষ্ট্রের মানুষকে রেসিডেন্ট দেয়া না দেয়ার সাথে ধর্মনিরপেক্ষতা বা ইসলামি রাষ্ট্র কনসেপ্টের কোন সম্পর্ক নেই।
সৌদিআরব তো তাও ঢুকতে দেয়.. থাকতে দেয় না.. আমেরিকা যে ঢুকতেই দেয় না.. ঐটার কি হবে @ দ্্বিতীয় নাম?
অতিথি বলেছেন:
লেখাটা একটা fallacy হইছে, 'ব্যক্তির' ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্ররে 'রাষ্ট্রের' ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বইলা চালানের চেষ্টা হইছে। পরিশেষে অবশ্য অনেক আগের লেখা বইলা দেওনে বুঝলাম ইহা কোন অবোধ বালিকার লেখা ছিলো যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে ভাসা ভাসা জ্ঞান ধারণ করে।
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
ম্যাডামের কতা মনে পড়ল: পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। ম্যাডামের প্রতি আমার আস্থা আরো বাড়ল। এই পোস্ট পইড়া বুঝলাম, ম্যাডাম আমার বড়ই বুঝদার মহিলা আছেন।
অতিথি বলেছেন:
বিষয়টি পুরোপুরি অন্যরকম আস্তমেয়ে। সমাজ, পরিবেশ বা নিজস্ব বুদ্ধিবৃত্তি, যার প্রভাবেই হোক না কেন, নিজের জাগ্রত বিবেক ও বোধকে এমন একটি স্তরে আনতে পেরেছি, সেখানে ধর্মের প্রভাব না থাকলেও মানুষকে মানুষ বলেই ভাবতে শিখেছি, রাষ্ট্র বা ধর্মশাসনের হাতিয়ার হিসেবে নয়।আপনার কিছু কিছু লেখাতে ধর্মীয় প্রভাব তার ভিত্তি হলেও কদাচিৎ হলেও তেমনি এক স্তরের ছায়া দেখতে পাই। যদিও আমার অন্য দিক থেকে সে স্তরে আরোহণের প্রচেষ্টা, তারপরও আমার বিশ্বাস, সে উঁচুমার্গীয় স্তরে ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্মবোধ ও বিশ্বাস, দুটোই একই স্রোতের জল। দুই ধারা থেকে প্রবাহিত হয়ে একসাথে মিশেছে মাত্র। ধরুন উঁচুমাগের্র গনিত আর পদার্থবিদ্যায় কোন তফাৎ নেই বললেই চলে। আপনার মতো অল্পবয়েসী এক মানুষের কাছে থেকে এতটুকু পেয়ে অনেক সময়েই চমৎকৃত হই বৈকি।
কিন্তু পরক্ষণেই হতাশ হতে হয়, যখন দেখি অতি নিকৃষ্ট শ্রেনীর ধর্মবোধের মশলা মাখা আচার দেখলেও আপনি নিজেকে স্থির রাখতে পারেন না। ্তুহ্যা, হ্য, ঠিক, ঠিক বলে সে আচারে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন হতাশ হই, মনে হয়, যা অনুভব করলাম, যা কিছু চমৎকৃত করলো, সব বইপড়া বিদ্যাই মাত্র, আত্মিক অনুভুতি থেকে নিবিড় কোন নিস্বরণ নয়। দু্থটো অবস্থাকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে আকস্মিক আঘাত থেকে মুক্ত করতে পারিনা নিজেকে।
আপনি আওয়ামী লীগের কথা আনতে চেয়েছেন এখানে! আমার তো কোনই দ্বিমত নেই আপনার সাথে, আমাকে বলে কি কোন লাভ হবে? ওদের কারো সম্পর্কেই আমার ভাল কোন ধারণা নেই। সত্যি কথা বলতে কি, আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষতা আমার কাছে কখনোই যথেষ্ট ছিল না।
অতিথি বলেছেন:
মন্তব্য না পড়ে মন্তব্যতোমার এ লেখাটা পড়ে ছাগলেও হেসে উঠবে। এত স্ববিরোধী ও নিজের যুক্তি নিরাপত্তাহীণ করা লেখা এর আগে কখনও লেখনি।
অতিথি বলেছেন:
তীরন্দাজ, আমি আওয়ামী লীগকে বুঝাই নি শুধু। ওরকম মানুষের অভাব নেই আমার সমাজে, এই ব্লগে।
আপনি খুব কনসার্ন একটা মন্তব্য দিলেন, যেটা আমাকে ছুঁয়ে গেছে তাই কিছু আঁতলামি করি। আপনি এই পোস্ট (Click This Link) পড়ুন, আমি আরও কিছু পোস্ট দিব। ধর্ম সম্পর্কে আমার ভালোবাসার শুরু কিন্তু বই পড়ে শুরু হয় নি। আমি এমন মানুষদের কাছ থেকে দেখেছি যারা সত্যি সত্যি বিশ্বাস করেন ধর্ম মানুষকে স্বাধীনতা দেয়। যেটা আসলে আপনার ভাবনার সাথে পুরাপুরি কন্ট্রাডিক্টরি, 'ধর্মশাসন'। ধর্মকে শাসন হিসেবে কখনও দেখি নি, বরং একটা মুক্তি।
আপনার কিছু অনুযোগ আছে, যেগুলো আরও যাচাই করার জন্য হয়তো সময় লাগবে, আর কিছু না
ওহ, আপনি আমাকে বলুন তো তীরন্দাজ, আপনার মন্তব্য কি আমার পোস্টের একটা অংশকে সমর্থন করলো না? আমি ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা দিয়েছি হয় এ ব্যাপারে সুবিধাবাদী আর না হয় ভাবে ধর্ম ব্যাপার না। আপনি তো নিজেই স্বীকার করেছেন, ধর্ম আপনার কাছে কোন ব্যাপার না, আপনি মানুষকে দেখতে চান।
অতিথি বলেছেন:
আমারে ছাগল সরাসরিই বলতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
্তুসুবিধাবাদী মানুষ মাত্রই স্বার্থপর। বুঝে না, বিচারকও নিরপেক্ষ থাকে না, থাকে ন্যায়ের পক্ষে। তাই গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারগুলোতে নিরপেক্ষতা কোন পথ হতে পারে না।্তু এটা নিতান্তই সাদা কালো কালি লেপন, আমি মানি না। ধর্মনিরপেক্ষতার সাথে সুবিধাবাদী চরিত্রের যতটা সম্পর্ক, এ সম্পর্ক প্রতিটি চিন্তাবোধের সাথেই নানা রঙ নিয়ে বিরাজমান।
্তুধর্মনিরপেক্ষ মানুষের দাবী... ধর্মকে ঘরের চার দেয়ালে বন্দী করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
তাদের কাছে ধর্মের আইডিয়াটা ইন্টারেস্টিং। তাদের নিজেদের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর হয় 'ব্যপার না' বা 'সময়বিশেষে ব্যপার'। সময়বিশেষে যখন 'ব্যপার' তখন 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যায় ওরা। গ্রন্থে বা শাস্ত্রে কি লেখা আছে তা কোন ব্যপারই না ওদের কাছে। 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যাওয়ার একমাত্র উপযুক্ত সময়: যখন নিজের প্রয়োজন হয়। অস্থির লাগছে, জায়নামায বা পূজার পট নিয়ে বসে যাবে। পরীক্ষায় ভাল ফল দরকার। বসে যাবে আয়োজন। বিয়ে বা জন্মদিনে একটু রঙিন ব্যপার দরকার... অনিশ্চয়তাটা কারো হাতে সপে দিয়ে নিশ্চিত হওয়া দরকার... 'শখের ঈশ্বর' আছে না?্থ
আপনার দ্বিতীয় যুক্তির শুরুটা কিছুটা সিদ্ধ। মেনে নিলাম, 'ধর্ম কোন ব্যপার না'। কিন্তু এটাই সব সমস্যার সমাধান, এমন দাবী কেউ করেনি। বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এমন দাবী নিতান্তই উদ্ভট! 'শখের ঈস্বর' আমাদের আলোচনার প্রক্ষিতে নিতান্তই বানোয়াট। একই ভাবে এক কথা থেকে আরেক কথার লেজ ধরে আপনি এমন জায়গায় পৌঁচেছেন, যেখানে আমরা নেই। যে জায়গায় আমরা দাঁড়িয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলছি, তা আপনার জায়গা থেকে অনেক অনেক দুর।
অতিথি বলেছেন:
্তুসুবিধাবাদী মানুষ মাত্রই স্বার্থপর। বুঝে না, বিচারকও নিরপেক্ষ থাকে না, থাকে ন্যায়ের পক্ষে। তাই গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারগুলোতে নিরপেক্ষতা কোন পথ হতে পারে না।্তু এটা নিতান্তই সাদা কালো কালি লেপন, আমি মানি না। ধর্মনিরপেক্ষতার সাথে সুবিধাবাদী চরিত্রের যতটা সম্পর্ক, এ সম্পর্ক প্রতিটি চিন্তাবোধের সাথেই নানা রঙ নিয়ে বিরাজমান।
্তুধর্মনিরপেক্ষ মানুষের দাবী... ধর্মকে ঘরের চার দেয়ালে বন্দী করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
তাদের কাছে ধর্মের আইডিয়াটা ইন্টারেস্টিং। তাদের নিজেদের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর হয় 'ব্যপার না' বা 'সময়বিশেষে ব্যপার'। সময়বিশেষে যখন 'ব্যপার' তখন 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যায় ওরা। গ্রন্থে বা শাস্ত্রে কি লেখা আছে তা কোন ব্যপারই না ওদের কাছে। 'শখের ঈশ্বর' এর কাছে যাওয়ার একমাত্র উপযুক্ত সময়: যখন নিজের প্রয়োজন হয়। অস্থির লাগছে, জায়নামায বা পূজার পট নিয়ে বসে যাবে। পরীক্ষায় ভাল ফল দরকার। বসে যাবে আয়োজন। বিয়ে বা জন্মদিনে একটু রঙিন ব্যপার দরকার... অনিশ্চয়তাটা কারো হাতে সপে দিয়ে নিশ্চিত হওয়া দরকার... 'শখের ঈশ্বর' আছে না?্থ
আপনার দ্বিতীয় যুক্তির শুরুটা কিছুটা সিদ্ধ। মেনে নিলাম, 'ধর্ম কোন ব্যপার না'। কিন্তু এটাই সব সমস্যার সমাধান, এমন দাবী কেউ করেনি। বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এমন দাবী নিতান্তই উদ্ভট! 'শখের ঈস্বর' আমাদের আলোচনার প্রক্ষিতে নিতান্তই বানোয়াট। একই ভাবে এক কথা থেকে আরেক কথার লেজ ধরে আপনি এমন জায়গায় পৌঁচেছেন, যেখানে আমরা নেই। যে জায়গায় আমরা দাঁড়িয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলছি, তা আপনার জায়গা থেকে অনেক অনেক দুর।
অতিথি বলেছেন:
আপনি ধার্মিকদের সব সময় সুবিচার করতে পারেন না, নদীর এই পাড়ে দাঁড়িয়ে তাই মনে হয়। নদীর ওই পাড়ে দাঁড়িয়ে আপনার একই ধরণের কথা মনে হচ্ছে বলে মজা পাচিছ। আসলে একটা লেখার সময় একটা চরিত্র দাড় করাতে অনেক পিঞ্চ ওয়ার্ক করতে হয়। এসবগুলো চরিত্র এক জন ধর্ম নিরপেক্ষর মধ্যে হয়তো নেই, কিন্তু এর কিছু কিছু প্রতিটা ধর্ম নিরপেক্ষর মধ্যে আছে। এটাক করলে মানুষ ডিফেনসিফ হয়ে যায়। খোলস থেকে তখন সহজে বের হয় না। তাই বুঝা যায় না আচরণের ব্যাখ্যা। দু:খিত তীরন্দাজ, আপনার লেখা যদিও ভালো লাগে, কিন্তু অনেক পোস্টে অনেক বার এই পিঞ্চ ওয়ার্কের জন্যই আমি এটাকড ফিল করেছি। যেটা হয়তো আমার ঠিক ঠিক, ভুল ভুল বলে ঝাপিয়ে পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করবে
অতিথি বলেছেন:
আপনার কথা মাথার উপর দিয়া গেল ... ... আমি ভাবছিলাম ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হচ্ছে - আপনার ধর্ম কি তা দিয়ে আপনাকে মূল্যায়ন করা হবে না; যেমন ধরেন- চাকরীর ইন্টারভিউতে প্রার্থী কোন ধর্মের সেটা বিবেচনায় আনা হবে না। এটা তো ভালই মনে হয়েছিল।
কিন্তু আপনার লেখার ভাবটা আমার জানা সংজ্ঞার সাথে মিলছে না।
যা হউক .... শুভেচ্ছা থাকল।
অতিথি বলেছেন:
মজাটা কি জানেন আস্তমেয়ে? আমি যা লিখেছি, পিঞ্চ ওয়ার্ক বা যা ই হোক না কেন, নিজের বিশ্বাস ও বোধ থেকে লিখেছি, নিজের সাথে সৎ থেকে লিখেছি। এ প্রচেষ্টা আমার বরাবরই ছিল, এখনও রয়েছে, সামনেও থাকবে। হয়তো সেখানে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ থাকতে পারে, কিন্তু কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে উল্টো বোঝা নয়।
আপনার লেখাও আমার ভাল লাগে। এত ঝগড়ার পরও আমার অনুবাদগুলো নিয়ে এর ভুলভ্রান্তি সংশোধনে আলোচনার জন্যে আপানাকেই অনুরোধ জানাব বলে ভেবেছিলাম। কিন্তু অনেক জায়গায়, অনেক পোষ্টে ও কমেন্টে আপনি যে ভাবে হ্যা হ্যা ঠিক ঠিক বলেন যান, সেভাবে, সেখানে আপনার ততটুকু সমর্থন আছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে আমার ভেতরে।
আপনার পথ বা আমার পথ একেবারে আলাদা হলেও, আপনার মূল লক্ষ্যের প্রতি আমার কোনও বিরাগ নেই। সেখনে যে আমার শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে, তার প্রকাশ অনেকবারই করেছি।
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
আস্ত আফা, গরীবের একটা কোচ্চেন। কষ্ট কইরা উত্তর দিয়েন, আমি ঠিক ঠাহর পাইতাছি না।ধরেন, ইন্ডিয়ার হিন্দুরা ধরলাম হিন্দু রাষ্ট্র চায়, মুসলমানরা কয়া বইল আমরা চাই মুসলিম রাষ্ট্র। শিখরাও হেগোটা লয়া ফাল মারল। এই অবস্থায় সমাধান কি অইব?
অতিথি বলেছেন:
ধর্ম নিরপেক্ষরা এক জোট হইয়া যখন ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের জন্য ফাল পারে, তখনের মতই অবস্তা হইবেক।
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
অইল না,এেমন উত্তর দিলে কেম্বায়? ধ্মিীয় রাষ্ট্রে এইটা লয়া গোল বাধবই। এইটার একটা সমাধান না থাকলে কেমনে কি? ইকটু সিরিয়াসলি উত্তরটা দ্যান। আমার পোরোশনটার কোন হিডেন মোটিভ নাই।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ তীরন্দাজ, আমাকে এতটা উপরে তোলার জন্য। আমি পৃথিবীটা আসলেই আপনার মতো অত বেশি দেখি নি। অন্তত দশ বছর পিছিয়ে আছি। এই পিছানো আমি দৌড়িয়েও কাভার করতে পারবো না।আমাকে কেউ বলে কিছু করাতে পারে না, আমার লেখাগুলো আমার বিশ্বাস (হোতে পারে ভুল!) এবং সততা থেকে লিখা। কোন লেখার প্রতি 5% সমর্থন থাকলেও ব্লগীয় পরিবেশে সেটা বলা মানে ব্র্যান্ডেড হয়ে যাওয়া। এই ব্র্যান্ডিং বিজনেস আমার ভাল্লাগে না।
অতিথি বলেছেন:
আমি তো অন্য ধর্মের কথা জানি না। তবে ইসলামের কথা জানি, যেইটা আরেক সময় বলব, ঠিক আছে মফিজ মিয়া? আজকে কেন বলব না, সেইটা আমার লেইটেস্ট পোস্ট থেকে জানবেন।
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
অপেক্ষায় থাকলাম আফা।
অতিথি বলেছেন:
মাথার উপর দিয়া গেল।ধর্ম নিরপেক্ষতা বলতে বুঝি যে, ধর্ম কোন যোগ্যতা হিসাবে বিবেচিত হবে না: যেমন, চাকরীর ইন্টারভিউতে, প্রার্থীর ধর্ম কি তা বিবেচ্য হবে না--- এই টাইপের ব্যাপার। কিন্তু আপনার লেখার আঙ্গিকটা সম্পুর্ন অন্য - আমার ধারণার সাথে বেমানান।
যা হউক ... ... চালায়া যান। শুভেচ্ছা রইল।
অতিথি বলেছেন:
বুঝা আর বাস্তবতায় ফারাক আছে.... থিওরী আর বাস্তব প্রয়োগে মিল পাওয়া কঠিন যদি সত্যিকারের জবাবদিহীতার অভাব থাকে.... (কারে কইলাম? কে জানে
)[link|http://www.somewhereinblog.net/trivuzblog/post/28693366|Av
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
কারো কারো কিছুতেই কিছু অয় না।
অতিথি বলেছেন:
ধর্ম নিরপেক্ষতা জিনিষটা কি এইটা বুঝতে বই পড়তে হয় না বেশি, কমনসেনস লাগে...ঐটার অভাব থাকলে কোন কিছুই হয় না...
অতিথি বলেছেন:
হয় নাই....মুখস্তবিদ্যাওয়ালারা ধর্মনীরপেক্ষতা শুধু বইয়ে পইরাই সন্তুষ্ট..... আর বাস্তবে প্রয়োগ করলে কি হয় ঐটা বুঝার জন্য কমনসেনস এর লগে কিছু বাস্তবতা জ্ঞান ও লাগে..... ঐটা মুখস্তবিদ্যাওয়ালাদের কম থাকে ...
420-2 বলেছেন:
আমার তো মনে হয় ইসলাম ধর্মধর্মনিরেপতা সাপৌটর্ করে। ধর্ম নিরেপতা মূল নীতি "যার ধর্ম তার কাছে, রাষ্ট্রের কি বলার আছে" সাপোর্টেড বাই সুরা কাফিরুন। সুরা কাফিরুনের বাংলা অনুবাদটি দেখুন"বলুন হে কাফিরকুল
আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর
এবং তোমরাওএবাদত কারী নও, যার এবদিত আমি করি।এবং আমিও এবাদত কারু নই, যারএবাদত তোমরা কর
তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
তোমাদের কর্ম এবং কর্মফল তোমাদের জন্য এবং
আমার কর্ম এবং কর্মফল আমার জন্য।"
দেখুন এখানে পষ্ট করে ধর্মনিরেপতার কথা বলা আছৈ। বিশেষ করে শেষ আয়াতে যেখানে কর্মফলের কথা বলা আছে আরও দেখুন 2য় আয়াত যেখানে প্রত্যেকের বিশ্বসিকে ব্যিিকতগত বলা হচেছ। তাই কি ধর্ম নিরেপতার মূল নীতি নয়?
বিস্তারিতর জন্য নীচের লিনক দেখুন
109 //সুরা কাফিরুন
Click This Link
ফজলে এলাহি বলেছেন:
পোষ্টটি খুঁজে পেতে আবার পড়লাম। অনাগত অনেক পাঠকেরই পড়া উচিত বলে মনে হলো শোকেইসে তুলে রাখলাম তাই আস্ত আপা জামাতি কথাবার্তা বলিতে চায় কিন্তু জামাতি হিসাবে বেরেন্ডেড হতি চায় না। আপ্সুস।




















