আমার প্রিয় পোস্ট

ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

"মানব" এর অমানবিক অসততা

১৩ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

কয়েকজন আমাকে অনুরোধ করেছেন মানবের পোস্টগুলোতে তুলে ধরা হাদীসের সূত্রগুলো খতিয়ে দেখতে। আমি উত্তরটা আমারই আগের পোস্টে মন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেছিলাম। সেটাকে একটা পূর্ণ পোস্টের রূপ দিচ্ছি:
বাংলাদেশে কিছুদিন আগে গিয়েছিলাম অনেকদিন পর। ইন্টারনেট খুব মিস করছিলাম বলে একটা সাইবার ক্যাফে পেয়ে ঢুকে গেলাম। একটা ব্যপার দেখে অবাক হয়েছি--কম্পিউটারগুলো এক একটা অন্যটা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মাঝে পদর্ার দেয়াল, টেবিলের সাইডগুলো উঁচু উঁচু। আমি প্রথমে কারণ বুঝিনি। ভাইয়া পর্দা তুলে দিয়ে কাজ করছিল, ক্যাফের লোকটা এসে পর্দা নামিয়ে দিয়ে গেল। ভাইয়া মহা বিরক্ত হলো। ওর নাকি অক্সিজেনের অভাব হচ্ছিল। পর্দা রহস্য আমার কাছে পরিষ্কার হলো যখন কম্পিউটার স্ক্রীনের বাঁ পাশে হিস্ট্রী দেখলাম। পর্ণোগ্রাফী ছাড়া একটাও সাইট লিস্টে ছিল না। একটাও না। মনে হচ্ছিল সেটা অসুস্থদের আড্ডাখানা। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। ক্যাফে থেকে যতো দ্রুত সম্ভব বেরিয়ে আসলাম।
মানবের পোস্ট পড়ে আমার সে রকম বিবমিষা হয়েছে। তিনি যেভাবে "ব্লু ফিল্ম", "গ্রুপ সেক্স" বিস্তারিত বর্ণনা সহ লিখলেন, তাতে তো বোঝাই যাচ্ছে অন্ধকার জগতের ব্যপারে তিনি সুঅভিজ্ঞ। অন্ধকার জগতের পুরো ব্যপারটাই যে অস্বাভাবিক, বিচ্ছিরি আর অসুস্থ--এ ব্যপারে নিশ্চয়ই কারো দ্্বিমত নেই?
সব চেয়ে বড় মিথ্যা হচ্ছে সত্যের সাথে মিশানো মিথ্যা। কারণ মানুষ কিছু সত্য দেখে কনভিনসড হয়ে গেলে তখন আর বাকি মিথ্যাগুলো নিয়ে মাথা ঘামায় না। সবই সত্য বলে ধরে নেয়। মানব সেই কাজটা করেছেন সুন্দর ভাবে। খেয়াল করে দেখবেন, তিনি হাদীসগুলো সরাসরি কোট করেননি। নিজের ভাষায় লিখেছেন, ব্র্যাকেটে আর দু'টো হাদীসের মাঝে নিজের চিন্তা ভাবনা ঢুকিয়ে দিয়েছেন অবলীলায়। আর বাংলা অনুবাদতো নিজের খেয়াল খুশি মতো করেছেন। Chinese whisper খেলতে জানেন তো? বেশ কয়েকজন লাইন ধরে বসে থাকে, একজন একটা কথা (ধরুন "আজ বৃষ্টি হবে") ফিসফিসিয়ে পাশের জনের কানে বলে, সে যা শুনে তাই পাশের জনের কানে ফিসফিসিয়ে বলে। এভাবে চলতে থাকে। শেষের জনের কাছে কথাটা পেঁৗছতে পেঁৗছতে একেবারে বিকৃত হয়ে যায়। শোনার সমস্যা তো হয়ই, আবার মাঝে এমন মানুষও থাকে যে ইচ্ছা করেই যা শুনে, তা না বলে অন্য কিছু বলে। ফলে "আজ বৃষ্টি হবে" হয়ে যায় "গরুঘাস খায়"। আরবী থেকে বাংলা অনুবাদে অনেক সময়ই ঠিক ভাবটা উঠে আসে না তিনটি কারণে:
এক: বাংলায় সঠিক প্রতিশব্দের অভাব (ইংরেজীতে জোছনার ভাল প্রতিশব্দ নেই-- সব ভাষারই কিছু সীমাবদ্ধতা আছে),
দুই: বাঙালী যারা আরবী শিখে অনুবাদ করে তাদের নিজেস্বভাষাগত সীমাবদ্ধতা এবং আরবি বাগধারা, শব্দের ব্যুৎপত্তি ইত্যাদি সম্পর্কেজ্ঞানের স্বল্পতা।
তিন: অসততা। ইচ্ছা করেই কাছাকাছি একটা প্রতিশব্দ দেয়া, যাতে পুরো অর্থ বদলে যায়।
"মানব" (বা যার অনুবাদ তিনি নিয়েছেন) যে তিন নম্বর কাজটা করছেন তার অনেক প্রমাণ আমি পেয়েছি। কিছু উদাহরণ দেই...
আমি যেখানে হাদিসের বাংলা অনুবাদে "পৃষ্ঠদেশ" পড়েছি, আর ইংরেজি অনুবাদে "back" পড়েছি, তিনি সেটাকে মনের মাধুরী মিশিয়ে অনুবাদ করেছেন নিতম্বের প্রচলিত শব্দ। "পৃষ্ঠদেশ" মানে তো পিঠ, আর ইংরেজীতেও নিতম্বের প্রতিশব্দের অভাব নেই। তিনি কেন নিচের দিকে গেলেন বুঝলাম না। এটাকে তো অসততা বলবেন তাই না? অমানবিক অসততা।
আর একে ঘিরে যে গল্পটা তিনি বানালেন... ইসলাম পূর্ব আরবের প্রথা ছিল স্ত্রীর সাথে রেগে গেলে তাদের পিঠকে "মায়ের পিঠ" এর সাথে তুলনা করতো এবং বলতো, "তুমি আমার জন্য আমার মায়ের মতোই নিষিদ্ধ"... বলে ফেলার পরে তাদের ধারণা ছিল, তাদের সম্পর্কসত্যিই মা-ছেলের মতো হয়ে যেতো। তারা স্ত্রীকে আর স্পর্শ করতো না। কোরআন এরকম ফালতু প্রবাদ/কথা থেকে বেঁচে থাকার আহবান জানায় এবং ঘোষণা দেয় এরকম কেউ বলে ফেললেই স্ত্রী মা হয়ে যাবে না, জন্মদাত্রী জন্মদাত্রীই।
অথচ দেখুন তিনি কি চমতকার পর্ণোগ্রাফীক গল্প বানিয়েছেন এটা নিয়ে?
এ ব্যপারে বিস্তারিত পড়ুন:
http://www.answering-islam.de/ Main/Index/Z/zihar.html
"হিলা" বিয়ের কথা বলে তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন ইসলামে আইনগত ভাবে "ফ্রি সেক্স" হালাল করে দেয়া হয়েছে, যেখানে "হিলা" বিয়ের পুরো ব্যপারটাই হারাম। ইসলামে বিয়ে অনেক পবিত্র, ভারি স্বামাজিক দায়িত্ব। তালাক দিবে এই চিন্তা মাথায় রেখে বিয়ে করা বৈধ না। পড়ুন:
http://www.islamonline.net/servlet/ Satellite?pagename=IslamOnline-English-Ask_Scholar/ FatwaE/FatwaE&cid=1119503544100

আমি প্রতি লাইনে লাইনে এরকম অসততা দেখেছি। আর খণ্ডন করার রুচি হচ্ছে না। যাদের এখনো অন্য হাদীসগুলোর ভুল ব্যাখ্যার ব্যপারে সন্দেহ আছে তারা দয়া করে এ ব্যপারে নিজেরা সঠিক সোর্স থেকে পড়াশোনা করে মিলিয়ে নিন।
"সামহোয়্যার ইন..." কে ধন্যবাদ মানবের সাইটে কিছু লিমিটেশন প্রয়োগের জন্য। কারণ তিনি সবচেয়ে বিচ্ছিরি ধরণের মিথ্যা বলছেন আল্লাহর রাসুল (সা:) আর কোরআন নিয়ে। ফলাফল: খাঁটি পর্ণোগ্রাফী...
মানবের পোস্টে কোন মন্তব্য লিখতে আমার ইচ্ছা করছে না, এটা লিখেছি আমি অন্যদের জানার সুবিধার্থে। যে ঘোড়া আর শুকর দু'টোরই চার পা আছে বলে দু'টোর মধ্যে কোন পার্থক্য দেখে না, তাকে আপনি কি করে বুঝাবেন দু'টোয় বিস্তর পার্থক্য?
মানবের প্রতিটা পোস্টেই রেফারেনস লিস্ট এক। হাহ! তিনি দেখি ডেনিশ কার্টুনগুলোও দিয়েছিলেন! অস্ট্রেলিয়াতেও কোন বিখ্যাত সংবাদপত্রেকার্টুনগুলো ছাপেনি, কারণ মানুষকে থাপপড় দিতে পারার অধিকারকে স্বাধীনতা বলে না। এ পর্যায়ে কেউ যদি conspiracy theory দেয় যে তিনি জেনে শুনে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে, মুসলিমদের এবং অমুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তিসৃষ্টি করতে, অমুসলিমদের সামনে মুসলিমদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠে পড়ে নেমেছেন তাহলে কিন্তু আমার পুরো অবিশ্বাস হবে না। কাজটা অমানবিক, বিচ্ছিরি। গ্রামের কুটনি বুড়িগুলোর মতো কুটনামি করে ঝগড়া বাধানো আর কি...

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: মানব যেসব হাদিস উল্লেখ করছে তার একটারও ভিন্ন বঙ্গানুবাদ দিলেন না। আর ওরে বললেন অমানবিক অসৎ। এই আপনার সততা!!!!
পারেন আপনারা!
ও যদি ভুল হাদিস দিয়ে থাকে তবে বলেন আমরা কতর্ৃপক্ষকে বলি ভুল হাদিস দেয়ার জন্য ওই পোস্ট মুছে দিতে। আর হাদিস যদি ঠিক হয় তো বলেন, ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। এতে সেক্স সম্পর্কে কথাবার্তা তো থাকবেই। সেক্স ছাড়া তো জীবন পূর্ণ নয়।
কি রাখঢাক করতে চান আপনারা? নারী না হয় বুরখার ভিতরে থাকবে। ইসলাম তো আর বুরখার ভিতরে রাখার জিনিস নয়?
২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: মানবের হাদিসের বয়ান কি ভুল??
আমি মাঝে মাঝে ভাবি একটা কথাই আরবের মুসলিমদের কি অন্য কোনো কাজ ছিলো না, এই গৃহবিবাদ, সঙ্গমচিন্তা, বিয়ার হাজার নিয়ম, এমন মোটাদাগের ভাবনা নিয়েই কি আবর্তিত আরবের লোকেরা?
তোমার কাছে ভিন্নধর্মি ভালো কিছু শোভন হাদিস থাকলে পেশ করো।
আমার মনে হয় না মানবের বঙ্গানুবাদে খুব বেশি ভুল আছে। ইংরেজিতে পাড়লে যে ভাবনাটা মাথায় আসে সেটার ভিত্তিতে বললাম আমি আবার 1400 বছর আগের আরবের ভাষাবিশেষজ্ঞ না।
৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন:
Anas bin Malik said, "The Prophet used to visit all his wives in a round, during the day and night and they were eleven in number." I asked Anas, "Had the Prophet the strength for it?" Anas replied, "We used to say that the Prophet was given the strength of thirty (men)." And Sa'id said on the authority of Qatada that Anas had told him about nine wives only (not eleven).
৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: আমি গোসল অংশের 40 থকে 50টা হাদিস দেখলাম, তার 30 টাই সঙ্গম পরবর্তি গোসল সংক্রান্ত, আশ্চর্য লাগছে, এমনি গোসল কি করতেন না আপনার মহা(!!)নবি??
৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: [ইংলিশ]ঠড়ষঁসব1, ইড়ড়শ 5, ঘঁসনবৎ 267:
ঘধৎৎধঃবফ গঁযধসসধফ নরহ অষ-গঁহঃধঃযরৎ:
ড়হ ঃযব ধঁঃযড়ৎরঃু ড়ভ যরং ভধঃযবৎ ঃযধঃ যব যধফ ধংশবফ 'অরংযধ (ধনড়ঁঃ ঃযব ঐধফরঃয ড়ভ ওনহ 'টসধৎ). ঝযব ংধরফ, "গধু অষষধয নব গবৎপরভঁষ ঃড় অনঁ 'অনফঁৎ-জধযসধহ. ও ঁংবফ ঃড় ঢ়ঁঃ ংপবহঃ ড়হ অষষধয'ং অঢ়ড়ংঃষব ধহফ যব ঁংবফ ঃড় মড় ৎড়ঁহফ যরং রিাবং, ধহফ রহ ঃযব সড়ৎহরহম যব ধংংঁসবফ ঃযব ওযৎধস, ধহফ ঃযব ভৎধমৎধহপব ড়ভ ংপবহঃ ধিং ংঃরষষ পড়সরহম ড়ঁঃ ভৎড়স যরং নড়ফু."
[/ইংলিশ
এটার বঙ্গানুবাদ কি হবে??
৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
ওয়ালী বলেছেন: আস্তমেয়ে আপনার উদ্দেশ্য ভাল। কিন্তু একবার কি চিন্তা করেছেন তাদের কাছে পন্থাটি কতটুকু এপ্লিকেবল।

আসলে আমরা যারা "প্রগতিশীল" এবং "মুক্তমনাদের" ভন্ডামীগুলো ধরতে পেরেছি তাদের উচিত এক হয়ে এদের আলু ভর্তা বানানো এবং সাথে শুকনো মরিচ দিয়ে খাওয়া। তবে দুটি পদ্ধতিই খোলা রাখতে হবে। ইন্টালেকচুয়েলি এবং ফিজিক্যালি। ইন্টাল্যাকচুয়েলি কিভাবে এদের আলুভর্তা বানানো যায় সেদিকটা আপনি দেখতে পারেন বা ভাবতে পারেন। আমি বলছি ফিজিক্যালি এদের কিভাবে আলু ভর্তা বানানো যায়। সব সময় একটা বেসবল ব্যাট হাতের কাছে রাখতে হবে। রাস্তা, মেট্রো, বাস, ট্রাম যেখানেই এদের দেখা যাবে তাদেরকে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে মেরুদন্ড বরাবর একটা আঘাত করতে হবে যাতে মৃতু্যর আগ পর্যন্ত এরা সোজা হয়ে না দাড়াতে পারে। কিন্তু কাজটা করতে হবে খুব সাবধানে এবং যার যার সামার্থ্য অনুযায়ী এবং একাজে যারা খুব পারদর্শী তাদেরই অগ্রগামী হওয়া দরকার। কারন ধরা খাইলে জামিন নাই। আরো প্রতিবাদ করা যায় যেমন এদের সাথে কোথাও দেখা হলে তাদের মুখ বরাবর থুথু দেয়া যেতে পারে। আরো করা যেতে পায়ের চটি খুলে ছুঁড়ে মারতে পারেন কেউ কেউ অবশ্য চটির দাম যদি বেশী হয়ে থাকে তাহলে থুথুই যথেষ্ঠ। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি মনে করি ফিজিক্যাল এসল্ট একটি গুরুত্বপূর্ন দাওয়াহ। গন পিটুনি আরো ভালো। যে মাইর ডিজার্ভ করে তাকে তো মাইর দেয়াই উচিত, নাকি?

আমরা কথা বলতে গেলে কাঠ মোল্লা হয়ে যাই আর তারা বললে হয়ে যায় সুফি দরবেশ। এখানে লেখার জন্য আমাকে একবার কয়েকজন আমার বাবা মা এবং ভাই বোন তুলে গালি দিয়ে ছিলো। তখনযে কোথায় ছিলো তাদের লেকচার আমি জানিনা? হয়তোবা বালিশের তলে রেখে তারা ঘুমিয়ে ছিলো। আপনাকে এখনও তেমন কোন গালি শুনতে হয়নি। তবে এখনো দেইনি বলে যে দিবেনা সেটা চিন্তা করলে বলবো ভূল চিন্তা করছেন। কোন সূফিকে কিন্তু তখন খুঁজে পাওয়া যাবেনা। যারা প্রোটেষ্ট করতে আসবে তাদেরকে নিষিদ্ধ করার আন্দোলন শুরু করবে তারা। আমরা একটা কথা বললে কলম বিরতি আন্দোলন শুরু হয়ে যাবে এখানে। এদের কোন কিছুই বলে আপনি কোন চ্যাঞ্জ আনতে পারবেন না। আশ্লিতা এবং গালির জন্য এরা পি,এইচ,ডি সম্মান প্রাপ্ত বিশিষ্ট মানুষ। এদের মাথাতে ঘিলুর চেয়ে মুখের জি্বহবার দৌড় বেশী আর আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে কলম ধরার তিন আঙ্গুলের চেয়ে দুই হাতের দশ আঙ্গুলের দৌড় বেশী।

রাসূল (সা:) কিন্তু মক্কা বিজয় করেছিলেন একটি বিপ্লবের মাধ্যমেই। পৃথিবীর সব দেশেই কিন্তু বিপ্লব ঘটেছে তা অস্ত্রের মুখেই হোক বা নিরবেই হোক। আমাদের মনে হয় সেধরনের কিছু চিন্তা করা প্রয়োজন। কিন্তু গণতান্ত্রিক এবং ইন্টালেকচুয়াল পন্থায় ইসলামপন্থীদের যে অর্জন সেটাকেও অব্যহত রাখতে হবে। আমাদের দুইটা অপশনের দিকেই সমান নজর দেয়া দরকার।

ভূত এই কথাগুলো আমাকে অনেকবার বিভিন্নভাবে বোঝাতে চেয়েছিলো। আমি এখন বুঝতে পারছি এবং ভূত কেন এগুলো বলেছিলো। যাই হোক আপনাকে ধন্যবাদ।
৭. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: Once the call (Iqama) for the prayer was announced and the rows were straightened. Allah's Apostle came out; and when he stood up at his Musalla, he remembered that he was Junub. Then he ordered us to stay at our places and went to take a bath and then returned with water dropping from his head. He said, "Allahu-Akbar", and we all offered the prayer with him.
এটার ব্যাখ্যা কি করবো?
তার খাওয়া ঘুম আর সঙ্গম ছাড়া অন্য কাজ ছিলো না দিনে রাতে??
এটা কিন্তু বোখারির হাদিস, আপনার পছন্দের লিংক থেকেই তুলে দিচ্ছি,
৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক, ভদ্রমহিলা কিছুই দেখেন না, কারণ তিনি প্রথমত আস্ত মেয়ে এবং নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি হিজাব পরেন তাই তার দেখায় খামতি থাকতেই পারে। কারণ দেখার জন্য তো চোখকান খোলা রাখতে হয়, বাহ্যিক অঙ্গ-প্রতঙ্গ ছাড়াও একটি তৃতীয় নয়নেরও প্রয়োজন পৃথিবীকে দেখার ও বোঝার জন্য।
আসলে নিজের জীবনের ওপর ঝড় কিংবা নিদেন শিলাবৃষ্টি না এলে হয়তো বোঝা যাবে না, উচ্চবিত্তের কোনও নারীর পক্ষে খুব সহজে বোঝার সম্ভাবনা নেই যে, বেত দিয়ে পেটালে কিংবা ভাত-তরকারির মধ্যে একটা চুল পাওয়ার শাস্তিসহ তিন তালাক কিংবা মক্কা পর্যন্ত তালাক হয়ে যাওয়া নারীর দুঃখ-কষ্ট কতোটা। উনি বলছেন কিতাবি ইসলামের কথা, কিন্তু গ্রামে তো কিতাবি ইসলাম নয়, চলে সাঈদী-ইসলাম, উনি সেটা জানবেন কোত্থেকে, উনি তো ইন্টারনেট ক্যাফেতে পর্দা দেখেই মরি মরি।
সবচেয়ে কষ্টকর হচ্ছে, সমালোচনাকে ব্যক্তিতে নিয়ে উনি ব্যক্তিগত আঘাতই ফিরিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু মানবের লেখার সমালোচনা তিনি নিজেই করেননি, বরং তাকে অসৎ বলে গালি দিয়েছেন। এটা কোন সততা কে জানে?
৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন:
Narrated Muhammad bin Al-Muntathir:
on the authority of his father that he had asked 'Aisha (about the Hadith of Ibn 'Umar). She said, "May Allah be Merciful to Abu 'Abdur-Rahman. I used to put scent on Allah's Apostle and he used to go round his wives, and in the morning he assumed the Ihram, and the fragrance of scent was still coming out from his body."
১০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: সবার কাছে যাওয়ার মানেই তিনি যেই ব্যাখ্যা করেছেন সেটা না। শুধু শারিরীক সম্পর্কের ভিত্তিতে মুহাম্মদ (সা:) এর তার স্ত্রীদের সাথে সম্পর্ক ছিল না। এ হাদীসের ব্যাখ্যা পড়েছিলাম, শুধু দেখতে গিয়েছিলেন সবাইকে। হাদিসটা তো নিজেই দেখলেন, শালীন ভাষায় বলা। মাঝে কতোগুলো শূন্যস্থান নিজে পূরণ করে নিয়েছেন মানব?
আমি আর কথার জবাব দিব না। জানার উদ্দেশ্যে পড়েন, উত্তর নিজেই পাবেন।
১২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: সেক্স সম্পর্কে কথা বার্তা ইসলামে আছে অস্বীকার করেছি? যা আছে সেগুলো মোটেও পর্ণোগ্রাফীর মতো না। ইসলাম মানুষের শরীর আর মনের চাহিদাকে না দেখার ভান করে না। তবে তিনি যেটার সাথে যেটার মিল দিয়েছেন ঘটনা মোটেও সেরকম না, সেক্ষেত্রে তিনি অসততা করেছেন, আমি উদাহরন দিয়েছি। আয়েশা (রা:) আর মূহাম্মদ (সা:) এর কাল্পনিক সংলাপ বানিয়েছেন, না বুঝে ব্যাখ্যা করেছেন।
মানুষের নিজের চাহিদাকে জানতে হবে, সেটাকে সীমার ভেতর থেকে মিটাতে হবে। এ জন্য "সেক্স এডুকেশন" দরকার। সেক্স এডুকেশন আর পর্ণোগ্রাফী এক না। সেক্র এডুকেশন পুরাপুরি ফ্যাকচুয়াল। নিজেকে জানার জন্য যতোটুকু দরকার, ততটুকু কোরআন আর হাদীস দিয়েছে। সেগুলো পড়ে অসুস্থ আনন্দ পাওয়ার জন্য না।
সেক্স ছাড়া জীবন পূর্ণ নয়, শুধু সন্তান ধারণের জন্যও সেক্স না। বললাম। মানি সেটা। বলে দেয়াটা কি আমাকে সত প্রমাণের জন্য খুব জরুরি ছিল?
আমার বঙ্গানুবাদ দিতে হবে কেন? আমার পাঠকদের প্রতি আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে তারা ইংরেজি পড়তে জানেন। আমি লিংক দিয়েছি। আরও চাইলে আরও দিব। যার জানার আগ্রহ থাকবে সে পড়ে নিবে।
সবাই কি আমার পোস্ট না পড়েই কথা বলছেন? আমি ব্যাখ্যা করেছি তিনি কোথায় অসততা করেছেন।
আর মহুয়া,
পড়ে কথা বলেন।
1. বেত দিয়ে পিটানো = অবৈধ।
2. ভাতে চুল পাওয়ার মতো ছুতায় তালাক = অবৈধ।
ওমরের (রা:) ঘটনাটা পড়ে নিয়েন আবারও।
আমি এ পোস্টে কারও মন্তব্যে আর জবাব দিব না। যারা পুরোটা না দেখে থাকতে চান, তাদের জোর করে কিছু দেখানো যাবে না।
১৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
ওয়ালী বলেছেন: ভূত বলেছে বলেই জায়েজ হয়ে যাবে বিষয়টি এমন নয়। বিষয়টি রীতিমতো আমি উপলব্ধি করতে পারছি তাই আমি আগ্রহী।
১৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: আপনার নীতি আর আদর্শ থেকে সরানোর কোনো অপচেষ্টা কেউ করছে না মনে হয়, যারা লিখছে তাদের ভিত্তিটাও যে শক্ত এটাই বুঝাতে চাইছে বোধ হয়।
আপনি আপনার মতো বুঝে জীবন যাপন করবেন অন্য মানুষ তার মতো বুঝবে, জীবনযাপন করবে। কেউ তোমাকে অসৎ বলে নি কিন্তু তুমি মানবকে অসৎ বলছো এটা একটা আপত্তির কারন হতে পারে।
১৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল, আপনার দ্্বিতীয় হাদিস প্রসঙ্গে:
মুহাম্মদ (সা:) মোট 11 জন স্ত্রী ছিলেন ঠিক, কিন্তু এক সাথে কখনই না। এক সাথে একবারে 9 জন ছিলেন। হাদিসটা সহীহ না, আমি আগে পড়েছি। নিজে পড়ুন জানার উদ্দেশ্যে, জানতে পারবেন।
ওয়ালী, আমি মারামারির মধ্যে নেই। এই মন্তব্যগুলো সরিয়ে ফেলতেও চাই না কখনো। আল্লাহ মানুষকে বুদ্ধি দিয়েছেন, সেই বুদ্ধি ব্যবহার করে মানুষ সহজেই বোকামী, অজ্ঞতা, একচোখা প্রবণতা, তর্কের খাতিরে তর্ক এগুলো দেখতে পায়। যাদের উদ্দেশ্যে বলছি তারা না বুঝলেও যারা মাথা ব্যবহার করে তারা ঠিকই বুঝে নেবে। আমি আমার নীতি আর আদর্শ থেকে কখনো সরবো না ইনশাল্লাহ :)
১৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: ওয়ালি উত্তেজিত হওয়ার বিষয় না এটা।
হাদিসের সংগ্রহ অন লাইনে ছড়ানো, সেখান থেকেই আমি কয়েকটা তুলে দিয়েছি, এটার পেছনের ঘটনা আলোচনা না করাটাই সমচীন বোধ হয়, আর উগ্রপন্থা বিষয়টা ভুত বললেই জায়েজ হয়ে যাওয়ার কথা না, এভাবেও ভাবতে পারো বিষয়টাকে, কেউ ফুল থেকে সুগন্ধি নেয় কেউ নেয় বিষ,
তুমি কি নিচ্ছো এটা তোমার বিবেচনা, আমার মনে হয় সবাই সুগন্ধি নেওয়ার চেষ্টা করছে।
১৭. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: হাদিসটা ভুল, মানে "কনট্যামিনেশন" আছে সেটা বলি নি কিন্তু। বলেছি, এটা ছোট আনাস (রা:) এর নিজেস্ব মত ছিল। নিজেই হাদিসটা পড়েন, ছোট বাচ্চারা যেমন হিরোদের খুব শক্তিশালী মনে করে, তাঁর ধারনা তাই ছিল...
সহীহ হাদিস গ্রন্থ = যেগুলোতে কোন "কনট্যামিনেশন", "ব্রোকেন লিংক" নেই।
আমি একজন আলেমের মতের কথা বলেছি, যার যুক্তি আমার ভাল লেগেছে। অন্য কারও ধারনা থাকতেই পারে অন্যরকম।
গোসল নিয়ে যেই মন্তব্য করলেন সেটা শুনেই বুঝা যাচ্ছে আপনি কিছুই পড়েন নি। নিজেই বললেন গোসলের 40-50 হাদীস আছে, অথচ মোট হাদিস সংখ্যা কত জানেন বুখারীতে? 7275 টা। এর মধ্যে 50 টা মানে... 0.68 শতাংশ... এর ভিত্তিতেই বললেন তার জীবনে আর কোন কাজ ছিল না? আল্লাহর দেয়া ফ্রী চোখ, এটা ব্যবহারেও এতো কষ্ট?

(Aside to mysefl: shut up madam, shut up... these people will never see coz they don't wanna see...)
১৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: আর আনাস (রা:) সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে জানতে পারবেন, তিনি যখন হাদীসটা বর্ণনা করেছেন তখন বেশ ছোট ছিলেন, স্ত্রীর কাছে যাওয়ার মানেই তিনি ইনটিমিসি ধরে নিয়েছিলেন। এটা আমি পড়েছি রাসায়েল ও মাসায়েল নামের একটা বইয়ে। বইটা এখন আমার কাছে নেই, থাকলে অবশ্যই পৃ নম্বর বলতাম যেন নিজে দেখে নিতে পারতেন।
১৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: সবচেয়ে প্রথমে যে কাজটা করবেন তা হলো শুদ্ধ হাদিস সংকলন প্রকাশ, এর পর ওসবের ব্যাখ্যা। বাংলাদেশের অন্তত 10000 পরিবারে বোখারির সম্পুর্ন সংগ্রহ আছে, এবং এটাই প্রচলিত ধারনা যে কোরানের পর বোখারিই সবচেয়ে শুদ্ধ গ্রন্থ, এ জন্যই এটাকে সাহীহ বুখারি বলা হয়, সেখানের হাদিসেও যদি সমস্যা থাকে তাহলে আগে শুদ্ধ হাদিস সংকলন বের করতে বলেন গবেষকদের।
যখন পছন্দ হবে না তখন এটা ভুল হাদিস বলার চেয়ে আগে সঠিক হাদিস গুলো সবাইকে জানানো দরকার বেশি, এই এখানে ভ্যানতারা না করে আগে সেই কাজটা করেন,
২০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: অসত বলেছি কারনটা আমি দেখিয়েছি ভাইজান... স্পষ্ট করেই বলি: তিনি বলেছেন আরবরা অতি কামার্ত হয়ে স্ত্রীর শরীরের বিশেষ অংশকে মায়ের বিশেষ অংশের সাথে তুলনা দিত। ঘটনা তা না। আমি এর পটভূমি একাধিক জায়গায় পড়েছি, আপনাদের লিংক দিয়েছি। তিনি কোথাথেকে পেল বলুন? কোন কিছু সম্পর্কে বানিয়ে বলা অপরাধ না? "ফেব্রিকেশন" অসততা না? বুঝতে পারছেন না কেন?
আমাকে কেউ অসত বলে নি সেটাও ঠিক না, দীক্ষক বলেছেন :-)।
২১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:০৩
ওয়ালী বলেছেন: রাসায়েল ও মাসায়েল 2য় খন্ডতে এর ব্যাখ্যা আছে। আমার হাতের কাছেও বইটি নেই।
২২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:০৩
উৎস বলেছেন: "আস্তমেয়ে মারামারীতে নেই" - এটুকু নিশ্চয়ই সবাই প্রশংসা করবেন। ওয়ালী এত ভয় পাও কেন, 1400 বছর যে ধর্ম টিকেছে তা এত সহজে ভেঙে পড়বে না। আবার কোন গোজামিল থাকলে বেসবল ব্যাট দিয়েও রক্ষা করতে পারবে না। আজকে পত্রিকায় দেখলাম এক জঙ্গী ছানা ধরা পড়েছে, তার বক্তব্যের মর্মার্থ অনেকটা তোমার লেখার মতো। আস্তমেয়ের মতো সহনশীল হও। নইলে তোমার একার তো আর বেসবল ব্যাট নেই, ওদেরও আছে, ওদের আরও আছে গুয়ানতানামো, আবু ঘ্রাইব, বেসবল ব্যাটের বহূবিধ ব্যবহার শিখিয়ে দেবে।
২৩. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: ও আচ্ছা। তা আমি যে বললাম গোসলের উপর হাদিস আছে 40 50টা এটাতে ভুল হলো কোথায়?? বুখারি তে হাদিস সংখ্যা
খুব বেশি হলে 3000 হবে কারন অনেকগুলো হাদিসের 3 থেকে 4টা বয়ান আছে।
আর আমি না পড়েই যা বলতে পারছি আপনি পড়ে তা বলতে পারছেন না, মানবের 80টা হাদিসের বিপরিতে একটা হাদিসের বয়ানে গলদ ধরে ভাব লইতেছেন।
আশ্চর্য!!!!!!
২৪. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: ওয়ালীর ইসলাম এখন বেসবল ব্যাট নির্ভর। জেহাদিরা তলোয়ার ছেড়ে ব্যাটবল ধরেছে। কলিকালে কত কি দেখবো।
২৫. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
অতিথি বলেছেন: রাসেল ভাই বাদ দিন না, একেতো বেচারি মেয়ে, তার ওপর আবার আস্ত, আপনার সঙ্গে সে কথায় পারবে নাকি, আর না পারলে আস্ত মেয়েকে বাঁচানোর জন্য খণ্ড-পুরুষ ওয়ালি এগিয়ে আসবে বেসবল নিয়ে, এখানে আর মারামারি চাই না ভাই যথেষ্ট হয়েছে।
আর হাদিসের যতোই আপনি ব্যাখ্যা আস্ত-র কাছে চান না কেন, উনি পারবেন না, কারণ বুখারি-মুসলিম-তিরমিজি প্রতিটি হাদীস গ্রন্থেই নর-নারীর শারীরিক সম্পর্কের সরস বর্ণনা রয়েছে, সেগুলো পাঠে যদি কারো শারীরচাঞ্চল্য না ঘটে তবে হয় তিনি মিথ্যে বলছেন না হলে তার ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। কিন্তু এগুলো তো ধর্মের-হিজাব দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়, তাই বাদ দিন না। বাদ দিন।
২৬. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: সেয়্রশ্রী বউসু রাসেলে বাদ দিবো কেলা পারবোনা হের লাইগ্গা না তুমি সার্পের খেলা দেহাইবা। স্টেজ ফাকা কইরা দেওনের লাইগ্গা রাসেলেরে বাদ দিবার কও
২৭. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৫:০৩
সততা বলেছেন: Thumbs Up, দীক্ষক, রাসেল, উৎস

Thumbs Down, মহুয়া, ওয়ালী, সাচ্চা

আস্তমেয়ে, আপনি বুদ্ধমতি কিন্তু মানব যতগুলো হাদিস দিয়েছে তার মোটামুটি একটা বড় অংশ যদি আপনি মিথ্যা বা ভুল বা বানোয়াট প্রমান না করতে পারেন তা হলে তো ভাই তাকে অমানবিক অসৎ বলাটা ঠিক হচ্ছে না আর আমার মনে হয় মানবের 'ইসলামে কাম ও কামকেলি' একটি বড় প্রবন্ধের কারনেই ওটার রেফারেন্স একটাই, সে প্রতি অনুচ্ছেদে তা কপি/পেষ্ট করেছে।
২৮. ১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
যবনঠাকুর বলেছেন: আমরা শুধু ইসলাম না, মহুয়ার কামকেলিও জানিতে চাই। সঙ্গে মানবেরও। তাহারা কী যোনি কেশ শেভ করে? ইহা জানিতে আমিও আকুল
২৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
নতুন বলেছেন: ঠাকুর দাদা একটু আসতে বলেন না .......... এখানে অনেক লোকজন আছে..........
৩০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: আমি এতক্ষন ধরে উপরোক্ত আস্ত মেয়ের লেখাটি পড়লাম। সেইসাথে মন্তব্যও পড়লাম। আমি আস্তমেয়েকে শুধু একটা প্রশ্নই করবো। তা হলো আপনি মন্তব্যর আর কোন জবাব দিবেননা বলেও কেন পরবর্তীতে জবাব দিলেন? আমি আপনাদের মত এত জানিনা, কিন্তু সামান্য একটা কথা আমি সবসময়ই মানি তা হলো যারা বুঝেও বুঝেনা তাদের আমি বুঝানোর চেস্টা করিনা। তারা তাদের মতো করে চলুক, আমি আমার মতো করে চলি। কারন অন্তত আমার এতটুকু ধারনা অন্তত আছে কিভাবে আমি আমার দৈনন্দিন জীবনটা ইসলামের আলোয় চালিয়ে নিতে পারি। আর যবনঠাকুরকে আমার একটা কথাই বলার আছে, ভাই আলোচ্য বিষয়ে আলোচনা/মন্তব্য না করেন অন্তত এতটুকু অশোভন হয়েননা। কারন ওতে আপনার অশোভন মনেরই পরিচয় পাওয়া যায়।
৩১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১১:০৪
হুমমম... বলেছেন: ওরে বাপরে- যুদ্ধ হইয়া গ্যাচে দেহি! না পইরাই পলাই। (ভীত)
৩২. ০২ রা জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: মাশাআল্লাহ! আস্তমেয়ে দেখি সত্যিই আস্ত পরিচয় দিয়েছেন। ওয়ালী মিয়া দেখি অনেক লেইট।
আজই পড়লাম পোষ্টটা, আসলে সবযুগেই 'হুমমম' উক্তিমত এই যুদ্ধ ছিল এবং আছেও, থাকবেও যতদিন থাকবে আলো-আঁধার, দিন-রাত। ইসলাম বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সামাজিক শান্তি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রক্ষার্থে জোর দিয়েছে। আমার প্রিয় জন্মভূমিকে অনেক ভালবাসি, কিন্তু সামাজিক অবক্ষয়ের দিকটায় তাকালে আর মনচায় না যে দেশে ফিরি।
আমিও এধরনের একটা প্রজেক্টে কাজ করছি বেশ কিছুদিন থেকে। অনুবাদ প্রসংগে যা লিখেছেন, পুরোপুরি বাস্তব।
বধিরকে শোনানোর জন্য আপনার ধৈর্যের প্রশংসা করছি। তবে যাদের জানা নেই, তাদেরকে বিভ্রান্তির কবল থেকে রক্ষার এই মহৎ প্রচেষ্টার জন্য আপনাকে জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
রুচিবিরুদ্ধ অখাদ্য খেয়ে বদহজম করতে চাই না, তাই যে পোষ্ট নিয়ে আপনার এই লেখা তা পড়তে ইচ্ছে হলো না, আর এখানকার মন্তব্যের পঁ্যাচালও। ওয়ালীর প্রচেষ্টাকেও সাধুবাদ জানাই।
৩৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩১
অতিথি বলেছেন: onek serious type lekha...
pagole tobu koe tomare kan jani khub valolage....
৩৪. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১৫
বিবেক সত্যি বলেছেন: এদের মাথাতে ঘিলুর চেয়ে মুখের জি্বহবার দৌড় বেশী

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
হে প্রভু, তুমি আমাকে অকল্যাণ বয়ে আনা এবং অর্থহীন কথা ও কাজ থেকে রক্ষা করো!

[link|http://www.somewhereinblog.net/shondhabatiblog|Ges Avwg]
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ