টিপাইমুখ বাঁধঃ প্রকৃত পরিস্থিতিঃ
টিপাইমুখ বাঁধের ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। গঙ্গা পানিচুক্তির ১০ নম্বর ধারায় বলা আছে, যেকোনো অভিন্ন নদীতে হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐকমত্য হতে হবে। এই শর্ত সামনে রেখে টিপাইমুখ নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত এই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে ৫২টি অভিন্ন নদীর মধ্যে আন্তসংযোগের ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর দাবি জানাচ্ছি।
টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পড়বে। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে গঙ্গা চুক্তির মাধ্যমে ফারাক্কা সমস্যার সমাধান করা হয়েছিল। একইভাবে আলোচনার মাধ্যমে টিপাইমুখ সমস্যার সমাধান করতে হবে।
টিপাইমুখ বাঁধ পরিবেশ ও মানববান্ধব নয়। বাংলাদেশকে এখন অর্থনীতি ও রাজনীতির মতো পানি কূটনীতি শুরু করতে হবে। টিপাইমুখ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত ভারতবিরোধী কূটরাজনীতি শুরু করেছে। এটি জাতীয় সমস্যা, জাতীয়ভাবেই এর সমাধান করতে হবে। ফারাক্কা নিয়ে জাতিসংঘে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করতে হবে।
'আমরা শুনছি, ভারত থেকে তথ্য-উপাত্ত পাঠানো হয়েছে। আমরা তা জানতে পারছি না।' লুকোচুরি না করে অবিলম্বে এই তথ্য-উপাত্ত জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
ভারতের হাইকমিশনার বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে অসৌজন্যমূলক কথা বলে গেলেও ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এখনো টিপাইমুখ সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরকারকে জানাতে পারেননি।
টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করা হলে তা হবে বাংলাদেশের জন্য মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার শামিল। এই বাঁধ যাতে ভারত নির্মাণ করতে না পারে সেজন্য জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



