আমার প্রিয় পোস্ট

মাঝিপাড়ার শিশুদের স্কুলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন-১ (আপডেটেড)

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২

শেয়ার করুন:                   Facebook

(পূর্বে যারা এই পোস্টটি পড়েছেন- তাদের শুধু আপডেট পড়ার অনুরোধ করছি। আপনাদের যে কোন কৌতুহলের জবাব অনলাইনে আসলে দেবো। প্রমিজ)
কাঙ্গাল মুরশিদ, ত্রিভুজ, বিডি আইডল, সাফায়েত, সৈদয় সাইফুল আলম শোভন, লিপিকার, মাহমুদুল হক ফয়েজ, তরু, রুখসানা তাজীন এর নিকট কৃতজ্ঞতা


লক্ষ্মীপুর সদর থেকে প্রায় সাড়ে এগার কিলোমিটার দক্ষিণে মজু চৌধুরীর হাট নামক একটি জায়গা আছে। চমৎকার একটি পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে এটি। শহরের কোলহল থেকে মুক্ত থাকার জন্য মোটর সাইকেল হাকিয়ে শহর থেকে অনেকেই স্বপরিবারে মেঘনা নদীর বুকে বেড়াতে চলে যায়। লক্ষ্মীপুর শহর ছাড়িয়ে দুইপাশে ঘন গাছের ছায়াশীতল পথ মাড়িয়ে মজু চৌধুরী হাট পৌঁছুতে মনটা আনন্দে ভরে যায়।

কিছুদিন আগেও এই স্থানটি তেমন পরিচিত ছিল না। এখান থেকে ভোলা যাওয়ার সহজ এবং সক্ষিপ্ত একটি নদীপথ স্থানটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। এখান থেকে প্রতিদিন দুইটি ফেরি ছাড়ে ভোলাগামী বাস-ট্রাক নিয়ে। আগে যেখানে ঢাকা ঘুরে বরিশাল রোডে ভোলা যেতে হতো, সেখানে মাত্র তিন/চার ঘন্টার পথ- মজু চৌধুরী হাট থেকে।
মেঘনা নদীর একটি শাখাকে শাসন করার জন্য একটি স্লুইস গেট আছে। স্লুইস গেটের উপর দিয়েই একটি রাস্তা এগিয়ে গিয়ে বহুদূর বিস্তৃত চর অঞ্চলের দিকে চলে গেছে।

স্লুইস গেট পার হয়ে হাতের ডানদিকে একটি কাচা রাস্তা পশ্চিমে মেঘনা নদীর শাখাকে দুই ভাগ করে দাড়িয়ে আছে। রাস্তাটি দৈর্ঘ্যে আনুমানিক ৫০০ গজ হবে। কাচা রাস্তাটিকে ঘিরে দুই পাশে প্রায় ৬০/৭০টি মাঝি পরিবার থাকে। প্রায় ২৫-৩০ বৎসর ধরে এ স্থানটিকে কেন্দ্র করে এই জনপদটি গড়ে উঠেছে। এরা মেঘনার বুকে নৌকা নিয়ে সারা দিনমান ব্যাপী ইলিশ ধরে। মহাজনের নিকট বিক্রি করে যা পায় তা দিয়েই চাল,ডাল, তেল, নুন কিনে এনে নৌকায় বসেই রান্না করে। পরিবারের সবাই মিলে খায়। নৌকার মধ্যেই ঘুমায়।

৬০-৭০ টি পরিবারে গড়ে ৭-৮ জন করে সদস্য ধরলে মোট ৫০০ জনের একটি জনগোষ্ঠী। এরা বছরের পর বছর ধরে এখানে থাকছে। বড় হচ্ছে। বিয়ে শাদি করছে। পৃথক হয়ে আরেকটি নৌকার মালিক হচ্ছে।
মজার ব্যাপার হচ্ছে এই মাঝিপাড়ার পুরো জনগোষ্ঠীতে মাত্র একজন কোনরকমে দাখিল পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করতে পেরেছে কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। ওর নাম মোঃ সোহরাব। মাঝিপাড়ায় শিক্ষিত ব্যাক্তি হিসেবে সোহরাবের খুব সম্মান। সোহরাব নৌকা ছেড়ে টেঁকে (নদীর পাশে গ্রামে) গিয়ে উঠেছে স্ত্রী সহ। সোহরাবের স্ত্রী ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়েছে। বিয়ের পর কিছুদিন সোহরাব স্ত্রী সহ নৌকায় ছিল।
ওরা চলে যাবার পর এই জনপদে আর শিক্ষিত ব্যক্তি বলতে রইলো একই নামের আরেকজন, সোহরাব মাঝি। ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়াশুনা। এই মঝির বয়স ৩৮ বছর হবে। ৩ ছেলেমেয়ে সহ ৫ জনের সংসার তার। বাচ্চা তিনটির বয়স চার থেকে সাত পর্যন্ত।

প্রতি সংসারে গড়ে ৪ জন করে প্রায় ২৫০ জন শিশু-কিশোর। জনপদটির আশেপাশে কোন স্কুল নেই যে শিশুরা পড়বে। সারাদিন নৌকায় কাটিয়ে এরা মাছ ধরে। ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা বৈঠা ধরে নৌকাকে সুদূর মেঘনার বুকে জেগে ওঠা চরে নিয়ে যায়। সূর্য যখন পশ্চিম পাটে অস্ত যায়, শিশুরা ঘরে ফিরে।
স্থল বলতে ৫০০ গজের রাস্তার এই শেষ মাথাটুকু। ওখানে মার্বেল খেলা, মাটির মধ্যে দাগ টেনে ঘুটি খেলা কিংবা ছোঁয়া-ছুয়ি খেলা এগুলোই শিশুদের বিনোদন।
চলতি বছর এখানকার বয়ষ্ক বাসিন্দাদের ভোটার করা হয়েছে। এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান এসে ভোটারদের সাথে হাত মিলিয়ে ভোট চেয়ে গেছে- কিন্তু কেউ বাচ্চাদের একটি স্কুলের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেনি।

এই ২৫০টি বাচ্চার জন্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি স্কুল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত থেকে ১৪ জুলাই/০৮ তারিখে একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।
গত ২৬ আগষ্ট মাঝিপাড়ার অধিবাসীদের মধ্যে বিদ্যানুরাগী ৫ জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সদস্যরা সবাই মিলে সুন্দর একটি স্কুলের স্বপ্ন দেখছে, যেখানে তাদের ছোট ছোট বাচ্চারা সবাই সুর করে পড়বে অ-তে অজগর ঐ আসছে তেড়ে কিংবা আ-তে আমটি আমি খাব পেড়ে। মাঝিপাড়ার সেই মাঝিদের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য আমরা উদ্যোগ নিযেছি একটি স্কুল ঘর করে দেওয়ার ।

প্রথমে ভেবেছিলাম শুধু বাঁশের পালা বসিয়ে উপরে ত্রিপল দিয়ে একটি পাঠশালা গড়ে তুলবো। কিন্তু বাতাসের তোড়ে এরকম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৬ মাসও টিকবে না। মাঝিদের আবার স্বপ্নভঙ্গ হবে। তাই অন্তত টিনের চালা দিয়ে একটি স্থায়ী ঘর তুলে দিতে হবে।
মাঝিদের স্বপ্নের এই ঘরটুকুকে একটু ভালো করে তুলে দিতে পারলে ওরা নতুন স্বপ্ন দেখে বেঁচে থাকতে পারতো। বর্তমান এই দুর্মূল্যের বাজারে টিনের ছাউনি দেওয়া সামান্য একটু স্থাপনা গড়ে তুলতে বিশ/ত্রিশ হাজার টাকা চলে যায়। মাত্র ৬০ জন ব্যক্তি ৫০০ টাকা করে দিলেই মাঝিপাড়ার শিশুদের জন্য এরকম একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন সম্ভব।

মাত্র ৪ জন ব্যক্তি মাসপ্রতি ৫০০ টাকা করে দিলেই শিক্ষক সহ অন্যান্য ন্যূনতম সুবিধাগুলো দেওয়া সম্ভব।
মাঝিপাড়ার সেই রোস্তম আলী, চুন্নু মোল্লা, হানিফ বয়াতিরা অপেক্ষায় আছে তাদের একটি স্বপ্নের স্কুল ঘর থাকবে।
আসুন না আমরা সবাই মিলে মাঝিপাড়ার এই স্কুল ঘরটি নির্মানে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। একটি স্বপ্ন বাস্তবায়নে অংশীদার হই।

আপডেট সংবাদ


আমরা সবাই মিলে স্কুলের একটি সুন্দর নাম ঠিক করেছি।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন

(এই পোস্টটি প্রায় সপ্তাখানেক পূর্বে ব্লগে দেওয়া হয়েছিল।

পরবতী আপডেট :
এর মধ্যে স্কুলের অবকাঠামো দাড়িয়ে গেছে। ১২ হাত বাই সাড়ে ৭ হাতের এই ছোট্ট ঘরটি একটি স্বপ্নের ঠিকানা হয়ে দাড়িয়ে আছে। একচালা টিনের এই ঘরটি এখন খোলা অবস্থায় আছে।

আসুন নভেম্বর ২০০৮-ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ১৪ মাসের একটি প্রকল্প হাতে নেই।

স্কুলের নাম : মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
শুরুর সময়কাল : ০১ অক্টোবর ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত (পাইলটিং)
উক্ত সময়ে ব্যয়িতব্য বাজেট :
খরচের খাত মোট খরচ
১. চারিপার্শ্বে বাশের বেড়া+লেবার খরচ ৬,০০০/-
২. শ্লেট, পেন্সিল, ব্ল্যাকবোর্ড, স্ট্যান্ডসহ জাতীয় পতাকা
ঘণ্টা, অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ (২০০ জনের হিসেবে) ২০,০০০/-
৩. একজন সহকারী শিক্ষকের ১৪ মাসের বেতন
(মাস প্রতি ২,০০০/- করে + ২টি বোনাস) ৩২,০০০/-
৪. একজন অবৈতনিক প্রধান শিক্ষক (মাস প্রতি ২,০০০/-
টাকা সম্মানী + ২টি বোনাস) ৩২,০০০/-
৫. একজন দপ্তরী (১,০০০/- করে ১৪ মাস + ২টি বোনাস) ১৬,০০০/-
৬. বই (২০০ জনের হিসেবে) ২০,০০০/-
৬. অন্যান্য খরচ (মাসপ্রতি ১,০০০/- ধরে ১৪ মাস) ১৪,০০০/-
...........................................................................................
মোট ১,৪০,০০০/-
(এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মাত্র।)

মাত্র ২৮০ জন ব্যক্তি ৫০০/- টাকা করে সহায়তা করলে ১৪ মাসের জন্য স্কুলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়।
মাত্র ২৮ জন ব্যক্তি ৫,০০০/- টাকা করে সহায়তা করলে ১৪ মাসের জন্য স্কুলের পরিকল্পনা বাস্তাবয়ন করা যায়।

স্কুলের হিসাব পরিচালনা :
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্য এবং প্রধান শিক্ষকের যে কোন দু'জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংকের হিসাব পরিচালিত হবে।
ম্যানেজিং কমিটি
১. জনাব মাহবুব আজাদ খান (বিআরডিবি, লক্ষ্মীপুর) সভাপতি
২. জনাব ফারুক আহম্মদ (প্রভাষক, বাংলা, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজ)- বিদ্যোৎসাহী সদস্য
৩. সালমা আফরোজ বি.এ (অনার্স) ইংরেজি, এম.এ (অবৈতনিক প্রধান শিক্ষক)
সাধারণ সদস্য চারজন।

হিসাবের শিরোনাম : মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
চলতি হিসাব নং : ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর লক্ষ্মীপুর।


২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত স্কুলের পেছনে ব্যয় ১৩,৫০৫/- (তের হাজার পাঁচ শত পাঁচ টাকা মাত্র।)

আসুন ১৪ মাসের জন্য এই পাইলটিং স্কুল স্থাপন এবং পরিচালনা কার্যক্রমে আমরা সবাই অংশগ্রহণ করি...................







 

 

  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ১৮৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: টাকা পাঠানোর উপায় কি?

হিসাবের শিরোনাম : মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
চলতি হিসাব নং : ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর লক্ষ্মীপুর।

ব্যাংক ড্রাফট করে এই ঠিকানায় পাঠালে হবে?
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তাইতো হওয়ার কথা। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

টাকা পাঠালে দয়া করে আমার ব্লগে জানিয়ে দেবেন।

এমটি, টিটি, ওয়েস্টার্ণ ইউনিয়ন, ড্রাফট, দাগকাটা চেক..........অনেক পদ্ধতিই তো আছে।

আপনার পাশে দাঁড়ানো আমাকে অনেক সাহস যোগাচ্ছে।

২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: আপডেটের জন্য ধন্যবাদ।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। ভাল থাকবেন আশা করি।
ঈদ কোথায় করছেন?

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৬
comment by: সাফায়েত বলেছেন: খুবই ভালো উদ্যোগ, আমি থাকতে চাই আপনাদের সাথে।।
যোগাযোগ: safaet@জিমেইল.কম
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে এভাবে সাড়া পাচ্ছি আপনাদের কাছ থেকে। আমাদের সবার স্বপ্নের এই স্কুলটি গড়ে তুলতে আমি অবশ্যই আপনাদের পাশে রাখবো।
আপনি কিভাবে সাহায্য করতে পারেন জানাবেন......
ধন্যবাদ

৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪২
comment by: সাফায়েত বলেছেন: সম্ভব হলে আপডেটগুলো বিস্তারিত জানাবেন। একটিভলি থাকবো আশা করি।।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস পেয়েছি। যথাসময়ে আপডেট জানাবো।

৫. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: পরবর্তি আপডেটে কিছু ছবি দেয়া যায় কি না দেখুন। সেই সব খুদে শিক্ষার্থীদের ছবি যারা এই স্কুলের প্রথম ছাত্র-ছাত্রী।
আর একটা প্রশ্ন - স্কুলের নামের সাথে "ধীবর" শব্দটা যোগ করার কারণ কি?
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: ধীবর অর্থ যারা মৎস পেশায় নিয়োজিত। সোজা কথায় জেলে।
মেঘনাপাড়ের এই এলাকাটাতে শুধু জেলেদেরই বাস। ওরা সরাসরি জেলেদের নামে স্কুলের নামকরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু শুনতে খারাপ লাগবে বিধায় এরকম নাম দেওয়া হয়নি।

ঈদের পর প্রথম যখন ক্লাশ শুরু হবে, তখন ক্ষুদে শিক্ষার্থী এবং স্কুলের ছবি আপলোড দেওয়া হবে। ঈদের ছুটিতে আমি বর্তমানে ঢাকায়। এখন আপাতত স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ। আগামী ৫ অক্টোবর থেকে আবার শুরু হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে। ঈদের পর আসুন না লক্ষ্মীপুর বেড়াতে চলে যাই। স্কুলের কাছে মেঘনা নদীর বুকে আশা করি খুব ভালোভাবে সময় কাটবে।

৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এক হাজার টাকার একটি ক্রস চেক পাঠাচ্ছি আশা করি ঈদের পরপরই পেয়ে যাবেন।
জানি প্রয়োজনের তুলনায় পরিমানটা খুবই কম তবুও এতে যদি আপনারা উৎসাহিত হন এবং এগিয়ে যাবার প্রেরনা পান সেই প্রত্যাশাই করছি। লেগে থাকুন , টাকার জন্য কোন কিছু আটকে থাকবে না, ইনশা আল্লাহ।
আজকেই শেষ অফিস, কয়েকদিন হয়ত নেটে আশা হবে না। আপনার বেড়ানোর আমন্ত্রনের জন্য ধন্যবাদ তবে এবার যাওয়া সম্ভব হবে না। ভবিষ্যতে কোনদিন যদি সময় সুযোগ হয় আপনাদের স্কুল এবং মেঘনা নদী দেখতে যাবার আশা রইল।
ঈদমুবারক।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: এক হাজার টাকা আমার কাছে বিশাল একটি প্রেরণার প্রতীক।
আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন স্কুলটির প্রতি ভালবাসা বোধ থেকে সর্বনিম্ন পনের টাকা পর্যন্ত দিয়ে সহায়তা করেছেন একজন। এরকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভালোবাসাগুলো নিয়ে আমি নিশ্চিত- এ কর্ম থেমে থাকবে না। মেঘনাপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত শিশুগুলো আপনার আমার ভালোবাসায় সিক্ত হবে। এবারের এ ঈদে ওদের জন্য আনন্দের বিষয় এটুকুই।

আপনি ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। এবারের ঈদ আপনার জন্য হয়ে উঠুক আনন্দময়।
মেঘনা পাড়ের শিশুদের পক্ষ থেকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ আমার পক্ষ থেকেও।
ঈদ মোবারক।

৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
comment by: সাফায়েত বলেছেন: আমি ৫-১১ তারিখ পর্যন্ত ছুটিতে থাকবো। এর মাঝে একটা ট্যুর প্লান করা যেতে পারে। কতক্ষন লাগে যেতে?
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: আজমান আন্দালিব বলেছেন: সারাদিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এইমাত্র নেটে ফিরলাম। দুঃখিত উত্তর দিতে দেরি হওয়ায়।

আপনার ট্যুর প্ল্যানের বিষয়টি জেনে ভালো লাগল। আমিও ৫ তারিখ লক্ষ্মীপুর যাবো। ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে চার/সাড়ে চার ঘন্টা লাগে। আপনি কোথা থেকে রওনা হতে চান জানলে সময় এবং যাওয়ার ট্রান্সপোর্ট রুট বলে দিতে পারতাম।

যাই হোক। আপনি নির্দিষ্ট কোন তারিখে লক্ষ্মীপুর আসতে চাচ্ছেন তা জানালে পরবর্তী যোগাযোগে সুবিধা হতো। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হতো মোবাইল যোগাযোগ। ব্লগে মোবাইল নাম্বার দেওয়া নিরাপদ মনে করছি না বিধায় আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেসে নাম্বারটা দিচ্ছি।

আপনার পরবর্তী যোগাযোগের অপেক্ষায় রইলাম।

৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: সাফায়েত বলেছেন: মেইলের অপেক্ষায়...
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আমার মোবাইল নাম্বার জানিয়ে মেইল করেছি। আপনি মেইলে কিংবা এখানে কখন, কোথা থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশে র্ওনা হতে চান বিস্তারিত জানালে ভাল হয়।

৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
comment by: সাফায়েত বলেছেন: কাল দেখা হবে আশা করি।
১০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ঈদ করলাম চাঁদপুরে... কিছুটা অসুস্থ.. তাই সব স্ক্যাজুয়েল এলোমেলো হয়ে গেল....
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: আজ ব্লগে নতুন ভাবে আপডেট দিয়েছি। সাথে কিছু ছবিও।
আপনার সুস্থতা কামনা করি।

 



 


নিজের সম্পর্কে আর কি লিখবো, অন্যেরা যা ভাবছে তা-ই শেয়ার করবো................
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৭৭৮৫