সকাল ৯.০০ টা। খেলাধূলা শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের প্যারেড।
সকাল ১০.০০ টায় ক্রীড়া অনুষ্ঠান উদ্বোধন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ক্রীড়া অনুষ্ঠান উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্কুলের উদ্যোক্তা জনাব আখতারুজ্জামান ভূঁইয়া।
শিশুদের প্রায় ৯ ধরনের ক্রীড়া দিয়ে সাজানো ছিল ক্রীড়া অনুষ্ঠানটি। দৌড়, হাই জাম্প, লং জাম্প, মোরগ লড়াই, সুঁই-সুতা দৌড়, চকলেট দৌড় ইত্যাদি নানান দেশীয় খেলায় ১৪০ জন শিশু মেতে ছিল দিনভর।
স্বাধীনতার এই দিনে মেঘনাপাড়ে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ আসবেন- তাই জাতীয় পতাকা হাতে শিশুরা অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত হয়ে আছে।
প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনাব মোঃ কায়কোবাদ অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছার পর ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
বিকাল ৩.৩০ নাগাদ একে একে অতিথিদের আগমন। স্কুলের শিক্ষার্থী হানিফ কর্তৃক পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে 'স্বাধীনতা দিবস ও বার্ষিক ক্রীড়া উদযাপন' অনুষ্ঠানের শুরু।
কোরআন তেলাওয়াতের পর পরই প্রথম আলো ব্লগের জেড.এইচ. সৈকত এর শুভেচ্ছা বক্তব্য মোবাইলের মাধ্যমে মাইকে শোনানো হয়। সুদূর সিলেট থেকে ফোন করে তিনি মেঘনাপাড়ের শিশুদের স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের অভিভাবক প্রতিনিধি সোহরাব মাঝি, ম্যাডাম ফারজানা একে একে বক্তব্য রাখেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
ছবিতে মেঘনাপাড়ে স্বাধীনতা দিবস ও বার্ষিক ক্রীড়া উদযাপন-২০১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

