খেরোখাতার ভাবনারা সব লিখতে বসেছে কবিতা,
জীবন ভাবনায় মিলিয়ে দেখি, অমিল রয়ে গেছে সবই-তা।
জীবনের জাবেদা কবিতার কাছে, হয়ে রয় ছন্দহীন।
চুড়ান্ত হিসাব মিলিয়ে দেখি, মুছতে হবে সব মন্দঋণ ।
বহমান নদীর ধারায় জীবন চলার বাঁকে,
কোথাও সুর কেটে গিয়ে শুধু জেগে থাকে,
সহস্র ভুলগুলো, অজস্র রাশি রাশি,
জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে মুগ্ধতার শেষ হাসি।
হঠাৎ জেগে ওঠে ভাবতে বসে মন,
এ ভুল কারো নয়,শুধু নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ।
জীবনটাতো এমনই, এভাবেই চায় চলে যেতে,
ক্রমাগত জটিলতায় ঘুরপাক খেতে খেতে...
ভাবি, এরচেয়ে বেশি আর, কবেই বা ভাল ছিলাম?
যা পেয়েছি তার বেশি, কতটুকু ফিরিয়ে দিলাম?
অথবা নিয়েছি কি বুঝে? যতটুকু পাওনা ছিল,
যতটুকু দিয়েছি, তার কতটুকু ফিরিয়ে দিল?
জীবনের নানান হিসাব নিকাশ শেষে শূন্য এ ঘরে
যোগ বিয়োগের ভ্রান্তিগুলো শুধুই হাহাকার করে।
এ যে জীবন নয়, বুঝেছি তা, জীবনেরই ছায়া
জটিলতার আবর্তে ডুবতে থাকা এক মোহমায়া।
কর্পোরেট ঋণের দ্বারা পিষ্ট হয় ভালবাসার ঋণ,
গোপন কামনারা জাগে, যা সুপ্ত ছিল চিরদিন ।
চারিদিকে অবহেলা, ক্রোধ, বঞ্চনার উপ্ত নিঃশ্বাস
পারমাণবিক বোমার আঁচলে বাঁধা জীবনের সব বিশ্বাস।
বিশ্বব্রহ্মান্ড আজ ছুটছে শুধু 'সময় আর গতি'তে
বিগ ব্যাং থেকেই ছুটে চলেছে বিশ্ব সুদূর অতীতে।
'ই ইকুয়ালটু এমসি স্কয়ার' এই চেতনার লড়াই,
বেধে রেখেছে বিশ্বকে, চলছে অপশক্তির বড়াই।
কর্পোরেটের আড়ালে শোষণ, চাবকায় অহর্ণিশ,
কর্পোরেট দাসেরা মাথা নুয়ে করে, রাজাকে কুর্ণিশ।
বাজিয়ে দাও যুদ্ধের দামামা, কপোট্রনিক সে যুদ্ধে,
চেতনার বহ্নিশিখা ছড়াবে আলো, সব অপশক্তির বিরুদ্ধে।
ষোল কোটি মস্তিষ্কের নিউরন ঘর্ষে জ্বালিয়ে দ্বীপ শিখা,
হটিয়ে দাও জঞ্জাল সব, গড়ে তোল রণ পরিখা।
বিশ্বাস নিয়ে কর্ম গড়ে, জ্ঞানের মশাল জ্বালাও,
কোয়ান্টাম জ্ঞানের ক্ষেপণাস্ত্র আসে, অপশক্তি সব পালাও।
একটাই জীবন, বাজিয়ে দাও জীবনের রণডংকা
কী আছে মরণে, মরণের পরেও ছুটবে ত্রাসে 'শংকা।
লড়ে যাও বীর, ভয় পেয়ো নাকো, লক্ষ বাধার মরনে।
গতিকে রাখ ধরে বেধে কাছে, সময়কে রেখে স্মরণে।
পুরো বিশ্বকে একমুঠো করে বেধে রাখ প্রীতি ডোরে।
আবার কখনো দেখা হবে বন্ধু, নতুন জগতের ভোরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

