জুকার এর মতো পুস্ট দিলে লোক হুমড়ি খাইয়া পড়ে। কিন্তু এর বাইরে কোন কিছু দিলে তা হজম করতে চায়না।
ব্লগে যে সময়টাতে রাশেদ, মানুষ, শরফু, নরাধম, বিমা, জেবীন এরা ছিলো, ঠিক সে সময়টাই ছিলো শ্রেষ্ঠ সময়, আমার মতে। তখন ব্লগিং ছিলো শৈশবে ঈদের নতুন জামা পাবার মতোই আনন্দদায়ক। যারা তখন থেকে ব্লগিং করছেন, তারা নির্দ্বিধায় আমার সাথে একমত হবেন।
এদের মধ্যে রম্য লিখিয়ে হিসেবে মানুষ ওস্তাদ লোক। তার কমেন্ট এবং লেখা দুটোই সমান ফানি। আমিও রম্য লিখি, কিন্তু পরিষ্কার বুঝতে পারি, তার রম্যগুলো যদি পেট ফাটানি আমারগুলো স্রেফ চুলকানি।
কিছুদিন আগে কোন এক ব্লগারের পোস্টে মন্তব্য করেছিলাম, আমার পড়া শ্রেষ্ঠ রম্য হলো মানুষের ছুটি। রবীন্দ্রনাথের ছুটি যারা পড়েছেন, তারা জানেন ওটি একটি সিরিয়াস গল্প। কিন্তু মানুষ এটাকে প্যারোডি বানিয়ে যা লিখেছেন সেটা ব্লগের সর্বকালের সেরা রম্য হিসেবে আমার কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়ে গেছে। ওই ব্লগার আমাকে বললো, ছুটি গল্পটা পড়তে মন চায়। আমারো মনে হলো, আসলেই ছুটি গল্পটা নতুন ব্লগারদের পড়া দরকার। তাদের জানা দরকার, তখনকার দিনে এরকম চমকপ্রদ এবং অভিনব সর্বোপরি আনন্দদায়ক লেখাগুলো ব্লগে আসতো। তাই মানুকে অনুরোধ জানালাম , ড্রাফট থেকে পোস্টটা যেন ফিরিয়ে আনে। কথা রেখেছে সে। ছুটি গল্পটা ফিরিয়ে এনেছে। আমি সেটা আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। যারা পড়েননি, প্লিজ পড়ুন।
মানুষের ছোটগল্প-ছুটি।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


