চারিদিকে কতো রেসিপি দেখা যায়। কতো খাবার রেসিপি, কতো জুসের রেসিপি। কতোজন কত রেসিপি দ্যান, তার মধ্যে কোনটা গ্রহণযোগ্য আমরা কি ভেবে দেখেছি?
প্রায়ই দেখা গেছে- অ্যাই আজ না পেঁপের জুস বানিয়েছি, আজ কলার, আজ অমুক , আজ তমুকের, প্লিজ খাওনা।
ডায়বেটিক আছে যাদের তাদের জন্য অনেকেই অনেক রকম পরামর্শ দেন। ডায়বেটিক কমাতে কেউ কেউ লাউয়ের জুস, বা অনেক সময় অনেক গাছ-গাছড়া খেতে পরামর্শ দেন। সবকিছু অবশ্য খারাপ না হলেও নিজে সচেতন হয়ে এসব ভেষজ গ্রহণ করুণ।
ভারতের রাহুল রাক্সেনা নামের সিএসআইআর-এর গবেষক তার স্ত্রীকে নিয়ে টিভিতে বাবা রামদেভের প্রোগ্রাম দেখছিলেন। সেখানে লাউয়ের জুস খেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো। সেটা দেখেই ¯স্বামী স্ত্রী মিলে এ জুস খাওয়া শুর“ করেন। এ জুসের অনেক গুনাগুন শুনেই তারা এ কাজে এগিয়েছিলেন। কিন্তু‘, যা হবার তাই হলো । চারদিনের মাথায় ডায়বেটিকে আক্রান্ত— হলেন তারা দুজন। একসময় রক্তবমিও শুর“ হয়েছিল রাহুল সাক্সেনার। তার স্ত্রী এখনও হাসপাতালে। কিন্তু‘ তিনি চিরতরে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে গেছেন।
ডাক্তাররা জানিয়েছেন, লাউয়ের জুসই সর্বনাশের কারণ।
ভারতীয় টিভি চ্যানেল দেখে যারা তাদের জীবন ধারণ করেন তাদের বলি ভাই-সব হজম হয়, লাউয়ের জুস হজম হয়না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

