শুকরেরও অধম....... আমি নরকের কীট

তারাশংকরের কবি

১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৪

শেয়ারঃ
0 2 0

তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের "কবি" পড়েছিলাম....
সেখানে ডোম বংশের ,ডাকাত বংশে জন্ম নেওয়া কবি নিতাইচরণ তার ঠাকুরঝি'র জন্য বাঁধে কবিতা:
"ও আমার মনের মানুষ গো!
তোর লাগি পথের ধারে বাঁধলাম ঘর!
ছটায় ছটায় ঝিকিমিকি তোমার নিশানা
আমায় হেথা টানে নিরন্তর।"
না, আমি কবি হতে পারি নাই। তোমার জন্য তবুও এই কবির মতো হাজারো কবিতা লিখতে সাধ আমারো হয়, কিন্তু আমি পারি নাই।
আমার চন্দ্রদেবী তুমি। তাই নিতাই কবিয়াল যখন তার ঠাকুরঝি কিংবা ঝুমুর দলের মেয়ে বসন্তের ভালবাসা নিয়ে কবিতা লেখে-গান বাঁধে ; তখন আমার মনে হয়- আমিও আমার চন্দ্রদেবীর চরণে ভালবাসায় ভরা কাব্য-গান আর সুরের অর্ঘ্য দিই। আর আমার দেবীর স্নেহসিক্ত জোছনার প্রসাদ খেয়েই পার করে দিই জীবন! তুমি যেমন আমার চন্দ্রদেবী, তেমনি নিতায়ের চন্দ্র ছিল তার ঠাকুরঝি। সে ঠাকুরঝি'র জন্য লিখেছিল হু হু করে আসা গানের সেই কলি_
"চাঁদ দেখে কলঙ্ক হবে বলে কে দেখে না চাঁদ?
তার চেয়ে চোখ যাওয়াই ভাল ঘুচুক আমার দেখার সাধ ।
ওগো চাঁদ তোমার নাগি-
ওগো চাঁদ তোমার নাগি- না হয় আমি বৈরাগী
পথ চলিব রাত্রি জাগি সাধবে না কেউ আর তো বাদ।"
আমার চন্দ্র তুমি, তোমার জন্য আমারো লিখতে ইচ্ছে করে এমনি কাব্য। পারি নাই বলে কি তুমি আমায় কম ভালবেসেছ? মোটেই না......
তবে বুঝলে দেবী, আজকাল একটা ভাবনা ভাবায় খুব, তুমি হলে আকাশের চাঁদ আর আমি কিনা অলক্ষুণে নিম্ন বর্ণের বামুন মানব। তোমাকে ছোঁয়ার অধিকার বা সামর্থ্য কি আমার আদৌ আছে? নাই! তবে? আমিও নিতাইয়ের মত স্বপ্ন দেখি আমার চাঁদকে নিয়ে, কিন্তু নিতাই যেমন জানে জাত-বর্ণ-গোত্র-সংসার ফেলে ঠাকুরঝি তার ঘরে এলে বাস্তবতার তীব্র আঘাত ঠাকুরঝিকে সইতে হবে তখন নিতাই কবিয়াল বলে:
"চাঁদ তুমি আকাশে থাক -আমি তোমায় দেখব খালি।
ছুঁতে তোমায় চাইনাকো হে- সোনার অঙ্গে লাগবে কালি।"
আমি ভাবি নিতাই যে কষ্ট পেয়েছিল, সে কষ্ট সে এভাবেই গানে গানে ফুটিয়ে তুলেছিল!
আহারে! সে কী জ্বালা..... নিতায়ের বসন্ত মরল যখন.... আহারে!! নিতাই সে জ্বালাও বুকে করে গেয়েছে গান! কবি হলেই বুঝি এমনটা পারা যায়। হৃদয়ের আগুনকে নিংড়ে কাগজে ঢেলে চারদিকে দাবানলের মতই ছড়িয়ে দেওয়া যায়! আহারে......!!!
তখন মনে হয় থাক কবি হয়ে কাজ নাই। অত কষ্ট আমি কেমনে সহ্য করব??? না ভাই, কবি হতে পারব না।
আবার যখন ভাবি নিতাইয়ের গান শুনে ঠাকুরঝি আর বসন্তের মুখে ভালবাসার হাসি ফুটে উঠত, তখন মনে হয় তোমার মুখে ঐ হাসি দেখার জন্যই আমি কবি হব! তারাশংকরের কবি, নিতাই কবিয়াল!!

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৭
অলস ছেলে বলেছেন: একটু ব্রেক ধরেন ভাইজান :)
১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: কেন ভাই? :)
ব্রেক ফেল মনে হচ্ছে নাকি? :)
কোন জায়গাটায় ব্রেক ধরতে হবে? ;)

২. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালোবেসে এই বুঝেছি..

তুমি হাসো, আমি কাঁদি, বাঁশি বাজুক

কদম তলেরে...

আমার ভালোবাসার ধুলে
হবে তোমার চরণ পুজা

তোমার চোখের আগুন যেনো, বুকে আমার পিদিম জ্বালেরে...
১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: আহারে.... আহারে কি গাওনা!!!

তোমার চোখের আগুন যেনো, বুকে আমার পিদিম জ্বালেরে...


" আহা- ভালবেসে-এই বুঝেছি
সুখের সার সে চোখের জলেরে- "....

আহারে কবি, নিতাই কবিয়াল...।

৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
পি মুন্সী বলেছেন: সাবাস!

"চাঁদ দেখে কলঙ্ক হবে বলে কে দেখে না চাঁদ?
তার চেয়ে চোখ যাওয়াই ভাল ঘুচুক আমার দেখার সাধ" ।

ব্লগকে সার্থক করে তুলতে আপনার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: বাপরে!!! এত প্রশংসা??? আমার সহ্য হবে না!
আমি ব্লগে এসেছি সবে একমাস হল, আমার চন্দ্রদেবীকে নিয়ে "আবজাব" লিখি.... আর আজ তারাশংকরকে কপি-পেস্ট করেছি... নাহ্‌! ব্লগকে সার্থক আমি কীভাবে করব???

অনেক উপরে তুললেন আজ আমাকে! কৃতার্থ!!! :|

১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন! সেরা বইয়ের খুব সংক্ষিপ্ত তালিকার প্রথমদিকে থাকার যোগ্য :)

৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৭
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: স্বৈরিণী বসন্তকে নিতাই কি ভালোবাসতো?
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: কি জানি? হয়তো বাসতো..... হয়তো বাসতো না.. হয়তো গাঁটছড়ার দোহাই আর মেয়েটার অসহায়ত্ব আটকে রেখেছিল নিতাই কে। অথবা ওর জন্যই নিতাই হয়তো লিখেছিল_
"এই খেদ মোর মনে মনে
ভালবেসে মিটল না আশ-কুলাল না এ জীবনে।
হায়! জীবন এত ছোট কেনে!
এ ভুবনে?

৬. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: স্বৈরিণী বসন্তকে নিতাই কি ভালোবাসতো?
না, ভালোবাসা না। মায়া করতো হয়তো, কিংবা করুণা। শুরুতেই তো নিতাই তার আতে ঘা দিছিলো

আহা রাঙাবরণ শিমুল ফুলে বাহার শুধুই সার
যারে সখী বাহার দেখে যা যা

শুধুই রাঙাছটা মধু নাই এক ফোটা
গাছের অঙ্গে কাটা খরধার
মনভোমরা যাসনে পাশে তার

১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: তারপরেও কিন্তু একদিন নিতাই বসনের চোখে জল দেখে বলেছিল:
"তোমার চোখে জল দেখিলে সারা ভুবন আঁধার দেখি!
তুমি আমার প্রাণের অধিক জেনেও তাহা জান নাকি?"

আর শিমুল ফুলের খোঁটার পর ভুল স্বীকার করে নিতাই বসনকে কেয়া ফুলও বলেছিল। যদিও তার শেষ লাইনে কেয়াফুলকে করাত কাঁটার ধারে ঘেরা বলেছিল নিতাই!!!

কি জানি? নিতাই নিজেও কি বলতে পারবে সে ভালবেসেছিল কিনা বসনকে? :)

৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৭
এন এইচ আর বলেছেন: এইরে মারছে কোবতে। আমি আমার আবার কোবতে কে খুব ভয় পাই। তাও আবার তারা সংকর এর। মাগো মা .......................।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: কোবতে না, উপন্যাস :)
অতো ভয়ের কিছু নাই, কবিকে নিয়ে উপন্যাস পড়তে পারেন।আমার খুব ভাল লেগেছে। ই- বুক হিসেবে এটার লিঙ্ক পেলে আমি আপনাকে দেব! ইচ্ছে হলে পড়বেন :)

৮. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৭
পতত্রী বলেছেন: "কাল যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কাদো কেনে?"


"মাগো, জীবন এতো ছোট কেন?"


অসাধারন উপন্যাস।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ঠিক! অসাধারণ উপন্যাস!! :)

একটু অনধিকার চর্চা করি, কিছু মনে করবেন না প্লিজ! আপনার এই নামটা কেন রেখেছেন? আসলে এই নামটা আমার খুব পছন্দের নাম কিনা! উত্তর না দিতে চাইলে অসুবিধা নেই। :|

৯. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:২৭
পি মুন্সী বলেছেন: নতুন প্রজন্মের বেশির ভাগই জানে না যে তারাশঙ্কর বলে বাংলা সাহিত্যের গুরুত্ত্বপূর্ণ কেউ আছেন। এর উপরে বাংলা সাহিত্যে তারাশঙ্করের ভুমিকা বৈশিষ্ট কী, কেন তিনি গুরুত্ত্বপূর্ণ - সে অনেক পরের কথা।

এই বিচ্ছিন্নতা কাটাবার পথ কী?
নতুন প্রজন্ম যে সব মাধ্যমে স্বচ্ছন্ধবোধ করে একমাত্র সেসবের মাধ্যমেই আমাদের আগানোর একটা সম্ভাবনা। ব্লগকে এমনই এক মাধ্যম হিসাবে আমরা বিবেচনা করতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো ব্লগে এই প্রসঙ্গ আনবে কে? তার উপর আবার এত পুরানো সাহিত্যিকের কাজ, তার বইপত্রও খুব সহজলভ্য নয়। তারাশঙ্করের গুরুত্ত্ব জানা থাকতে হবে। ব্লগে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা খুব শক্তিশালী তাও বলা যায় না। আবার ব্লগে সাহিত্যকে পাঠকের আনন্দদায়ক উপস্হাপনে হাজির হতে হবে।
এত সব পূর্বশর্ত থাকা সত্ত্বেও আপনি যেভাবেই হোক তা ভাঙতে পেরেছেন। আমি এদিক থেকে এটা দেখেছি। এজন্যই আপনাকে সাবাসি দিয়েছি। সাবাসি দেওয়াতে কৃপণ আমি তাই করেছি।
আপনি তারাশঙ্করের গুরুত্ত্ব কতটা অনুভব করতে পেরেছেন - সেটা এখানে গৌণ। আমাদের বুঝারও ব্যাপার আছে ব্লগ মাধ্যম হিসাবে সাহিত্যকে পরিচয় করাতে কতটা উপযুক্ত হতে পারবে। আবার বাংলা ব্লগের লক্ষ্য যদি ধরি একটা সামাজিক নেটওয়ার্ক হিসাবে দাঁড়ানো, তবে সে কাজে সাহিত্য কতটা সহায়তা করতে সক্ষম সেগুলো নিয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যাপার আছে। তবে, আমাদের কাউকে না কাউকে তো শুরু করতে হবে। এছাড়া আরও অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ বিবেচনা আছে। আপাতত থাক।
আমার মন্তব্য পড়ে আপনার হয়ত মনে হবে "এতকিছু ভেবে তো আমি পোষ্ট দেইনি"। তাতে কিছু এসে যায় না। আসলে আমরা সবাই আলাদা আলাদা দেহধারী হলেও সবাই একইসাথে এবং ঝগড়াঝাটির ভিতর দিয়েই সামাজিকভাবে বেড়ে উঠি - একথাটা যদি মানি তাহলে কে শুরু করেছিল অথবা কোথা থেকে, ওর দূর্বলতা কী ছিল - এটা মুখ্য বিষয় নয়। আমরা পরস্পরের সহায়তা নিজেদের ঘাটতিগুলো কাটিয়ে পূরণ করে বহুদূর যেতে পারি বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

তারাশঙ্করের প্রেম উপস্হাপনটা নিয়ে আপনি আপ্লুত হয়েছেন। এই দিকটা তারাশঙ্করের শক্তির, গুরুত্ত্বের দিক না হলেও আমার এতে একবিন্দু কোন আপত্তি নাই। আশা করি পাঠক আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি ব্লগকে কেবল ভারী ভারী সব বিষয় দিয়ে ভর্তি করার পক্ষে নই। সেকথা বলছিও না।
ব্লগকে আমি একটা আড্ডার আসরের মত ভাবতে চাই। আলোচনা সভা না। যেখানে প্রসঙ্গ পারার ক্ষেত্রে কোন বাধাধরা নিয়ম নাই। তবে, যার মূল বিষয়টা হলো নিজেকে মেলে ধরা। এখানে সামাজিক যেকোন কিছুই প্রসঙ্গ। পছন্দ, আগ্রহ ভালোলাগা অনুযায়ী যে যার মত বেছে নিয়ে অংশগ্রহণ করবে। কোনটা উচ্চমার্গের আর কোনটা নিচু এভাবে দেখারও কিছু নাই এতে।

এবার নিশ্চয় কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পারছেন, ব্লগকে কিভাবে সার্থকতা দিতে পারেন। কেবল নিজের শক্তি, উদ্দমকে খাটো করে দেখবেন না - এই অনুরোধ করব। আপনার যা নেই তা অন্যের আছে আবার, আপনার যা আছে তা অন্যের নেই। তাই, পরস্পরের উপর ভর করতে পারলে আমরা বেড়ে উঠবই। ফলে আমাদের একটা হাটবাজার লাগবে। যাতে আমরা দেখে নিতে পারি কার কি আছে। কার কাছ থেকে কি নেয়া যায়। কোনটা নিব, নেয়া যায় কী না - এই বিবেচনাও যার যার। বাংলা ব্লগকে কী আমরা সে জায়গায় নিতে পারব? দেখা যাক! অন্তত চেষ্টা করে তো দেখি কী দাড়ায়!
আপনার শুভ কামনায়।
জয়গুরু।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:১২

লেখক বলেছেন: নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানে না, কথা সত্য!

এটাও সত্য যে ব্লগ এই ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাংলা সাহিত্যের বা সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশ বা প্রচারের উদ্যোগ যে হয় নি এমনটা নয়। আজকাল ই-বুকের তালিকায় শিবরাম শরদিন্দু-রবিঠাকুর থেকে শুরু করে হুমায়ূন আহমেদ এমনকি রকিব হাসানেরও বই পাওয়া যায়! আসলে বই জিনিসটাই হল এমন যে তাকে আগ্রহ করে না পড়লে আসল মজাটা পাওয়াই যায় না। আর আসল মজাটা যে একবার পাবে সে ঐ এলাকা থেকে ফেরত আসতে চাইবে না। ব্লগ বা সামাজিক ওয়েব সাইটগুলো তে বিভিন্ন বইয়ের পরিচিতি বা রিভিউ দিয়ে এই মজা পাওয়ার বিষয়টা তৈরি করা যেতে পারে।

আসলেই এতকিছু ভেবে আমি পোষ্ট দেইনি তবে আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হল এত কিছু ভাবা যায়!! :)

আর তারাশংকরের প্রেম উপস্হাপনা দেখে আমি আসলেই মোহিত হয়েছি। আর উচ্চ মার্গ নিম্ন মার্গ নয়, মানুষ যাতে ইন্টারেস্ট পায় তা নিয়েই ব্লগে আলোচনা হতে পারে....সেটা আমি বিশ্বাস করি।

আর আমি নিজের উদ্যমকে খাটো করে দেখছি না, তবে আমি জানি আমি কি! আমার বয়স সম্ভবত খুব বেশি নয় আমি জীবন দেখেছি খুব কম, তাই ব্লগ বা ব্লগিংয়ের সার্থকতার মত গুরুতর বিষয় কাঁধে নিতে চাই না এখুনি।
আর একে অপরের সাহায্য ছাড়া যে বেঁচে থাকা যায় না তা আমরা সকলেই জানি। নিজেকে বিকশিত করার জন্য হলেও অন্যকে দরকার। সেক্ষেত্রেও ব্লগিং সাইট হতে পারে একটি ভাল মাধ্যম! একমত আপনার সাথে!

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ! :)

১০. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:০১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পি মুন্সী ভাই কি কইলেন এইগুলা। সত্যি কইরা কনতো, লুকালের কি রেসিডেন্সি ভিসা ক্যানসেল হইছে?
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন: জ্বি?? যদিও কথাগুলো আমাকে বলেননি তবুও বলছি, কথার মানে বুঝি নাই :|

১১. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
পি মুন্সী বলেছেন: পিয়াল@ বলছি।আপনাকে আমি বুদ্ধিমানই মনে করি। প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা না করেও জানা সম্ভব।
ব্লগে লোকালকে যতটুকু জানা যায় তা থেকে - লোকালের তারাশঙ্কর সম্পর্কে আগ্রহ আছে - এমনটা মনে হয় না। আমি আপনার জায়গায় দাঁড়ালে এমন ধারণা করতাম না।
আমাকে কেউ আজকাল সুমন রহমানও বানাচ্ছে। আমি আমাকে নিয়ে শঙ্কিত।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: জ্বি?? যদিও কথাগুলো আমাকে বলেননি তবুও বলছি, কথার মানে বুঝি নাই :|

১২. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৩
পি মুন্সী বলেছেন: মানে হলো, আমাকে নিক "লোকালটক" ধরে নিয়ে পিয়াল কথাগুলো বলছে। কিন্তু, আমি লোকালটক নই।
ইদানিং লোকালটক আর পিয়ালের আড়িআড়ি চলছে বলে আমার ধারণা। এজন্য এসব পেছন লাগা খুনশুটি। আমার অনুমানের উপর ভর করে এরচেয়ে বেশি বলতে চাচ্ছি না।

আর একজন আমাকে আজকাল সুমন রহমানও মনে করছে।
২২ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা! :|

১৩. ২২ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: রেললাইনে দাঁড়ালেই অনেকদূরে ঠাকুরঝির কলসীর ঝলক দেখি মরীচিকার মতন। তখন হাহাকার...
আর আমি নিতাই
২২ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: যেন স্বর্ণবিন্দু ঝিকমিক করছে...

এই বইয়ের কথা জীবনেও ভুলব না বোধহয়। :|

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
শুকরেরও অধম....... আমি নরকের কীট.
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই