খোলা চিঠি পড়ে জানলাম ইউনুসের ঘটনা।
খুব ভালো লাগলো ভাইদের জন্য তার কষ্ট পরিশ্রম দেখে। খারাপ লাগলো বেচারার এতো কষ্ট!
আর আমি?
আমার স্বামী মাঝে মাঝে খুব সকালে অফিসে যায়, আমার মনে হয় আমার কাছ থেকে দূরে থাকতেই তার এই অফিস অজুহাত। তবু যতো সকালই হোক আমি তাকে কিছুতেই না খেয়ে যেতে দেবি না। প্রয়োজনে-সময় নাই অজুহাত দিলে নিজে মুখে তুলে খাইয়ে দেই।...
সে বলে ন্যকামু ছাড়ো!..
পিরিতের ঢং ভালো লাগে না।...
আমি তার জন্য বাজার থেকে হরলিক্স কিরে আনি, সে বলে আমার টাকা খরচ করে আমাকে দরদ দেখাতে হবে না। আমার টাকা দরকার প্রচুর টাকা।.. পারলে বাপের বাড়ি থেকে কিছু এনে দাও দেখো গিলতে কী ভালো লাগে!
ওর জন্মদিনে ওর ফেভরিট খাবার বিরানী কিনে এনেছিলাম ৮৪টাকা দিয়ে। সেদিন টাকা নষ্ট করার অপরাধে ও আমাকে মেরেছে। ...
ওর মাথায় প্রচুর খুশকী, দূর করার জন্য চল্লিশটাকা দিয়ে টক দই এনে মেহেদিপাতা বেটে ওর মাথায় লাগাই, মাথাতো ঠাণ্ডা হয়ইনি বরং আরও গরম হয়েছে, আর থাপ্পর খেয়েছি একপিস।...
বাজার করি আমি, রান্না করি আমি, কাপড়ধোয়া থেকে সব কাজ একা আমি করি। কাপড় ইস্ত্রি করে এনে দেই আমি।....
তবু তার কষ্টের শেষ নেই।
সেতো একগ্লাস পানিও নিজে নিয়ে খায় না।....
অন্যদিকে কী পরিশ্রমটাই করে চলেছে আরেকজন পুরুষ! ইউনুস।
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। আপনার শ্রম সার্থক হোক।
তবে না হবার সম্ভাবনাই(আশঙ্কা)বেশি...স্যরি!..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

