আমার প্রিয় পোস্ট

আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ

আওয়ামী-বাকশালী ইতিহাস বিকৃতির ইতিহাস, উইকিপিডিয়াও বাদ যায় নি

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০২

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রথমেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা বলা যাক। ১৯৪৮ সালে জিন্নাহর ঘোষণা যে Urdu will be the state language of Pakistan এর আগেই আমাদের বাংলা ভাষা কে ঊর্দূর সাথে সমমর্যাদা দেওয়ার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় তমুদ্দন মজলিশ সেই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বর এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন মরহুম প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম সাহেব। এই তমুদ্দন মজলিশ ও আবুল কাশেম সাহেবই ১৯৪৮ সালের ২০শে মার্চে জিন্নার অন্যায়-অযৌক্তিক ঘোষণায় আমাদের বাংলা ভাষার সমমর্যাদার দ্বাবীকে ধীরে ধীরে আন্দোলনে রুপান্তরিত করেন। অথচ ১৯৯৬-২০০১ সালে এবং বর্তমানে আবুল কাশেম সাহেবের কথা দূরে থাকুক ভাষা আন্দোলনের স্তম্ভ তমুদ্দন মজলিশের নাম পর্যন্ত তেমন উচ্চারিত হয় নি। কারণ একটাই সেটা হল ধর্ম। ভাষা আন্দোলনে তমুদ্দন মজলিশের কমন শ্লোগান ছিল "নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার"। আর বর্তমানে একে অসম্প্রাদিয়কতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার অজুহাতে এই কমন শ্লোগান সহ পুরো বিষয় কে অস্বীকার করে আওয়ামী-বাকশালী গোষ্ঠী।

http://en.wikipedia.org/wiki/Tamaddun_Majlish

আর ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ নাকি দেন শেখ মুজিব। প্রথমে আওয়ামী গোষ্ঠী প্রচারণা চালিয়েছিল যে মুজিব ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগর হতে আগের দিন ২০শে ফেব্রুয়ারী চিরকুটের মাধ্যমে এই নির্দেশ দেন। পরে কয়েকজন ভাষা সৈনিক এই মিথ্যা ধরে ফেলেন। তারা প্রমাণ করেন মুজিব নির্দেশ দিয়েছিল তো দূরে থাক মুজিব ২০শে ফেব্রুয়ারী ঢাকা জেলখানাতেই ছিলেন না। কারণ ১৮ই ফেব্রুয়ারী তাকে ফরিদপুর জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী-বাকশালী গোষ্ঠী এই নিয়ে আর কোন টু শব্দ করে নি।

বহুল আলোচিত আগরতলা মামলা কে ষড়যন্ত্র শব্দ টি আগে জুড়ে দেওয়া হয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ব্যাপারটি বৈধ ছিল কারণ তা না হলে আমরা পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্বাবী আদায়ের আন্দোলন জোরদার করতে পারতাম না। কিন্তু স্বাধীনতার পর ব্যাপারটি জনগণের কাছে প্রকাশ করা উচিত ছিল যে ঐ মামলার অভিযোগ সমূহ মোটেই মিথ্যা ছিল না। (সুত্রঃ লেখক-নূরে আলম লেলিন, দৈনিক আজকের কাগজ ১৮ই নভেম্বর ২০০৬ইং)

এরপর ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ। এটাকে আমি বলব ষ্ট্যান্ডবাই স্বাধীনতার ঘোষণা। ঐ ভাষণে মুজিব বলেন যা অনেকটা এ রকম আর হামলা হলে এবং আমি যদি নির্দেশ নাও দিতে পারি তোমরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই শুরু করবা। কিন্তু ঐ ভাষণের শেষে মুজিব জয় বাংলা বলার পর জয় পাকিস্তানও বলেন (সুত্রঃ নির্মল সেন দৈনিক আমাদের সময় ৮ই মার্চ ২০০৯ইং)।

Click This Link

কিন্তু স্বাধীনতার পর আওয়ামী-বাকশালী গং অত্যন্ত কৌশলে জয় পাকিস্তান শব্দ টি বাদ দিয়ে ভাষণের নতুন অডিও বের করে। আমি বুঝিনা ২৫শে মার্চ ১৯৭১ সালের কালোরাত্রি অপারেশন সার্চ লাইট মুজিবের ষ্ট্যান্ডবাই স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বার্থক করে তারপরেও জয় পাকিস্তান বাদ দিয়ে প্রকারন্তরে ইতিহাসকেই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মহাজোট সরকার শহীদ জিয়ার ২৬শে মার্চ ১৯৭১ প্রথমে নিজ নামে স্বাধীনতার ঘোষণা কে স্বীকৃতি দেওয়া তো দূরে থাকুক তোফায়েল, সাজেদা ও শেখ সেলিম বলেন যে জিয়া নাকি মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না। তাহলে ২৬শে মার্চ ১৯৭১ এর প্রথম প্রহরে কোন ভুতে পাকিস্তানী কর্ণেল ও সৈন্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাদের কে বন্দী করে কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করে? আর মুজিবই ১৯৭২ সালে জিয়া কে মেজর হতে সরাসরি স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য তার সম্মানার্থে সেনাবাহিনীতে উপ-প্রধানের পদ সৃষ্টি করা হয়। তাহলে কি মুজিব খামোখা জিয়া কে সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান করেছিলেন? আর ১৯৭২ হতে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের পূর্বে কি কোন ইতিহাস আছে যে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য জিয়া ব্যাতীত অন্য কাউকে পুরস্কৃত করা হয়? কিংবা ইপিআরের ওয়ারলেসের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা যা পরে নাকি রেকর্ড করে বলধা গার্ডেন হতে বাজানো হয় সেই রেকর্ডটাই কই গেল?

বলা হয়ে থাকে পাকিস্তানে বন্দী অবস্থায় থাকাকালীন মুজিবের জন্য আমেরিকা ও বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের বসবাসরত বাঙালীরা, কিছু মার্কিন সিনেটর ও বিশ্বের কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তির তদবিরে মার্কিণ প্রেসিডেন্ট নিক্সন পাকি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া কে বলেন মুজিব কে প্রাণদন্ড দেওয়া যাবে না। এর মাঝে ৭১ সালের সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ বা তার দুয়েকদিন পরে বেগম মুজিব নাকি তৎকালীন এ অঞ্চলের গভর্ণর এ. এম. মালিকের কাছে মুজিবের প্রাণ ভিক্ষা চান। (সুত্রঃ নিউ ইয়র্ক টাইমস্ ২৭শে সেপ্টেম্বর ১৯৭১)

এরপর শাহ আজিজুর রহমানের উপখ্যান। বলা হয়ে থাকে শাহ আজিজ কে নাকি জিয়াই বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে আসার অনুমতি দেন এবং পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করেন। এ সমন্ধে উইকি পিডিয়া কি বলে দেখি;

Click This Link

Click This Link#Return_to_Bangladesh

জিয়া তাকে প্রধানমন্ত্রী করেন এটা পরম সত্য। কিন্তু জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণের পর তাকে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেওয়া হয় ব্যাপার টি চরম-পরম ভাবে মিথ্যা কথা। শাহ আজিজ খুব সম্ভবত ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পূর্বেই বাংলাদেশে আসেন। পরবর্তীতে শাহ আজিজ কে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গ্রেফতার করলেও ২ বছর পর ১৯৭৩ সালে খোদ বঙ্গবন্ধু তাকে জেল থেকে মূক্ত করেন এবং ঐ সময়ে তার পরিবার কে ২২০০০ টাকা দামের গাড়ি সরকারি ভাবে কিনে দেন সেটা অবশ্যই সত্য। নিম্নের লিংক টি দেখুন;

Click This Link

তাহলে দেখা যাচ্ছে যে তথাকথিত জিয়ার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালীন যে শাহ আজিজ বাংলাদেশে আসে একেবারেই মিথ্যা। বরং বঙ্গবন্ধুর কৃপায় তিনি ১৯৭৩ সালে মুক্তিপান এবং ১৯৭৪ সালে লাহোর ও.আই.সি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু তাকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সফর সঙ্গী করেন। এর দুটি কারণ ১) শাহ আজিজ একজন দক্ষ কূটনীতিক এবং ২) মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের সাথে তার ভাল সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে তাকে জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করেন ঠিক একই কারণে। মজার ব্যাপার হল দীর্ঘকাল যাবৎ আওয়ামী-বাকশালী গং এ সত্যকে চেপে রাখে এবং জিয়া কে একতরফা ভাবে দোষারোপ করে। আরকি মুজিব করলে কোন দোষ নাই কিন্তু জিয়া করলে যত দোষ। ঠিক যেমন মুজিব সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত ভাবে সকল পাকিস্তানী সৈন্যদের মূল যুদ্ধাপরাধীদের সমেত কে ছেড়ে দেন তার কোন সমালোচনা নাই

Click This Link

কিন্তু জিয়া ১৯৭৫ সালের শেষ দিকে দালাল আইন সহ এ দেশীয় হুকুমের গোলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দেন সেটা যত দোষ হয়ে গেল। যদি জিয়া গোলাম আযম সহ অন্যান্য এ দেশীয় যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশে আসতে না দিলে সৌদি আরব, কুয়েত সহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ কে কখনই স্বীকৃতি দিত না এবং আজকে ২০লক্ষেরও অধিক বাংলাদেশী সে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেত না। এটা কি আওয়ামী-বাকশালী গং জীবনে কোনদিন ভেবে দেখেছে?

১৯৭২ সালের মুজিব-ইন্দিরার চুক্তির জন্যই যে ১৯৮০ সালে ভারত কে বাংলাদেশ নৌ ট্রানজিট দেয় সেটা অতীতে ও বর্তমানে বহু আওয়ামী-বাকশালী গং অস্বীকার করে। এর ৫নং ধারায় লেখা আছে;

v) The contracting parties shall continue to strengthen and widen their mutually advantageous and all round cooperation in the economic, scientific and technical fields, and shall develop mutual cooperation in the fields of trade, transport and communication on the basis of the principles of equality and mutual benefit;

http://banglapedia.search.com.bd/HT/I_0040.htm

কিন্তু বর্তমান মহাজোট সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান তা মানতে একেবার্ই নারাজ।

তাই দেখা যাচ্ছে যে উইকির মত বিশ্বখ্যাত অনলাইন তথ্যভান্ডার সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় পর্যন্ত আওয়ামী-বাকশালী গংদের কালো থাবা প্রসারিত হয়েছে। সর্বশেষ জিয়ার কথিত ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের স্বাক্ষাৎকারের ভিডিও তে অডিও ও ভিডিও তে জিয়ার ঠোট নাড়ানোর কোন মিলই নেই। তাই অনেক বিতর্কিত বিষয়ে চাইলেই সহজে সত্য মিথ্যা যাচাই করা যাবে না। আওয়ামী-বাকশালী গং জিয়া ও বিএনপির বিরুদ্ধে একতরফা ইতিহাস বিকৃতির দ্বাবী করে অথচ নিজেরাই স্বাধীনতার পূর্বের ও পরের ইতিহাস কে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই তা করে আসছে। তাই বাংলাদেশের সাথে জড়িত বহু ইতিহাস বিকৃতির দ্বায় ভার বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামিলীগের উপরই বর্তায়। এর জন্য তারা একদিন ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইতিহাসরাজনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
হোলসেল বলেছেন: Ki bapar? Eitare to BNP chagol hishabe jantam. Eita jamati chagol hishabe atmoprokash korlo kobe theke?
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: পুরাটা পইড়া বলেন কোথায় ভুল আছে।

২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
হোলসেল বলেছেন:
Pakhir nirer moto chokh tule Natorer Banalata Sen,
Etodin kothai chilen?
Rajakar hidden?
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: হিন্দুস্থানের দালালরা বাংলাদেশের পক্ষে বললে রাজাকার বলবেই। বুঝলা মূখ্যমন্ত্রী হাসিনার ভক্ত?

৩. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১০
হোলসেল বলেছেন: Bhaijan, 'I want very active' mane ki? Apnar profile e ki likha eita? English buji na, jante cachchi.
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: I want very active debate কথাটা পুরা আসে নি।

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: আমনের আমার এই লেখা বুজন বা পড়নের ক্ষমতা আছে?

৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
আকর্ষণ বলেছেন: ওম্ম আন্নে গরম অন কিল্লাই আই খারাপ কিয়া কইছি '''''
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: ভাই লেখা মূখ্য। পারলে লেখা পড়ে বলেন ভুল বা মিথ্যা কোথায় লিখেছি।

৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
দ্বিতীয় পরিচয় বলেছেন: উইকির ইতিহস আস্তাকুড়ে ফেলে জিন্দাবাদীয় ইতিহাস ছাপানো হক।

আপনের মত লোকেরা আগাইয়ে আসেনাই বইলাই ত উইকি পিডিয়ার মত ভুয়া জিনিষে দুনিয়া ভইরা গেছে।

বাংলাদেশের সঠিক(!!!) ইতিহাস জানানোর জন্য আপ্নের কাছে যারপর নাই কৃতার্থ...........................
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৩

লেখক বলেছেন: অন্ধ হলেই কি প্রলয় বন্ধ হয়? পারলে প্রমাণ করেন কোথায় ভুল লেখছি? তমুদ্দন মজলিশের নাম নিতে আপনাদের এত ভয় কেন?

৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: বাংলাদেশ জিন্দাবাদ: শহীদ জিয়ার ২৬শে মার্চ ১৯৭১ প্রথমে নিজ নামে স্বাধীনতার ঘোষণা ........ তাহলে ২৬শে মার্চ ১৯৭১ এর প্রথম প্রহরে কোন ভুতে পাকিস্তানী কর্ণেল ও সৈন্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাদের কে বন্দী করে কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করে ।।

অনেক লিঙ্ক ত দিলেন। এইটার কোন লিঙ্ক দিলেন না কেন? ইতিহাস কি পয়দা করতেসেন ? আপ্নারে সবাই ছাগু কয়, আর আপনি একা ১০০ হয়ে লড়সিলেন ভালই লাগত। কিন্তু আপনার নব্ব্য প্রসুত ইতিহাস দেখে ছাগুর বদলে আর কি ইয়ুস করা জায় ভাবতেসি ।। এইসব ফিতা ছারা পায়জামা গুলা পয়দা হইসে কোন কচুখেতে?

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: নিজে রামছাগু তাই বিপক্ষরে ছাগু ভাববেনই। নিজেদের চেহারা আগে আয়নায় দেখেন। নর্দমার কীটদের মুখেই অমন কথা শোভা পায়।

Click This Link

৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: শুভ ব্যান ও রিপোর্ট মোবারক! :P
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: মাথা ঠিক আছে তো?

১০. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৫৭
নেক্সাস বলেছেন: আম্লিক যা বলে তাই সঠিক ধইরা লন ভাই....

না হলে বিপদ আছে....
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: এর লেগাই তো আওয়ামী-বাকশালী গো ভাল মানুষরা কয়;

গাঞ্জার নৌকা পাহাড়-পর্বত ডিঙ্গায়।

১১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২০
কিউরিয়াস বলেছেন: শাহ আজিজের ব্যাপারটা ঠিক ধরসেন বইলাই মনে হইতেছে...

এক কাজ করেন না, উইকির এন্ট্রিটা আপনি-ই ঠিক করে ফেলেন...যেহেতু আপনার কাছে রেফারেন্স আছে, ঝামেলা হওয়ার কথা না।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:১৩
রামন বলেছেন: ¡¡ উইকিপেডিয়াতে দেখছি জঙ্গিতে ভরে গেছে !! :|:|
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: সত্যিই তো! :)

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ছাল নাই কুত্তার বাঘা নাম! সত্যরে চাইলেই সহজে চাপা দেওন যায় না। কয়জনের মুখ আটকাইতে পারবি?

১৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪০
অারমান বলেছেন: মুজিবনগরে আ.লীগ নেতার কান্ড,পাঁচ ভুমিহীন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে উচ্ছেদ করে খাসজমি দখল!
Click This Link
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: আরে ভাই এরা তো সোনার নেতা তাই সোনার কর্মকান্ড করছে। এদের কে অবশ্যই বাহাবা দিতে হবে। কি বলেন?

১৫. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:০০
সরকার সেলিম বলেছেন: পুরাটাই পড়েছি। দেখলাম আপনি বিভিন্ন রেফারেন্স দিয়াই রিপোর্ট টা করেছেন। আপনার রেফারেন্স যদি ঠিক হয়ে থাকে তাহলে আপনার রিপোর্ট ঠিক আছে বলা যায়।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: আশা করি ভালো ভাবে রেফারেন্স গুলো যাচাই করবেন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: যি ধন্যবাদ।

১৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪
ধীবর বলেছেন: এই হোলসেলের প্রথম দুইটা অক্ষরের জোর কম, তাই যুক্তি ধারে কাছে না গিয়ে চাপাবাজি শুরু করেছে। আর যারা এই লেখকের নামে উল্টা পাল্টা প্রলাপ বকছেন, তাদেরকে বলি, কোমরে এত জোর থাকলে রেফারেন্স দিয়ে প্রমান করুন যে এই লেখকের দাবি সত্য না।

বঙ্গবন্ধুকে আকাশে তুলতে গিয়ে এই আঃ লিগ আর যৌবন লিগ এমন সব মিথ্যাচারের আশ্রয় নেয়, যা বংবন্ধু দেখলে নিজেই হার্ট আট্যাক করে মারা যেতেন। এই সব চাটার দল আর চামচাদের কারণেই বঙ্গবন্ধুর মত বিশাল ব্যাক্তিত্বের মানুষটাকে চলে যেতে হয়েছে।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: সহমত এবং ধন্যবাদ।

১৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
ধীবর বলেছেন: বঙ্গবন্ধু*** আগের মন্তব্যে টাইপিং মিস্টেক।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: আপনার নিজের ব্রেন কে বলছেন?

২০. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৯
বিডি আইডল বলেছেন: :) বঙ্গসেনাদের চুলকানি দেখতে ভালোই লাগে
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলছেন। এরা নিজেরা হিন্দুস্থানের দালালী করে বাংলাদেশের ক্ষতি করছে এবং আমরা এর প্রতিবাদ করলেই রাজাকার ও পাকি বলে। বাংলাদেশের ন্যায্য স্বার্থের পক্ষে বলে ভারতের সমালোচনা করলে কিভাবে পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষা হয় এই যুক্তিহীন বর্বর দালালরা কোনদিন প্রমাণ করতে পারে নি। ধন্যবাদ।

২১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৯
ভন্ডপির বলেছেন: তমুদ্দন মজলিশের ব্যাপারে জেনে ভাল লাগল। আগরতলা মামলা সর্ম্পকে লিংক থাকলে দিন। আজকের কাগজের রেফারেন্সটা নিরপেক্ষ কি?

বিজয়ীদের ইতিহাস লেখাটা নতুন নয়। নবীজির সময় মুসাইলামা নামে যে লোক নবীত্ব দাবী করেছিল তার নাম মুসলিমরা করে দেয় "মুসাইলামা মিথ্যুক" (মুসাইলামা আল কাজ্জাব)। তার বাবা মা নিশ্চয়ই "মিথ্যুক" নাম রাখেনি।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আর আজকের কাগজ ২০০৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এই লেলিন সাহেব আগাচৌর প্রিয় লেখক এবং অবশ্যই আলীগের বিশ্বস্ত ব্যাক্তি।

আর ভাই আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ভন্ড নবী মুসাইলামাতুল কাজ্জাব (পরে কাজ্জাব যূক্ত হয়) সে রাসুল(সাঃ) এর ওফাতের পরই নিজেকে নবী দ্বাবী করে। আর প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রাঃ) এর নির্দেশে মুসলিম সৈন্যরা তাকে হত্যা করে। ধন্যবাদ।

২২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৭
রাগিব বলেছেন: আপনার পোস্টের টাইটেলের সাথে ভিতরের আলোচনার মিল কম পেলাম। উইকিপিডিয়ার একটি নিবন্ধ নিয়ে আপনি রাগ প্রকাশ করেছেন, যাতে একটি তথ্য ভুল বলে আপনি জানাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট নিবন্ধটির উপরে "এডিট" নামের একটি বাটন আছে, যাতে ক্লিক করে সঠিক তথ্যটি দিতে আপনার যে সময় লাগতো, এই পোস্টে লেগেছে কমপক্ষে তার ১০ গুণ। তাই এখানে অযথা সময় নষ্ট না করে তথ্যসূত্র সহ ঠিক তথ্য যোগ করে দিন।

তমদ্দুন মজলিশের কথা উইকিপিডিয়াতে ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে বলা হয়না, এহেন ডাহা মিথ্যা কথা আপনি কীকরে বলেন? নাকি বলেননি? আপনার পোস্টের শিরোনামে উইকিকে বিকৃত বলেছেন, শুরু করেছেন তমদ্দুন মজলিশের কথা দিয়ে, তাতে মনে হচ্ছে আপনার দাবি এটাই। আমার বোঝার ভুল হতে পারে, কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে, মিথ্যা দাবিটা আপনি করছেন যে -- উইকিপিডিয়ার ভাষা আন্দোলনের নিবন্ধে তমদ্দুন মজলিশের কথা নেই। অনুগ্রহপূর্বক (Click This Link ) এই নিবন্ধটি একবার হলেও দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনার অবগতির জন্য ভাষা আন্দোলনের উইকির নিবন্ধটির অংশ বিশেষ এখানে তুলে দিলাম।


After the partition of India in 1947, Bengali-speaking peoples in East Pakistan (also known as East Bengal) made up 44 million of the newly-formed Pakistan's 69 million people. Pakistan's government, civil services, and military, however, were dominated by West Pakistanis. In 1947, a key resolution at a national education summit in Karachi advocated Urdu as the sole state language, and its exclusive use in the media and in schools. Opposition and protests immediately arose. Students from Dhaka rallied under the leadership of Abul Kashem, the secretary of Tamaddun Majlish, a Bengali Islamic cultural organisation. The meeting stipulated Bengali as an official language of Pakistan and as a medium of education in East Pakistan. However, the Pakistan Public Service Commission removed Bengali from the list of approved subjects, as well as from currency notes and stamps. The central education minister Fazlur Rahman made extensive preparations to make Urdu the only state language of Pakistan. Public outrage spread, and a large number of Bengali students met on the University of Dhaka campus on 8 December 1947 to formally demand that Bengali be made an official language. To promote their cause, Bengali students organised processions and rallies in Dhaka.

Leading Bengali scholars argued why only Urdu should not be the state language. The linguist Muhammad Shahidullah pointed out that Urdu was not the native language of any part of Pakistan, and said, "If we have to choose a second state language, we should consider Urdu." The writer Abul Mansur Ahmed said if Urdu became the state language, the educated society of East Pakistan would become 'illiterate' and 'ineligible' for government positions. The first Rastrabhasa Sangram Parishad (National Language Action Committee), an organisation in favour of Bengali as a state language was formed towards the end of December 1947. Professor Nurul Huq Bhuiyan of the Tamaddun Majlish convened the committee. Later, Parliament member Shamsul Huq convened a new committee to push for Bengali as a state language. Assembly member Dhirendranath Datta proposed legislation in the Constituent Assembly of Pakistan to allow members to speak in Bengali and authorise its use for official purposes.Datta's proposal was supported by legislators Prem Hari Burman, Bhupendra Kumar Datta and Sris Chandra Chattaopadhyaya of East Bengal, as well as the people from the region. Prime minister Liaquat Ali Khan and the Muslim League denounced the proposal as an attempt to divide the Pakistani people, thus the legislation was defeated.

---

এ ছাড়া উইকিপিডিয়ার আর কোন কোন জায়গায় ভুল রয়েছে, তা যদি চোখে পড়ে, এবং নিরপেক্ষ নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র হাতে থেকে থাকে, তাহলে অযথা সময় নষ্ট না করে নিজেই ঠিক করে দিন। উইকিপিডিয়া কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় -- সবাই মিলে চেষ্টা করেই তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলছে।

অবশ্য "উইকিতে অমুক নাই কেনো" এটা নিয়ে এই ব্লগে আগেও জনৈক ব্লগার নিয়মিত একই ভঙ্গীমায় চিল্লাচিল্লি করতেন (পরে জানাগেলো আসল ব্যাপার, উনার আত্মজীবনী উইকি থেকে অপসারিত হওয়াতেই এই রাগ)। আপনারও একই ঘটনা হয়ে থাকলে কিছু বলার নেই। বটতলীয় বক্তৃতা দেয়ার আগে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে পোস্ট দেয়াই উত্তম। নইলে আপনার এই পোস্টের শিরোনামের সাথে ভিতরের লেখার অতি সামান্যই মিল দেখতে পেলাম (প্রথম দাবীটি মিথ্যা বলে দেখা যাচ্ছে, আর পরের অংশে কেবল শাহ আজীজের নিবন্ধে একটি বাক্যে ভুল আছে বলে বলছেন, যা ঠিক করা মুহুর্তের ব্যাপার মাত্র)।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: রাগিব সাহেব, রাগারাগি পরের বিষয়। উইকিতে বাংলাদেশের যে কয়জন দ্বায়িত্বে আছে তারা আওয়ামিলীগার। তারাই মুজিবের শাহ আজিজ কে ছেড়ে দেওয়ার কথা না লিখে সম্পূর্ণ রুপে জিয়া কে দ্বায়ী করে।

আর আপনি একটা জিনিস ভূল করছেন। আমি বলেছি আওয়ামী গোষ্ঠী মরহুম প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম সাহেব ও তার তুমদ্দন মজলিশ এর কথা মুখে আনে না। এই বিষয়ে উইকিকে দ্বায়ী করিনি এবং কখনই বলিনি যে উইকি এ কথা বলে। সর্বপরি তমুদ্দন মজলিশ সমন্ধে উইকিরই তো লিংক দিয়েছি। অযথা পানি ঘোলা করবেন না।

ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট রেড্ডী সহ বিশ্বের অনেক ব্যাক্তিই সার্টিফাই করেছেন জিয়া ২৬শে মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। আর উইকি আলীগের ভাষায় বলে ২৭শে মার্চের কথা। তো এখানে আমি বুঝাতে চেয়েছি যে সব না, বেশ কিছু ক্ষেত্রে উইকিতে মিথ্যা তথ্য আওয়ামী-বাকশালী গং সরবারাহ করেছে। স্পষ্টতই আলীগের কালো থাবা উইকি সহ বিশ্বের অন্যান্য তথ্যভান্ডারে মিথ্যা বিষয় সংযোজন করেছে। মূল দ্বায়ী আলীগের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা।

২৩. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৭
কিউরিয়াস বলেছেন: একমত @রাগিব ভাই : "আপনার পোস্টের টাইটেলের সাথে ভিতরের আলোচনার মিল কম পেলাম।"

এবং

"তাই এখানে অযথা সময় নষ্ট না করে তথ্যসূত্র সহ ঠিক তথ্য যোগ করে দিন।"
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: উইকিপিডিয়াতো কোন বিশেষ ব্যক্তি বা সংগঠন চালাচ্ছে না। সাধারণ ইন্টারনেট ইউজাররাই যার যার তথ্য ভান্ডার হতে উইকিকে সমৃদ্ধ করছে।

আপনার কাছে যে সব তথ্য আছে সেগুলো সূত্র সহ উইকিতে যোগ করে দিন। যদি কোথাও বিপরীত তথ্য থাকে সেগুলো নিয়ে আলোচনার পাতায় আলোচনা করূন। দরকার হলে একের অধিক তথ্যসূত্র যোগ করুন, যেন একপক্ষের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এমনটা মনে না হয়।

উইকিতে আপনাকে কেউ গালাগালি করবে না ট্যাগিংও করবে না। সেখানে তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে কাজ চলে। আপনার তথ্যসূত্রের বিপরীতে যদি কেউ তার দাবির সমর্থক সূত্র আনতে না পারে তবে আপনারটাই থাকবে। বা উভয়ের বোঝাপড়ায় সব দৃষ্টিকোনই উপস্থাপন করা সম্ভব।

উইকিপিডিয়ায় আপনাকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি (যদিও আমি নিজে এখন তেমন সক্রিয় থাকতে পারি না)। ইংরেজীর সাথে সাথে বাংলা উইকিপিডিয়াতেও লিখতে পারেন। আপনার আমার সবার তথ্য নিয়েই উইকি।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: বিষয় টি ঐ প্রথম আলোর রিপোর্টের এক বছর (২০০৮) আগে নয় আরো আগেই জানি সেই ২০০৫-০৬ সালে। বিএনপির সাবেক এমপি জুয়েল সাহেব চট্টগ্রাম-১১ তিনিই প্রথম চ্যানেল আই এর তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে বলেন শাহ আজিজ কে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কৃপার কথা। ঐ সময়ে আলীগের সমর্থকদের মুখ দিয়ে তুফান বান ছুটত যে জিয়াই শাহ আজিজ কে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দিয়ে তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করেন। তখন জুয়েল এমপির কথা বললে তারা আমাকে উইকির শাহ আজিজ সমন্ধে রেফারেন্স দেখায়। কিন্তু প্রথম আলোর রিপোর্ট কেউ দ্বিমত না করায় প্রমাণিত হয় জুয়েল সাহেব সত্য কথাটাই বলেছেন। প্রথমে চেয়েছিলাম উইকির সাথে যোগাযোগ করে বিষয় টি সংশোধনের। কিন্তু ঠিক করলাম যে না থাকুক মিথ্যা তথ্য বরং তাতে সুবিধা হবে যে আওয়ামী-বাকশালী গোষ্ঠী যে চরম-পরম মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে তা উইকির উক্ত রেফারেন্স প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
রাগিব বলেছেন: "লেখক বলেছেন: উইকিতে বাংলাদেশের যে কয়জন দ্বায়িত্বে আছে তারা আওয়ামিলীগার। তারাই মুজিবের শাহ আজিজ কে ছেড়ে দেওয়ার কথা না লিখে সম্পূর্ণ রুপে জিয়া কে দ্বায়ী করে।"


নামগুলো একটু বলেন তাহলে, কে কে "দায়িত্বে আছে"। ১ নম্বরে আমাকে রাখেন, তার পরে উপরে বিবর্তনবাদী উইকির কথা বলেছিলো, তাকেও রাখেন, আর "তালিকা" তৈরী করে বলেন।


আপনি পোস্টের শিরোনামে ভাব দেখালেন উইকিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে, আর উদাহরণ দেখাতে পারলেন পুরা পোস্টে একটা মাত্র, আপনার কথার অন্তঃসারশূন্যতাই প্রকাশ পাচ্ছে তাতে। দয়া করে সুনির্দিষ্ট কথা বলুন। পোস্টের শিরোনামে এক কথা বলে ভিতরে কিছুই দেখাতে পারলেন না, হাস্যকর। "কালো থাবা", "বাকশাল" এসব বটতলীয় কথা না বলে সরাসরি পরিষ্কার করে কথা বলুন ও লিংক দিন।

আর উইকিতে লেখার জন্য আপনাকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাই। হাবিজাবি সূত্রের বদলে যদি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য দেন, আপনাকে কেউই সেখানে আটকাবে না। অবশ্য এই পোস্টে যেভাবে লিখলেন, সেরকম ভাবে অবশ্য লেখা যাবে না, নীতিমালার বিরোধী। জিয়ার ঘোষণার ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স সংশ্লিষ্ট নিবন্ধে যোগ করে দিবেন আশা করছি। উপরে তো অনেক দাবীই করলেন। তথ্যসূত্রটা দিয়ে দিলে আর এতো কথার দরকার হবে না।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: রাগিব সাহেব বুঝার ভুল আপনার। তমুদ্দন মজলিশের কথা উইকি তে নেই তা আমি কখনই বলিনি।

নিশ্চয়ই আলীগের কেউ না কেউ শাহ আজিজ সমন্ধে ঐ তথ্য যূক্ত করে। নতুবা এটা ভুল হবে কেন? আর আমি চাই ভুল তথ্যটিই থাকুক কেননা তাতে আওয়ামিলীগার গং যে মিথ্যাবাদী তার একটা প্রমাণ উইকি তে থাকা জরুরী।

আর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা ২৬শে মার্চ দেন তা নিম্নের লিংক প্রমাণ করে;

Click This Link

আর উইকি তে তথ্য সরবারাহ করা অনেক পরিশ্রম সাধ্য। কারণ সত্য তথ্য দিতে হবে। আর এটা সময় সাপেক্ষ। তাই আপনার কাছে অনুরোধ আর যেন বাংলাদেশের ইতিহাস সমন্ধে উইকি তে মিথ্যা তথ্য না যূক্ত হয়। ধন্যবাদ।

২৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
হোলসেল বলেছেন: জনাব বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলা উইকিতে বাংলাদেশের যে কয়জন কন্ট্রিবিউট করেন (আপনার ভাষায় দায়িত্বে আছেন), তাদের ভিতর যতদূর জানি রাগিব এর ভুমিকা প্রধান। আপনে কি বলতে চাচ্ছেন পরিস্কার করে বলুন। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন রাগিব আওয়ামিলীগার? বাংলাদেশ আওয়ামি লীগ উইকিপেডিয়ায় একচেটিয়া দখল নিল কি ভাবে ও কবে থেকে? বিএনপি কেন সুযোগ সুবিধা করে উঠতে পারলো না, কেন বিএনপি বা জামাতি কেউ নেই উইকিপেডিয়ায়, এই ব্যপারে আপনার মতা মত কি? রাগিব ছাড়া স্পেসিফিক্যালি আরো দুই চার জনের নাম বলেনতো যারা উইকিপেডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত এবং আওয়ামি লীগ করেন? রাতা মোরগের মত গলা উঁচু করে বল্লেইতো হবে না, স্পেসিফিক নাম দিতে হবে, তাদের সাথে আওয়ামি লীগের সম্পৃক্ততার প্রমান দিতে হবে। তবেই না হয় আপনার বক্তব্য সবাই মেনে নিবে। দিন, কয়েকজনের নাম দিন, প্লিজ।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ! প্রথম আলোর শাহ আজিজ কে নিয়ে রিপোর্টের পরও কি বলবেন যে শাহ আজিজ কে নিয়ে উইকির রিপোর্ট সঠিক? কেউ না কেউ এই ভুল ও মিথ্যা তথ্যের জন্য দ্বায়ী। এটা অপরাধ। সেটা স্পষ্টতই আলীগের সমর্থকগণ। আর উইকি আগে না হয় মানলাম যাচাই করেনি। কিন্তু প্রথম আলোর রিপোর্ট এক বছর হওয়ার পরও কেন উইকি এই তথ্য সংশোধন করেনি?

২৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
হোলসেল বলেছেন: ওহ, আমি কমেন্ট করার আগেই দেখি রাগিব এর কমেন্ট।
২৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আপনে লিখছেন: উইকিতে বাংলাদেশের যে কয়জন দ্বায়িত্বে আছে তারা আওয়ামিলীগার। তারাই মুজিবের শাহ আজিজ কে ছেড়ে দেওয়ার কথা না লিখে সম্পূর্ণ রুপে জিয়া কে দ্বায়ী করে।


আপনার এই মন্তব্যই প্রমান করে উইকি সম্পর্কে আপনার কোন ধারণাই নাই। প্রথমত, উইকিতে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয় না। কর্মীরা নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব নেয়। দ্বিতীয়ত, উইকিতে সিংহভাগ অবদানকারির লিখবার উদ্দেশ্য হল ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করা। এই ক্ষেত্রে যার কাছে যে তথ্য আছে তা তুলে ধরেন। যখন বিপরীত তথ্য আসে তখন আলোচনার পথ খোলা থাকে। উইকির প্রতি নিবন্ধের সাথেই একটি আলোচনার পাতা নিশ্চয়ই দেখেছেন।

আমি আপনাকে বলব, আগে উইকি কি এবং সেটা কিভাবে পরিচালিত হয় সেই বিষয়ে জানুন। তারপর ব্লগে এ নিয়ে আলোচনা করুন।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: আমি বলেছি যে শাহ আজিজের সমন্ধে যারা এই তথ্য সরবারাহ করেছে তারা আওয়ামিলীগার। আর যদি তাই না হয় মস্তবড় ভুল প্রথম আলোর রিপোর্টের পরও এক বছর ধরে থাকে কেন? আপনাদের কি কোন দ্বায় দ্বায়িত্ব নেই? যখন এ রকম স্পর্শ কাতর বিষয়ে ভুল ও মিথ্যা তথ্য থাকে স্বাভাবিক ভাবে প্রসঙ্গ ক্রমে আওয়ামিলীগের বিষয় টি চলে আসে। কারণ দীর্ঘকাল ধরে তারাই তো জিয়া কে শাহ আজিজ সমন্ধে মিথ্যা অপবাদে দ্বায়ী করে আসছে তথা রাজনৈতিক ফায়দা লুট করছে। বুঝাতে পেরেছি কি?

২৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: হোলসেলের ২৬ নম্বর কমেন্টের উত্তরে আপনি বলছেন: প্রথম আলোর শাহ আজিজ কে নিয়ে রিপোর্টের পরও কি বলবেন যে শাহ আজিজ কে নিয়ে উইকির রিপোর্ট সঠিক?


উইকির আবার রিপোর্ট কিসের? উইকি কি কোন সংবাদপত্র নাকি? উইকি একটি তথ্যভান্ডার। এখানে যে কেউ তথ্য যোগ করতে পারে এবং তথ্য সরাতে পারে। এমনকি আপনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করলে কোন বিশেষ সংস্থা আপনাকে প্রশ্ন করবে না। কোন একজন স্বেচ্ছাসেবকই আপনাকে প্রশ্ন করবে। হতে পারে মাসের পর মাস সেই ত্রুটি কারো চোখেই পড়ল না। এমন হতে পারে, একটি ত্রুটি আপনার চোখে পড়ল। আপনি সেটা ঠিক করে দিয়ে আলোচনার পাতায় উল্লেখ করলেন।

এটাই উইকি পরিচালনার স্বাভাবিক নিয়ম। এর ব্যতিক্রম হয় না তেমন নয়। আমি নিজেও যখন উইকিতে লিখতাম তখন নিয়ম কানুন জানতাম না, উলটা পালটা লিখেছি। অন্যদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে নিয়ম কানুন, নেটিকেট শিখেছি।

ইংরেজী উইকির ব্যাপারতো আরো অন্য রকম। আপনি বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু লিখলেন, যে কোন পাকিস্তানি এসেই আপনার কাছে এর সত্যতা যাচাইয়ের দাবি তুলতে পারে। আপনার আমার কাছে তা যতই ইউনিভার্সেল ট্রুথ হোক না কেন, তখন তথ্যসূত্র দিয়েই প্রমান করতে হবে।

আমার তো মনে হয় যে কোন অনলাইন কমিউনিটির চাইতে উইকিপিডিয়া সুশৃঙ্খল।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: এখন ভুল ধরা পরেছে এবং আমি যথাযথ রেফারেন্স দিয়েছি। তাই উইকির সমালোচনা করার অধিকার আমার আছে। তাই ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক হৌন। উইকি তে যেন অসত্য তথ্য যূক্ত না হয়।

৩০. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: আমাদের দেবদুতদের জন্য নতুন গ্রুপ ছোটদের সামহয়্যারইন
Click This Link
আপনার কষ্টার্জিত জ্ঞান-প্রজ্ঞা ছড়িয়ে দিন আগামী প্রজন্মের মাঝে...
Click This Link
৩১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
ধীবর বলেছেন: জেনে খুব খুশি হলাম যে আমাদের সহব্লগার রাগিব এবং বিবর্তনবাদি ভাই, উইকির মত জনপ্রিয় একটি তথ্যভান্ডারের সাথে সংক্লিস্ট। তাই তাদের অন্রুরোধ করবো যদি তাদের পক্ষ্যে সম্ভব হয়, তবে যেন শাহ আজিজকে নিয়ে যে সংশয় দেখা দিয়েছে, সেটি সংশোধনে সাহায্য করেন।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: সহমত ও ধন্যবাদ।

৩২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
রামন বলেছেন: হাসির কিছুই নাই ভাই। উইকিতে তথ্যগুলো যে ভাবে উলোট পালোট দেখছি সেটি সত্যি সত্যি ভৌতিক। নিশ্চয়ই উইকিতে জঙ্গির আস্তানা গড়েছে।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম! :)

৩৩. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২১
শ্রাবণ বলেছেন: I heard that this blog is Razakar free! Now I see I heard wrong.
Apnar lekhar kono jobab debar proyojon dekhi na. Just one thing, you don't have minimum respect towards others' comment.
Razakar mukto Bangladesh chai...
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না। এখানে রেফারেন্স দেওয়া আছে। পারলে প্রমণা করেন কোন তথ্যটা ভুল।

৩৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৯
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: সাহ আজিজ এর ব্যপার ফয়সালা হওয়া উচিত আর সঠিক তথ্য আসা উচিত। বঙ্গবন্ধু আর অনেকের সাথে এরকম করেসেন যেমন সবুর খান। কিন্তু উনি জিয়া এর ঘোষনা কে ২৬ তারিখে নিএ আসলেন সেটার ও সুরাহা দরকার। এটা জঘন্য ডাহা মিথ্যাবাজী।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ভার্চূয়াল বাংলাদেশের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে। ভাল করে পড়ে নিন।

৩৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
রাগিব বলেছেন: ভার্চুয়াল বাংলাদেশ একটি ওয়েবসাইট মাত্র, ইতিহাসের ব্যাপারে এই সাইট কোনো রেফারেন্স নয় আদৌ :)
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: The History of the Liberation Movement in Bangladesh, Author J. S. Gupta

ভার্চূয়াল বাংলাদেশ উক্ত ভারতীয় লেখকের উল্লেখিত বই হতে রেফারেন্স দিয়েছে। কাজে ওটা মোটেই মিথ্যা নয়।

৩৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
রাগিব বলেছেন: ভার্চুয়াল বাংলাদেশের ঐ পাতাটি পড়লাম। বইটির নাম লেখা আছে,

The History of the Liberation Movement in Bangladesh, Author J. S. Gupta

এর পর বইটির লেখক বা আইএসবিএন নম্বর বের করার জন্য প্রচুর সময় ধরে খুঁজলাম, কিন্তু ভার্চুয়াল বাংলাদেশ, অন্যান্য কিছু ব্লগ ইত্যাদি ছাড়া বইটির নাম পেলামনা কোথাও। আমি বইটি হাতে নিয়ে পড়ে দেখতে চাই। দয়া করে আরো কিছু তথ্য দিবেন কি, যাতে করে আমি বইটি সংগ্রহ করে দেখতে পারি?

এই কথা বলার কারণ হলো, গত কয়েক বছরে এরকম ভুয়া বইয়ের রেফারেন্স দেয়ার প্রচুর চেষ্টা দেখেছি, এসব বইয়ের নাম সবাই না পড়েই বলতে থাকে, কিন্তু আসল বই কেউ দেখেনি। কাজেই আমি বইটি আদৌ আছে কি না একটু যাচাই করে দেখতে চাই। সর্বত্র সবাই ভার্চুয়াল বাংলাদেশের মতো একই অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বইটি সম্পর্কে বা তার লেখক সম্পর্কে আর কোনো খানেই কোনো উল্লেখ নেই। যার ফলে বইটি আদৌ নেই বলে সন্দেহ হচ্ছে। যেহেতু আপনি বইটিতে প্রাপ্ত তথ্যের ব্যাপারে যথেষ্ট আস্থাশীল, বইটির লেখক কে বা বইটির সম্পর্কে অন্য কিছু তথ্য দিয়ে বাধিত করুন। আমার বিশ্বাস বইটির ব্যাপারে কারো আর কিছুই জানা নেই, কারণ বইটি আদৌ নেই। :(

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: দয়া করে ভার্চূয়াল বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ করেন। ১৯৯৬-২০০১ এ বেশ কিছু স্বাধীনতার দলির তৈরি করা হয় যেখানে জোর পূর্বক জিয়ার ঘোষণা কে ২৭শে মার্চ নিয়ে যাওয়া হয়।

৩৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
রাগিব বলেছেন: বইটির সম্পর্কে সন্দেহ হবার আরো কারণ হলো, উদ্ধৃত অংশটি, যা "ভারতীয়" লেখক জে এস গুপ্তার লেখা, তাতে organize বানান ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ ভারতীয় ইংরেজি বানানরীতিতে (ব্রিটিশ ইংরেজি রীতির অনুরূপ) organise বানান ব্যবহার করা হয়। ভারতীয় লেখকের লেখা বইতে organize বানান থাকবে বলে ঠিক বিশ্বাস করা যায় না। বানানরীতির এই অসামঞ্জস্যের ব্যাখ্যা কী বলে মনে করেন?
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার কাজ হল বইটি খুজে বের করা। বানান ভুল মূখ্য নয় বরং উল্লেখিত সন্ধ্যা ৭:৪৫, ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সালটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

৩৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: রাগিব বলেছেন: ভার্চুয়াল বাংলাদেশের ঐ পাতাটি পড়লাম। বইটির নাম লেখা আছে,

The History of the Liberation Movement in Bangladesh, Author J. S. Gupta

এর পর বইটির লেখক বা আইএসবিএন নম্বর বের করার জন্য প্রচুর সময় ধরে খুঁজলাম, কিন্তু ভার্চুয়াল বাংলাদেশ, অন্যান্য কিছু ব্লগ ইত্যাদি ছাড়া বইটির নাম পেলামনা কোথাও। আমি বইটি হাতে নিয়ে পড়ে দেখতে চাই। দয়া করে আরো কিছু তথ্য দিবেন কি, যাতে করে আমি বইটি সংগ্রহ করে দেখতে পারি?

এই কথা বলার কারণ হলো, গত কয়েক বছরে এরকম ভুয়া বইয়ের রেফারেন্স দেয়ার প্রচুর চেষ্টা দেখেছি, এসব বইয়ের নাম সবাই না পড়েই বলতে থাকে, কিন্তু আসল বই কেউ দেখেনি। কাজেই আমি বইটি আদৌ আছে কি না একটু যাচাই করে দেখতে চাই। সর্বত্র সবাই ভার্চুয়াল বাংলাদেশের মতো একই অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বইটি সম্পর্কে বা তার লেখক সম্পর্কে আর কোনো খানেই কোনো উল্লেখ নেই। যার ফলে বইটি আদৌ নেই বলে সন্দেহ হচ্ছে। যেহেতু আপনি বইটিতে প্রাপ্ত তথ্যের ব্যাপারে যথেষ্ট আস্থাশীল, বইটির লেখক কে বা বইটির সম্পর্কে অন্য কিছু তথ্য দিয়ে বাধিত করুন। আমার বিশ্বাস বইটির ব্যাপারে কারো আর কিছুই জানা নেই, কারণ বইটি আদৌ নেই। :(
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: দয়া করে ভার্চূয়াল বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ করেন।

৩৯. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০২
রোহান বলেছেন: "This is Swadhin Bangla Betar Kendra. I, Major Ziaur Rahman, at the direction of Bango Bondhu Mujibur Rahman, hereby declare that the independent People's Republic of Bangladesh has been established. At his direction, I have taken command as the temporary head of the republic. In the name of Sheikh Mujibur Rahman, I call upon all Bengalis to rise against the attck by the west Pakistani Army. WE shall fight to the last to free our motherland. By the grace of Allah, victory is ours. Joy Bangla."
-----------------------------------------------------------------------------

ভাই আপনার দেয়া রেফারেন্স থেকে কপি করলাম। এখানে জিয়া নিজ নামে কিভাবে স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন? এই খানেও তো বলা আছে at the direction of Bango Bondhu Mujibur Rahman। ভাই একটা কথা বলি, স্বাধীনতার ঘোষনা কোন খেলার ঘটনা না যেটা যে যার খুশিমতো দিয়ে দিলেই হলো। আপনি বা আমি লাফাতে লাফাতে একটা বেতার কেন্দ্র দখল করে বললাম দেশ স্বাধীন আর অমনি বাকী সবাই ততোধিক উৎসাহে লাফাতে লাফাতে যুদ্ধে নেমে গেলো??? মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জিয়ার স্বীকৃতি তো আছেই আর উনি নিজেই তো বলেছেন যে মুজিবের পক্ষে উনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন। তো এখানে সমস্যাটা কোথায়?? আর পত্রিকায় তো অনেকেই অনেক কথা বলেন। দুই একজন একটা কথা বলে গেলো আর আমরা ওটাকেই ইতিহাস মেনে নিবো? অনেকেই তো প্রকাশ্যে বলেছেন দেশে বাংলা ভাই নেই, পরে দেখলাম বাংলা ভাই শুধু ধরা পড়ে নি তার ফাঁসিও হলো। তবে কোনটা ইতিহাস- মুখের কথা নাকি বাংলা ভাইয়ের অস্তিত্ব? এখনও কেউ কেউ বলে দেশে যুদ্ধাপরাধী নাই- তো আমরা সেটাকেই ইতিহাস মেনে নিবো? আর কোন রেফারেন্স এমনি এমনি দিয়ে দিলেই তো হয় না। ভার্চুয়াল জগতে এত এমেচার হলে হয়???

উইকি সম্পর্কে তো আগে জানেন, তারপর পোষ্টের হেডিং দেন। উইকিতে তো আপনিও প্রকৃত ইতিহাস দিয়ে সমৃদ্ধ করতে পারেন, সেটাই আগে করুন না।

বিএনপি আমলে তো জিয়ার ভাষনে "on behalf of sheikh mujib " এই লাইনগুলো নয়েজ অ্যাড করে মুছে প্রচার করা হতো, আমি নিজেই শুনেছি বিটিভিতে। সেইটা ইতিহাস বিকৃতি ছিলো না???
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি বাংলা ভিশন চ্যানেলের সাথে যোগাযোগ করুন। ২৪শে মার্চ এক স্বাক্ষাৎকারে লে. জেনারেল (অবঃ) মীর শওকত নিজে বলেছেন জিয়া প্রথমে নিজ নামে ২৬শে মার্চের রাত ২:৩০ পরে এবং পরে একই দিন বঙ্গবন্ধুর নাম যূক্ত করে ঘোষণা দেন।

এই লেখার বাইরে তথা অপ্রাসঙ্গিক কোন বিষয়ের জবাব দিব না।

৪০. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
রাগিব বলেছেন: যাই হোক, আমি আগামী কয়েকদিন বইটি খোঁজার চেষ্টা করবো, তার পরে আপনাকে বিস্তারিত জানাবো। আপনি এর মধ্যে বইটির বিস্তারিত তথ্য জানলে এখানে জানাবেন।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আর সেই সাথে আপনি বাংলা ভিশন চ্যানেলের সাথে যোগাযোগ করুন। ২৪শে মার্চ এক স্বাক্ষাৎকারে লে. জেনারেল (অবঃ) মীর শওকত নিজে বলেছেন জিয়া প্রথমে নিজ নামে ২৬শে মার্চের রাত ২:৩০ পরে এবং পরে একই দিন বঙ্গবন্ধুর নাম যূক্ত করে ঘোষণা দেন।

৪১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
রোহান বলেছেন: আরে ভাই আপনার রেফারেন্সই তো ব্যাবহার করলাম, এখন আবার আরেক রেফারেন্স টানলেন। আর জিয়া যদি একবার নিজের নামেই ঘোষনা দেয় তবে পরে আবার বদলালো কেন? ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর আগে জিয়া কে কেউ কি আলাদা করে চিনতো? তাহলে সে যদি নিজের নামে ঘোষনা দেবার চেষ্টাও করে তবে তাতে কি আসে যায়। কোন এক পাগল ছাগল যদি একবার নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষনা দেয় তবে কি ইতিহাসে তাকেও প্রেসিডেন্ট ঘোষনাকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দিতে হবে?
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি যে বক্তব্য দিয়েছি তা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক। মীর শওকত নিজে জিয়ার সাথে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেন।

বীর বাঙালী অস্ত্র ধর,
বাংলাদেশ স্বাধীন কর।

জিয়া একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজ দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে যা মুখে আসে খারাপ কথা বলে নিজেদের সংকীর্ণ ও কুৎসিত মানসিকতার পরিচয় দিলেন। আপনারা এত ইতিহাস বিকৃতিতে পরাঙ্গম যে শাহ আজিজ কে বাংলাদেশে আসার অনুমতি জিয়া দিয়েছেন তা দীর্ঘকাল এ দেশের সিংহভাগ জনগণ কে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করিয়েছেন।

৪২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
আসিফ রহমান বলেছেন: উইকিপিডিয়াতে ছাগুরাম তিরিভুজ মাঝে শুদ্ধি অভিযান চালাইছিল। তারপর অ্যাডমিনরা আইসা তার পুন্দের লুঙ্গি উদাম কৈরা দেখাইয়া দিছে সব কান্ডকার্খানা।

বিস্তারিত দেখা যাবে এই লিঙ্কে।

Click This Link
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য দিন। এখানে যথাযথ রেফারেন্স দিন।

৪৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: @রোহান , ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর আগে জিয়া কে কেউ কি আলাদা করে চিনতো?

ঐটা ২৬মার্চ নয়, ২৭ মার্চ হবে; ২৭ মার্চ প্রথম প্রহরে একটি ড্রামের উপর উইঠ্যা মি: জিয়া তার সৈন্যদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। মীর শওকত সেই ঘটনার কথায় বলেছেন।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: যা দেখেন নি তা নিয়ে কথা বলা কতটুকু যৌক্তিক? পারলে বাংলা ভিশনের সাথে যোগাযোগ করে ২৪/০৩/২০০৯ ইং এ মীর শওকতের স্বাক্ষাৎকার টিন ভিডিও দেখবেন।

পৃথিবী তে বহু খ্যাতিমান ব্যাক্তিমান আছে যাদের কে নির্দিষ্ট ঘটনার আগে কেউ চিনত না। কিন্তু জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সারা বিশ্বের দরবারে পৌছেছে। সব ভাল কাজই আল্লাহর ইচ্ছা। আল্লাহর অশেষ রহমতে জিয়া বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে প্রাণ প্রিয় নেতা। সেটা যদি আপনি না মানেন, তো করার কিছুই নাই।

৪৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: @রোহান , ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর আগে জিয়া কে কেউ কি আলাদা করে চিনতো?"

আমার প্রশ্ন বারাক ওবামা কে ক্য়দিন আগে থেকে চিনতেন? সময় ও পরিস্হিতি একজন সাধারণ মানুষকে জাতির পথ প্রদর্শক করে তোলে।

৭-ই মার্চ এর ভাষণ নিয়ে এত গর্ব, কিন্তু সেই ভাষনের উপর মনে হয় তৎকালিন আওয়ামিলীগের-ই বিশ্বাস ছিল না। আর সেই জন্যে-ই ৭-ই মার্চে স্বাধীনতার সংগ্রামের ঘোষনা দিয়ে ও পাকিস্হানিদের সাথে
গোপন আলোচনা চলতে থাকে।স্বাধীনতা যুদ্ধের সমস্ত প্লাটফর্ম তৈরি ছিল, তাহলে আবার কিসের আলোচনা?

যদি আলোচনার সুযোগ থাকে তাহলে তো স্বাধীনতার ঘোষনা হয়নি।

যে যাই বলুক, শেখ মুজিব যেমন বাংলাদেশের জন্যে অনেক কিছু করেছেন। জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনা ও তেমনি বাংলার মানুষ কে যে অনুপ্রানিত করেছে সেখানে ও বিতর্ক থাকার কোন অবকাশ দেখি না। কত চিরকুট কোনদিকে গেছে আমাদের কাছে কয়টির-ই বা খবর আছে।


মুজিব আর জিয়া কে নিয়ে বাংলাদেশে যা হয় সেটা হলো আমাদের জন্যে দুভাগ্যজনক।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: সহমত এবং ধন্যবাদ।

৪৫. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
রোহান বলেছেন: তর্কের খাতিরে তর্ক করে তো লাভ নাই। জিয়ার সাথে বারাক ওবামার তুলনা কেনো? বারাক ওবামা তো আর ডাইরেক্ট কেনিয়া থেকে লাফ দিয়া হোয়াইট হাউসে ঢুকে নাই কিংবা যুদ্ধ করে, বিপ্লব ঘটিয়ে আসেন নাই। ইউএসএর প্রেসিডেন্ট হবার আগে অনেকগুলা ধাপ পার হয়েছেন, তারপরে জনতার সামনে অনেক সময় ধরে প্রচারণা করে গেছেন, নিজের যোগ্যতা তুলে ধরেছেন, জনতা তাকে চিনেছে জেনেছে তারপর তিনি জনপ্রিয় হয়েছেন।

৭৫ পরবর্তী সময়ে একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অথবা ৭১ এ একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জিয়াকে তো কেউ খাটো করে দেখছে না। কিন্তু ২৭শে মার্চ জিয়া একজন অখ্যাতই ছিলো। আর উনি যদি নিজের নামে স্বাধীনতা ঘোষনা দিতেনই যাতে শেখ মুজিব শব্দ উল্লেখই থাকতো না তবে সেটা জনগনের কাছে বোধকরি গ্রহনযোগ্যও হতো না। আর জিয়া নিজের নামে ঘোষনা নিয়ে এত কনফিডেন্ট থাকলে পরে অন বিহাফ ওফ শেখ মুজিব- এই লাইন যোগ করলেনই বা কেন? শওকত সাহেব কি ঠিক করে দিলেন না হান্নান সাহেব ভয় দেখালেন? নিশ্চয় জিয়ার মতো একজন জাঁদরেল অফিসার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ভয়ে নিজের বক্তব্য বদল করেন নাই। অবশ্যই তার প্রথম ভাষন গ্রহনযোগ্যতার প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো আর তাই তার পরবর্তী ভাষন। এখানে শেখ মুজিবের পক্ষে ২৫ মার্চ রাতেই পিলখানা থেকে এক বাঙালী রেডিও অপারেটর তার পক্ষে ঘোষনা পত্র প্রচার করেন (দেশ টিভি তে দেখলাম। এই ঘোষনার জন্য উনাকে এপ্রিল পর্যন্ত টরচার করা হয় আর পরে মেরে ফেলা হয়। উনার মেয়ে রাজশাহী ভার্সিটির শিক্ষিকা, উনি সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন)। পরেরদিন হান্নান সাহেব চট্টগ্রামে প্রচার করেন আর সবার শেষে জিয়া সাহেব প্রচার করেন। এখানে জিয়ার পদবী (মেজর) গুরুত্বপূর্ন ছিলো, জনগনের কাছে ভাষনটা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য হান্নানের চেয়ে জিয়ার গ্রহনযোগ্যতা এটাই ছিলো যে আমি জনৈক জিয়া না বলে ইনি বলতেন আমি মেজর জিয়া। স্বাধীনতার ঘোষনা দেবার জন্য শেখ মুজিবের বিকল্প কেউ ছিলোনা। যদি থাকতো তো ২৫শে মার্চেই জিয়া বিদ্রোহ করে নিজে নিজেই ঘোষনা দিতেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের জন্য ২৭শে মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করলেনইবা কেনো।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনি বাংলা ভিশনের সাথে যোগাযোগ করেন। ২৪/৩/২০০৯ এর মীর শওকতের স্বাক্ষাৎকার সমন্ধে খোজ নিন।

৪৬. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
মারুফ হায়দার নিপু বলেছেন: ইতিহাস! বিতর্ক! বাংগালী! গুড!
৪৭. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: হায় হায়!!! তাইলে তো উইকি আর সামহোয়ারইন এক হয়ে গেল!!!!! সব জায়াগাই বাকশালে ভরা!!!!!
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ঠিক! :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৫২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I want very active debate
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই