বাংলাদেশের ৫০% এর বেশীর ভাগ মানুষ কে দু্ই বেলা খাওয়া যোগাতে প্রচন্ড কষ্ট করতে হয়। বিশ্বে বাংলাদেশের জিডিপি তে অবস্থান ৬৩ তম;
Click This Link)
আর জনপ্রতি আয়ের(Per Capital) ক্ষেত্রে ১৫৮তম;
Click This Link)_per_capita
দেশে মানুষের বিদ্যুতের, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান সংকট এবং তার উপর বিশ্বমন্দার প্রভাব সত্ত্বে কিছু মানুষের ব্যায় বহুল আমোদ ফূর্তির কোন কমতি নেই। একদিকে মানুষ বিভিন্ন চরম র্দূভোগ নিপতিত আরেক দিকে মানুষ মহা আমোদ ফূর্তিতে ব্যাস্ত। দারিদ্রতা দুঃখ, কষ্ট এবং র্দূভোগ কি জিনিস তা মনে হয় তাদের স্পর্শ করে না । গত বৃহস্পতিবার দিবাগত তথা শুক্রবার প্রথম প্রহরের রাত ১:৩০ মিনিটে ঢাকার বনানীতে এক অভিযান চালিয়ে RAB ১৩০ জন তরুণ তরুণী সহ বিপুল পরিমাণ মদ ও বিয়ার উদ্ধার করে।
***********************
রাজধানীর একটি নাইট ক্লাব থেকে ১৩০ তরুণ তরুণী গ্রেফতার
অসামাজিক কার্যকলাপ
নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিজাত এলাকা বনানীর একটি নাইট ক্লাব থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় অভিজাত পরিবারের ১৩০ সন্তানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এদের মধ্যে ৩০ জন তরুণী। তবে এদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে বাকি সবাইকে জরিমানার জন্য কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে র্যাব-১ এর একটি বিশেষ দল গুলশান বনানী এলাকায় অভিযান শুরু করে। তারা বনানীর ৩২ নম্বর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউর এফআর টাওয়ারে কেএনবি (কোরিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ) নামক নাইট ক্লাবে অভিযান চালায়। এ সময় ক্লাব থেকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ৩০ তরুণীসহ মোট ১৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাত সোয়া ১টার দিকে র্যাব সদস্যরা গ্রেফতারকৃতদের গুলশান থানায় সোপর্দ করে। গুলশান থানা পুলিশ মানিক, বদরুল ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে তাদের গ্রেফতার দেখায়। বাকি ১২৭ জনকে পর দিন জরিমানার জন্য কোর্টে পাঠানো হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, কেএনবি নাইট ক্লাবের মালিকের নাম আসিফ ইকবাল। নাইট ক্লাবে শুধু বিদেশী নাগরিকদের মদ পানের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু যখন ক্লাবে অভিযান চালানো হয় তখন সেখানে মাত্র একজন বিদেশী নাগরিককে দেখা গেছে। বাকি সবাই ছিল বাংলাদেশেী অভিজাত পরিবারের সন্তান। র্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠানের মালিক আইন অমান্য করে বাংলাদেশী তরুণ-তরুণীদের সেখানে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশীদের আসতে নিষেধ করলেও তারা জোর করে প্রবেশ করে। নাইট ক্লাব থেকে বিপুল পরিমাণ মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।
Click This Link
*************************
যেখানে ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণাতে অনেক দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে, যেখানে বাংলাদেশে এখনও আয়কর দেওয়ার যোগ্য লোক ও ব্যাবসা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও তেমন লোক বা প্রতিষ্ঠান রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নতুন ভাবে যুক্ত হচ্ছে না সেখানে এই ধরণের কিছু উচ্চ বিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত ঘরের তরুণ তরুণীদের এভাবে ব্যায় বহুল আমোদ ফূর্তি কেমন দেখায়। এই ব্যাপারে সামাজিক বিষয়য়ে চিন্তাশীল ব্যাক্তিবর্গ সহ সংশ্লিষ্টদের ভাববার ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার আছে। ইতিমধ্যে প্রথম আলো সারাদেশে এবং আঞ্চলিক ভাবে অনেক সামাজিক সংগঠন দেশে নৈতিক ভিত্তি ও আদর্শ মানুষ গড়ার ব্যাপারে তাদের কার্যক্রম মাঝে মধ্যে চোখে পড়ে। তারা কতটুকু সফল হবেন তা সময়ই বলে দেবে।
এই লেখার অন্যতম উদ্দেশ্য হল যে শুধু কি এই একটি কেএনবি (কোরিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ) নাইট ক্লাবই কি ঢাকায় আছে? আর কি অন্য অবৈধ অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত স্থান বা আখড়ার কোন নাইট ক্লাব নেই? শোনা যায় পুলিশ, প্রশাসন, সরকারী মন্ত্রী-এমপিদের এবং সরকার দলীয় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সাথে নিয়মিত লেনদেন বা ভাল খাতির না থাকলে নাইট ক্লাব সহ বিভিন্ন হোটেলে পুলিশ বা RAB হানা দিয়ে গ্রেফতার ও হয়রাণি করে। উপরোক্ত রিপোর্টের পর আগামী ৭ দিন তথা ২৭শে জুন পর্যন্ত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় খোজ নিলে দেখা যাবে আর কোন অবৈধ নাইট ক্লাবের কথা সংবাদ মাধ্যমে আসে নি। তাই যদি সত্যি বর্তমান সরকার ও প্রশাসন আন্তরিক হয় তো কোন অবৈধ নাইট ক্লাবই ঢাকা শহড়ে থাকবে না। নতুবা সরকারের বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ যদি ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত থাকলে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থানের সাথে বেমানান ফুটানি তথা ব্যায় বহুল নৈতিকতা বিবর্জিত আমোদ ফূর্তিতে গা ভাসিয়ে আমাদের দেশের তরুণ তরুণীদের একটা অংশ নৈতিক ভাবে চিরতরে নষ্ট হয়ে যাবে। যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব ফেলবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

