somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হলে আওয়ামীলীগ কে ৩ টার্ম ক্ষমতায় থাকতে হবেঃ আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মানুষ কারো অন্ধে প্রেমে ও ভক্তিতে পরলে যে ন্যায় অন্যায় বাছ বিচার করে না তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। বর্তমান মহাজোট সরকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এজেন্ডা হল দ্রব্যমূল্য কমানো এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার করা;

Click This Link

আলীগ ও মহাজোট উভয়েই বলেছে যে তারা ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই ৫ বছরের মধ্যেই যুদ্ধাপরাধের দ্বায়ে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। কিন্তু মহাজোট সরকারের মেয়াদ আজকে ৬ মাসের উপর এখন পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য তেমন কোন বড় ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয় নি। তার উপর শোনা যাচ্ছে পাকিস্তান ও সৌদি আরব তো বটেই যুক্তরাষ্ট্রও নাকি চাচ্ছে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার না হউক। এই যখন অবস্থা আগাচৌ সহ বিভিন্ন আওয়ামী-বাকশালী মানসিকতার বুদ্ধিজীবি ও সাংবাদিক আলীগ কে প্রক্সি দিচ্ছে। যে এই মেয়াদে যুদ্ধাপরাধের বিচার নাকি সম্ভব নয়। এর জন্য পরবর্তী টার্ম তো বটেই তারও পরের টার্ম আলীগ কে ক্ষমতায় আসতে হবে;

{বর্তমান সরকার তাদের ক্ষমতায় থাকার এক টার্মেই সব নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে পারবে তা আমি কেন, দেশের অনেকেই মনে করেন না। ব্রিটেনে টোরি দলের নেতা মিসেস মার্গারেট থ্যাচার প্রথম দফা ক্ষমতায় বসে বলেছিলেন, 'ব্রিটেনে অর্থনৈতিক ও সামাজিক যে দুরবস্থা বিরাজমান দেখছি, তা কাটিয়ে উঠতে আমাকে এক টার্ম নয়, তিন টার্ম ক্ষমতায় থাকার সুযোগ দিতে হবে।' ব্রিটেনের মানুষ তাকে তিন-তিনবার নির্বাচন-বিজয়ী করে তিন টার্ম ক্ষমতায় থাকার সুযোগ দিয়েছিল।
বাংলাদেশেও আওয়ামী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেনে রাখা উচিত, গত বিএনপি-জামায়াত সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় যে লণ্ডভণ্ড অবস্থা ঘটিয়ে গেছে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রত্যেকটি স্থাপনা ভেঙেচুরে গেছে, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার ভিত্তি ধ্বংস করে গেছে, তাতে দেশের পুনর্গঠন এবং নূ্যনতম সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কাজে তার সরকারের অন্তত দুই টার্ম ক্ষমতায় থাকতে হবে। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং সন্ত্রাস ও হিংস্র মৌলবাদ উচ্ছেদের লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছা ও আগ্রহ থাকলে বর্তমান হাসিনা সরকারকে আরও দুটি নির্বাচন-জয়ী হয়ে পুরো তিন টার্ম ক্ষমতায় থাকতে হবে।}

Click This Link

অথচ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পূর্বে আমরা হরদম শুনে আসছি যে এবার আর যুদ্ধাপরাধীদের নিস্তার নাই এবার অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের হবে। এভাবে তারা আরো প্রোপাগান্ডা করে যে এবার তারা ক্ষমতায় আসতে না পারলে আর কোনদিনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়। তাই এই টার্মে তাদের ক্ষমতায় আসা খুবই জরুরী। কিন্তু ক্ষমতায় এসে প্রভাবশালী দেশের তথা যূক্তরাষ্ট্রের অনীহা ভাব দেখে;

Click This Link

সরকার এখন যতই মুখে বলুক না কেন যে সে তার বর্তমান ৫ বছর মেয়াদের মধ্যেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে কিন্তু বাস্তবতা বলে ভিন্ন। আগাচৌ সহ কয়েকজন যে বলছেন এই টার্মে সম্ভব নয় ও যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা তা নিশ্চয়ই এই সকল লেখকদের নেহায়তই বিভ্রান্তি ছড়ানো ও বিতর্কিত করা উদ্দেশ্য নয়। বরং বাস্তব সত্য হল এই যে কাজ আলীগ নিজে করতে পারছে না তাই সে তার অনুগত বুদ্ধিজীবি-সাংবাদিক উইং কে দিয়ে করাচ্ছে। যাতে একটাই উদ্দেশ্য যে যুদ্ধাপরাধের বিচার না করে কোনমতে নির্বিঘ্নে মেয়াদের বাকী সাড়ে ৪ বছর পার করতে পারলেই হল। এই আগাচৌ সহ অন্যান্য আওয়ামী-বাকশালী বুদ্ধিজীবিদের মস্ত বড় গুণ হল তারা আলীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপর ভালোই প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই অবস্থা বেগতিক দেখে আলীগের সমর্থকদের কে যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে ঠান্ডা রাখা যায় তারই পরিকল্পনার অংশ হল আগাচৌ সহ অন্যান্যদের এই সাম্প্রতিক বিশেষ বিশেষ লেখা। আগাচৌ সহ অন্যান্য সমমনা বুদ্ধিজীবিগণ আলীগের বিপদে সর্বদা উদ্ধারকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৮
১৯টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×