সেই ইন্দিরা গান্ধী আমলেই প্ল্যান করা হয় শ্রীলংকার তামিলদেরকে লেলিয়ে দিয়ে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের তথা শ্রীলংকার বিভক্তি। পরে ভারত নিজ তামিল নাড়ুও আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে পারে এই ভেবে পিছিয়ে আসে। পরিণামে ১৯৯১ সালের মে মাসে রাজীব গান্ধীকে হত্যা করে তামিল টাইগার্সরা। আর ২০০৯ সালে শ্রীলংকার সেনাবাহিনীর এক তরফা হামলায়ও ভারত সরকার সাহাজ্য না করাতে ক্ষেপে আছে টাইগার্সরা। তাই তারা আবার সংগঠিত হচ্ছে এবং ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মানমোহন সিংকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। এ নিয়ে সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা তামিল নাড়ুতে হাই এলার্ট জাড়ি করেছে।
********************
মনমোহনকে হত্যার পরিকল্পনা
তামিলনাড়ুতে হাই অ্যালার্ট
আহমদ হাসান ইমরান ভারত
তামিল বিদ্রোহী সংগঠন এলটিটিই শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর হাতে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়লেও তারা এখন আবার সঙ্ঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। তামিলনাড়ুর ডাইরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ লেতিকা সারনের বক্তব্য থেকে জানা গেছে, লিবারেশন টাইগারস অব তামিল ইলম (এলটিটিই) ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের চেন্নাই সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। আর এলটিটিই সেই সময়ে তাকে নিশানায় পরিণত করতে পারে। এ ছাড়া ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এস করুণানিধি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব জি কে পিল্লাইও তামিল টাইগারদের নিশানায় রয়েছেন। তামিলনাড়ুর ডিজিপি লেতিকা সারন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে হুঁশিয়ারি বার্তা পেয়েছি। এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধি এবং তামিলনাড়ুর কয়েকজন নেতাকে এলটিটিই হত্যার পরিকল্পনা করেছে। আর এই সতর্কবার্তাকে ভিত্তি করে তামিলনাড়ুতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। গোয়েন্দা হুঁশিয়ারিতে বলা হয়েছে, এলটিটিই’র বেশ কিছু ক্যাডার যারা শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর হামলা থেকে বাঁচতে সক্ষম হয়েছে, তারা আবার সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছে। আর এই কাজের জন্য তারা বেছে নিয়েছে ভারতের মাটি বিশেষ করে তামিলনাড়ুকে। এই তামিল টাইগাররা ভারতের বেশ কিছু শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে বিশেষ করে যারা তামিলনাড়ু সফর করবেন। ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এ খবরকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে এলটিটিই ১৯৯১ সালে তামিলনাড়ুতে এক নির্বাচনী জনসভায় হত্যা করেছিল। ভারতের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, এলটিটিই বর্তমানে এক দুর্বল শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটির শীর্ষ নেতারা শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নিহত হয়েছেন। কিন্তু তাদের ক্যাডারদের সংগঠিত হয়ে হামলা চালানোর খবরকে নিরাপত্তা এজেন্সিগুলো গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে।
Click This Link
Click This Link
***************
সে জন্যেই বলে পাপ বাপকে ছাড়ে না। বাংলাদেশের শান্তিবাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছিল ভারত, পাবর্ত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে সেভেন সিষ্টার্সকে সমুদ্র পথ পাইয়ে দেওয়ার জন্য। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সেই সেভেন সিষ্টার্সই ভারতের সাথে থাকতে চায় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



