somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

The Guns of Navarone(1961) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ভিত্তিক অসাধারণ এবং দারুণ একটি মূভি

০৬ ই আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমরা সবাই জানি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক জার্মানীর মিত্র ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে জার্মানী পূর্বের তুলনায় প্রবল শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ক তার পক্ষে যোগ না দেওয়ায় হিটলার ক্ষুদ্ধ ছিল। এই বিষয়টি অনেক আগেই আচ করতে পেরে মিত্র বাহিনী বিশেষ করে বৃটেন ২০০০ সৈন্যের একটি দল পাঠায় গ্রীসের আজিয়ান সাগরের কেরোজ দ্বীপে। ১৯৪৩ সালে যুদ্ধে জার্মানী ও ইটালীর অবস্থা খারাপের দিকে গেলে বার্লিনে হিটলারের জার্মান হাইকমান্ড সিদ্ধান্ত নেয় এবার নিরপেক্ষ তুর্কীকে উত্যক্ত করে তাদের পক্ষে যুদ্ধে আনা যায় কিনা। তাই কেরোজ দ্বীপকে অবরুদ্ধ করে সেখানে নাৎসী বাহিনী অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে বৃটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী কেরোজে তার সৈন্যদের উদ্ধার করতে গেলে কৌশল গত সাগর চ্যানেলে সেই সময়ে জার্মানরা গ্রীসের নাভারন দ্বীপে দূর নিয়ন্ত্রিত রাডারের মাধ্যমে একটি উচু পাহাড়ের মাঝখানে দুটি বিশাল আকৃতির কামান বসায়। ফলে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও রাজকীয় নৌবাহিনী কেরোজে পৌছুতে ব্যার্থ হয়। তাদের বেশ কয়েকটি জাহাজ ঐ কামানদ্বয়ের গোলার আঘাতে ধ্বংস হয়ে সাগরে ডুবে যায়। ঐ সময় আজকের মতন স্যাটেলাইট ও লেজার গাইডেড ক্ষেপনাস্ত্রতো দূর জঙ্গী বিমানেও রকেট-ক্ষেপনাস্ত্র পাহাড়ের গুহা লক্ষ্য করে ছোড়া সম্ভব ছিল না। আর এ দিকে কেরোজ দ্বীপে বৃটিশ সৈন্যদের অবস্থা ছিল বিধ্বস্ত, অসহায়ের মতন এবং তাদের হাতে মাত্র এক সপ্তাহ সময় আছে। তখনই মিত্রবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় ৬ জনের স্পেশাল কমান্ডো বাহিনী পাঠিয়ে কামান দুটিকে ধ্বংস করার। এই মূভিটি মূলত স্কটিশ লেখক এলিষ্টেয়ার ম্যাকলিনের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত যা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। কলাম্বিয়া কোম্পানী এই ছবিটির নির্মাতা এবং পরিচালক জে লী থম্পসন। তিন জন বিখ্যাত নায়ক এই ছবিতে আছেন। ১) গ্রেগরী পেক, ২) এন্থুনী কুইন এবং ৩) ডেভিড নাইভেন। এ্যাডভেঞ্চার, বুদ্ধি-কৌশল, সাহস, প্রকৃতি এবং শত্রুদের বৈরীতা ও কঠোরতাকে ফাকি দিয়ে কিভাবে পাহাড়ে রাখা কামানে বিস্ফোরক নিয়ে পৌছে এবং পালায় তা একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলে আশা করি সবারই মূভিটি ভাল লাগবে। এই ছবিতে গ্রীসের জার্মান প্রতিরোধী যোদ্ধারাও এই বিশেষ বাহিনীকে সহায়তা করে।

১৯৯১ সালে বিটিভির সৌজন্যে আমার প্রথমবার দেখার সুযোগ হয় আমার আব্বুর অনুপ্রেরণায়। প্রায় ২/৩ সপ্তাহ ধরে ট্রেইলার দেখানো হচ্ছিল। তিনি বলেন এই ছবি না দেখলে জীবনে অনেক বড় মিস করবি। তারপর বিগত বিশ বছরে ছবিটি বহুবার দেখেও মোটেও বোরিং লাগেনি। এই গানস অভ নাভারুন সেই বিশ্ব বিখ্যাত শ্রেণীর ছবি যার আকর্ষণ কখনও শেষ হবার নয়।

ছবিটি আইস ফিল্মস অথবা ষ্টেজভ্যূ হতে ডাউনলোড করতে পারেন;

আইস:
http://www.icefilms.info/ip.php?v=95396&

ষ্টেজভ্যূ:
http://stagevu.com/video/tlbsmyecxdjc

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:১৬
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×