বেশ কিছু দিন হল চুড়ান্ত অসভ্য দেশ কানাডাতে আছি । কানাডার এই টোরোন্টো এ দেশে সবচে’ বড় শহর। দু দিন আগে গেছিলাম লেক ওন্টারিওর বীচে হাটতে। গরম শুরু হচ্ছে এখানে আর সাদা মেয়েদের কাপড় চোপড় কমছে।বীচ ভলিবল খেলছিলো মেয়েরা। এত স্বল্পবসনা যে আমারই লজ্জা লাগে। আজ হেটে এলাম টেইলর ক্রীক পার্ক দিয়ে ।সাদা মেয়েগুলো পার্কে ব্যায়াম করছিলো অর্ধ উলঙ্গ হয়ে।লজ্জা সরমের বালাই নেই। কেউ ওদের দিকে ফিরেও তাকায় না অথচ ওদের যে কেউ সাধারন বাংলাদেশী মেয়ের চেয়ে অনেক সুন্দরী।
এই অসভ্য দেশে মেয়েরা কিন্তু অনেক অনেক নিরাপদ ।গায়ে হাত দেওয়া তো দুরের কথা ইভ টিজিং স্বপ্নেও কেউ ভাবে না। মধ্যরাতেও একলা চলতে মেয়েরা নিরাপদ। ৯১১ এ কেউ ফোন করলে পুলিস আসবে ১০ মিনিটের মধ্যে। মেয়ে এবং শিশুদের কথা বিশ্বাস করে পুরুষকে আগে জেলে পুরবে তারপর কোর্টে যা বিচার সেটা বিচারক দেখবে।
গত ডিসেম্বরে গেছিলাম দেশে। সন্ধ্যার সময় হাটছিলাম উত্তরার আমীর কম্পলেক্সের সামনে দিয়ে। এক হুজুরকে দেখলাম এক ভদ্রমহিলার পাছা খামচে ধরল ভীড়ের মধ্যে।বিলক্ষন সভ্য হুজুর। মাথায় টুপি, মুখে দাড়ী, নামাজ পড়ার জন্যে একটু পরে হয়তো যাবেন মসজিদে। আরেকটা ঘটনা- ঐ দিন কথা হচ্ছিলো এ দেশে বড় হওয়া বাঙালি এক মেয়ের সাথে ।জন্মের পর ১০/১২ বছরের মেয়ে এই প্রথম গেছিলো বাপের দেশে।ফিরে এসে বলে আর যাবে না। কেন? সভ্য ধার্মিক বাংলাদেশীরা নাকি তাকে গিলে খেয়ে ফেলছিল। আমাদের মত সভ্য দেশে ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রান দিতে হয় স্কুল শিক্ষককে । এই অসভ্য দেশে কেন যে এমন সভ্যতা নেই বুঝি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


