গ্রামের নাম রতনপুর,
হাওয়া বহে ফুরফুর।
ফুরফুরে হাওয়ায় চড়ে,
যেন আমি বেড়াই ঘুরে।
গ্রামের মধ্য দিয়ে যখন যাই,
পবিত্রতার গন্ধ পাই।
পবিত্রতার গন্ধে,
মন ভরে ছন্দে।
সেই ছন্দ আমি লিখি-
মনের আনন্দে।
নিতান্ত নিঃষ্পাপ শিশুতোষ ছড়া। বন্ধুমহলে বেশ ভালই জনপ্রিয়তা পেল। সে যাই হোক, এ পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল-কিন্তু বিপত্তিটা বাধলো তখনই, যখন, আমার ছড়া প্রতিভায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমার বন্ধুদেরও নিজ গ্রাম প্রীতি জেগে উঠল। এক বন্ধু লিখলঃ
আমার গ্রাম ডৌজানী,
চারিদিকে খুনাখুনি,
বউ নিয়ে টানাটানি... ইত্যাদি।
আরেকবন্ধু লিখলঃ
আমার বাড়ি এলেঙ্গা,
বেলা থাকতে গেলামগা...
এখনো সবাই একসাথে হলে, এই ঘটনা গুলো আলোচনায় চলে আসে। সেই সাথে চলে হাসির হুল্লোড়।
আমার ছড়া গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, বন্ধুদের পীড়াপীড়িতে, আরেকবন্ধুর জন্মদিনে ওকে নিয়ে লিখা একটা ছড়া। আমি তখন নবম শ্রেণী। সাধারণত অর্ডারি ছড়াগুলো তেমন ভালো হয়না, কিন্তু এটা কিভাবে যেন জনপ্রিয়তা পেল। ব্লগার বন্ধুরা-আপনারা কি বলেন?
হাঁড়ি ভাঙ্গার ছড়া-হাটে হাঁড়ি
=================
স্টুডেন্ট ভালো সন্দেহ নেই
খারাপ কাজেও মন-দেহ নেই
দেখলে মেয়ে, আগ বাড়িয়ে
কাছে যাবার চেষ্টা,
পরের ঘাড়ে পা-টা দিয়ে
ভীম বুকেরই পাটা নিয়ে
উৎরে গিয়ে হুমড়ি খেয়েই
উত্তরণের শেষটা।
লাজ শরমের বালাই নেই
চরিত্রতেও ঝালাই নেই
ভাবখানা তার-'জন্যে আমার'
টিকে আছে দেশটা,
মিছেই সময় যাচ্ছে চলে
আচ্ছা নাহয় দিচ্ছি বলে-
বন্ধু তোমার জন্যে আমার
মিথ্যে ছড়ার রেশ'টা।
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এখানে মিথ্যে শব্দটা মিথ্যে বলা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




