প্রথম আলোতে প্রকাশিত হল ই-সংকলন “ফিরে দেখা একাত্তরের” অসামান্য রিভিউ
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০২
নিজের জন্য নয়, বহুল প্রচারিত একটি দৈনিকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন "ফিরে দেখা একাত্তর"-এর রিভিউ প্রকাশিত হয়েছে- এটিই এক গভীর আনন্দের বিষয়। ভাবতে ভালো লাগছে, বাংলাদেশের কয়েক লাখ পাঠক আজ এই রিভিউটি পড়বেন। তার মধ্যে কয়েক হাজার পাঠকও যদি ই-বুকটি ডাউনলোড করে পড়েন, তা হবে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি। এ কারো একার বিষয় নয়, এ আসলে সব ব্লগারেরই প্রাপ্তি।
শওকত হোসেন মাসুমের লেখাটিও হয়েছে অসাধারণ। ব্লগারদের অনেকেই জানেন, সম্প্রতি তিনি রোগাক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন বেশ কিছুদিন। সুস্থ হয়েই লেখাটি লিখতে বসে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তার গভীর অনুরাগ মুগ্ধ করার মতো। প্রথম আলোর প্রজন্ম ডট কমের প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হওয়া লেখাটি পড়ুন এখানে - পিডিএফ
ই-বুক ডাউনলোড লিংক
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
খুবই আনন্দের কথা । মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ দিতে হয় ।
লেখক বলেছেন: সত্যিই, মাসুম ভাইয়ের এ লেখাটা ই-সংকলনের প্রচারকে অন্যমাত্রা দেবে নিঃসন্দেহে।
বিডি আইডল বলেছেন:
এখানে দিলাম পড়ার সুবির্ধাতে----
ই-বুকে গৌরবের মুক্তিযুদ্ধ
শওকত হোসেন মাসুম
বাংলা ব্লগের ইতিহাস খুব পুরোনো নয়। তবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলা ব্লগ। নানা ধরনের লেখা হচ্ছে ব্লগগুলোতে। মত প্রকাশের নতুন একটি মাধ্যম হয়ে উঠছে এই ব্লগ। নানা বিষয় নিয়ে আজকাল লেখা হয় ব্লগে। তবে বিষয়বস্তুর মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও একক বিষয় হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই ব্লগে লেখার সংখ্যা সম্ভবত বেশি।
বাংলা ব্লগসাইটগুলো যেন ছোট্ট এক বাংলাদেশ। ভার্চুয়াল এ জগতেও চলে স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিনিয়ত নানা বিতর্ক। স্বাধীনতাবিরোধীদের আস্কালন ব্লগেও যে নেই তা নয়। তবে এ কারণেই সম্ভবত ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখার সংখ্যাও অনেক বেশি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভার্চুয়াল যুদ্ধ যেমন সামহোয়্যারইনব্লগে বেশি, আবার এ কারণেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সবচেয়ে বেশি লেখা রয়েছে সামহোয়্যারইনব্লগেই। এর মধ্যে গল্প ও কবিতা তো আছেই, তার চেয়ে বেশি আছে মুুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার সচেতন প্রয়াস।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সামহোয়্যারইনব্লগের যত লেখা তার একটি বড় অংশ নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে একটি ই-বুক। ফিরে দেখা ৭১ নামের এই ই-বুকের প্রথম ইন্টারনেট সংস্করণ বের হয়েছে ১২ জুলাই। লোকালটক ছদ্মনামের একজন সাংবাদিক ব্লগার (ব্লগ লেখক) এই ই-বুকের সম্পাদক, প্রকাশক ও শিল্প নির্দেশক। আর তাঁকে সহায়তা করেছে ব্লগার প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ও নেমেসিস। এই নামগুলো থেকেই খানিকটা বোঝা যায় ব্লগের চরিত্র। অর্থাৎ এখানে স্বনামে লেখক যেমন আছেন, তেমনি আছেন অনেক ভার্চুয়াল লেখক। এদের সবার লেখা নিয়েই ই-বুক ফিরে দেখা ৭১।
সম্পাদক শুরুতেই বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ইন্টারনেটের মহাসমুদ্রে। বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগসাইট সামহোয়্যারইনব্লগে মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রচুর লেখা আছে, যার বেশির ভাগই ভালো লেখা। এ লেখাগুলোকে আমরা এক মলাটের ভেতর নিয়ে আসার একটা তাগিদ অনুভব করেছি। ই-সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ মূলত এ কারণেই।’
গৌরবগাথার ভার্চুয়াল দলিল
২০৪ পৃষ্ঠার এই ই-বুকটিকে মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল বলা যায়। লেখা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও ই-বুকটির এ চরিত্র ধরে রাখার দিকেই সম্পাদকের নজর ছিল। ফলে ব্লগে অনেক ভালো ভালো গল্প বা কবিতা থাকলেও সেগুলো স্থান করে নিতে পারেনি ই-বুকটির চরিত্রের কারণেই।
চমক আছে সংকলনটির শুরুতেই, উৎসর্গপত্রে। ই-বুকটি উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক তাজউদ্দীন আহমদ এবং বীর-প্রতীক উপাধিপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ডকে।
নানা ধরনের লেখা স্থান পেয়েছে ই-বুকে। যাঁরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে চান তাঁদের মনের খোরাক মেটাবে এটি। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, বীরশ্রেষ্ঠদের পরিচিতি, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রশাসন, স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দলিল−এসবই একেকটি ইতিহাস। আরও রয়েছে ব্লগার ফাহমিদুল হকের করা গণহত্যা নামে অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাসের লেখার অনুবাদ। ইতিহাস যেমন রয়েছে, তেমনি ই-বুকটিতে আছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের নানা ধরনের অভিজ্ঞতার বিবরণ। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ, অপারেশন মোনায়েম খান কিলিং, মেজর এম এ মঞ্জুরের গেরিলা ম্যানুয়েল−এ রকম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যাবে ই-বুকে। আর রয়েছে স্বাধীনতার আগে ও পরের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার অসংখ্য দলিলের বিবরণ, যা তুলে এনেছেন মিরাজুর রহমান।
২৫ মার্চ ১৯৭১। অপারেশনে নেমেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নাম-অপারেশন সার্চলাইট। সে রাতের দেড়টা থেকে পরদিন সকাল নয়টা পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওয়্যারলেস ট্রান্সমিশন রেকর্ড করেছিলেন আণবিক শক্তি কমিশনের ড. এম এম হোসেইন। ইংরেজি-উর্দু মেশানো সেই শ্রুতিলিখনের পুরো বাংলা অনুবাদ করার মতো কষ্টসাধ্য কাজটি করেছেন ব্লগার অমি রহমান পিয়াল। এটিও ই-বুকের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পূর্ণ বিবরণ যেমন তুলে দেওয়া হয়েছে ফিরে দেখা ৭১-এ, তেমনি ব্লগার বিপ্লব রহমান ও ফরিদ সেই ভাষণটি বেতারে প্রচারের নেপথ্য ঘটনা নিয়ে লিখেছেন দুটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা। রাশেদ লিখেছেন ‘একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতন: কয়েকজন সাক্ষীর বয়ান’ নামে আরেকটি উল্লেখযোগ্য লেখা।
গণহত্যা বিষয়টি সংগত কারণেই বারবার উঠে এসেছে ই-বুকটিকে। আর আছে একাত্তরের ঘাতক-দালালদের পরিচিতি। ঘাতকদের বিচার করতে না পারার আক্ষেপ যেমন আছে বিভিন্ন লেখায়, তেমনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, প্রাসঙ্গিক সব আইনের বিশ্লেষণ, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিভিন্ন দিক এবং এখনো যে ঘাতক-দালালদের বিচার সম্ভব সে বিষয়ে একাধিক প্রামাণ্য লেখা রয়েছে সংকলনটিতে। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে এখনো যাঁরা সংশয় প্রকাশ করতে চান তাঁদের জন্য রয়েছে চমৎকার একটি বিশ্লেষণ−‘ত্রিশ লক্ষ শহীদ: মিথ নাকি বাস্তবতা?’ সব মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা এই ই-বুক ফিরে দেখা ৭১।
লক্ষ্য নতুন প্রজন্ন
আজকাল ইন্টারনেট কার্যকর একটি মাধ্যম হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্েনর ছেলেমেয়েরা হাতে বই তুলে নেওয়ার চেয়ে ইন্টারনেটের মহাসমুদ্রে সফর করতেই বেশি আগ্রহী। নিঃসন্দেহে এই নতুন প্রজন্নকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে ফিরে দেখা ৭১ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। তা ছাড়া যারা এক মলাটে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করতে চান তাঁদেরও চাহিদা মেটাবে এটি।
অ্যাক্রোবেট রিডার-৬ বা পরের সংস্করণে এই ই-বুকটি পড়া যাবে সবচেয়ে ভালোভাবে। ফক্সিট বা সুমাত্রা ব্যবহার করেও এটি দেখা যাবে। পুরো ই-বুকটিতে মাত্র দুটি ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে−বাংলার জন্য সুতন্বী এমজে এবং ইংরেজির জন্য এরিয়াল। আর প্রচ্ছদে ব্যবহূত সচল চিত্রটি দেখার জন্য প্রয়োজন হবে অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার।
ই-সংকলনটি প্রকাশের পর এরই মধ্যে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য সাড়া পাওয়া গেছে। তথ্য সংরক্ষণের ওয়েবসাইট মিডিয়াফায়ার থেকে ই-সংকলনটি সহস্রাধিকবার নামানো হয়েছে। এ ছাড়া বই বেচাকেনার সাইট বইমেলা থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় এটি নামানো হয়েছে। ই-মেইল থেকে ই-মেইলেও বিতরণ হচ্ছে সংকলনটি। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ গণহত্যা আর্কাইভের বুকস, জার্নাল অ্যান্ড আর্টিকেলস বিভাগে সংকলনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আমারব্লগ, বাংলাদেশ ৭১ ডট অর্গ, ই-মেলা, নগরবালকব্লগ, বিভিন্ন ইয়াহু গ্রুপস এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে বহু ব্লগারের পেইজে ই-সংকলনটি যুক্ত করা হয়েছে।
কথা বলেছি সংকলনটির প্রকাশক ও সম্পাদক লোকালটকের সঙ্গে। এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কষ্টসাধ্য কাজ করার কারণ হিসেবে তাঁর বক্তব্য হচ্ছে, ‘মোবাইল ফোন, চ্যাট, এসএমএস নিয়ে ব্যস্ত দিন পার করা আমাদের নতুন প্রজন্ন একরকম অন্ধই রয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে। এই নতুন প্রজন্ন ডিজিটাল যুগের মানুষ। তাদের যদি একটি টিউটোরিয়ালের প্রয়োজন পড়ে, সেটা তারা ইন্টারনেটেই পড়ে নেয়। এ যুগের ধরনটাই এমন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই মনে হয়েছে, এই নতুন প্রজন্নকে হয়তো কাগজে ছাপা বইয়ের প্রতি তেমন আকৃষ্ট করা যাবে না। কিন্তু তাদের আকর্ষণ করার মতো করে যদি মুক্তিযুদ্ধের বিষয়গুলো উপস্থাপন করা যায়, তাহলে তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বেই। প্লে-স্টেশনে অভ্যস্ত নতুন প্রজন্েনর কাছে তাদের মতো করেই পৌঁছাতে চাই। সে জন্য ইন্টারনেট অত্যন্ত কার্যকর একটি মাধ্যম। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই ইন্টারনেটে। বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ব্লগ সামহোয়্যারইনব্লগে মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রচুর লেখা আছে। মাধ্যম হিসেবে ব্লগের চরিত্র ভিন্ন হলেও তা অনেকটা প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে মিলে যায়। কেননা আজ যা প্রকাশিত হচ্ছে, আগামীকালই তা তথ্যের মহাসমুদ্রে হারিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই লেখাগুলোকে এক মলাটের ভেতরে নিয়ে আসার একটা তাগিদ থেকেই ই-বুকটির সৃষ্টি।
ফিরে দেখা ৭১ পাওয়া যাবে যেসব ওয়েবসাইটে−
বইমেলা (Click This Link) মিডিয়াফায়ার (http://www.mediafire.com/?wn1n2po29xs) বাংলাদেশ ১৯৭১ Click This Link)
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
আমি মাত্রই রিভিউ টি পড়লাম প্রথম আলোতে। ভেবেছিলাম ব্লগে এসে পোষ্ট দিব...পেজ ওপেন হতে প্রথমেই দেখলাম সংকলকের পোষ্ট...ধন্যবাদ শওকত হোসেন মাসুম ভাইকে...
সেই সাথে অসংখ্য ধন্যবাদ সংকলক লোকালটক, প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, নেমেসিস, ব্রিগেড সিক্সটিনসহ সবাইকে যারা এই ইবুক টি পড়েছেন...
সেই সাথে সহস্র শ্রদ্ধা মুক্তিযুদ্ধের সকল বীরসেনানীদের যাদের অকুতোভয় প্রচেষ্টায় পেয়েছে আমাদের বাংলাদেশ...
লেখক বলেছেন: আসলে ব্লগারদেরকে দ্রুত খবরটি দিতে চাইছিলাম। তাই তড়িঘড়ি পোস্ট দিয়েছি। ধন্যবাদ সজীব।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ ।সংকলনের সাথে জড়িত সবাইকে আবারো স্যালুট ।
আর লেখকদের সবাইকে অভিনন্দন ।
লেখক বলেছেন: লেখকদের ধন্যবাদ। অসাধারণ রিভিউর জন্য মাসুম ভাইকেও অনেক ধন্যবাদ।
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন:
খুব খুশি হয়েছি।
লেখক বলেছেন: আমারও ভালো লাগছে খুব।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখাটা পড়ছি। মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অকূন্ঠচিত্তে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
লাল পিপড়া বলেছেন:
রিভিউটা চমৎকার হয়েছে । বিশেষ করে এই লাইনটি " প্লে-স্টেশনে অভ্যস্ত নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের মতো করেই পৌঁছাতে চাই। "
লেখক বলেছেন: রিভিউটা আসলেই চমৎকার হয়েছে। তার চেয়েও বড়ো কথা, এর মাধ্যমে কয়েক লাখ পাঠকের নজর কাড়বে ই-সংকলনটি।
রণদীপম বসু বলেছেন:
খুবই চমৎকার একটা কাজ হলো। এই চমৎকার ই-বুক 'ফিরে দেখা ৭১' এর উপর একটা যোগ্য রিভিউ বুকটিকে আরো আগ্রহী করে তুলবে নতুন প্রজন্মের কাছে, এটাও একটা আনন্দের বিষয় হবে।যারা ৭১ দেখেন নি, তাদেরকে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি, আপনার অন্তত ই-বুকটি পড়ুন, জানুন এবং অহঙ্কারী হয়ে উঠুন আমাদের সমৃদ্ধ এবং এক বেদনাতুর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অনুসন্ধানে।
চোখ থেকে অস্বচ্ছ পর্দাটাকে সরিয়ে ফেলুন।
লেখক বলেছেন: সহমত আপনার সঙ্গে।
লেখক বলেছেন: ঠিক।
k-79er34b বলেছেন:
ভালো ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।
রুপার পালকি বলেছেন:
আমি মাত্রই রিভিউ টি পড়লাম প্রথম আলোতে। ভেবেছিলাম ব্লগে এসে পোষ্ট দিব...পেজ ওপেন হতে প্রথমেই দেখলাম সংকলকের পোষ্ট... একদম মিলে গেছে তানভীর আহমেদ সজীব।প্রশংসনীয় ।
লেখক বলেছেন: ![]()
কঁাকন বলেছেন:
প্রথম আলোকে শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: শওকত হোসেন মাসুম এবং প্রজন্ম ডট কমের বিভাগীয় সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
সংকলনের সাথে জড়িত সবাইকে অভিবাদন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
চাঙ্কু বলেছেন:
চমৎকার একটা সংবাদ ।শুনে খুব ভাল লাগল । মাসুম ভাই এবং আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: চমৎকার সংবাদই বটে!
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
খুবই খুশির সংবাদ, খুব ভালো লাগলো শুনে।
লেখক বলেছেন: আমারও খুব ভালো লাগছে।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
পড়েছি। ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: শওকত হোসেন মাসুমের লেখাটি খুবই ভালো হয়েছে।
রেটিং বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পরিশ্রম- এ আর এমন কিছু নয়। কাজটাই আসল।
রাফা বলেছেন:
অনেক পূর্বেই কামনা করেছিলাম ই বুকটি ছাপার অক্ষরে আসুক ।আশা করি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেটারই যাত্রা শুরু হলো।সকলকে আবারো শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই কেউ না কেউ এগিয়ে আসবেন।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
সংকলনটা আমি মাঝে মাঝেই পড়ি। আজ সকালে ঘুম ভেঙে কাগজ হাতে নিয়েই মনটা আনন্দে ভরে গেল। আমার মনে হয় স্কুলের পাঠ্যবইয়ে যে ইতিহাস শেখানো হয়, সেই ছাইপাশ না পড়িয়ে এই বইটা পড়ানো উচিত। তাতে বর্তমান প্রজন্মে নব্য রাজাকার কয়েকটা কম হবে!
লেখক বলেছেন: আগামী দিনে আরো কাজ আছে বাকি। ব্লগিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে সেই কাজগুলো আমরা সবাই মিলে আশা করি করবো।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
লেখাটি পড়েছি...মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাওয়ার মতোই কাজ।
কাঙাল বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: হুমম!
লেখক বলেছেন: শওকত হোসেন মাসুম রোগাক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন বেশ কিছুদিন। আমি নিজেও চাইছিলাম যে, রিভিউটা তিনি লিখুন। এ কারণে কিছুটা দেরি হয়েছে বটে, তবে সুস্থ হয়েই লেখাটি লিখতে বসে গেছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি গভীর অনুরাগ না থাকলে কেউ সচরাচর এ কাজটি করতেন না।
নাভদ বলেছেন:
সুখবর!
লেখক বলেছেন: ঠিক।
একজন ব্লগার বলেছেন:
ই-বুকের সাথে সাথে ছামোয়ারিনেরও প্রচার হল। এটা ভাল হয়েছে। দেশের অনেক পরিবারের গার্ডিয়ানরাই ব্লগিংকে খুব একটা ভাল চোখে দেখে না। তাদের জন্য এটা একটা ইতিবাচক উত্তর হবে। +++ আর শুধু প্রথমালো নয়, বাংলাদেশের সব প্রথম সারির প্রত্রিকারই উচিৎ ছিলো এই সংবাদটা প্রকাশ করা।
লেখক বলেছেন: এটা একটা ভালো পর্যবেক্ষণ।
লেখক বলেছেন: শুভকামনা মাসুম ভাইয়ের জন্য।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে। লেখাটির বেশিরভাগ অংশই আমি লিখেছিলাম গত মাসের শেষের দিকে। যেদিন লেখা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ছিল সেদিন থেকেই আমি অসুস্থ্য হয়ে পড়ি। ডেঙ্গু হয়ে হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। আমি এখনও কাজে যোগ দেইনি। তারপরেও শেষ করার তাগিদে এবং প্রজন্ম ডটকমের সম্পাদক পল্লব মোহাইমেনের তাগাদায় একদিন অফিসে যেয়ে লিখে দিয়ে আসতে হয়েছে। দেরির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এই লেখার ফলে ই-বুকটির প্রচার বাড়লে সেটাই হবে স্বার্থকতা। সুস্থ্য থাকলে আরও ভাল ভাবে লেখা যেত বলেই একটু আক্ষেপও আছে।
আবারো লোকালটক, প্রতু ও নেমেসিস সহ সবাইকে ধন্যবাদ এরকম একটি কাজ করার জন্য।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
শওকত হোসেন মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ রিভিঊটির জন্য। আমি এর আগে আমার মেইল লিস্ট এর সবাইকে এক কপি পাঠিয়েছিলাম, প্রতিক্রিয়া চমৎকার। এখন বাকি অনেকে আবার ফোন করে বলছে, রিভিউটা পড়ার পর তারা মেইল এ সংকলনটা আবার খুঁজছে।লোকালটক, প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, নেমেসিস, ব্রিগেড সিক্সটিন এদের আবারও ধন্যবাদ।
ফরিদ বলেছেন:
চেক করলাম কিছুক্ষণ আগে। প্রায় দেড়শর মত নতুন ভিজটর আর একশোর মত নতুন ডাউনলোড। ১৫ই অগাস্ট এটিও এক বিশেষ দিন আমাদের ইতিহাসে। পোস্টটি আজকের জন্য স্টিকি হলেই ভাল হত। আমার আইডিয়া কামে আইলো গুড নিউজ.
Click This Link
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মাসুমকে সহ সকলকে ধন্যবাদ।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
স্বউদ্যোগে এটার প্রচারে ব্রতী হলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















