ইডেন ও বদরুন্নেছা কলেজসহ বিভিন্ন ছাত্রীনিবাসে তল্লাশি চালিয়ে বোরকা পরা ছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে হয়রানি, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা।
ওলামা মাশায়েখ কমিটির আলেমরা এক বিবৃতিতে বলেন, মুসলিমপ্রধান এ দেশে পর্দানসীন ছাত্রীদের হয়রানির ঘটনায় আমরা অত্যন্ত বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। ঈমান ও আকিদাবিরোধী সরকারের ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশাসনের এ অবস্থান সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করছে। বিবৃতিদাতারা হলেন হজরত মাওলানা আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ, মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুস সুবহান, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা মুহাম্মাদ আবু তাহের, মাওলানা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মাওলানা আবদুস শহীদ নাসিম, মাওলানা এটিএম মাসুম, ড. মাওলানা আবুবকর রফিক আহমদ, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মুফতি আবদুস সাত্তার, মাওলানা মুফতি আবু সাঈদ, মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা এমদাদুল হক, মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী, মাওলানা মুহাম্মদ শফীকুল্লাহ মাদানী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, মাওলানা লুত্ফুর রহমান, মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, মাওলানা আবদুল খালেক, মাওলানা আজিজুর রহমান চৌধুরী, ড. মাওলানা হাসান মঈনুদ্দীন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা কারী মুহাম্মদ ইলিয়াস, মাওলানা মুহাম্মদ শামসুদ্দীন, মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী, মাওলানা রহমত উল্লাহ, মাওলানা নূরুল ইসলাম কাতলাসেন, মাওলানা কামালুদ্দীন খান, মাওলানা একেএম আবদুর রশীদ মাদানী প্রমুখ।
অপর এক বিবৃতিতে জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের নেতারা বলেন, পর্দা করা ফরজ। ইসলামের এ ফরজ বিধান নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে কোরআন-হাদিস ইসলামী সাহিত্যকে জিহাদি বই নাম দিয়ে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করবে তারা মহান আল্লাহতায়ালার নিশ্চিত গজবে পড়বে। ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত স্বাধীন সার্বভৌম এদেশে ইসলামের সব বিধান মেনে চলার পূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ার জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


