somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের সঙ্গে সংঘর্ষে বাঙালি খুন: কারফিউ : সাংবাদিকসহ আহত অর্ধশত, সেনাটহল জোরদার

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষ ও দোকানপাট-বাড়িঘরে আগুন দেয়ার পর খাগড়াছড়ি জেলা শহরে গতকাল বিকালে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু সন্ধ্যায় পৌরসভার নাইটগার্ড মোঃ আনোয়ার হোসেনকে শহরের শালবন এলাকায় তার বাড়িতে জবাই করে হত্যা করার পর তার লাশ আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার পর রাত ৯টা থেকে শহরে কারফিউ জারি করা হয়। সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ বহাল থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেনাসদস্যরা টহল দিচ্ছে। পুলিশ ও আর্মড পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ প্রায় অর্ধশত আহত হয়। পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বাঙালি মালিকাধীন শহরের কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বেশকিছু বসতবাড়িতেও আগুন দেয়া হয়েছে। অধিকাংশই বাঙালিদের। বাঙালিপ্রধান শহরাঞ্চলে হামলার আশঙ্কায় অনেকে শহর ছেড়ে গেছেন।
দুপুরের দিকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে ও আগুন দিয়ে দোকানপাঠ ও বাড়িঘর পোড়ানোর ঘটনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে এক পর্যায়ে বেলা আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ নিজেই শহরের শাহী মসজিদের মাইক থেকে ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা দেন। সেনাটহল জোরদার করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খাগড়াছড়ি পৌরসভার নাইটগার্ড আনোয়ার হোসেনকে শহরের শালবনের আদর্শ গ্রামে জবাই করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এরপর সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেনের লাশ সেই আগুনে নিক্ষেপ করা হয়। পৌর চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন এই হত্যাকাণ্ড পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা ঘটিয়েছে অভিযোগ করে খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। আনোয়ার হোসেনের হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাঙালি অধ্যুষিত শহরে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলা প্রশাসন মাইকিং করে পৌর ও আশপাশ এলাকায় কারফিউ জারি করে। এ সময় সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। দুপুরের পর থেকে শহরের রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছাড়া জেলা শহরের রাস্তায় কাউকে দেখা যাচ্ছে না।
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×