উফ... আমি আর পারছি না, খবরের পাতার যে পাতাতেই (দেশ কিংবা সারাবিশ্ব) যাই না ক্যানো একটা কমন শব্দ চোখে পড়ে "ধর্ষণ", আমি আর চাই না এই শব্দটি একটিবারের জন্য দেখতে, আমি কি খবরের কাগজ পড়া বন্ধ করে দিবো ? সেই সব মানুষ সম্বন্ধে আমার কিছুই বলার নাই কারণ তারা বিবেকহীন মানুষ, আর বিবেকহীন মানুষ পশুর সমান। দেশে ইসলামিক বা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং ধর্মভিত্তিক আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমি কখনই ছিলাম না তবে আজ মনে হচ্ছে এবং গভির ভাবে মনে হচ্ছে দেশে ইসলামিক আইন জারি হোক, দেশে সবাই ঈমান নিয়ে চলুক এবং প্রতিটি অপরাধীকে দেয়াহক সর্বচ্চো শাস্তি, দেশে থাকবে না কোনো ছাত্রলীগ কিংবা ছাত্রদল অথবা শিবির, দেশে থাকবে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা।
এত দিন পর বুঝলাম আল্লাহ্ ক্যানো এইরকম আইন বা শাস্তির বিধান দিয়েছেন কারণ তিনি জানতেন তিনি পশুর থেকেও বর্বর জন্তু মানুষ সৃষ্টি করেছেন। পশুরাও বলপূর্বক সেক্স অর্থাৎ ধর্ষণ করে না, মানুষ হল পশুর থেকেও বর্বর আর অধম, নিজেকে মানুষ প্রজাতির একজন ভাবতে খারাপ লাগছে।
ব্লগে এই নিয়ে অনেক লিখা লিখি হয়েছে কিন্তু আমি এর আগে এই বিষয়ে কখন লিখিনি , আমি সব সময় ভাবতাম এসব বিচ্ছিন্য ঘটনা কিন্তু এখন দেখছি এটা মহামারি আকার ধারণ করেছে ! আমি অবাক হই এই যুগে এসব কিভাবে সম্ভব ? দিন দিন না আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, দিন দিন না তথ্য-প্রযুক্তি আমাদের হাতের নাগালে আসছে তাহলে ক্যানো দিন দিন আমাদের মনুষ্যত্ব নিম্নমুখী হচ্ছে? আমি কোনো উত্তর খুজে পাই না।
ভারত কিংবা বাহিরের দেশে যখন এসব হয় তখন নিজেকে বলি "ওসব দেশের মেয়েরা অনেক খোলা-খুলি চলাফেরা এবং কাপড় পড়ে, ওসব দেশে হতে পারে।"
কিন্তু আমাদের দেশে মফস্বল শহরে এবং গার্মেন্টস কর্মীরা কি খোলা-খুলি চলাফেরা এবং কাপড় পড়ে?
আজ যখন খবরের কাগজে পড়লাম " আরিচা সড়কে চলন্ত বাসে ধর্ষণ" লিঙ্ক Click This Link
তখন আমার শরীর শিউড়ে উঠল ! কোথায় আছি আমারা?!
আজ আমার ভয় হয় প্রেমিকাকে নিয়ে কোথাও যেতে।
আজ আমার ভয় হয় নিজের বোনকে নিজের বাহিরে যেতে।
চিরিদিকে দেখি শুধু হায়নার দল জিহ্বা বের করে লালা ফেলছে আর অপেক্ষা করছে শিকারের ! আমার প্রেমিকা নাকি আমার পরিবার শিকারে পরিণত হয় এই অতঙ্কে থাকি আমি !!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



