আমার প্রিয় পোস্ট
- Filmmaking - আসুন শিখে ফেলি কিভাবে আস্ত একটা সিনেমা বানিয়ে ফেলা যায় - অধ্যায় ৮ - শেষ পর্ব - মাস্টার
- তুতেন খামেনের অভিশাপ এবং এর রহস্যময় পরিনতি - মির্জাইমরান০০৭
- আমার দেখা সেরা শর্টফিল্ম গুলোর কালেকশন, একটি মাস্টওয়াচ পোস্ট - নিয়নের আলো
- অসাধারণ কিছু শর্টফিল্ম ( প্রতিটির এন্ডলাইনে আপনাকে মুগ্ধ হতেই হবে ! ) - অন্ধ আগন্তুক
- মনিকা বেলুচির ধর্ষন অথবা একটি অদৃশ্য ছোরা বা বন্দুকের গল্প - দারাশিকো
- ৪টা সুপারহিরো শর্ট মুভি দেখতে চাইলে চলে আসুন - টিনটিন`
- সুন্দরবন ভ্রমন করতে চাইলে দেখুন। - মামু্ন মামু্ন
- খোজ-দ্য সার্চ: একটি পজেটিভ রিভিউ - দারাশিকো
- বেড়িয়ে পড়ুন টিনটিনের সাথে - দারাশিকো
- Juno: সিনেমা এবং চাইল্ড প্রেগন্যান্সি - দারাশিকো
- তিনবছর পূর্তি পোস্ট: দারাশিকো'র ব্লগের আত্মকাহিনী - দারাশিকো
- মুভিটক: ধর্মান্ধতা, বিজ্ঞানচর্চা আর অসম প্রেম নিয়ে "আগোরা" - দারাশিকো
- মুভি টক: The Isle: অদম্য ভালোবাসার অসহ্য রূপ - দারাশিকো
- Madly Bangali: প্রথম বাংলা রক মিউজিক্যাল মুভি - দারাশিকো
- Life In a Metro: শহুরে কাব্য - দারাশিকো
- দ্য ঘোস্ট রাইটার: আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্তরালের গল্প (স্পয়লার অ্যালার্ট) - দারাশিকো
- কিম কি দুক: সেলুলয়েডের কবি - দারাশিকো
- লো বাজেট ফিল্মমেকারদের জন্য আদর্শ হতে পারে ক্রিস্টোফার নোলানের সিনেমা - দারাশিকো
- The Notebook: সাদামাটা গল্পের অসাধারণ চিত্রায়ন - দারাশিকো
- এক হালি এক্সরসিজম মুভি - দারাশিকো
- সিনেমা নিয়ে আমার যাবতীয় পোস্টস (আপডেটিত) - দারাশিকো
- ডিজিটাল ক্যামেরা কিনতে হলে - অরূপ
- ফটোগ্রাফীর জন্য একটা ডিএসএলআর কিনতে চাই, কেনন বা নাইকন / বাজেট টা কমঃ বলে দিন প্লিজ ফটোগ্রাফীর পৃথিবীটা একবার দেখতে চাই - রাজীব দে সরকার
- গান ডাউনলোডের সাইট


- মাহিন আহমেদ
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- ফেইসবুকের ভিডিও যেভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যুক্ত (Embed) করবেন..... - তারেকবিডি
- ডিজিটাল ক্যামেরা বিষয়ক.. সাহায্য প্রয়োজন। - ত্রিভুজ
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- Rapidshare থেকে সহজে ডাউনলোড করার উপায় - ঐক্যতান
- ডকুমেন্টারি ফিল্ম মানেই ওয়াইল্ড শ্যুটিং না - মুক্তকথা
সত্যাজিত এবং পথের পাঁচালি
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫০
![]()
আজ ২৩শে এপ্রিল, বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যাজিত রায়ের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী।
![]()
জীবদ্দশায় সত্যাজিত মোট ৩৬ টি মুভি বানিয়েছিলেন, ছোট বড় মিলিয়ে। এর মাঝে তার ছ'টি ডকুমেন্টারীও আছে যার একটি তার বাবা সুকুমার রায় এবং অন্যটি রবি ঠাকুরকে নিয়ে। এই ৩৬টি মুভির সাথে কোন খবরাখবর না রাখলেও বাঙ্গালী মাত্র তার 'পথের পাচালি' সিনেমার নামটি জানেন। যারা অনেক নাম এবং খ্যাতি শুনে মুভিটি দেখতে বসেন, তাদের অনেকেই হতাশ হন, বিশেষ করে আমাদের মতো মানুষরা যারা হলিউড এবং বলিউডের সিনেমার মারামারি আর গতিতে ভীষণভাবে আসক্ত। কি কারনে এই সিনেমার এতো নাম ডাক, সে নিয়ে বিশাল এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন নিজেকে ঘিরে রাখে।
![]()
(ভাবুন তো,এই বৃদ্ধা ৮০ বছর বয়সেও কি দারুন অভিনেতা ছিলেন!)
নিও রিয়েলিজম, সিনেমা ভেরিতে আর ডাইরেক্ট সিনেমা আন্দোলন গুলো দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত সত্যাজিতের সিনেমাগুলোও তাই নিও রিয়েলিজম ধাচের। বাস্তবতার নির্মম রূপ, পরিবারকেন্দ্রিক কাহিনী আর অপেশাদার অভিনেতাদের নিয়ে কাজ করেছেন সত্যাজিত। জানা যায়, ভিত্তোরিও ডি সিকার 'দ্যা বাইসাইকেল থিফ' দেখার পর ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত হন তিনি এবং সিনেমা বানানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। সার্গেই আইজেনস্টাইনের অমর সৃষ্টি 'ব্যাটলশীপ পটেমকিন' মুভিটি বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে অনেকবার দেখেছিলেন সত্যাজিত, উদ্দেশ্য সিনেমাটির খুটিনাটি সকল বিষয় আয়ত্ত্ব করা।
পথের পাচালি (The song of the little road) মুভিটি কিন্তু তৈরী করা মোটেও সহজ ছিল না। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় বিভুতিভুষনের কাহিনী নিয়ে তিনি কাজ শুরু করেন। জমানো অর্থ, ধার করা টাকা পয়সা আর গিন্নির গয়নাগাটি বন্ধক রাখা পয়সা নিয়ে শ্যূটিং শুরু করলেও শেষ করতে পারেন নি। মাঝপথে এসে অর্থ সংকটে কাজ বন্ধ রাখতে হয়। মুভির পরবর্তী কাজ শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের জন্য তিনি দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। অর্ধেক নির্মিত মুভি দেখিয়ে সরকারী অনুদান লাভ করেন, জানা যায়, সে সময় সরকারী কর্মকর্তারা এই টাকা পুরোপুরি জলে ফেলার সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন। তিন বছর পরে কাজ শুরু করলেন আবার সত্যাজিত। যদিও তিন বছর অনেক সময়, তারপরও কপালগুনে বেশ কিছু সহযোগিতা পেয়েছিলেন সত্যাজিত। দুর্গার বয়স বাড়লেও কিশোরী থেকে তরুনীতে রূপান্তরিত হয়নি, মারা যাননি থুড়থুড়ে বৃদ্ধা ইন্দিরা ঠাকুরন ও। সাফল্যের সাথে কাজ শেষ করেন সত্যাজিত। দেশে বাজারে চলেনি মুভিটি, বরং দেশের বাইরে আলোচিত হবার পরে পুনরায় দেশের লোকজন দেখতে শুরু করেন এই মুভিটি।
![]()
(দুর্গা নয় বরং অপুই হয়ে উঠে পথের পাচালির নায়ক)
সিনেমার ভাষার এক অব্যার্থ প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন সত্যাজিত তার পথের পাচালিতে। ডিটেলসের অপূর্ব ব্যবহার দর্শক এবং সমালোচকদের মোহিত করে। ঝড়ের পরে ব্যাঙের উল্টো মৃতদেহ, কাশবনের সাদার মাঝে রেলগাড়ির কালো ধোয়ায় সাদা কালোর দ্বন্দ্ব ইত্যাদি দিয়ে সত্যাজিত অনেক কিছু বলেছেন, বলতে চেয়েছেন। রেলগাড়ি দেখার জন্য দুর্গা আর অপুর দৌড় এবং সেখানে দুর্গার পিছিয়ে পড়াকে তার মৃত্যুর পূর্ব লক্ষন হিসেবে দেখিয়েছেন সমালোচকরা। আবার প্রচন্ড বৃষ্টিতে ভাই বোনের জড়িয়ে ধরাকে দুর্গার যৌবনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেও দেখেছেন তারা।
আবার, হরিহর জীবিকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে বেনারসে। সেখান থেকে চিঠি আসে এখনও কোন ব্যাবস্থা করা যায়নি। তাহলে তার খাওয়া জুটে কিভাবে? উত্তরটা দেখিয়েছেন অন্যভাবে, দুর্গাদের বাসায় ভিক্ষা চাইতে আসা ভিক্ষুক দিয়েই যেনো উত্তর টা দিয়েছেন সত্যাজিত।
প্রকৃতির ক্ষমতাকে যেনো অস্বীকার করা যায় না - সত্যাজিত তার পথের পাচালিতে তাই তুলে ধরেছেন। দুর্গার জ্বর, ঝড়ো বাতাস, বৃষ্টি আর দুর্গার মৃত্যূ সবই যেনো প্রকৃতির নিয়মে গাথা। ইন্দিরা ঠাকুরনের মৃতূর আগে ট্রেনের হুইসেল কি তার মৃত্যুসময়ের ইঙ্গিত দেয়?
'পথের পাচালিতে' সত্যাজিত ডায়লগের তুলনায় ইমেজ নিয়ে বেশী কথা বলেছেন। পরবর্তীতে অবশ্য গনশত্রু মুভিতে তিনি ডায়লগের প্রচুর ব্যবহার করেন। গ্রাম বাংলার প্রকৃতি, দারিদ্রের সংগ্রাম, কিশোরী মনের চপলতা আর মানব মনের জটিলতার এক আখ্যান 'পথের পাচালি'!
প্রকাশ করা হয়েছে: ফিল্ম-মুভি-সিনেমা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: 'সত্যাজিত রায়: দ্যা ইনার আই' নামের এক মোটা বই আছে, সেখানে সত্যাজিতের প্রায় সব ছবি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই কাহিনীগুলো সেখানে বিস্তারিত আছে।
আপনাকেও ধন্যবাদ!
নুশেরা বলেছেন:
একটু সংশোধন করুন। সুকুমার রায় সত্যজিতের বাবা; গ্র্যান্ডপা ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী।পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুশেরা, ঠিক করে দিলাম।
তামজীদ বলেছেন:
শুধু চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বললেন? তার সৃষ্ট অসাধারন সাহিত্য গুলোর ব্যাপারে কিছু বললেন না?
লেখক বলেছেন: আমি যে চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে ছাড়া আর কিছু তেমন জানি না!
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
এযুগের মানুষ হতাস হবে-মোটেই মানতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: হতাশ না হলেই আমরা খুশি, কিন্তু কি করবো বলুন, দেখলাম তো!
ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: ইস!! ভুল করে একটু ভুলও করতে পারি না, হাজার চোখ চেয়ে আছে!!!
আপনাকেও ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: হুমম!
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
ধন্যবাদ উনাকে স্মরণের জন্য। আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা রইলো উনার স্মৃতির প্রতি। যে বইটির কথা বললেন, সেটি নিঃসন্দেহে সত্যজিৎ এবং তার সৃষ্টি সম্পর্কে জানার জন্য অতুলনীয় একটা বই। বেশ অনেকদিন হলো ধরেছি কিন্তু প্রতিটা সিনেমা সম্পর্কে এতো বিশদ ভাবে লিখেছে যে একএকটা অধ্যায় বারে বারে পড়তে হয়। বইটা তাই এখনো শেষ করা হয়নি।
লেখক বলেছেন: এক্কেবারে আমার মতো!
আপনাকেও ধন্যবাদ!
তর্পন বলেছেন:
পথের পাঁচালী আমার দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ ছবি। অনেক বার দেখেছি । প্রতিবার নতুন করে হৃদয় কে ছুয়ে যায়।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: সে জন্য তাকে ধন্যবাদ!
জয় সরকার বলেছেন:
সত্যজিৎকে নিয়ে কীইবা আর বলার থাকতে পারে?শুধু তাঁর মহাপ্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা।ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বস একটা বস ছিল।চরম পাবলিক।
আমার একবার হাতে বেশ কিছু টাকা হইছিল, বসের সবগুলো মুভির ডিভিডি কিনে ফেলছি, একটা ডিস্কে একটা করে।
লেখক বলেছেন: টোট্যার কত পড়লো/
লেখক বলেছেন: চলচ্চিত্র আর টেলিফিল্মের মধ্যেকার পার্থক্য বুঝতে হলে এ যুগের একটা টেলিফিল্ম আর সত্যাজিতের সিনেমা দেখলেই চলে!
লেখক বলেছেন: এইটা আমিও দেখছি। কিন্তু আমার কাছে সত্যাজিতের যতগুলো মুভি আছে তার তালিকা আছে, সেখানে গুনে দেখলাম সংখ্যা ৩৬, বেশ কয়েক জায়গায় পড়েছি, সেই ৩৬ ই। ভুলটা কোথায় বুঝতে পারছি না। গুপী বাঘা ফিরে এলো মুভিটাকে সত্যাজিতের পরিচালনা ধরা হয়েছে কি? এটা কিন্তু সন্দীপ রায়ের পরিচালনা।
তনুজা বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তনুজা!
অদ্রোহ বলেছেন:
সত্যজিত একমেবাদ্বিতীয়ম ছিলেন এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই ,তবে কেন জানি মনে হয় সত্যজিতের কারিশমার আড়ালে দুই গুণী নির্মাতা মৃনাল সেন ও ঋত্বিক ঘটকের কিছু অসাধারণ কাজ ঢাকা পড়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: সহমত। ঋত্বিক ঘটকের মুভিগুলোতে যে আবেগ পাওয়া যায়, সত্যাজিতের মুভিতে সেগুলা কম। তবে ঋত্বিকের মুভির সংখ্যা আরেকটু বাড়লে কেন জানি মনে হয় সত্যাজিতের সাথে টক্কর লেগে যেত!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! কিন্তু নতুন কিছু দিলে ভালো হত!
মেহবুবা বলেছেন:
+++++++++সত্যজিত এক কালজয়ী চরিত্র । উনি নিজে এক অনবদ্য সৃষ্টি স্রষ্ঠার , অপূর্ব শিল্প ।
লেখক বলেছেন: সত্যাজিত জীবনের শিল্পী। তার ছবিগুলো একটা আন্দোলনকে রিপ্রেজেন্ট করে যেখানে পরিবারের গুরুত্ব অত্যাধিক। বর্তমান সময়ে এই আন্দোলনটার খুব দরকার।
কিন্তু পরিস্থিতি উল্টো। আসছে থার্ড পার্সন এর মতো মুভি
কাঊসার রুশো বলেছেন:
উনার তৈরি চলচ্চিত্র ৩৬টি। ২০টিরো বেশি দেখে ফেলেছি। কিন্তু ডকুমেন্টারি একটাও দেখা হয়নি।ধন্যবাদ একজন গ্রেট ডিরেক্টরকে নিয়ে লেখার জন্য। ++
আপনার কাছ থেকে জহির রায়হানকে নিয়ে লেখা অশা করছি।
লেখক বলেছেন: জহির রায়হানকে নিয়ে ম্যাটেরিয়াল কম পাইছি। যা পেয়েছি তা সবাই জানে...
যদি সেরকম কিছু পাওয়া যায়, তবে অবশ্যই লিখবো।
সামনের পোস্টা হবে আমার দুইশতম পোস্ট। একটা ভালো কিছু লিখার ইচ্ছা আছে, কিন্তু কি নিয়ে লিখবো সেটা এখনো ঠিক করতে পারি নাই। কিম কি-দুক রে নিয়া একটা পোস্ট দিতে পারি। অন্য কিছু পেলে সেটা নিয়েও লেখা যেতে পারে। জানি না ...
আপনারে ধন্যবাদ, কষ্ট করে এত পেছনের সিনেপোস্ট পড়ার জন্য।
নি্লীমা বলেছেন:
pother pachali movie link ta dile khusi hotam....
লেখক বলেছেন: নারে ভাই, কোন লিঙ্ক টিঙ্ক নাই, টরেন্টে পাইতে পারেন, কিন্তু সিড ভালো না
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















.jpg)




আপনার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। শ্রদ্ধা জানাই বাংলা চলচ্চিত্রের এই কিংবদন্তীকে।