আমার প্রিয় পোস্ট

২০০৯ সালের সেরা দশ মুভি

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২

শেয়ারঃ
0 13 0

আজকের যায়যায়দিন পত্রিকায় আমার এই লেখাটা ছাপা হয়েছে, সম্পাদিত রূপে। আমি দশটি মুভির রিভিউ দিলেও সম্পাদিত অংশে সাতটি স্থান পেয়েছে। প্রকাশিত লেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন । নিচে রইলে মূল লেখাটি[/si]


গত ২০০০ সাল থেকে আমেরিকান ফিল্ম ইন্সটিটিউট, সংক্ষেপে এএফআই, সাফেল্যের সঙ্গে বছরের সেরা দশটি মুভিকে নির্বাচন করে সম্মাননা প্রদান করে আসছে। অবশ্য এই নির্বাচনে সবচে' জনপ্রিয় ও সর্বোত্তম দশটি মুভি স্থান পায়, ঠিক তেমনটি নয়। বরং পর্দার সামনে এবং পেছনের সব কিছু মিলিয়েই এই নির্বাচনের কাজটি করে ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড যাদের মধ্যে মুভি সমালোচক, অভিনেতা, মুভি বিশারদ এবং এএফআই ট্রাস্টির সদস্যরা অন্তর্ভূক্ত।
গত ১৩ই ডিসেম্বর এএফআই ২০০৯ সালের নির্বাচিত সেরা দশটি মুভির তালিকা প্রকাশ করেছে। আগামী ১৫ই জানুয়ারী লস অ্যাঞ্জেলসের ফোর সিজনস হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত মুভির পুরস্কার প্রদান করা হবে। হিউলেট প্যাকার্ড (HP) অনুষ্ঠানটি স্পন্সর করবে বলে জানিয়েছে। নির্বাচিত তালিকায় ড্রামা, এনিমেশন, কমেডি ইত্যাদি সব ধরনের মুভিই স্থান পেয়েছে। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক তালিকাটি।

কোরালাইন

২০০২ সালে প্রকাশিত নীল গেইম্যান এর কোরালাইন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত মুভিটি একটি এনিমেটেড মুভি। এ বছরের দ্বিতীয় মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মুভিটি কিছুটা হরর এবং ফ্যান্টাসি ধাচেঁর। কোরালাইন নামের ছোট্ট মেয়েটি তাদের নতুন বাসার গোপন এক দরজা দিয়ে প্রবেশ করে নতুন এক জগতে যেখানে ঠিক তার মতোই ভিন্ন এক কোরালাইন, মা-বাবাকে দেখতে পায়। সে জগৎ আরও সুন্দর, আকর্ষণীয়। ভিন্ন জগতের বাবা মা কোরালাইনের আসল বাবা মা'র মতো ব্যস্ত নয় বরং আনেক যত্নশীল। কিন্তু নতুন বাবা-মা তাকে সেখানেই চিরেদিনের জন্য থেকে যেতে বলে, শর্ত একটাই, কোরালাইনের সুন্দর চোখে দুটো বোতাম সেলাই করে দেয়া হবে। কোরালাইন ফিরে আসতে চায়, কিন্তু পারে না। হেনরী সেলিক এর পরিচালনায় নির্মিত এবং আইএমডিবি রেটিং এ খুবই জনপ্রিয় এই মুভিটি মুক্তির পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১২০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।

দ্য হ্যাংওভার

চারজন ভিন্ন চরিত্রের পুরুষ যারা পরস্পর বন্ধু যথাক্রমে ডগ, স্টু, ফিল এবং অ্যালান, লাস ভেগাসে একটি 'স্ট্যাগ পার্টি' তে যোগদানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। স্ট্যাগ পার্টি হলো শুধুমাত্র আমন্ত্রিত পুরুষদের নিয়ে পার্টি যেখানে শীঘ্রই বিয়ে করতে যাচ্ছে এমন কোন পুরুষ মূল চরিত্র। হ্যাংওভার নামক কমেডিতে এই পুরুষটি হলো ডগ, যে কিনা শীঘ্রই অ্যালানের বোন ট্রেসিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। লাস ভেগাসে পৌছার পরে তারা তারা এক হোটেলে রাত কাটায় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আবিস্কার করে গত রাতের কিছুই তাদের মনে নেই। সবচে' রহস্যজনক হলো স্যুটে যা না থাকার কথা ছিল তা আছে, কিন্তু যা থাকার কথা ছিল তা নেই, বিশেষ করে হারিয়ে গেছে 'বর' ডগ। তাকে খুজে বের করাই তখন মূল কাজ আর এ কাজ করতে গিয়েই ঘটে হাস্যরসাত্মক সব ঘটনা যা নিয়ে নির্মিত হয়েছে দ্য হ্যাংওভার নামক কমেডি মুভিটি। জুন মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত মুভিটির পরিচালক টড ফিলিপস এবং অভিনয় করেছেন জাস্টিন বার্থা, এড হেমস, ব্রাডলি কুপার এবং জ্যাক গ্যালিফ্যানাকিস।

দ্য হার্ট লকার

দ্য হার্ট লকার ইরাকে আমেরিকান সরকারের সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত থ্রিলার মুভি। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বোমা নিস্ক্রিয় করার কাজে নিয়োজিত স্কোয়াডকে ঘিরে কাহিনীটি লিখেছেন মার্ক বোল যিনি নিজেও একসময় এই ধরনের স্কোয়াডে যুক্ত ছিলেন। ক্যথেরিন বিগলোর পরিচালনায় মুভিটির মূল চরিত্র উইলিয়াম জেমস যার টিমে রয়েছে আরও দুইজন বোমা বিশেষজ্ঞ যাদের একজন মৃত্যুভয়হীন বেপরোয়া যে কিনা টিমের বাকীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে খুবই উদাসীন আবার অন্য একজন সবার নিরাপত্তার ব্যাপারে খুবই সতর্ক কারণ একজনের ভুলের কারনে মারা যেতে পারে তার সহকর্মীরা কিংবা শত শত নিরপরাধ মানুষ। ভিন্ন ধরনের চরিত্রের তিনজন মানুষ কিন্তু সবসময়ই তাদেরকে সতর্ক থাকতে হয় অনাহূত কোন ব্যক্তির ব্যাপারে কারন সেই লোকটিই হতে পারে একজন আত্মঘাতি বোমারু। মুভিটি ২০০৮ সালে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হলেও সারা বিশ্বে মুক্তি পায় ২০০৯ সালের জুন মাসে।

দ্য মেসেঞ্জার

ডিরেক্টর হিসেবে অরেন মুভারম্যানের এটাই প্রথম মুভি অথচ এর মধ্যেই প্রায় ছয়টি পুরস্কার জিতে নিয়েছে। গত নভেম্বরে মুক্তিপাওয়া এই মুভিটি এর মাঝেই প্রায় ৪৭৪ হাজার ডলার আয় করেছে। শক্তিমান অভিনেতা বেন ফস্টার মুভিতে রূপদান করেছে উইল মন্টগোমারি চরিত্রে যিনি সদ্য ইরাত থেকে ছুটিতে ফেরত এসেছে। রয়েছে কঠিন দায়িত্ব, যুদ্ধে নিহত সহকর্মীর মৃত্যুসংবাদ পৌছে দিতে হবে তারই স্ত্রীর নিকট। কিন্তু অলিভিয়া চরিত্রে সামান্থা মর্টনের কাছে পৌছামাত্র মানসিক অবস্থার পরিবর্তন শুরু হয়। রোমান্টিক ধাঁচের এই মুভিটি সবার নজর কেড়েছে।

প্রেশাস

প্রেশাস লি ড্যানিয়েলসের দ্বিতীয় মুভি, নির্মিত হয়েছে ১৯৯৬ সালে পুরস্কারপ্রাপ্ত একই নামের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে। অধিকাংশই নারী অভিনেতাসমৃদ্ধ এই মুভির প্রধান চরিত্র গ্যাবোরি সিডিবে, একজন কালো মেয়ে, যে তার জীবনে বহু নির্যাতন সহ্য করেছে। আর তাই অশিক্ষিত, রাগী, গরীব আর মোটা এই মেয়েটি বেড়ে উঠে সবার অলক্ষ্যে। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছে গ্যাবোরি সিডিবে, মূলত তার কাহিনী নিয়েই তৈরী মুভিটি। আরও অভিনয় করেছে গায়িকা মারায়া ক্যারি ও পলা প্যাটন।

আ সিরিয়াস ম্যান

টম হ্যাঙ্কস অভিনীত লেডি কিলার এবং ২০০৭ সালে অস্কার জয়ী মুভি 'নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান' খ্যাত কোয়েন ব্রাদার্সের নতুন মুভি আ সিরিয়াস ম্যান। ১৯৬৭ সালের পটভূমিকায় নির্মিত এই ব্ল্যাক কমেডির মূল চরিত্র ল্যারি গপনিক। তার ভাইয়ের কারনে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে - এমন এক কাহিনী নিয়ে এগিয়েছে মুভিটি। গত ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মুভিতে ল্যারি চরিত্রে অভিনয় করেছে মাইকেল স্টলবার্গ।

আ সিঙ্গেল ম্যান

টম ফোর্ড তার পরিচালনা, প্রযোজনা এবং চিত্রনাট্যরচনা শুরু করেছেন আ সিঙ্গেল ম্যান মুভির মাধ্যমে। কাহিনী একজন সমকামী ব্রিটিশ কলেজ প্রফেসরকে কেন্দ্র করে তৈরী হয়েছে। এই মুভিটিও ষাটের দশককে পটভূমি হিসেবে বেছে নিয়েছে। পার্টনারের হঠাৎ মৃত্যুর পরে নিজের জীবনকে খুজে পাওয়ার চেষ্টা করা - এ দিয়ে শুরু মুভিটি। মূল চরিত্রে কলিন ফার্থ ছাড়াও অভিনয় করেছে জুলিয়ান মুর। মুভিটি ডিসেম্বরে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

সুগার

সুগার একটি স্পোর্টস মুভি। তবে পুরো কাহিনী শুধু বেসবল খেলাকে কেন্দ্র করে নয়। সুগার সান্টোস নামের এক খেলোয়ার তার সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা চালায় লীগ পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবার জন্য এবং এর মাধ্যমে তার পরিবারকে দারিদ্র থেকে মুক্তি দেবার। সুগার চরিত্রে আলজেনিস সোটো অভিনিত এটাই প্রথম মুভি।

আপ

এ বছরের অন্যতম আলোচিত এনিমেশন মুভি 'আপ'। পিক্সার নির্মিত অন্যান্য মুভিগুলোর মতো এ মুভিটিও বক্স অফিস কাঁপিয়েছে। ৭৮ বছর বয়সী কার্ল দক্ষিন আমেরিকার বন্য অঞ্চল দেখার সাধ পূরন করতে বাড়ির সাথে বেঁধে দেয় হাজার খানেক বেলুন। কিন্তু উড়তে শুরু করার পরেই সে বুঝতে পারে সে একা নয়, সাথে রয়েছে ৭০ বছরের ছোট রাসেল। অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া এই মুভিটি ইতিমধ্যেই ৭০০ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করেছে।

আপ ইন দ্য এয়ার

পরিচালক জ্যাসন রিটম্যান এর আগে 'জুনো' মুভির মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন। আপ ইন দ্য এয়ার মুভির মূল চরিত্র জর্জ ক্লুনি যার কাজ হলো সারা দেশ ঘুরে কর্মচারী ছাটাই করা। কমেডি এবং ড্রামা এই মুভিটি গত নভেম্বরে মুক্তি পেয়েছে।

দারাশিকোব্লগ
দারাশিকো.ইনফো

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
রুদমী বলেছেন: thanks for the list....just watched 2 out of 10.
২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
সাগর ঢাকা বলেছেন: জোশ ! একটা মামার বাড়ির আবদার ....এই মভি গুলোর ডাওনলোড লিঙ্ক দিন ...:)
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: একটা দিলাম
Click This Link

বাকীগুলা ঐ সাইটে সার্চ দেন, পাবার সম্ভাবনা আছে

৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
অবয়ব বলেছেন: খালি এনিমেশন দুইটাই দেখা। হ্যাংওভার ডাউনলোড করে রাখছি দেখা হয় নাই এখনো।
৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
পাভেল০৮১ বলেছেন: আমি খালি একটা দেখসিঃ hangover. ভালো লাগে নাই
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: এ এফ আই যে শুধু বেস্ট মুভিতে সিলেক্ট করে তা কিন্তু নয়.. এটা মনে রাখলে সুবিধা হবে!

৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০০
র হাসান বলেছেন: এনিমেশন মুভি ভালো লাগে না। তবে এসব ছবিতে গ্রফিক্সের ফাটাফাটি কাজ দেখতে অবাক লাগে।
১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৩
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। সময় করে দেখে ফেলতে হবে।

ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য।
১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
স্বাধীনতার বার্তা বলেছেন: এনিমেশন দুটো দেখেছি। বাকিগুলো দেখা হয় নি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: এই যে আপনাকে পাওয়া গেল, তাও আমার ব্লগেই। সিনেমাখোর গ্রুপে যোগদানের জন্য একটি ধন্যবাদ আপনার পাওনা রয়েছে। নিয়ে নিন প্লিজ।

একটি পোস্টও যদি দিতেন, তবে আপনাকে সেখানেই ধন্যবাদটি দেয়া যেত।

১৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
ততততততততততততততত বলেছেন: আপনি যখন সব বুঝতেই পারলেন তাহলে এক বার এসেন আমাদের রাজশাহি ডট কম এ আমন্ত্রন রইলো ................। আশা করি আসবেন.............
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: আইসবোনে

১৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: দেখতে হবে

ধন্যবাদ
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: dekhar pore review diben kintu

১৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৮
বিডি আইডল বলেছেন: আপ ইন দ্যা এয়ার গত পরশু দেখলাম..জর্জ ক্লুনির এই টাইপের ছবিগুলো গতানুগুতিক হয়ে যাচ্ছে..
১৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫২
সাইফ সামির বলেছেন:

হেই দারাশিকো, বিদেশী নয় একটা মৌলিক দেশীয় লিস্ট দিচ্ছি:

সাইফ সামির নির্বাচিত ২০০৯ সালের সেরা ১০টি মুভি+১৫টি রানার্স-আপ মুভি এবং সবচেয়ে হতাশাজনক মুভির তালিকা

দেখার আমন্ত্রণ থাকলো.... ধন্যবাদ!
১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫০
দারাশিকো বলেছেন: এই লিস্টা দেখসি ... তবে গত ছয় মাস হলো পিসি মারা গেছে, তাই মুভি দেখা খুব কম হচ্ছে ইদানিং
ইয়ে গত বছর কয়টা মুভি দেখসেন?
২০. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩০
খালেদ সময় বলেছেন: তালিকাটা কাজে লাগবে। ধন্যবাদ
২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

২১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২৬
ফয়সালরকস বলেছেন:
"সাথে রয়েছে ৭০ বছরের ছোট রাসেল"

বস এট্টু কারেকশন কইরেন...

অনেকদিন পর দেখা...কেমন আছেন?
২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: যখন লিখছিলাম, তখন সিনেমাটা দেখা হয় নাই... তাই...
আমি ভালো আছি.. আপনার কি খবর?
কয়দিন তো সিনেমা নিয়া ব্যপক তর্কবিতর্ক চলছে... আপনারে দেখি নাই কেন?
আরাব কেমন আছে?
খুব বিজি নাকি? পোস্ট টোস্ট নাই দুই মাসে একটাও ...

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চল যাবো তোকে নিয়ে ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ