আমার প্রিয় পোস্ট
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- বিবর্তনের সহজ পাঠ ১: জৈব-বিবর্তন পরিচিতি। - ওয়াহিদ০০১
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- গার্মেন্ট নামক বয়লারে ৩১ জন শ্রমিকের মৃত্যু এবং এই মৃত্যুবিভিষিকা আর মৃত্যুভেট এর অব্যক্ত কথা - মনজুরুল হক
- সত্যের সন্ধান (লৌকিক দর্শন) - ০০ - নিশাচর প্রাণ
- আর দেখতে চাই না রোমান হরফে বাংলা - জাওয়াদ হাসান
- আচ্ছা হঠাৎ করে কোনওদিন গণভবন ,বংগভবন, হাওয়াভবন, সুধাসদন এসব জায়গায় আগুন লাগেনা কেন? - প্রলেতারিয়েত
- আহারে মানুষ পোড়ে তবু মন পোড়ে না, কত পাষাণ আমরা এখন! - অরিত্র রহমান
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- ব্রেকিং নিউজ: চট্টগ্রাম সিইপিডেজে কী হচ্ছে? প্রথাগত 'গণমাধ্যম'র বাইরে একটি ব্লগ প্রচেষ্টা - দিনমজুর
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: দিন বদলের দিচ্ছে হাওয়া, বেতন ফি বৃদ্ধি পাওয়া! - দিনমজুর
- ডানহাত/বামহাত------বাঁহাতিদের দুনিয়া - দি ফিউরিয়াস ওয়ান
- ডাউনলোড করুন: The History of Medicine ... - ইমন জুবায়ের
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভারত-পাকিস্তানের সামরিক নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা (প্রথম পর্ব) - মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
- ভাষা আন্দোলনের “বাঙাল” বয়ান - নয়া উপনিবেশ বিরোধিতার “পবিত্র দিবস” আর “আধ্যাত্মিক” উৎস সন্ধান (পর্ব-১) - পারভেজ আলম
- নিউটন ও সেই আপেলের দলিল এখন অনলাইনে! - মাসউদ জাজিরা
- কোপেনহেগেনের লড়াই - জয়_জয়
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- সেইভ দা নেচার, সেইভ ইউরসেল্ফ - কালের সাক্ষী
- ড. ইউনুসের সামাজিক ব্যাবসার ব্যাবসা - দিনমজুর
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- কেন লিখি? কেন ছবি আঁকি? কেন গান গাই? একই প্রশ্ন? - শারমিন রহমান
- দিচ্ছি না গ্যাস-কয়লা-বন্দর - শারমিন রহমান
- কেন লিখি? কেন ছবি আঁকি? কেন গান গাই? একই প্রশ্ন? - শারমিন রহমান


- আবদুল্লাহ আল মনসুর
- আমরা তো তোমার বানর নই ( অনুদিত কবিতা) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- গতকালের রিক্সাওয়ালা.......... আর আমার অব্যক্ত অনুভূতিগুলো - সত্যাশ্রয়ী
- গণতন্ত্র : ক্ষেপণযোগ্যতা, রপ্তানিযোগ্যতা / রহমান হেনরী - পোয়েট ট্রি
- প্রবাসীদের ঘামের টাকা, সচল রাখে দেশের চাকা। কাজেই বন্ধ হোক তাদের নিয়ে সব প্রতারণা। খবরের অপেক্ষায় রইলাম - হাসান শরিফ
- ওবামা পেল মালা, বুশ কেন জুতো :একজন প্যালেস্টাইনীর চোখে - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- তেল-গ্যাস বুঝো না, স্বাধীনতা বুঝো? - বাঙ্গাল
- বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে .... - দিনমজুর
- বিদেশিদের কাছে বঙ্গোপসাগরে ব্লক ইজারার প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশি নির্যাতনের চিত্র - অণৃণ্য
- জীবনে যা পড়েছি-৫ (মানিকের পুতুল নাচের ইতিকথা) - তায়েফ আহমাদ
- ’৭৫ সালের ঘাত -সংঘাতময় সময়ে গুজব রটনা আর মিথ্যা প্রচারনার প্রধান ভাষ্যকারের কথা - নুরুজ্জামান মানিক
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- চেরোকিদের সেই কান্নাভেজা পথ এবং বিস্ময়কর সেই শ্বেতগোলাপের উপাখ্যান ... - ইমন জুবায়ের
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ৫/শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার -৪ - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার -৩ - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ২ - আবু নাঈম
- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে কিছু ভাবনা- সৈয়দ টিপু সুলতান - কিরিটি রায়
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার (যেখানে আমাদের প্রগতিশীল বুদ্বিজীবীরাও ব্যর্থ) (যেখানে আমাদের প্রগতিশীল বুদ্বিজীবীরাও ব্যর্থ) - আবু নাঈম
- বিদ্যুৎ সমস্যা ও মন্দা মোকাবেলায় নতুন বাজেটে যা চাই এবং যা চাইনা - দূরন্ত
- ...অভাগা জনশক্তি... - আরিফুর রহমান
- মানব প্রকৃতরি ভ্রান্ত ধারনার ইিতহাস এবং এর প্রকৃত সরূপ - রাইয়ানশুভ
- ৮ জুন: সন্ত্রাস-বিরোধী দিবস - অনুপম সৈকত শান্ত
- আমার মেঘনা...... - নাজনীন১
- একাদশ শ্রেণীতে পড়তে খরচ মাসে ১৮৫০০ টাকা মাত্র। - মুছাব্বির
- শিশু খাদ্য ও ভিটামিন এ-প্লাস কেম্পেইনে আসুস্থ শিশুরা এবং কিছু কথা - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- মে মাস চলে গেল: শিশু শ্রম: মন খারাপ করা কিছু ছবি - মাহবুবুল আলম লীংকন
- মরে যাওয়ায় ধন্যবাদ শহীদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- ধর্মগ্রন্থের মতো রবীন্দ্রনাথের জঠর থেকে বিজ্ঞান বের না করলে চলে না? - অনিশ্চিত
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন - ৮ - আবু নাঈম
চাঁদ-তারা কি ইসলামের প্রতীক?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম বিভিন্ন প্রতীক ধারণ করে। যেমন, খ্রীস্টান ধর্মের 'ক্রস', হিন্দু ধর্মের 'ঔঁ' কিংবা ইহুদী ধর্মের 'দাউদের তারা বা star of David'।যদি প্রশ্ন করা হয় , ইসলাম ধর্মের এই রূপ কোন প্রতীক আছে কিনা। অনেকেই এক বাক্য 'চাঁদ-তারা' বা Crescent Moon & Star এর কথা বলবেন।
আধুনিক কালে সমগ্র বিশ্বে চাঁদ-তারার এই প্রতীক ইসলামের তথা মুসলমানদের প্রতিনিধীত্ব করে এবং ইসলামী প্রতীক রূপে স্বীকৃত। তাই, আধুনিক বিশ্বের অনেক ইসলাম ধর্মীয় স্থাপনায় Crescent Moon & Star বা চাঁদ-তারা খচিত দেখা যায়।পবিত্র প্রতীক হিসাবেএই চাঁদ-তারা কুরাআন শরিফ সহ ধর্মীয় গ্রন্থের মোড়কে চাঁদ-তারা স্থান পেযেছে।এমন কি কযেক টি মুসলিম রাষ্ট্র তাদের জাতিয় পতাকায় এই চাঁদ-তারা কে স্থান করে দিযেছে।
মহানবী (সাঃ) এর যুগে ইসলামী প্রতীক কি ছিল?
ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে ধর্মীয় প্রতীক হিসাবে চাঁদ-তারার ব্যবহার ছিল না।মহানবী(সাঃ) এর জীবদ্দশায় মুসলমানদের এইরূপ কোন প্রতীক ছিল না। সে সময় মুসলামন সেনাবাহিনী বা ধর্মীয় কাফেলা পরিস্থিতির ভিত্তিতে সাধারণত কালো, সাদা ও সবুজ এক রংয়ের পতাকা বহন করতো।এবং পরবর্তীতে আরবের মুসলমান শাসকরাও কালো, সাদা ও সবুজ এক রংয়ের পতাকা ব্যবহার করতেন যাতে কোন চিহ্ন বা লেখা থাকতো না।
ইসলামী পতাকা সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
মহানবী (সাঃ) কর্তৃক ব্যবহৃত প্রদান পতাকা ছিল "Al- Uqaab" যার উৎস কুরায়শদের পতাকা। এবং পরবর্তী ৪জন খলিফায়ে রাশেদীন মহানবী(সাঃ) পদাংক অনুসরণ করেন এবং নিখাদ কালো পতাকা নব বিকশিত মুসলিম বিশ্বের জাতীয় পতাকায় পরিনত হয়।
উমাইয়া শাসকদের (৬৬০ সাল হতে ৭৫০ সাল) পতাকা সম্পর্ক সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না । তবে স্পেন বিজয়ী উম্মাইয়ারা সাদা পতাকা ব্যবহার করতো।
আব্বাসিয়া শাসন কালে (৭৫০ সার হতে ৯৬০ সাল) জাতীয় রং ছিল কালো এবং পতাকাও ছিল নিরেট কালো ( ৫ ফুট বাই ৩ ফুট) । তবে তা ইসরামের প্রথম যুগের "Al- Uqaab" এর সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।হাশেমী আন্দোলনের সময় উমাইয়া শাসকের হাতে আব্বাসিযাদের নেতা ইমাম ইব্রাহিম নিহত হলে শোকের প্রতীক হিসাবে তারা বালো পতাকা বহন করতো যা তাদের শাসন আমলে জাতীয় পতাকা পরিনত হয়।
উত্তর আফ্রিকার প্রায় পুরটা এবং পশ্চিম এশিয়া কিছু অংশের শাসক ফাতেমী ( শিয়া সম্প্রদায়) শাসকরা নিখাদ সবুজ পতাকা ব্যবহার করতো।৭ম আব্বাসীয় খলিফা মামুনুর রশিদ শিয়া সম্প্রদায়ের সাথে সংহতি প্রকাশে তাঁর শাসন কালে অর্ধ সাদা-অর্ধ সবুজ জাতীয় পতাকা অনুমোদন করেন।
পঞ্চদশ শতকে উসমানীয় বংশের শাসকদের শাসন আমলে চাঁদ-তারা ইসলামের প্রতীক হিসাবে ব্যবহার হতে শুরু হয়।এ আমলে রাষ্ট্রিয় ও ধর্মীয় পতাকায় পৃথক রঙ ব্যবহার শুরু হয়। রাষ্ট্রীয় পতাকা লাল আর ধর্মীয় পতাকা সবুজ।
ত্রয়োদশ শতকের পূর্বের মুসলমানদের কোন স্থাপনায় বা বইযের মোড়কে চাঁদ-তারা অনুপস্থিত।এমনকি বর্তমান মূল পবিত্র কাবা শরীফের কোথাও চাঁদ-তারা নেই।(খুব সম্ভবত বর্তমান মসজিদ আল হারামেও কোন চাঁদ-তারা বা Crescent Moon & Star নেই।..একান্ত আমার অনুসন্ধান)
চাঁদ-তারা ইসলামের প্রতীক হিসাবে ব্যবহাবের সূচনাঃ
১৪৫৩ সালে তুর্কিরা ইস্তাম্বুল (Constantinople) দখল করে নেয়। তৎকালিন বিজিত Constantinople এর নগর পতাকা ছিল চাঁদ-তারা খচিত আর উসমানিয়া শাসকরা সেই পতাকা কে নিজস্ব হিসাবে গ্রহন করে নেয়।কথিত আছে, উসমানিয়া বংশের প্রথম শাসক উসমান (১ম) একদিন স্বপ্নে দেখেন যে, চাঁদ-তারা খচিত পতাকা পৃথিবীর এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্তে ছুটে চলেছে।এটাকে শুভ লক্ষণ বিবেচনায় চাঁদ-তারা কে মুসলমান বিশ্বের পতাকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
১৩৪৩ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত উসমানিয়া শাসকদের পতাকা।যা নিরেট লাল।
প্রথম উসমানিয়া শাসক উসমান (১ম) এর পুত্র রোহান (১ম) (যে এক জন Byzantine রাজকন্যাকে বিযে করে) Byzantine পতাকার সাথে সম্বনানয় সাধন করে পূর্বে পতাকায় Crescent Moon বা প্রথমার চাঁদ যুক্ত করে। এবং পরে চাঁদের সাথে তারা যুক্ত হয়।
উসমানিয়া সাম্রাজের (Ottoman Empire) ১৫১৭ সাল হতে ১৮৪৪ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত পাতাকা।
ধারনা করা হয়, পাঁচ শীর্ষযুক্ত তারা ইসলামের প্রধান পাঁচ স্তম্ভ কে নির্দেশ করে। বিন্তু , উসমানিযা সাম্রাজ্যের পতাকায় সর্বদা পাঁচ মাথার তারা ছিল না।
১৭৯৩ থেকে ১৮৪৪ সার পর্যন্ত উসমানিয়া শাসকদের ধর্মীয় বা Flag of the Caliphate.
যা হোক কয়েক পঞ্চদশ শতক হতে বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্ন পর্যন্ত উসমানীয়া বংশ নানা ভাবে নানা প্রকারে সমগ্র বিশ্বের নান প্রান্তের মুসলমানদের শাসন করেছে, প্রতিনিধিত্ব করেছে এবং মুলমানদের প্রতিনিধিরূপে একাধিকবার ইউরোপের খ্রস্টানদের সাথে ক্রৃসেড বা যুদ্ধে লিপ্ত হযেছে।এই ৫ শত বছরের উসমানিয়া শাসন কালে Ottoma সাম্রাজের পতাকা তথা প্রতীক ইসলামের প্রতীকে পরিনত হযেছে।
প্রতীক হিসাবে চাঁদ-তারার আদি ইতিহাসঃ
ইসলামের আবির্ভাবের বহু আগে থেকে কয়েক সহস্র বৎসর ধরে চাঁদ-তার প্রতীকের ব্যবহার আসছে। চাঁদ-তারা প্রতীকের নানা রুপ ব্যবহার ইতিহাস পাওয়া গেলেও এর ব্যবহারের উৎসে রযেছে প্রচীন মধ্য এশিয়ান ও সার্বিয়ারদের সূর্য -চন্দ্র-তারা দেবতাদের উপাসনার সাথে।
উসমানিয়াদের Constantinople বিজযের আগে বর্তমান ইস্তাবুল ছিল Byzantium সাম্রাজের রাজধানী। Byzantium বা গ্রীকদের প্রকৃতি-শিকার আর রক্ষাকারী আদি দেবী Diana মাথায় শৌভিত ছিল Crescent Moon. উপরে দেবী Diana র ছবি, মাথায় Crescent Moon শোভিত।
অপর দিকে তারা বা Star হচ্ছে Carthaginian প্রধান দেবী Tanit প্রতীক , যে সমগ্র বিশ্বজগতের অধিকর্তী।এই দুই শুভ প্রতীকে Byzantium দ্বারা গৃহিত হয়।
Byzantium মুদ্রায় Crescent Moon & Star বা চাঁদ-তারা।
উসমানিয়াদের ইস্তাম্বুর বিজয়ের পূর্বে Byzantium পতাকায় Crescent Moon & Star বা চাঁদ-তারা।
ব্যবিলিনিয় মুদ্রায় দেবীদের সাথে Crescent Moon & Star বা চাঁদ-তারা।
উপসংহারঃ
দেখা যায় যে,মুসলমানরা শত শত বৎসর ধরে বিভিন্ন অঞ্চলে শাসনকালে উক্ত এলাকার ঐতিহ্য সংস্কৃতির নানা উপকরণ নিজের হিসাবে আত্মীকৃত করেছে।এমন কি, এই গ্রহন কালে মুসলিম সমাজে মধ্য অপর ধর্মীয় বহ্যিক উপকরণ অবাধে অনুপ্রবেশ ঘটেছে।এটা সকল জাতি ধর্মের জন্য সমান ভাবে সত্য । কেননা, এটাই সমাজ বিকাশ ও বিবর্তনের সাধারন নিয়ম।
পঞ্চদশ শতকে উসমানিয়া শাসকদের কর্তৃক গ্রীক আর ক্যাথরজিয়ান দেবীর প্রতীক কে মুসলমান সাম্রাজের প্রতীকে পরিনত করা বা পতাকা ভুক্ত করার মাধ্যমে তারা মুসলমান বিশ্ব কে এই সকল দেবীদের উপাসকে পরিনত করেছে এ কথা বললে তা নিতান্ত হাস্যকর হবে।
একই ভাবে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালান, হাতে রাঁখি বাঁধা কিংবা কপালে টিপ পরা নিয়ে ইসলাম গেল বলে হৈচৈ করা নিতান্ত হাস্যকর নয় কি ?
************************************************
সূত্রঃ
1)The Crescent Moon:Is it a symbol of Islam? Click This Link
2) Islamic Symbols
3) Category:Flags of the Ottoman Empire
4) Islamic flags
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সৌম্য বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং তো।
লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তা কে সামান্য ঝাকুনি দিলে কষ্ট স্বার্থক হবে।
বোবাবৃক্ষ বলেছেন:
আপনি কি ড্যান ব্রাউন এর লস্ট সিম্বল এবং দ্যা ভিঞ্চি কোড বই দুইখানা পড়েছেন। না পড়লে দ্রুত পড়ে ফেলুন। আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। অভূতপূর্ব একটি বিষয় নিয়ে পোষ্ট দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এরকম আরো পোষ্ট চাই।
লেখক বলেছেন: 'দ্যা ভিঞ্চি কোড' সিনেমা টি দেখেছি। বইয়ের অনেক কিছু হয়তো তাতে নেই। জানুয়ারীতে ফ্রি হলে পড়বো আশা করি।
ধন্যবাদ।
Crescent Moon & Star এর রহস্য খুজতে গিয়ে অনেক মজার তথ্য পেলাম।
আজাদ আল্-আমীন বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম । সময়মত পড়ে নিব ।
লেখক বলেছেন: অন্তত সংক্ষিপ্ত উপসংহার টি পড়বেন।
সিরাজ বলেছেন:
+
লাল সাগর বলেছেন:
'একই ভাবে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালান, হাতে রাঁখি বাঁধা কিংবা কপালে টিপ পরা নিয়ে ইসলাম গেল বলে হৈচৈ করা নিতান্ত হাস্যকর নয় কি ?'সবই ঠিক ছিলো। শেষ উপসংহার এনে গোলমাল করে দিয়েছেন। তাই মাইনাস
কয়েক দিন পরে বলবেন সিঁদুর দিতে। উদ্দেশ্য খারাপ।
লেখক বলেছেন: হা হা.........................ধন্যবাদ।
মন্তব্য ভালো লাগল। আসলে যারা যখন তখন ধর্মীয় গুজুক তোলে আর যারা জোর করে অনুকরণকৃত উপাদান ঢুকায় তারা আমার কাছে সমান।
পুশকিন বলেছেন:
প্রিয়তে প্রথমে।গবেষনা ধর্মী লেখা,ভালো লাগলো।আরো ভালো লাগলো আপনার উপসংহার টা।আশা করি এরকম আরো কিছুর।
ও হ্যাঁ + দিতে ভুলে গিয়েছিলাম।এখন দিয়ে গেলাম।
ভালো থাকবেন।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বিষয়টি আপনার বিভিন্ন আলোচনা তর্ক বিতর্কে উঠে এলে আমার প্রচেষ্টা সফল হবে।
পারভেজ বলেছেন:
চাঁদ তারার সাথে বা কোন বিশেষ চিন্হের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই বলেই আমার বিশ্বাস। এটা নিয়ে ভন্ড মোল্লারাই বেশী আবেগ আপ্লুত হয়; রেড ক্রস কে রেড ক্রিসেন্ট বানিয়ে মুসলমানী করার চেষ্টা করে লেখক বলেছেন: প্রকৃত অর্থেই তাই।
মোঃ ইমরুল হাসান বলেছেন:
গবেষণা ধর্মী লেখাটি পরে ভাল লাগল। আপনার উপসংহার টার সাথে পুরোপুরি একমত হতে পারলাম না, তবে ধর্ম নিয়ে যারা বেশি মাতামতি করে তাদেরকেও আমি সমর্থন করি না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সকলে এক মত হবে তা নয় । মতের দ্বন্দ্ব সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এটা বিজ্ঞানের নিয়ম।
লেখক বলেছেন: চিন্তার খোরাক যদি পান সেকানে আমার স্বার্থকতা।
নুভান বলেছেন:
সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আমি কোথায় যেন পড়েছিলেম (ভূলে গেছি এখন) মধ্য এশিয়ার শামানদের প্রতিক ছিলো চাঁদ তারা। এর পর তালাশের যুদ্ধের পর (Battle of Talas) এর পর বিজয়ী মুসলমানেরা নাকি চাঁদ-তারা খচিত প্রতিক গ্রহন করে।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছি না। 'তালাশ নদী' যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৭৫১ সালে আব্বাসীয় সাম্রাজের সূচনা লগ্ন।http://en.wikipedia.org/wiki/Battle_of_Talas
আব্বাসীয় শাসকদের পতাকা চাঁদ তারা ছিল না। তা ছিল নিখাদ কালো । তবে আব্বাসীয়রা প্রথম যুদ্ধ পতাকায় 'আল্লাহ আকবার' খরেমা ইত্যাদি ব্যবহার করতো যা প্রারম্ভিক যুগে মুসলমান না ব্যবহার করতো না।
চাঁদ-তারা আসে আব্বাসীয় শাসকদের পতনের পর ১৪৫৩ সালে তুর্কি উসমানীয় সাম্রাজ্য (শেষ মুসলিম সাম্রাজ্য) কর্তৃক ইস্তাম্বুল বিজয়ের পরে।অর্থ চাঁদ -তারা ইসলামের প্রতীক হযে উঠার বয়স ৭০০ কৎসরের কম।
আশরাফ আলী শোভন বলেছেন:
বেশ ভালো লেগেছে। এরকম একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: চিন্তার খোরাক যদি পান সেখানে আমার স্বার্থকতা।
অগ্নি পুরুষ বলেছেন:
লালসাগর ওরফে লালছাগল,তোর মত গোবর গণেশের মাথায় এইগুলা ধরবোনা।তুই যাইয়া কাঁঠাল পাতা খা
লেখক বলেছেন: অগ্নি পুরুষ আপনার ভেতরের আগুনের অপব্যবহার দেখচি।
লেখক বলেছেন: আপনার লিংকটা খোলা চোখে পড়লাম।
'তালাশ'রের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে চৈনিক সাম্রাজ্য থেকে তুর্কি-মঙ্গোল ও উজবেকরা বিছিন্ন হয়ে মুসরমান সাম্রাজ্যের আওতায় চলে আসে। এদের আদি ধর্ম Tengriism যার প্রধান দেবতা Tengri বা আকাশ দেবতা ।আকাশ দেবতার কন্যা হল চন্দ্র দেবী বা Ai.তিনি ভয় ও ভালবাসার দেবী। তার তিন রূপের প্রথম রুপ ‘Ai Naazy’ বা Crescent Moon.
আপনার লিংকটাতে যে Crescent Moon কে Tengriism থেকে গৃহিত বলা হয়েছে।কিন্তু,Tengriism সম্পর্কে পড়তে গিয়ে কোথাও Crescent Moonএর ব্যবহার দেখলাম না।তবে , মজার বিষয় পেলাম , 'খোদা শব্দটি এসেছে Tengriism দেবতা Tengri এর ফারসি রূপ Khodai থেকে।বিজিত পারসিয়ান Tengri উপাসকরা যাতে সহজে আল্রাহ কে মেনে নেয় তাই Khodai মব্দ টি কে নিদ্বিধায় সেকালে উক্ত অঞ্চলের ইসলাম ধর্মপ্রচারকরা ব্যবহার করেছেন। তবে , আমাদের আল্লাহ কে ঈশ্বর সম্বোধনে এতো আপত্তি কেন?
যা হোক, এই লিংক থেকে নিশ্চৎ হওয়া গেল ।চাঁদ-তারা প্রথম যুগের আরব মুসলমানদের উপাদান ছিল না।তুর্কিদের বা তুর্কি মুসলমান শাসক (উসমানিয়া যার মুলত জগৎ বিখ্যাত 'খান' ) মাধ্যমেই চাঁদ-তারা প্রতীকের ইসলামে অনুপ্রবেশ ঘটে।
তবে মনে রাখা প্রয়োজন, ৭৫১ সাল হতে ৯৬০ আব্বাসীয় জামানায় চাঁদ-তারা র্গৃহিত হওয়া সম্ভারণা কম কারণ আব্বাসীয়রা মেসপোটমিয় সাংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
ধন্যবাদ।
অনুসন্ধানী লেখা সংগ্রহে রাখলাম।
আসলে বিষয়টা এভাবেই এগিয়েছে। যার হাতে যখন ক্ষমতা সেই তখন তার ভাব এবং আমিত্ববোধের কিংবা পূর্বের থেকে নিজেকে পৃথক করার বাসনায়.. কখনো ভাললাগায়, কখনো সৌহাের্দ্যে স্বার্থে... এমন যোজন বিয়োজন ঘটেছে।
আর এনিয়ে জাত গেল ধর্ম গেল বলাটা বুদ্ধুবৃত্তির স্তরানুপাতে নির্ণিত হয়। লালন, নজরুল এক ইমাম গাজ্জালী এক সময় কাফের ফতোয়া পেয়েছিল.. আবার ওই সব মোল্লারাই এখন তাদের লেখানি,কাব্য গীত গান দিয়ে ধর্মের প্রাণ খুজে পান
আপনার উপসংহারের দাবী নিয়ে অনেকেই দ্বিধান্বিত!! দেখা যাচ্ছে।
আমার ব্যাক্তিমতে এতে দোষের কিছূ নেই.. রাখীর মতো অনুষ্ঠান দারুন আকৃষ্ট করে...
তবে যা সহজ, যা সাবলীল তাই সুন্দর।.
. তবে তা যেন কোন আরোপিত, চাপিয়ে দেয়া কিছূ না হয়।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে সহমত। ধর্মাচার কে আমি এভাবেই দেখি।
নুভান বলেছেন:
আমার দেয়া রেফারেন্স এ দেখুনঃTeng Ri (also called Teng’ri, Tengri or Tenri and Tanri) is the god of the old Turkic, Mongolian and Altaic religion named Tengriism. The Mongols called him Tengri, (depicted as Blue Sky) was the highest God of Turks and Mongols. The name "Tengri" (Tana-Gra) means "Ruler, Master of the Land";
In the pre-Islamic Turkish worship of celestial objects, lies the usage of Turkish Muslims of the crescent Moon as their symbol. Incidentally, the crescent moon, was borrowed by other non-Arab Muslims from the Turks. We may note that the Arabs never use the crescent moon as their symbol.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নতুন ভাবে খুজে দেখবো।
পাভেল০৮১ বলেছেন:
এই তথ্য গুলো ধর্মীয় গোড়াদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিক ধর্ম আর জাতি দুইটা ভিন্ন জিনিস। একটা অন্যটার মধ্যে ঢুকতে গেলেই যত অনর্থ ঘটে। ১০০ টা প্লাস আপনার জন্যঃ ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অসংখ্য উদাহরণ দিয়ে বলা যায় কিভাবে ক্রমাগত বিভিন্ন বিজিত জাতির সাংস্কৃতিক উপদানে ইসলাম যগ যুগে পুষ্ট হয়েছে।
আবার,যুগ যুগে এই সমন্নয় সাধন প্রক্রিয়া সংঘাত এসেছে।তার নির্মমতম উদাহরণ কারবালার যুদ্ধ।
অরণ্য আশরাফ বলেছেন:
লাল সাগর বলেছেন: 'একই ভাবে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালান, হাতে রাঁখি বাঁধা কিংবা কপালে টিপ পরা নিয়ে ইসলাম গেল বলে হৈচৈ করা নিতান্ত হাস্যকর নয় কি ?'সবই ঠিক ছিলো। শেষ উপসংহার এনে চমৎকার ফিনিসিং দিয়েছেন। তাই প্লাস(+)
লেখক বলেছেন: পড়া জন্য ধন্যবাদ।
অবয়ব বলেছেন:
বেশ কৌতুহলদ্দীপক। +উপসংহার বিতর্কিত হলেও ভাল লাগছে।
বর্তমানে সৌদী আরবের পতাকায় তরবারী দেখা যায়। এটার উদ্ভব কোথায়?
লেখক বলেছেন: সবুজ জমিনে কলমা শাহাদৎ যুক্ত পতাকা অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীর ওহাবী ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের সাথে পতাকা।
১৯০২ সালে Abdul Aziz ibn Abdul Rahman Al Saud পতাকায় তরবারি টি যুক্ত করেন।
জাফরিন বলেছেন:
আমার অনেক কাজে লাগবে। ইতিহাস খুব ভালোবাসি
মির্জা ইউক্লিড বলেছেন:
অসাধারণ
সেলিম৬২৫১ বলেছেন:
লাল সাগর বলেছেন: 'একই ভাবে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালান, হাতে রাঁখি বাঁধা কিংবা কপালে টিপ পরা নিয়ে ইসলাম গেল বলে হৈচৈ করা নিতান্ত হাস্যকর নয় কি ?'সবই ঠিক ছিলো। শেষ উপসংহার এনে গোলমাল করে দিয়েছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
কৌতূহল উদ্দীপক লেখা। আরো লক্ষণীয় মসজিদের মিনার গুলোতে চাদ-তারা ঝুলিয়ে রাখা হয়। ঈদ মোবারক বললেও সেখানে চাদ-তারা দেখানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে প্রতীক পরিবর্তন ও বিবর্তন থেকে একটা জিনিস সুস্পষ্ট, মুসলিমরা তার আত্মপরিচয় ধারণ করে এমন প্রতীক সংকটে ভুগেছে। ক্রসের সাথে তাদের বিশ্বাসগত বৈরিতার কারণে সেখানে রেড ক্রসের বদলে কিছু একটা দেয়া জরুরি ছিল।নবী মুহাম্মদের নির্দেশনা কঠোরভাবে পরধর্মের প্রতীক ধারণে নিষেধাজ্ঞা দেয়, সে হিসেবে চাদ-তারা আরো কোন ধর্মের সাথে মিলে গেল কিনা, বা চাদ-তারা দিয়ে চাদ-তারা পূজো ইঙ্গিত করা হল কিনা- যৌক্তিক আলোচনার মাঝে পড়ে।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
রেডক্রস বিষয়ক আমার অপর লেখাটি চোখে পরেছে নিশ্চয়।
মজার বিসয় হচ্ছে রেডক্রসের 'ক্রস' টি খ্্যীস্টিয় পবিত্র প্রতীক , যীশু কে বিদ্ধ করা 'ক্রস ' নয়।
এটা সর্বময় 'ক্রস'...................যার রুট ' স্বস্তিকা' আর স্বস্তিকার রুট 'সূর্য' বা সূর্যবাদ'।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
গবেষনাটা চমৎকার , জেনে বুঝে আনুগত্য করবে বিশ্বাসীরা , এটাই হতে হবে। বহুকাল ধরে চলে আসা অনেক আচার এর প্রেক্ষাপট দেখা যায় মুহাম্মদ (সাঃ ) এর সময়ে পৌছেনা। ইসলামের রুলিংস এবং কুরয়ান নাযিল এর বহু বহু পরে অনেক কিছু শুরু হয়েছে যেটা এখন ধর্মীয় রিচুয়ালে পরিণত করা হয়েছে যার কোন ভিত্তি নেই। খুব কমন উদাহরণ হলোঃ মেয়েদের আলাদা নামাজের নিয়ম , দিন ধরে শবে মিরাজ পালন.........
অসংখ্য অসংখ্য এমন !
অনেক ধন্যবাদ তথ্যভিত্তিক লেখাটার জন্য ।
একই ভাবে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালান, হাতে রাঁখি বাঁধা কিংবা কপালে টিপ পরা নিয়ে ইসলাম গেল বলে হৈচৈ করা নিতান্ত হাস্যকর নয় কি ?
এখানে আমার মতের ভিন্নতা আছে , যেহেতু বিজাতীয় সংস্কৃতি বর্জনের কথা বলা হয়েছে । যেখানে সরাসরি অন্য বিশ্বাস ধারণকারীদের রিচুয়ালের অনুসরণ করা হয় (মঙ্গল প্রদীপঃ আমাদের যাবতীয় মঙ্গল কামনা হবে আল্লাহর কাছে , আমরা অগ্নিপুজারী নই , লাল টিপ বা বিন্দিয়াঃ ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় যে মেয়েদের এই টিপ ব্যাবহার প্রধানত স্বামীর দীর্ঘজীবন কামনা করে , যেটা বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে সিঁদুড় এ রূপ নেয় শাস্ত্রঅনুযায়ী......... আমরা তো এক্ষেত্রে পড়বো সুরা ফুরকান, আয়াত ৭৪। অন্যরঙ্গের টিপ প্রসাধন হিসেবে ব্যাবহারে অনুসরণ হয়না বলে ধরা যায়। ......... রাখীর ব্যাপারটা জানা নেই যে এটা ধর্মীয় রীতি কিনা ......... )
স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণই পালন করতে পারি আমরা যতক্ষন না সেটা আমাদের ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক না হবে।
ধন্যবাদ আবারো ভিন্ন চিন্তা।
লেখক বলেছেন: স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পূর্ণই পালন করতে পারি আমরা যতক্ষন না সেটা আমাদের ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক না হবে।
..............................................................
আজ আমরা যাকে ইসলামি বিধান বলে জানি.... যাকে কোরআন -হাদিস আশ্রিত জীবন যাপন বলে মানি.তাঁর বহু উপাদান 'একটি যুগের বিদ্যমান কতগুলো সমাজের জীবনাচরণ থেকে কপি পেস্ট করা।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
সেই স্থানীয় সংস্কৃতির অনেক কিছুই নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ইসলাম এর অনেক রুলস এর সাথে ক্ল্যাশ এর কারণে। আবার প্রশ্ন আসতে পারেঃ আজকে আমরা ইসলামী বিধান হিসেবে কি কি জানি?
কুরয়ান বা হাদিস বলে দেয়না আমি কি খাবার খাব। বলে দেয়ঃ হারাম না খেতে! সুতোরাং হালাল সব ই ...
ইসলাম বলে দেয়না আমার পোষাক কি হবে! বলে দেয়ঃ কোন বিষয় গুলো পোষাকে থাকতেই হবে।
আরবের সংস্কৃতি, জীবনাচরণ পালন করাকে যারা ইসলামী বিধান বলে চালাতে চান বা চালান তাদের সাথে আমি দ্বিমত পোষন করছি।
কোরআন রুলস দেয়, যেটা পড়ে করনীয়টা ঠিক করে নিতে হবে আমাদেরকেই। হাদিস সাহায্য করবে। ইসলাম তো কোন নির্দিষ্ট এলাকার জন্য আসেনি। আরবদের বা নির্দিষ্ট কোন জনপদের সম্পদ না!
আমি বোঝাতে পারলাম আশা করি .........
ধন্যবাদ।
সজল বস বলেছেন:
মুসমানদের রাষ্ট্র আর ইসলামী রাষ্ট্র এক বিষয় নয়। আর তাই মুসলমানদের রাস্ট্র প্রধানরা কোন সিদ্ধান্ত নিলে সেটাকে ইসলামী ভাবার কোন কারন নেই। যদি সেটা ভাবা হত তাহলে হাসিনাও খলিফা হত। আপনি আপনার বক্তব্যে ইসলামী চিন্তাবিদরা এটাকে তথা প্রতিককে কিভাবে দেখে সেটা উল্লেখ করেন নি। ভুলে গেলে চলবেনা মুসলিম শ্বাসকদের বিলাসীতা ও অজ্ঞতা আমাদের পিছিয়ে পড়ার একটা বড় কারন। তাই আপনার বক্তব্যের সাথে অবশ্যই একমত না। এবং আপনারও উচিত ঐ যৌক্তিক কারন গুলো জানা যেগুলোর কারনে ইসলাম হারাম-হালালের বিধান দিয়ে থাকে।
সজল বস বলেছেন:
আপনি উসমানিয়া খিলাফতের উল্লেখ করেছেন। এটা অজ্ঞদের জন্য অবশ্যই বিভ্রান্তির ব্যাপার। প্রশ্ন আসতে পারে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠীত অবস্থায় এ ঘটনা ঘটেছে। আবারও বলছি মুসমানদের রাষ্ট্র আর ইসলামী রাষ্ট্র এক বিষয় নয়। উসমানিয়াদের শাসনামল কে খিলাফত বলা যাবেনা একারনে যে তারা রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। যেটা ইসলামে হারাম।
রংধনু বলেছেন:
মওদূদী ছাড়া আর কেউ উসমানীয় খিলাফতকে মুলূকিয়্যাত বা রাজতন্ত্র বলে নি। এই লোক কি বুঝে 'খিলাফত ও মুলূকিয়্যাত' বইটা লিখেছেন তা তিনিই জানেন।ইন্দিরা গান্ধীর পর রাজীব গান্ধীর ক্ষমতায় যাওয়াটা আদর্শ অবস্থা নয়- তাই অনাকাঙ্খিত। তবে গনতন্ত্রের শর্ত বজায় থাকায় ইন্ডিয়ার শাসনব্যবস্থাকে রাজতন্ত্র বলা যায় না। তেমনি উসমানীয় খিলাফতে বংশ-পরম্পরায় খলিফা নির্ধারিত হলেও তা রাজতন্ত্র হয়ে যায় নি। কারন, শাসন ব্যবস্থা খিলাফত -এর শর্ত পূরণ করেছে। এ নিয়ে আলেমদের মধ্যেও মতভেদ ছিল না কখনোই। তাই ১৯২৪ সালে এর পতন ঠেকাতে শুধু সে দেশের নয়- সারা বিশ্বের মুসলিম আন্দোলন করেছে। মওদূদী সাহেব প্রথম জীবনে এর সমর্থন করলেও পরে গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে মেনে নেন। ইসলামের আদর্শ ব্যবস্থাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ না করলে তার ইসলাম-কুফরের হাইব্রীড মতবাদ কেউ গ্রহন করছিল না...তাই তিনি হয়ত নিরুপায় হয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ তৈরী করতে চেয়েছিলেন... অবশ্য হালে পানি পান নি। আলেমদের কেউ খিলাফতের বিষয়টা অস্বীকার করেন নি।
লেখককে ধন্যবাদ চমৎকার পোষ্টটির জন্য
রাজসোহান বলেছেন:
প্রিয়তে
রংধনু বলেছেন:
খিলাফত থাকা অবস্থায়ও কুসংস্কার সমাজে প্রবেশ করতে পারে... এগুলো দূর করতে হয় সমাজ সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে। আমরা গর্বিত মুসলিম হিসেবে বিজাতীয় সংস্কৃতি গ্রহণ করবো না। রাসূল (সঃ) বলেন, যে ব্যক্তি যে জাতির অনুসরন করে সে তাদের একজন হিসেবে পরিগণিত হয়।তিনি যখন শুনলেন যে আহলে কিতাব আলেমরা মাথার মাঝখান দিয়ে সিঁথি করে তখন তিনি মাথার মাঝখান দিয়ে সিঁথি করা বাদ দিয়েছিলেন। আধুনিক কালেও আমরা দেখি সোভিয়েত ইউনিয়ন সমাজতান্ত্রীক দর্শনে বিশ্বাসের কারনে পুঁজিবাদী দর্শনের সংস্কৃতি থেকে পার্থর্ক্য রাখতো প্রত্যেক যন্ত্র নির্মানে।
এ কথা সত্যি যে আরবীয় সংস্কৃতিতে ইসলামী বলে চালানো উচিত নয়। জোব্বা পরার বদলে ইসলামী শর্ত মেনে জিন্সের প্যান্ট বা যে কোন পোষাক পরা যেতে পারে। খোর্মার বদলে ভাত তো আমরা খেয়েই থাকি। কিন্তু, আমরা মঙ্গলপ্রদীপ বা এমন কোন বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরন করব না যা আমাদের পরিচয় সংকট বা আইডেন্টিটি ক্রাইসিস তৈরী করে।
আমরা যখন বলি মিশরীয় সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেছে তখন এ কথা বুঝি না যে সেকালের মিশরের সব লোক মরে গেছে। বরং আমরা বোঝাই সেকালের লোকগুলো সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব হারিয়ে অন্যান্য সংস্কৃতিতে কনভার্ট হয়ে গেছে। ফলে, তাদের সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেছে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে এমন পরিনতি থেকে রক্ষা করুন আর ইসলামকে একমাত্র পরিচয় হিসেবে ধরে রাখার সুযোগ করে দিন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















