
গত ৯ জুন ২০১০ গণভবনের আসমা-রত্না-রুনার সফল বিবাহের আয়োজনের মাধ্যমে চিরন্তন বাংলার মাতৃরূপ মহামান্য প্রধানমন্ত্রীএদেশের শত সহস্র বৎসরের সামাজের বিদ্যমান বিশ্বাস কে পুনঃস্বীকৃতি প্রদান করলেন।
কন্যাপণ
আজ একাবিংশ শতাব্দীতে দাড়িও এদেশের কন্যাদায়গ্রস্ত শিক্ষিত- অশিক্ষিত মাতাপিতা কন্যার অনাগত সংসার সজ্জার সকল আয়োজন সম্পাদন (অঘোষিত যৌতুক) ব্যতিত কন্যা সম্প্রদানের কথা কল্পনাও করতে পারেন না।
গণভবণ আয়োজিত কন্যাত্রয়ের বিবাহ বিষয়ে ১০ জুন ২০১০ দৈনিক ইনকিলাবের ভাষায়..................
''আমাদের দেশীয় এবং মুসলিম সংস্কৃতির ঐতিহ্য অনুযায়ী কনের পরিবার থেকে বরকে বিয়ের জন্য যা যা দেয়া হয় তার সবকিছুই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।''
জয়তুন কন্যাপণ।।
জয়তুন বঙ্গীয় দেশীয় এবং মুসলিম সংস্কৃতির ঐতিহ্য।।
জয়তুন প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গীয় মাতৃরূপ।।
পুরুষের পায়ের নিচেই নারীর একমাত্র ও নিরাপদ আশ্রয়।
সেই বৈদিক কাল হতে শাস্ত্রকাররা নানা রূপে নানা ভাষায় বারংবর নারীর নিরাপত্তার বিধান দিতে গিয়ে বলে এসেছেন.................
''নারীর শৈশবর পিতার ছায়া তার আশ্রয়, নারী পরিণত বয়সে স্বামীর পদতলেই নারীর স্বর্গ আর বার্ধক্যে পুত্রের করুণাই একমাত্র নিয়তি।''
মহামন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।।
পুরুষতান্ত্রিক সামাজ শাস্ত্রের প্রতি অবিচল থেকে আপনি পিতায় আশ্রয় হারা তিনটি অবলা নারীকে অতিশয় সংক্ষিপ্ত সময়ে চোখের পানি শুকাবার আগেই তাদের ২য় আশ্রয় স্থলের সংস্থান করে দিলেন।
পদাটিকাঃ
বেগুনবাড়ির কান্না নিমতলির পোড়া মাংসের গন্ধে মিলিয়ে না যেতেই গণভবন বিবাহের সানাইয়ের সুরের মধ্য দিয়েএকটি আকর্ষণ নাটিকার যবনিকা পতন ঘটল।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



