নতুন ঈশ্বর আবশ্যক
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:৪৮
(চিরপরিবর্তনশীল, গণতান্ত্রিক, উদারমনস্ক ও বৈষম্যহীন ধর্ম প্রবর্তনের জন্য)
প্রারম্ভিকা: বিশ্বের এখন ক্রান্তিকাল। এ পর্যন্তসৃষ্টি করা স্রষ্টা ও ধর্মের বিরোধে বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসী মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। যুক্তিসঙ্গত কারণে মানুষের প্রয়োজন একটি নতুন, কার্যকর ও যুগোপযোগী ধর্ম। কিন্তু নতুন ধর্মের কাঠামো নিয়োগ দেয়ার আগে প্রয়োজন একজন গণতান্ত্রিক, উদারমনা, বৈষম্যবিরোধী ও পরিবর্তনে আস্থাশীল ঈশ্বর নিয়োগ। ঈশ্বর একক, দ্বৈত বা বহুসত্ত্বা হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো বাধা নেই। তবে স্বৈরাচারী ঈশ্বরের চেয়ে গণতান্ত্রিক, জীবমতসহিষ্ণু, ধর্মনিরপেক্ষ ঈশ্বরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
নতুন ঈশ্বরকে বর্তমান অসহিষ্ণু অবস্থার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে বিধায় তার কার্যাবলী সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হবে। তবে প্রাথমিকভাবে তাকে নিম্নলিখিত গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে এবং বর্ণিত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে:
*নতুন ঈশ্বরকে অবশ্যই আগের ঈশ্বরদের দোষ-ত্রুটি মুক্ত হতে হবে।
*একটি সর্বসম্মত ও সার্বজনীনভাবে গৃহীত ঐশীগ্রন্থ গণতান্ত্রিকভাবে অনুমোদনের আগে গোপনে কোনো বিশেষ ব্যক্তির কাছে ঐশিবাণী প্রেরণ করা যাবে না।
*ঐশিবাণী প্রেরণের পদ্ধতি অবশ্যই প্রকাশ্য হতে হবে এবং বিশেষ কোনো মানুষ বা বিশেষ কোনো যুগের মধ্যে এটি সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না।
*বিশ্বমানবতার জীবনকে কণ্টকমুক্ত রাখার দায়িত্ব সার্বক্ষণিকভাবে পালন করে যেতে হবে এবং অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত ছুটি নেয়া যাবে না।
*কোনো অবস্থায় অন্যের মাধ্যমে বাণী পাঠানো যাবে না এবং কোনো মানুষকে মহামানব, মহানারী বা মহাপুরুষ ঘোষণা দিয়ে তার কাঁধে দায়িত্ব চাপিয়ে কুম্ভকর্ণের নিদ্রা দেয়া যাবে না।
*অতিঅবশ্যই ঈশ্বরকে নিজ দায়িত্বে সকল জীবের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে ও কোনো প্রেরিত পুরুষ, নারী বা প্রাণীকে এ কাজে ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ ঈশ্বরের কর্মকান্ড ও বিশ্ব পরিচালনার কার্যক্রম প্রতিনিধিত্বমূলক না হয়ে অংশগ্রহণমূলক হবে।
*মানুষের ভাষায় প্রকাশ করা যায় এমন যাবতীয় গুণ ঈশ্বর নিজের দখলে নিতে পারবে না। সর্বোচ্চ দশটি গুণ তার জন্য বরাদ্দ করা যেতে পারে এবং সেগুলো মানবীয়গুণের তালিকার বাইরের গুণ হতে হবে।
*কোনো ধ্বংসাত্মক বা বিপর্যয়মূলক কর্মকান্ড যেমন, সুনামি, বন্যা, অগ্নু্যৎপাত, সাইক্লোন, হারিকেন ইত্যাদিকে নিজের কৃতিত্ব হিসেবে প্রচার করা যাবে না। ঈশ্বর অবশ্যই কোনো কার্যকারণ ছাড়া নির্বিচার নিষ্ঠুরতা, নির্মমতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সচেষ্ট থাকবে।
*সপ্তাহের কোনো বিশেষ দিবসকে পবিত্র দিবস ঘোষণা বা উপাসনার জন্য নির্দিষ্ট করা যাবে না। ঈশ্বরকে সপ্তাহের যেকোনো দিনে বা যেকোনো সময়ে করা মানুষের সৎ কাজকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।
*ঈশ্বর কোনো বিশেষ অঞ্চলের ভাষাকে অন্য ভাষার উপর গুরুত্ব দিতে পারবে না এবং নিজের মাতৃভাষায় ঈশ্বরের ঐশিবাণী সরাসরি শোনার অধিকার সব মানুষের থাকবে।
*মৃতু্য পরবর্তীকালে নরক যন্ত্রণার ভীতি প্রদর্শন করে বা কোনো মনোরম বাসস্থান, অতিপ্রাকৃত পুরষ্কার এবং দৈব রূপসী বা নট-নটীদের লোভ দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে আনুগত্য আদায়ের কোনো চেষ্টা করা যাবে না। আনুগত্য স্বত:স্ফ্থর্ত, যৌক্তিক ও উভয়পক্ষের পারষ্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।
*মানুষের কর্মকান্ড গোপনে লিপিবদ্ধ বা প্রত্যক্ষ করার জন্য কোনোরকম আড়িপাতা যাবে না বা কোনো গোয়েন্দা তা শরীরি বা অশরীরি হোক নিয়োগ করা যাবে না।
*মানুষকে বিভ্রান্ত, বা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পথভ্রষ্ট করার জন্য অতিক্ষমতাশীল অন্য কোনো অস্তিত্ব (যেমন: শয়তান, ভূত-পেতি্ন, জি্বন) তৈরি করা যাবে না।
তাছাড়া, বিভিন্ন প্রাণী সত্ত্বা ও প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক শক্তির মধ্যে অধিকার সংক্রান্তবিরোধের ক্ষেত্রে ঈশ্বরকে নিরপেক্ষ থেকে যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক সমাধান উপস্থাপন করতে হবে। শিশুহত্যা, দুর্বল মানুষ ও প্রাণীহত্যা, যা পাশবিক পর্যায়ে পড়ে, এধরনের হীন কাজ করে নিজের ক্ষমতা জাহির করার প্রবণতা অবশ্যই রাখা যাবে না। সময়ের সাথে মানুষের অগ্রযাত্রা, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও সামাজিক গবেষণার ফলাফল অবশ্যই নখদর্পনে রাখতে হবে এবং পশ্চাদপদ ধারণাকে প্রশ্রয় না দিয়ে সর্বদা প্রগতিশীল চিন্তাধারাকে সমুন্নত রাখতে হবে।
উপরোলি্লখিত প্রাথমিক গুণাবলী বিশিষ্ট ও কার্যতালিকায় বর্ণিত দায়িত্বসমূহ যোগ্যতা ও নিষ্ঠার সাথে পালনে সক্ষমদেরকেই শুধুমাত্র যোগাযোগের জন্য উৎসাহ দেয়া যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অস্থির সময়ের প্রেক্ষাপটে এ দায়িত্ব পালনের ভার অযোগ্য কারো কাঁধে পরীক্ষামূলক দেয়ার ঝুঁকি বহন করা সম্ভব নয়। কেবলমাত্র প্রাথমিক বাছাইয়ের শর্তপূরণ করা সাপেক্ষে প্রার্থীদেরকে পরবর্তী যাচাইয়ের ধাপে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। প্রাক্তন দায়িত্বপালনের দোহাই বা কোনো রকমের ক্ষমতাপ্রয়োগের মাধ্যমে নিয়োগকে প্রভাবান্বিত করার চেষ্টা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
এতদবিষয়ে ধারনাপত্র বা কনসেপ্ট পেপার জমা দিতে ইচ্ছুকরা পদটি সংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণের জন্য দীক্ষক দ্রাবিড়ের তড়িৎডাকে আগ্রহের কথা জানান।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
:) বলেছেন:
মাইন্ডব্লোইং আই মেনট।
:) বলেছেন:
দীক্ষক : দ্যাট ওয়াস মাইন্ডব্লোলোইং (যুক্তাক্ষর আসছে না!)
অতিথি বলেছেন:
অরুণিমা বলেছেন:
ঈশ্বর নিয়োগের ধারণাপত্র আপনার কাছে জমা দিলে তো আপনি পক্ষপাতিত্ব করবেন। আর যদি বলেন আপনি পক্ষপাতমুক্ত, তাহলে নতুন ঈশ্বর পদে আপনিই সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। ধারণাপত্র লিখতে বসে যাচ্ছেনা কেন ?
দাদা বলেছেন:
অভিজ্ঞতা কি আবশ্যক ? মেয়াদ কতদিন ?
অতিথি বলেছেন:
আরে দীক্ষক দ্রাবিড়োয়া, মুখফোড় কা বেওসা তো মিট্টি মে মিলা দিয়া তুনে!
অতিথি বলেছেন:
ঈশ্বর কয়টাকা কেজি ?
অতিথি বলেছেন:
ঈশ্বর অসিদ্ধঃ
অতিথি বলেছেন:
ফালতু
অতিথি বলেছেন:
অরুণিমা: নতুন ঈশ্বরের ধারনাপত্র আমি একা তৈরি করতে যাচ্ছি না। কারন আগের মত আমরা কোনো মহামানবের উত্থান চাই না। চাই গণতান্ত্রিক ধারনার বিজয়। যারা ধারনাপত্র জমা দেবে তারা আসলে বৈশ্বিক প্রয়োজনে কনসালটেন্ট বা পরামর্শদাতার কাজ করবে। আসল অনুমোদক বিশ্বাসী জনগণ।
দাদা বলেছেন:
ও আরেক টা কথা, জমা দেয়ার শেষ তারিখ কবে ভাই ?
অতিথি বলেছেন:
দীক্ষক, দীক্ষা দিন। মাতা-পিতার ধর্মনিয়েই তো জীবন পার করে দিলাম। পৃথিবী জুড়ে কত ধর্ম অচেনা রয়ে গেলো। সত্য কি সেখানে আছে? বলুন না দুয়েকটি ধর্মের বিশ্বাস ও ইতিহাস।
অতিথি বলেছেন:
দীক্ষক, এ রকম একটি মৌলিক লেখা, বাংলায় বা ইংরেজিতে আমি কখনও পড়িনি। অন্য ভাষা আমি জানি না। আপনি অত্যন্ত মেধাবী একজন লেখক। আপনার চিন্তা-ভাবনার মৌলিকত্ব থেকে বাঙালি জাতিকে বঞ্চিত করবেন না। লিখুন। যে যাই বলে লিখুন।
মৌলিক ও আউট-অভ-দি -বক্স ভাবতে পারে এমন প্রথাবিরুদ্ধ চিন্তা-চেতনার মানুষের বড় অভাব আমাদের মাঝে।
আমরা তাই কাদায় আটকে আছি। আমাদেরকে নতুন আলোর পথে যাত্রা করার দীক্ষা দিন।
অতিথি বলেছেন:
চৌধুরী ভাই, দীক্ষা হবে। শুধু উসকে দিন প্রদীপের আলো। সব অন্ধকার ঘুচে যাবে।
নতুন বলেছেন:
নতুন ভাবনার জন্য , ধন্যবাদ...... শোহেইল ভাইর কথা আমার ও......... ভাই আলো আস্ত আস্ত বাড়াতে হবে, সবার যে আলোতে ভয় !!
অতিথি বলেছেন:
কামটাতো ভালোই। কেমন দিবেন টিবেন?
অতিথি বলেছেন:
লেখাটি পড়ুন । পড়লেই বুঝবেন ঈশ্বর বানানোর কাজটি কত সহজ। অনেকটা পুতুল বানানোর মতই। তবে পুতুলকে অনেকেই ঈশ্বরজ্ঞানে শ্রদ্ধা জানাতো। কিন্তু আপনি চাইলেই কোনো পুতুল না বানিয়ে কোনো ধারণাকে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। ধারণা হলে সুবিধা বেশি। সহজে কেউ আপনার বিশ্বাস নি েয় প্রশ্ন করে আটকাতে পারবেনা ।একেকবার একেক কথা বলে আপনি পাশ কাটিয়ে যাবেন।
রাগ ইমন বলেছেন:
হাহাহাহাহাহাহাহা।ব্যাপকস!!! অ-গাধ!!! মারডালা।
প্রথম পোস্ট থেকে পড়া শুরু করলাম,
প্রথম বলেই ধরাশায়ী। গুরু, আমি একটু বুঝার চেষ্টা করিতেসি, যদি একটু শিখাইতেন।
মানে, যুক্তি তকক বেশি করছি, তয় পুস্টকের ইস্টক কম।
আপনার পাঠশালায় জায়গা হবে? ভর্তি ফি কত?
পাঠ শেষে , ঈশ্বর পদে আবেদন করলেও করতে পারি। যদিও , পদ টা তেমন আকষনীয় না আমার কাছে, ভেরি লোনলি এবং বোরিং!!!!!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
লেখার ভঙ্গি কলা ইমন দারুন নিসন্দেহে,কিন্তু কথা আছে খানিক........................
যদি ঈশ্বর সত্যি কোন কিছু হয়েই থাকে,এবং আস্তিকতার বিশ্বাসে আমরা ঈশ্বর নামে কোন সুপার পাওয়ার কে ইংগিত করেই থাকি এবং তার প্রতি আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে আনুগত্য দেখানোর মনবাসনা লালন করি........তাহলে আপনার ঈশ্ব রপরিবর্তনের ধারনা এবং যুক্তি সমপূর্ণ ভ্রান্ত এবং ভুল। কেন?---
--ঈশ্বর সেই যার কর্মপন্থা যার সিস্টেম এ অতীতেও ভুল থাকতে পারেনা, পারেনা বতূমানেও । ভুল করার মত কোন শক্তি ঈশ্বর হতে পারে কি? যদি ভুলের কোন সুযোগ ঈশ্বরের নাই থাকে তবে তার রুপ ধরন , পন্থা পরিবর্তনের প্রশনই আসেনা।
---ভুল যা , ধারনার সমস্যা যা, ব্যাখ্যায় গলদ যা সব আমাদের মধ্যে ............আমাদের মানুষের মাঝে ব্যাপক পরিবর্তন দরকার ঈশ্বরের সম্পর্কে সব ধারনায় যথার্থতা আনয়নে।
আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না। ঈশ্বর পরিবর্তনশীল হলে সে আর ঈশ্বর তাকতে পারেনা।
অতিথি বলেছেন:
রাগ ইমন, জুলাইতে আপনি উঁকি দিয়েছিলেন এখানে। ভালোও লেগেছিলো বুঝি। ধন্যবাদ। বিনয় নয়, সত্য জবাব দিই, পাঠশালা খুলিনি। তবে পাঠ ও বিশ্লেষণের এই চর্চায় আপনাকেও সাদর আমন্ত্রণ।
পথিক, অনেক কথা বলার পর যখন আপনি শেষ বাক্যটি লিখে ফেলেন যে ঈশ্বর পরিবর্তনশীল হলে সে আর ঈশ্বর থাকতে পারে না তখন আপনিও এসে আমার কাতারেই দাঁড়ান। তখন আপনার মন্তব্যের উপরের বাক্যগুলি অপ্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে।
ধন্যবাদ।
পথিক, শুভেচ্ছা।
রঙহীন বলেছেন:
আপনার পয়েন্টগুলায় ভেজাল আছে। 10 জনের একটা দল ভ্রমনে যাচ্ছে। তাদের অভিভাবকগণ 10জনকেই বললেন তোমরা মদ খেও না, তোমরা নারী নিয়ে বিছানায় যেও না, তোমরা দিবসে মোমবাতি জ্বালিও না, আর আমাকে স্বরন করিও। ঠিকাছে, তো তারা ভ্রমনে গেল। তখন এই প্রকাশ্য ওহির সুফল আর কুফল কি দাঁড়াইলো? আমি তো রঙহীন। তাই রঙ দেখি না। আপনি দেখান।
রঙহীন বলেছেন:
গিনিপিগ লাইফ আপনার পছন্দ দেখি। ঐটা লইয়া থাকেন। একটা ঢেউটিন মার্কা কলাগাছ ঘরে লাগান, আর করা খান। পুষ্টি হইবো, মাথায় বুদ্ধিও খুলবো
রঙহীন বলেছেন:
গিনিপিগ লাইফ আপনার পছন্দ দেখি। ঐটা লইয়া থাকেন। একটা ঢেউটিন মার্কা কলাগাছ ঘরে লাগান, আর কলা খান। পুষ্টি হইবো, মাথায় বুদ্ধিও খুলবো
অতিথি বলেছেন:
আমার ঈশ্বর হইতে ইচ্ছা করতাছে। কিন্তু কোর্স তো করা নাই। দ্রাবিড় আপনি কি শিখাইবেন? আর আমি ব্লগে নতুন। আবেদনপত্র গ্রহণের তারিখ কি এখনো আছে ? আমি ইন্টারেস্টেড।
তাপস হালদার বলেছেন:
নারী, সংখ্যা লুঘুসম্প্রদায় এবং উপ জাতি, কিংবা মুক্তিযোদ্ধা প্রভৃতি প্রানির জন্য কোটা বা বিশেষ সুবিধা আছে কি?
অতিথি বলেছেন:
অলৌকিক হাসান, কত পয়গম্বর, কত প্রেরিত পুরুষরা তো তাদের পছন্দমত ঈশ্বর বানালো। ধর্ম ছড়ালো। বিনাকোর্সেই। আপনিও পারবেন।দ্রোহী, ঈশ্বর খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। তবে আজকের পৃথিবীর গতিব্যস্ততায় নাকি ঈশ্বরের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। ঈশ্বরের স্থান দ্রুত দখল করে নিচ্ছে অন্যান্য নানা প্রয়োজনীয় সামাজিক সিম্বল। ঈশ্বর নিয়ে ভাবার সময় কই মানুষের? চারপাশে এত বিকল্প....
দ্বিধা বলেছেন:
ক্ল্যাসিক...
শাহরিয়ার হোসেন বলেছেন:
ভাল লাগলো....+
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
জটিল।
যীশূ বলেছেন:
আসল কথা তো বলা হয়নি। ঈশ্বর কি শরীরি না অশরীরি হবে?
রাশেদ বলেছেন:
মাশাল্লাহ!
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
আমিও আর সীমাহীন অক্ষম এবং মিথ্যাবাদী ঈশ্বরগুলোর মতো কোন ঈশ্বর চাই না। আপনার ধারণাপত্রটি চমৎকার লাগলো।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
আমি পূনর্বার মুগ্ধ হলাম। ধারণাপত্রটি বর্তমানে পূজাপ্রাপ্ত ঈশ্বরগুলোর স্বরূপ উদ্ঘাটনে যথেষ্ট সহায়ক হবে বলে আমার বিশ্বাস।
লাল পিপড়া বলেছেন:
জটিল।
অ রণ্য বলেছেন:
অনেকদিন পর আপনা আপনি প্রিয় এবং প্লাস দুটো বাটনেই মাউস চলে গেল।
তনুজা বলেছেন:
শুভেচ্ছা অভিনন্দন ধন্যবাদ
ক-খ-গ বলেছেন:
অ সা ধা র ণ
ঘাস ফুল বলেছেন:
অসাধারণ প্রস্তাবনা!!!!!!!!!!......এই ঈশ্বরই খুঁজি.........
শত রুপা বলেছেন:
সুন্দর।
দিগন্ত বলেছেন:
এককথায় অসাধারণ লেখা...
কঁাকন বলেছেন:
ভাই আপনি কেন হারায় গেলেন?
লড়াকু বলেছেন:
নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
নাস্তিকরা কি আর নাস্তিক থাক তে চায় না !!!!!!ঈশ্বর এইবার তাদের এক টা লাগবেই লাগবে.।.।.।.।.।।
আপনার প্রস্তাব নাস্তিক সমাজে আলোরণ ফেলে দিয়েছে। যেহেতু তারা বিভ্রান্ত ছিল, এইবার তাদের বিভ্রান্তি লাঘবের পথ কিছুটা হলেও আপনার প্রস্তাবে দেখতে পেয়েছে। নাস্তিকদের দূরদশা লাঘবে আপনার প্রস্তাব এক কথায় mind blowing.
তবে উস্তাদ শেষ রাইতে ধরা খাইলে mind blow তো হইব অস্তিত্ব নিয়াও টানাটানি পরব।
তাই সময় থাকতে হুশিয়ার হোন।
তরু বলেছেন:
কেমন আছেন?
ব্রুটাস বলেছেন:
লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
আইডিয়া টা চমৎকার।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
হাসান মাহবুব বলেছেন: স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
প্রিয় ঠেলা!
ধ্রুব তারা বলেছেন:
আমি এবং আঁধার বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
সজল বস বলেছেন:
-
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
ঈশ্বর পরিবর্তনশীল হলে সে কী আর ঈশ্বর থাকতে পারে?
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন:
ধ্রুব তারা বলেছেন: আমি এবং আঁধার বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
সিস্টেম বলেছেন:
স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: comment by: ব্রুটাস বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: নতুন ঈশ্বর আবশ্যক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















