আমার প্রিয় পোস্ট

ইচ্ছেমতো লেখার স্বাধীন খাতা....

রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-৫

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

কথা প্রসঙ্গে হাবিব নামে অন্য এক রেস্টুরেন্টের কর্মচারী বেশ গর্ব করেই বলছিলেন, একবার তিনি রাজশাহীর এক লোকের জন্য অনেক গণ্ডগোল করেছিলেন। রাজশাহীর সেই লোকের ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও দেশে ফিরে যাননি। বৃটেনের এক রেস্টুরেন্টে অবৈধভাবে কাজ করতেন তিনি। অবৈধরা বিদেশে কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। একজন মানুষের দুর্বলতার সুযোগ পেলে অন্যরা তার উপর আরো ভালোভাবে চেপে ধরে তা অতি স্বাভাবিক বিষয়। রেস্টুরেন্টের অন্য কর্মচারীরাও তার ওপর বেশ অত্যাচার করতেন। সারা দিনরাত তাকে দিয়ে কাজ করানো হতো। বেতন দেয়া হতো অতি সামান্য।
কিন্তু এতেই কাহিনীর শেষ নয়। রেস্টুরেন্টের মালিক একবার তার ওপর খুব বিরক্ত হয়েছিলেন। বিরক্ত হয়ে তিনি তাকে ছুরি দিয়ে খোচা দিয়েছিলেন। ধারালো ছুরিতে তার হাত বেশ ভালোভাবে কেটে গিয়েছিলো। এর পরেও সেই কর্মচারী কারো কাছে অভিযোগ করেননি। কারণ, পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ওনার অভিযোগ হয়তো শুনবে, ব্যবস্থাও নিবে। কিন্তু তার পরই ভিসা না থাকার কারণে পুলিশ ওনাকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিবে। আর মালিক যদি তাকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেয় তাহলে নতুন একটা চাকরি যোগাড় করা তার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। কারণ অবৈধ শ্রমিকদের চাকরি যোগাড় করা খুব কঠিন ব্যাপার। এসব দিক মিলিয়ে মালিক ছুরি মারার পরেও আহত সেই কর্মচারীর মুখ বুজে সহ্য করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
একমাত্র হাবিব সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি রেস্টুরেন্টের মালিককে বলেছিলেন, “আমার ভাই আজকে পেটের দায়ে অবৈধভাবে এদেশে আছে। তাই বলে আপনি তাকে ছুরি মারতে পারেন না।” তিনি এ ঘটনা দেখে পরদিন অন্য কর্মচারীদের নিয়ে মালিকের বিরুদ্ধে সংগঠিত হন। মালিককে তিনি মাপ চাইতে বাধ্য করেন, সেই আহত শ্রমিকের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করেন।
বৃটেনের বাংলাদেশী মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেলে অদ্ভূত এক বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখা যেতো। বিজ্ঞাপনে এক রেস্টুরেন্টের ভেতরে শেফ ধারালো একটা চাপাতি বাগিয়ে খুব বিপজ্জনকভাবে অন্য একজনকে তাড়া করতো। সাধারণ কোনো মানুষের পক্ষে এ বিজ্ঞাপণ দেখে অবাস্তব বলেই মনে হবে। যদিও আমি বাস্তবেই এমন ঘটনার প্রমাণ পেলাম।
এ ঘটনা শুধু একটা নয়। অবৈধ শ্রমিকদের এমন বহু ঘটনা এখানকার রেস্টুরেন্টগুলোতে নিয়মিত হয়। তবে তাদের দুঃখ দুর্দশাতে এভাবে এগিয়ে আসার এমন ঘটনা খুবই কম। অবৈধদের পক্ষে এসব বিষয়ে আইন-আদালতের সাহায্য নেয়া কোনোক্রমেই সম্ভব হয় না।

বৃটেনের নিয়ম অনুযায়ী কেউ ১৪ বছর এ দেশে অবৈধভাবে অবস্থান করতে সক্ষম হলে তাকে বৃটিশ নাগরিকত্ব দেয়া হয়। এ কারণে রেস্টুরেন্টের অনেক অবৈধ শ্রমিকেরা নিজেদের জীবন-যৌবন শেষ করে অপেক্ষায় থাকে এক যুগ পূর্তির জন্য। অনেকে তার আগেই পুলিশের কাছে ধরা পড়ে বৃটিশ লাল পাসপোর্টের স্বপ্ন ধূলিস্যাত করে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। সবচেয়ে হৃদয় বিদারক হয় যাদের ১০ বা ১১ বছর কষ্ট করে থাকার পরে জোর করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। কয়েকদিন আগে এ এলাকা থেকে এমন কয়েকজন শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরত পাঠানো হলো যাদের এ দেশে ১৪ বছর পূর্ণ হতে আর কয়েক মাস বাকি ছিলো। জীবনের বড় একটা অংশ অবৈধভাবে লুকিয়ে, অল্প বেতনে, লোকজনের লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করে থাকার পর এ হলো তাদের পরিণাম।

রেস্টুরেন্টে জয়েন করার পর কিছুদিন হলো শোনা যাচ্ছিলো অবৈধ শ্রমিকদের জন্য বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক ধরপাকড় চলছে। এ নিয়ে রেস্টুরেন্ট মালিকেরও ব্যাপক চিন্তা ছিলো। শ্রমিকদের ভাগ্যের চেয়ে তার চিন্তাটা মালিককে নিয়েই বেশী ছিল। কারণ অবৈধ শ্রমিক ধরা পড়লে নিয়োগকর্তার প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য ১০ হাজার পাউন্ড জরিমানা হয়। একদিন তিনি আমাকে কতোদিনের ভিসা আছে, কতো দিনের ডিগ্রি নিচ্ছি ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করে নিলেন। আমার পকেটে থাকা ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের কার্ড, আর ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড দেখিয়ে তাকে নিশ্চিন্ত করলাম। তার রেস্টুরেন্টে আমরা কেউ অবৈধ ছিলাম না। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্টগুলোতে অবৈধদের সন্ধানে পুলিশের রেইড করার খবর আসছিল। প্রচুর বাংলাদেশী অবৈধ শ্রমিক ধরা্ও পড়ছিলেন।
শুনলাম এক রেস্টুরেন্টে রেইড করার সময় বৃটিশ পুলিশদের সঙ্গে এক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত অফিসার ছিলেন। আইডি চেক করার সময় তিনি কৌশলে এক অবৈধ বাংলাদেশীকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন। দেশীদের মহানুভবতার এমন কাহিনী রেস্টুরেন্টের স্টাফদের মুখে মুখে ফিরছিলো। যদিও লোকমুখে শোনা এসব কাহিনী সত্য হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বাস্তবে অবৈধ শ্রমিকদের বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসে না।

বার্মিংহামে আমার বাসার কাছেই সপরিবারে থাকেন সদালাপি এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি। আমরা ওনাকে আঙ্কেল বলে ডাকি। প্রায়ই ঈদ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি আমাদের দাওয়াত করে খাওয়ান। এই আঙ্কেল বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআরের প্রথম শ্রেণীর একজন সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু বিডিআরদের ওপর অত্যাচার ও নিপিড়ন মূলক আচরণ, চাকরিতে উন্নতি না হওয়ার অনড় নিয়ম ইত্যাদি দেখে তিনি হতাশ হয়েছিলেন। তার পরও তিনি বিদ্রোহ করেন নি। বিডিআর বিদ্রোহের অনেক আগেই হতাশ হয়ে দেশ ছেড়েছেন।
তিনি সামরিক বাহিনীর চাকরির বিধিমালা ভেঙ্গে বৃটেনের একটা টুরিস্ট ভিসা জোগাড় করে সপরিবারে পালিয়ে এসেছেন। এখন তিনি অবৈধভাবে এ দেশে আছেন প্রায় সাত বছর। কাজ করেন একটা রেস্টুরেন্টে। মধ্যরাত পর্যন্ত অমানুষিক পরিশ্রম করেন সামান্য কয়টা পাউন্ডের জন্য। অবৈধভাবে এদেশে বসবাস করায় অন্য কোনো চাকরি পাওয়া সম্ভব না ওনার পক্ষে। আবার দেশে ফেরত গেলে সামরিক বাহিনীর আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
যতোবার এদেশে রেস্টুরেন্টগুলোতে পুলিশের রেইড করার খবর পাই ততোবারই আমার ওনার কথা মনে পড়ে। ওনার মানসিক অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে বছর গুনি। তিনি এদেশে আছেন সাত বছর। চৌদ্দ বছর অবস্থান করে বৃটিশ পাসপোর্ট পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো সাত বছর। এর মধ্যে কখনো কোনো প্রয়োজনে সরকারি লোকজন ও পুলিশের কাছে যাওয়া যাবে না। দেশে যাওয়ার কথা ভাবাই যাবে না। বাবার কথা যতোই মনে পড়ুক। মা যতোই অসুস্থ হোক তার কাছে যা্ওয়ার কথা চিন্তা্ও করা যাবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয়জন মারা গেলেও তাকে শেষবারের মতো দেখা যাবে না।

অবৈধভাবে অবস্থানকালীন এক যুগেরও বেশী সময়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রচণ্ড ভয় আছে প্রত্যেকের। অসময়ের এক মিনিটই কতো লম্বা মনে হয়। আর দীর্ঘ ১৪টি বছরকে না-জানি কতোই না দীর্ঘ ও কষ্টকর সময় হিসেবে পার করতে হয়। ওনার মতো এমন বহু অবৈধ শ্রমিক ভিসার অভাবে বিদেশের মাটিতে জীবনের দীর্ঘ ভীতিময় সময় পার করেন। কবে শেষ হবে চৌদ্দ বছর, সে আশায় দিন গুনেন। সুদূর প্রবাসে অমানসিক পরিশ্রম করে বিসর্জন দেন তাদের জীবন-যৌবন সবকিছু।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
নুশেরা বলেছেন: এ কী জীবন দেখাচ্ছো ভাই, গল্পকে হার মানায়!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। বাস্তব কাহিনীগুলো আরো অনেক কঠিন। লেখায় ভালভাবে তুলতে পারছি না।
ভাল থাকবেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
জুল ভার্ন বলেছেন: খুব কস্টের! অত্যন্ত বেদনাদায়ক!!!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: বাস্তব আরো কঠিন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
ভাল থাকবেন

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
শিবলী বলেছেন: পড়ে মনটা খারাপ হয় খালি। একটাই জীবন পেটের দায়ে কেউ সুখ-ই পায় না। সব-ই কপালের দোষ। এর চে মনে হয় দেশে থকে ঠিকমত চেস্টা করলে আরও সহজে প্রতিস্ঠা পাওয়া যায়।মানসিক কস্ট তো এত থাকে না।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: একটা জিনিস নিশ্চয়ই অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এ শ্রমিকদের রক্তের ওপর দেশের অর্থনীতি আজকে বিশ্বমন্দার সময়েও দাড়িয়ে আছে।

৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
ঘোর বলেছেন: তথ্যবহুল। প্রিয়তে রাখলাম। +
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: প্রিয়তে রাখার মতো অতো ভাল কোনো পোস্ট না। তবু অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...
বিডিআরের ভদ্রলোক এতদিন ধরে অবৈধ কেন? এজাইলাম এর এপ্লাই করলে তো তিনি নিশ্চিত করেই পাবেন। এটি একটি ভাল কারন। তিনি বিডিআরে থাকতে না পেরে পালিয়েছেন। এজাইলাম তার প্রাপ্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আগে সেখানকার পরিস্থিতি মিডিয়াতে এভাবে আসেনি। তাই ব্যাপারটা তখন বোঝানো সহজ ছিল না। এখন হয়তো অগ্রগতি হবে। সুযোগ পেলে আমি ওনাকে পরামর্শটা দিয়ে রাখবো।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মাইনাস কেন এই নির্দোষ পোষ্টে? আজীব তো!!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: পোস্টে দুই-একটা মাইনাস না পড়লে মাইনাসের অপশনটা রেখে লাভ কি?
(ধরে নিলাম প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশার কাহিনী পড়ে পাঠকের এতোই খারাপ লেগেছে যে তিনি মাইনাস দিয়েছেন)

১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: কষ্টের ও তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: তথ্যের চেয়ে আবোলতাবোল কথাই বেশী। যাই হোক, পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইলো।

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
শ।মসীর বলেছেন: জীবন............... :(
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: :( মন খারাপ করা সিরিজ আপনার। তারপরও প্রতিবার লাফ দিয়ে পড়ি। আর মন খারাপ হয়। কি ভয়ানক কষ্ট নিয়ে মানুষগুলো বেঁচে থাকে। একটু ভালভাবে বাচার আশায়। ভাবতে খুব খারাপ লাগে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত চমৎকার একটা লেখা জন্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: বাস্তবতা সত্যিই খুব কঠিন। লেখায় ততোটা ভালোভাবে তুলতে পারিনি। তারপরও পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
নির্ঝরিনী বলেছেন: আহারে!! কী কস্টের জীবন....পড়ে খুব খারাপ লাগলো...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এ শ্রমিকদের জীবন যেমন কষ্টের তেমন অনিশ্চয়তার।

আবার এ কষ্টের অর্জনটা্ও কম নয়। কারণ, দেশের অর্থনীতি ভালোভাবে দাড়িয়ে আছে এ শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করে পাঠানো টাকার ওপর।

১৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
আন্ধার রাত বলেছেন: আমি ১জনকে জানি বৃটেনে আছেন, ওখানেই এম ফিল করেছেন এবং বৈধভাবে বসবাসও করছেন, কিন্তু তিনি গাড়ী চালানো শিখিয়ে খুবই কম টাকা পান।

আমার প্রশ্ন/ভাবনা ঐ লোকটা কেন আরো ভাল চাকরী পাচ্ছেনা?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এখন বৃটেনে বেকারত্বের হার প্রায় সাড়ে আট শতাংশ। ২.৪৭ মিলিয়ন মানুষের চাকরি নাই। বাইরে থেকে আসা লোকজনের পক্ষে এ সময় ভাল চাকরি পাওয়া খুব কঠিন। আমার দেখা কয়েকজন ছাত্র বেশ কয়েক মাস ধরে কাজ খুজছে। কিন্তু রেস্টুরেন্ট ছাড়া অন্য কোথাও কাজ পাচ্ছে না। এ সময়ে তিনি গাড়ি চালানো শেখানোর কাজটা টিকিয়ে রেখেছেন এটা নিঃসন্দেহে ভাল ব্যাপার। Click This Link

যারা গাড়ি চালানো শেখান তারা বেশ ভাল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন। কারণ যে কোনো কাজে সর্বনিম্ন মজুরিতে কাজ করলেও প্রতি ঘণ্টায় পোনে ছয় পাউন্ড উপার্জন হয়।
আর এটা যদি ওনার স্বাধীন ব্যবসা হয় তাহলে অন্য বিষয়। প্রত্যেক স্বাধীন ব্যবসাতেই দক্ষতা ও পরিশ্রমের উপর উপার্জন নির্ভর করে। যেহেতু অন্য মানুষকে ইন্সট্রাকশন দিতে হবে তাই ভাষাগত দক্ষতা অতি জরুরী। ইংরেজি উচ্চারণ সামান্য এদিক ওদিক হলেও বৃটিশরা বুঝতে পারে না। আর ছোটবেলা থেকে না শিখলে যে কোনো ভাষার উচ্চারণই ভালভাবে বলতে পারা খুব কঠিন। পার্থক্য থাকেই।
আমার ক্ষেত্রে ভাষাগত যোগ্যতাটা অনেক বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। যেমন বৃটিশদের উচ্চারণ বলতে গেলে আমার মনে হয় জিহ্বায় প্লাস্টিক সার্জারি করতে হবে।

১৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
সেতূ বলেছেন: @লেখক:দেশে যাওয়ার কথা ভাবাই যাবে না। বাবার কথা যতোই মনে পড়ুক। মা যতোই অসুস্থ হোক তার কাছে যা্ওয়ার কথা চিন্তা্ও করা যাবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয়জন মারা গেলেও তাকে শেষবারের মতো দেখা যাবে না।

কস্টের জীবন সহমত
++++++
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: খুব সুন্দর করে লিখেছেন। পুরো সিরিজেই প্লাস।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
পারভেজ বলেছেন: পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে আসলেই ওদিকের অনেক কিছু নজর এড়িয়ে যায়।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: নজর দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
অলস ছেলে বলেছেন: লেখাটা ভালো যদিও পড়ে খারাপই লাগে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

২০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
তিথী ও টাটা বলেছেন: এবার লিখুন সিলেটিদের বৈষম্যমুলক আচরনগুলো নিয়ে তারা যে আচরন করে বাঙালীদের মানে নন সিলেটিদের সাথে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: অর্থনৈতিক মন্দার সময় সিলেটি রেস্টুরেন্টগুলো দেশী ছাত্রদের কাজ দিতে এগিয়ে না আসলে আমার মতো বহু ছাত্রের বিদেশে না খেয়ে থাকা লাগতো।
প্রতিটা লেখাতেই ভাল-মন্দ মানুষের অনেক কথা আছে। লেখায় সিলেটি, নন সিলেটি বলে বর্ণবাদি দৃষ্টিভঙ্গী আনতে চাই না।

২১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এই লেখাটা পড়তে আসিই , কঠিন জীবনকে চিনতে
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা রইলো।

২২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
নতুন রাজা বলেছেন: আপনার প্রতিটি পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকি...। বিদেশে কি মানবেতর জীবন যাপন, তা আপনার লেখায় ফুটে উঠছে সুস্পষ্ট ভাবে। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি শীঘ্রই পরের পর্ব দিবো।
ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইলো।

২৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
রাগ ইমন বলেছেন: খুব মন দিয়ে পড়ছি সিরিজটা । পড়তে খুবই ভালো লাগছে । সব সময় মন্তব্য করা হয়নি বলে দুঃখিত ।

নিঃসন্দেহে এইটা আমার খুব প্রিয় সিরিজের একটা হতে যাচ্ছে, হয়ে গেছে । দারুন লেখা ।

আর বিদেশের জীবন নিয়ে এত নিদারুন সত্য কথন , নিজের জীবনকে উন্মোচনের সৎ সাহসের জন্য কয়েক কোটি প্লাস দেওয়া দরকার । খুব ভালো হচ্ছে । অনেক লম্বা সিরিজ হোক ।


ট্রেড সিক্রেট ঢাকাতেও আছে কিছু । কমন মাংশ তো বটেই । কমন ঝোল ( আপনার ওখানে মনে হয় ঘারাবি বলে ) ও থাকে । একবার রেস্টুরেন্টে গিয়ে মুরগী, গরু ও খাসি বা ভেড়ার তরকারি দেওয়া হলো । সাধারনত সব কিছু এক সাথে মানুষ নেয় না । আমরা অনেকে ছিলাম আর নতুন হিসেবে সব কিছু টেস্ট করতে চেয়েছিলাম। তারপর দেখি, প্রতিটা ডিসের স্বাদ একই রকম। যাহা মুরগী তাহাই গরু- আল্লাহর দুনিয়াতে কোন ভেদাভেদ নাই !!!!!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর গরীবের ব্লগে পদধূলি দেবার জন্য ধন্যবাদ। আমি জানি তো আপনি ব্লগের প্রায় সব লেখাই খেয়াল করেন। তবে মন্তব্য করেন খুব বেছে বেছে। দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। আমার অবস্থা আপনার চেয়েও খারাপ।
বাস্তবতা নিঃসন্দেহে আরো কঠিন। লেখায় পুরোপুরি উঠে আসছে না। আপনার মতো ভালো লেখক হতে পারলে নিঃসন্দেহে আরো ভালোভাবে উন্মোচন করতে পারতাম।
আসল বিষয় হচ্ছে, রান্না-বান্নায় ভেদাভেদ যতো কম হয় শেফদের জন্য ততোই ভাল :)
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

২৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২
রাগ ইমন বলেছেন: আমার মত ভালো লেখক !!!!! এইটা সেরা কমেডি হইলো

আমারে পাগলাটে লেখক বলা যাইতে পারে , ভালো লেখকের লেখা মনে হয় মানুষের মনে অনেক অনেক বছর ধরে থেকে যায় ।

নাহ, আমি বেছে বেছে মন্তব্য করি ঠিক তা না , কখনো ব্যস্ততায়, কখনো আলসেমিতে , কখনো অনেক দিন হয়ে গেছে পড়েছি --- এই সব নানান কারনে মন্তব্য করা হয় না । সত্যি কথা কি জানেন? যা পড়ি তার সবটাতে মন্তব্য করলে নিজে লেখাও হইতো না আর জীবনের অন্য সব কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যাইতো ।

আজকে যেমন স্বপ্নজয় আর জানার জন্মদিন পোস্ট খুজে মরছি !!!!! যখন দেখেছি , তখন মন্তব্য করা হয়নাই , আর এখন খুঁজে পাচ্ছি না ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আমি ব্লগে লেখা শুরু করার ক্ষেত্রে আপনার অবদান আছে। কোনো কমেডি না। আপনার বহু লেখা আমার মাথায় এখনো ঘুরে। সত্যি।
মাঝে মাঝে একটু পাগলাটে লেখালেখি করেন ঠিকই। তবে সেটা অতোটা গুরুত্বপূর্ণ না। মেধাবীদের মাথা একটু খারাপ না থাকলে মানায় না।
এটা ঠিকই বলেছেন, সব ভাল লেখায় মন্তব্য করতে গেলে বাকি সব কাজ বাদ দিয়ে সারাদিন ব্লগিং করা লাগবে।

২৫. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০
তিথী ও টাটা বলেছেন: সিলেটিরা কি আপনাদের চাকরী দিতে এগিয়ে এসেছে ?? আপনি আপনার মত চাকরী খুজছেন তখন ঐ রেস্টুরেন্টে লোক দরকার ছিল বলে আপনাকে নিয়েছে । আর যেদিন ঐ লোকটির মত গলা ধাক্কা খাবেন গামলারের কাছ থেকে সেদিন বুঝবেন সিলেটি কি চিজ !! তবে আপনার যদি মনে মনে আশা থাকে সিলেটি ফুরি বিয়ে করে বিলাতে পার্মানেন্ট হবেন তবে অন্য কথা !!
আপনাদের মত যারা দিনের পর দিন বিলাতে থাকেন ছাত্র ভিসা নিয়ে আর রেস্টুরেন্টে কাজ করেন ফুল টাইম তাদের কাছে সিলেটিরা বেশ ভাল। তবে যদি আপনি নিজে সিলেটি হন তাহলে ঠিক আছে আর যদি না হন তবে একজন বাংলাদেশী হিসাবে আপনার কাছে আবেদন রইল অন্তত পক্ষে নিজে বাচার জন্য দেশকে ভুলে যাবেন না,দেশ নিয়ে যখন সিলেটিরা বিদ্রুপ করে তখন দয়া করে একটু প্রতিবাদ করবেন ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: অঞ্চলবাদী দৃষ্টিভঙ্গী থেকে বেরিয়ে এসে লেখার সঙ্গে প্রাসঙ্গীক মন্তব্য করবেন। আশা করি আপনার মানসিকতার উন্নতি হবে।

২৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০১
ফারহান দাউদ বলেছেন: খুবই বেদনাদায়ক। মুদ্রার আরেকটা পিঠ দেখাচ্ছেন।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

২৮. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
মুনশিয়ানা বলেছেন: সিলেটিরা তার নিজ জেলার মানুষের প্রতি হয়তো একটু বেশি টান অনুভব করে, যেটা একটা স্বাভাবিক মনুষ্য ধর্ম, এছাড়া লন্ডনের সিলেটিদের সমালোচনার কোন জায়গা আছে কি?

শুধু অর্থনৈতিক মন্দার সময় কেন, সিলেটিরা সব সময়ই অন্য জেলার মানুষদের সাহায্য করার চেষ্টা করে। অন্ততঃ আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে।

আমি সিলেটি নই... কিন্ত আমি সব সময়ই তাদের কাছ থেকে ভাল ব্যাবহার পেয়েছি। শিক্ষিত মানুষকে তারা আলাদা শ্রদ্ধার চোখেই দেখে।@ ২০ নং মন্তব্যের জবাব প্রসঙ্গে...
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: আসলে এ লেখাটি আমার রেস্টুরেন্ট জীবনের কাজ করার সময়কার কিছু অভিজ্ঞতার সঙ্কলন। পোস্টটা সিলেটিদের নিয়ে গবেষণাধর্মী কোনো লেখা নয়। সিলেটি বলতে কাউকে আলাদা করে দেখাটা কোনো ভাল কাজ নয়। ভাল মানুষ খারাপ মানুষ সব জায়গাতেই আছে। তাই এখানে আমার সেসব নিয়ে আলোচনা করার কোনো ইচ্ছা নেই।
নানা বাস্তব কারণে সিলেটের বাইরের লোকদের মধ্যে সিলেটিদের উপর অনেক রাগ রয়েছে। আমার পোস্ট পড়লে তার কিছু আচ পাবেন। কারণ আমি ছাড়া রেস্টুরেন্টের সবাই ছিল সিলেটি। অনেকেই ব্লগে এসবের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। আপনার অভিজ্ঞতা ভাল জেনে ভাল লাগলো।
ধন্যবাদ।

২৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০১
ধ্রুব তারা বলেছেন: পোস্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি নিজে রেস্টুরেন্টে কাজ করেছি। আমি সিলেটি হয়েও নন-সিলেটি হওয়ার যন্ত্রনা ভোগ করেছি। কারণ আমি ভাষাগত দিক হতে শতকরা শূণ্যভাগ সিলেটি। যখন সম্পূর্ণ বৈধ এবং ভার্সিটির ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও অবৈধদের মতোন ব্যবহার করে তখোন সত্যিই খুব কষ্ট লাগে।

Bangor
Wales
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২০

লেখক বলেছেন: আমার আর এক কলিগের এই অবস্থা হয়েছিলো। সে সিলেটি হলেও সিলেটি ভাষা পারতো না। সবচেয়ে কষ্টে থাকে অবৈধরা।
ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

৩০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২০
ত্রেয়া বলেছেন: বাস্তবতা আসলেই কঠিন।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

৩১. ১৭ ই মে, ২০১১ সকাল ৯:৫৪
শায়েরী বলেছেন: অত্যন্ত বেদনাদায়ক!!!
৩২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৩৮
জীবন্মৃত০১ বলেছেন: এ পর্বটিও ভালো লাগলো। পরের পর্বে যাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি একজন কবি হওয়ার। ভালো লাগে বন্ধুদের নিয়ে মজা করতে, ঘোরাঘুরি করতে, নানা ধরনের বিষয় পড়তে আর লেখালেখি করতে।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ