বিপ্লব ভাই তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, "মাহবুব মতিন অনেক কিছু শিখিয়েছেন। কমদামে ভাল জিন্স কেনার টিপস দিয়েছেন, সিনেমা-সমালোচনার বেসিক শিখিয়েছেন, ভিভিআইপি ডিউটির নিয়ম কানুন শিখিয়েছেন, ফুটেজ ও শব্দের শক্ত গাঁথুনি দিতে শিখিয়েছেন। তাঁর প্রস্থান আমাদের শেখাল, অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে হলে রিজিকের ঘরে কোন লম্পটকে নষ্টামি-ভণ্ডামি-শয়তানি করতে দেয়া যাবে না, সে যত বড় চাকরই হোক না কেন। ভদ্রলোকের সন্তান মাহবুব ভাই নিজেও এতটা নম্র-ভদ্র ছিলেন যে, শয়তানের মুখে জুতো মারতেও সংকোচ! আহারে ! শয়তানটার মুখে পেচ্ছাব করতে পারলে তিনি হয়তো আর কটা দিন বাঁচতেন।"
গত ২৩ ঘন্টায় আমিসহ মোট ৩৭ জন এটি পছন্দ করেছেন। এই স্ট্যাটাসেরই মন্তব্যে বিপ্লব ভাই আরো লিখেছেন "ফুলের মত মানুষটা এক জীবনে দুবার মারা গেলেন। অতীতের কোন না কোন পাপের জন্য নেতা হিসেবে পেয়েছিলাম একজন পেশাদার মাতালকে, লাম্পট্য যার মাথার মুকুট। মুকুট যেমন সবাই দেখতে পায়, তেমনি স্বঘোষিত আন্ধা ছাড়া আর সবাই বদমাশ লোকটার চরিত্রহীনতা দেখতে পায়। চেহারা মানুষের, মনটা কালা কুত্তার গায়ের রঙের চেয়েও কালো। সেই বদমাশটা দিনের পর দিন মানসিক নির্যাতন করে মাহবুব ভাইকে এমনিতেই মৃতপ্রায় করে ফেলেছিল। মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল দেশের সেরা রিপোর্টারদের একজন, মাহবুব মতিনের ক্যারিয়ার। প্রাণটা গেছে পরে।"
প্রসঙ্গত, এর আগে চ্যানেল আইয়ের সাবেক কর্মি সাইফ ভাই অভিযোগ করেছিলেন-"প্রতীক, মাহবুব মতিন এবং সবশেষে টিটন; আমার সন্দেহ, তিনজনের মৃত্যুর জন্যই চ্যানেল আইয়ের অতিরিক্ত কাজের চাপ দায়ী"। এই বিষয়ে ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাস এবং ব্লগে দেয়া এক পোস্টে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূর্ববর্তী পোস্ট "একটি FB স্ট্যাটাস, কিছু মন্তব্য এবং চ্যানেল আই" পড়ুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

