বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ নোবেল বিজয়ী নাগরিকদের সরকারের পক্ষ থেকে হেনস্থা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন। নোবেল পুরষ্কার পাওয়াটা অত্যন্ত সম্মানের এবং নোবেল বিজয়ীদেরকে দেশের গর্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“…১৯৭৬ সালে চিকিতসা বিজ্ঞানে অসামান্য অবদান রাখায় নোবেল জয়ের পরও যেভাবে ড. কার্লেটন গাজুসেককে শিশু নিপীড়নের অভিযোগে ১৯৯৭ সালে যেভাবে কারারুদ্ধ করা হয় তা যেকোনো গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকজনক। আর আজকে তারা দেশে দেশে মানবাধিকারের গান গেয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যে নোবেল প্রাইজ দেবো তা পাওয়ার পর কেউ তাকে হেনস্থা করতে পারবে না। তাকে সমস্ত আইনের উর্ধে রাখা হবে…”
“এই নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হবে কি না ” – সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা এমন মানুষদের নোবেল দিবো যারা এমনিতেই আইন ও বিতর্কের উর্ধ্বে” , উদাহরন স্বরূপ তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পার্বত্য নেতা সন্তু লারমার নাম উল্লেখ করেন।
ড ইউনুস প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“কোনো বাংলাদেশীকে নোবেল দেয়ার এখতিয়ার বহিঃদেশের কোনো নোবেল কমিটির নেই। উনি লবিং করে কোথা থেকে ভূয়া একটা নোবেল নিয়ে এসে জাতির সাথে প্রতারনা করেছেন। নোবেল প্রদানের সরকারী ঘোষনা আসার সাথে সাথে উনার ঐ পুরষ্কার গ্রহন অবৈধ হয়ে যাবে।”
জানা গেছে সরকারের পক্ষ থেকে নোবেল প্রদানের যে সিদ্ধান্তের কথা আগে বলা হয়েছিলো, তা বর্তমানে যাচাই বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। সম্পূর্ন প্রক্রিয়া শেষ হলে সামনে বছর থেকেই নোবেল প্রদান শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়া জাতির জনকের প্রতি সম্মান স্বরূপ উনাকে মরনোত্তর নোবেল প্রদানের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনাধীন আছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: উরাধুরা নিউজ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



