আমার প্রিয় পোস্ট
- "একটি FB স্ট্যাটাস, কিছু মন্তব্য এবং চ্যানেল আই" - শ খি আ ঈয়ন
- হরফের জলসৌধ - ফকির ইলিয়াস
- মেঘলা মাঘের মুখ - ফকির ইলিয়াস
- সামাজিক সামন্তবাদের দস্যুতা - ফকির ইলিয়াস
- ছবিগুলা কী খারাপ হইলো ? - ফকির ইলিয়াস
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে উত্তাল হওয়া সেই দিনগুলির কথা - পথে প্রান্তরে
- মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিঃ আমাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন আমার মা - ফকির ইলিয়াস
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- আত্মজীবনীর রঙিন পৃষ্টা - আবু মকসুদ
- কম্পমান পৃথিবীর ছায়া - ফকির ইলিয়াস
- অন্তঃশীল - তমিজ উদ্দীন লোদী
- কথার স্বরবীজ - ফকির ইলিয়াস
- সাহায্য চাই : মন্তব্যের সাথে ছবি যোগ করা যায় কিভাবে ? - ফকির ইলিয়াস
- নেমে যাও শোকপাথর - ফকির ইলিয়াস
- দেশপ্রেমিক ধনিক শ্রেণী ও দরিদ্রতম মুক্তিযোদ্ধারা - ফকির ইলিয়াস
- আলোর জন্য মানুষের তৃষ্ণা - ফকির ইলিয়াস
- বিক্রীত জীবন ও সভ্যতার বিন্যস্ত নখর - ফকির ইলিয়াস
ধিক্কার দিচ্ছি , আবারও ধিক্কার দিচ্ছি
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩২
বুধবার দুপুরে যখন আহার খেতে বেরিয়েছি তখনই দেখলাম বাইরে হঠাৎ বেড়ে গেছে নিরাপত্তা। এরপরই জেনে যাই , মুম্বাই সিরিজ বোমা আক্রান্ত।
একধরনের যুদ্ধ চলছে সেখানে।
বুধবার নিউইয়র্ক ছিল উৎসবের আমেজে। থ্যাংকসগিভিং ইভনিং।
২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থ্যাংকসগিভিং ডে।
http://en.wikipedia.org/wiki/Thanksgiving
তাই সবাই ব্যস্ত সেই আয়োজনে। এমন সময় এই চরম দু:সংবাদ কাঁপিয়ে
তোলে পুরো দুনিয়াকে।
বিকেলে যখন বাড়ি ফেরার জন্য সাবওয়েতে চড়বো , তখন দেখলাম একধরনের রেড এলার্ট পুরো মধ্য ম্যানহাটান জুড়ে।
থমকে গেছে জনজীবন।
কারা এই হামলা কারী ? কি চায় তারা ? খবর বেরিয়েছে , তারা নাকি বৃটিশ-আমেরিকান নাগরিকদেরকে খুঁজেছে। ডেকান মুজাহিদীন নামের এইসব পশুরা কি জানে না , বোমা মেরে মানবজীবনের অগ্রযাত্রাকে থামানো যায় না ।
মনমোহন সিংহ বলেছেন , এই হামলায় বিদেশীদের হাত থাকতে পারে।
হাত যারই থাক না কেন , এই কালো হাত ভেঙে দিতেই হবে।
ধিক্কার দিচ্ছি , আবারও ধিক্কার দিচ্ছি - সেসব বর্বর খুনীদের প্রতি , যারা
মুম্বাইয়ের রাজপথ করেছে রক্তাক্ত। হত্যা করেছে শতাধিক সরলপ্রাণ মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অরণ্য আনাম বলেছেন:
ধাক্কা দিয়া ধিক্কার জানানো উচিৎ
লেখক বলেছেন: পারলে ধাক্কাই দিতাম।
ধন্যবাদ
নকীবুল বারী বলেছেন:
তীব্র নিন্দা জানাই...............
লেখক বলেছেন: তীব্র ঘৃনা এদের জন্য
থ্যাংকস
পাগলা বাবু বলেছেন:
এরা মানুষের শত্রু ।
লেখক বলেছেন: এরা মানবতার শত্রু
লাল দরজা বলেছেন:
পৃথিবীটা কেমন করে যেনো চোখের সামনেই পাল্টে যাচ্ছে! ৯?১১ পর মুম্বাইর এই হামলা, ভুগতে হবে সমগ্র মনিব জাতির! জানি না এবারে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়! আমি ভীষন অতন্কিত ও অসহায় বোধ করছি
লেখক বলেছেন: আমি ও । পুরো আমেরিকা আবার আতংকিত।
এর শেষ কোথায় ?
এস্কিমো বলেছেন:
খুবই দু:খজনক ঘটনা। তবে মনমোহনের ভাষন শুনে আরো খারাপ লাগলো। এরা সেই পুরানো বৃত্তের বাইরে আসতে চায় না। কখনও নিজেদের আভ্যন্তরীন সমস্যাকে স্বীকার করতে বা সমাধান করতে চায় না।
পুরানো ধাঁচের রাজনীতি থেকে ভারতে বেড়িয়ে আসতে হবে। একদিকে মুক্তবাজার করে পশ্চিমকে অনুসরন করবেন অন্যধিকে নিজেদের দেশের মানুষের কথা শুনবেন না - তাতো হবে না।
এদের উচিত সকল আঞ্চলিক সমস্যার দ্রুত রাজনৈতিক সমাধান করা।
লেখক বলেছেন: এদের উচিত সকল আঞ্চলিক সমস্যার দ্রুত রাজনৈতিক সমাধান করা
আমি একমত। মনে হচ্ছে , মি সিংহ বুঝতে পারছেন না , কি করতে হবে। এখনো কমান্ডো অভিযান চলছে । পুরো ভারত জুড়ে রেড এলার্ট
তো শুভ লক্ষন নয়
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বর্তমান বিশ্বটা এরকমই!!!
লেখক বলেছেন: মেনে নিতে ক্ষ্ট হচ্ছে খুব !
পাগলা বাবু বলেছেন:
লাল দরজা , এস্কিমোর সাথে আমিও একমত।
লেখক বলেছেন: খুবই যৌক্তিক কথা
হিমাদ্রি বলেছেন:
ডেকান মুজাহিদীনরা পৃথিবীর বর্বরতার ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কের কলম দিয়ে আচঁর কেটে বুঝিয়ে দিল ক্ষমতার ওজন
লেখক বলেছেন: এরা পুরোনো জংগীদের নতুন রূপ।
আতংকের বিষয় ।
চাণক্য বলেছেন:
বৎস, তুমি নাকি কবি?? নিরীহ কবিদের হৃদয় এইরুপই হইয়া থাকে। এই বিশ্বে বর্তমান যুদ্ধ চলিতেছে। একপক্ষ আজ মারিয়া যাইতেছে তো ভিন্ন পক্ষ আগামী কাল মারিবার প্রস্তুতি লইতেছে। তুমি আজ যাহাদের জন্য কাদিতেছ, তাহারাই যখন আগামীতে ভিন্ন পক্ষকে হত্যা করিয়া জংগী নিধনের প্রচার করিবে তখন কি তুমি কাঁদিবে? চিত্রটি দেখ। এখনও কি তোমার হৃদয় কাপিতেছে।
সাধারণ মানুষের ইহাই ভবিষ্যত। হয়ত মরিতে হইবে (চিত্রের বালকটির ন্যায়) অথবার নিরীহ মানুষকে মারিতে হইবে অন্যের হুকুমে (চিত্রের পুলিশের ন্যায়)। হয়ত শুনিয়া থাকিবে আজ এক উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হইয়াছে। যুগ যুগ ধরিয়া ইহাই হইয়াছে এবং হইবে। কেহ সাধারণ জনগনের এই ভাগ্য বদলাইতে পারিবে না।
লেখক বলেছেন: তারপরো আমরা চেষ্টা করিয়াই যাইব, বৎস !
আমি জানি , যুদ্ধই মানবতার পরিত্রাণ ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
চাণক্য'র মন্তব্যটি খুবই বাস্তবসম্মত ...
লেখক বলেছেন: নিন্দা আমরা করেই যাবো
মুক্তি বলেছেন:
ধিক্কার জানাইলাম। তার চাইতে বেশী ধিক্কার জানাই সিং সাহেবকে তার উক্তির জন্য (এই হামলায় বিদেশীদের হাত থাকতে পারে) উনার মাথাতে কেন এই বিষয়গুলো পরিস্কার হয়না যে একশত কোটিরো অধিক জনসংখ্যার দেশে এধরনের কোন ঘটনাতে পাকিস্থানের আই.এস.আই আর বাংলাদেশের জামায়াতের প্রয়োজন পরেনা। নিজের দেশের মুজাহিদদের কেন যে সিং সাহেব এভাবে আগলে রাখে তা বরাবরের মতো এবারো বোধগম্য হইলো না।বাই দ্যা ওয়ে ফকির সমাজ কি সকল ধরনের মানবিক বিপর্যয়ে এধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে থাকেন?
লেখক বলেছেন: হাঁ , ফকির সমাজ সব সময়ই মানবতার পক্ষে ।
জংগীবাদের - সাপ্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ।
চাণক্য বলেছেন:
ঠিক বলিয়াছ কবি। চেষ্টা তথা এন্টি ওয়ার ক্যাম্পেইনের নামে ভাল অর্থ উপার্জনেরও পথ এই যুগে সৃষ্টি হইয়াছে।
লেখক বলেছেন: বুশ চাচা বলিয়া দিয়াছেন, বাছারা- আমি তো বলিয়াছিলাম ,ম্যাকেইন চাচারে তোমরা সোযুগ দাও । আমরা ''জংগীমুক্ত দুনিয়া '' তোমাদেরকে উপহার দিবো ! তোমরা আমার কথা শুনিলে না !!!
হা , অর্থ তো বটেই !!!
লেখক বলেছেন: ধিক্কার !!!
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
নিন্দা জানাই।সাথে ভারতকে আহ্ববান জানা এই ঘাস্টলি অ্যাটাক দেখে কিছু শিক্ষা নিতে।এস্কিমো ভাইয়ের বক্তব্য ঠিক মনে হয়েছে।ভারত সরকারকে আন্চলিক সমস্যা স্বীকার করে নিতে হবে।দমন পীড়ন করে বিদ্রোহ দমন করা যায়না।রাষ্ট্র যতটা হিংস্র হয়ে উঠবে, বিদ্রোহীরা তত বেশি বেপরোয়া হবে।
শুধু প্রতিবেশিদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিস্তার পাওয়া যাবেনা।সহজ উদাহরণ, বাংলাদেশের শান্তিবাহিনী।আমরা যতোই শান্তিবাহিনী ভারতের মদদ প্রাপ্ত ছিলো বলে চিৎকার করিনা কেন, শান্তিবাহিনী তৈরি হওয়ার ক্ষেত্র বাংলাদেশ সরকার নিজেই তৈরি করেছিলো।
লেখক বলেছেন: ভারতকে সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিৎ ।
ধন্যবাদ
ভূপর্যটক বলেছেন:
সাধারণভাবে বললে কোন হত্যাতে খুশি হবার কোন কারণ নাই; সেটা আফগানিস্তানে, ইরাকে, আমেরিকা, ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশের বর্ডারে - যেখানেই হোক না কেন। আমি ফকির ইলিয়াসের অবস্হার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েও কিছু কথা বলছি একটা ভিন্ন দিক থেকে। পশ্চিমাদেশে আজ যারা আছে এদের সমস্যা আমি বুঝতে পারি। বুশের "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের" সমর্থক হওয়া ছাড়া ওসব সমাজে থাকা মুশকিল। কেউ যদি সামান্য ভিন্নতার কারণে একটু ক্রিটিক্যাল অবস্হান নিতে চাই তো সেক্ষেত্রে নিশ্বাস নেবার মত দূরত্ত্বের জায়গা ঐ সমাজে পাওয়া মুশকিল। কলিগ, বন্ধু সহপাঠি, পড়শী সবার সাথে চলার জন্য বরং সবসময় চিন্তাভাবনার একটা ঈমানের পরীক্ষা দেবার মত অবস্হায় সবাইকে তটস্ত থাকতে হয়, এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া মুসলমান নাম হলে তো আর এক বাড়তি সমস্যা। এটাকে বলা যায়, যে ভূগোলে বসে আছি পেশ বা পড়াশুনার কারণে, তার কিছু কাফফারা। ওখানে বসে কোন ঘটনাকে দেখতে গেলে ঐ ভূগোলের একটা ছাপ অবশ্যই থাকবে, এটার একটা বৈষয়িক স্বার্থগত দিক বা কনসার্ন অবশ্যই থাকবে; দুঃসাহস দেখিয়ে অবিবেচক বা আনপ্রাকটিক্যাল হয়ে একে অস্বীকার করতে যাওয়ার কোন মানে হয় না, কাউকে পরামর্শ দেওয়াটাও বেকুবির পর্যায়ে পড়বে। এখানে প্রকাশিত মন্তব্যগুলো লক্ষ্য করলে দেখব, এই ভুগোলে বসবাসের কারণে এদের অনেকেরই ক্রিটিক্যাল অবস্হান আমরা দেখতে পাব, কারণ এদের এই ভূগোলের কনসার্ন ও অভিজ্ঞতাটাও ভিন্ন। এপরিস্হিতিতে নিক চাণক্যের বলা বা দেখার ষ্টাইলটা গুরুত্ত্বপূর্ণ।
একটা গল্প বলে শেষ করব।
রাম গোপাল ভার্মার একটা সিনেমা দেখেছিলাম, নামটা মনে করতে পারছি না, মাফ করবেন। প্রায়ই আমরা সিনেমায় ভিলেন আর নায়ক দুই চরিত্রের সংঘাতের মধ্য দিয়ে কাহিনীর বুনন গড়িয়ে চলতে দেখি। ভিলেন নায়কের ফিঁয়াসেকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, পণ বানাচ্ছে। নায়ক ফিঁয়াসেকে উদ্ধার ও ভিলেনের সংহারের মধ্য দিয়ে কাহিনী খতম হচ্ছে। খুবই পরিচিত গল্প বলার এই স্টাইল।
কিন্তু কখনও দেখি না গল্পকার বা ছবির নির্দেশক, ফিঁয়াসেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবার পক্ষে, ভিলেনের মুখ দিয়ে তাঁর আপাত অনৈতিক কাজের পক্ষে কোন নৈতিক যুক্তিমূলক ডায়লগ দেওয়াচ্ছে।
এই সিনেমায় এটাই ব্যতিক্রম। ডায়লগটার সারকথা হলো, কোন লড়াই বা যুদ্ধে "ইনোসেন্ট ক্যাজুয়ালিটি" বা "নিরীহ মানুষ" বলতে কিছু থাকতে পারে না।
আমেরিকান কার্পেট বোমায় হামলায় অসংখ্য ইনোসেন্ট ক্যাজুয়ালিটি ঘটে। ইন্ডিয়ার এই ঘটনায়ও নিশ্চয় যারা মারা যাবে বা গেছে তাদের বেশির ভাগই "নিরীহ মানুষ" হবে। "নিরীহ মানুষ" হয়ে থাকতে চাওয়া মানে নিজের সমাজের কোন লড়াই সংগ্রামে মৌন পক্ষ হয়ে থাকা সুবিধাজনক মনে করে। এরা নিজের বিবেচনা খাটিয়ে পছন্দমত কোন প্রত্যক্ষ পক্ষে অবস্হান নিতে চায় না। এই অবস্হান আবার প্রকারন্তরে কোন একটা পক্ষকে সুবিধা দেয়। তবু এরা মনে করে গা বাঁচিয়ে এড়িয়ে চলেই সে বাঁচতে পারবে, এভাবে বোকামি করে। কিন্তু শেষাবধি বাঁচতে পারে না।
কাজেই আড়ালে মৌন পক্ষ হয়ে থাকার কোন মানে নাই। নিজের রাজনৈতিক সত্ত্বার সক্রিয় প্রয়োগে কোন না কোন পক্ষ নেয়াই এর একমাত্র ও কার্যকর সমাধান।
লেখক বলেছেন: আমেরিকা তার নিজস্ব রাষ্ট্রনীতি মেনে চলে। সেক্ষেত্রে বুশ- ওবামা
দুজনের নীতিই সমান।
তবে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ - ধিক্কার দেয়ার স্বাধীনতা অবারিত।
আর এই মানুষই বারাক ওবামা কে প্রেসিডেন্ট বানাতে পেরেছে।
সুজনবাঙালী বলেছেন:
দিক্কার জানাই
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
কঁাকন বলেছেন:
ধিক্কার জানাই
লেখক বলেছেন: এই হীন মানসিকতা নিপাত যাক
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন:
অনেকে আবার বলেছেন এসব ভারত নিজেই করেছে !!!! তাদের বলি যে, ভাই তাহলে আবার ভারত নিজেই নিজের শত্রু বন্দি মুজাহিদীনদের মুক্তির দাবী করেছে বলতে হয়? আপনি কি বলতে চান ভারত কি তাহলে চায় যে অনেক কষ্টে যে সব মুজাহিদীনদের ধরেছে তাদের এই নাটক করে ভারত নিজেই বিনা বিচারে মুক্তি দিতে চায়?ইসলামী সন্ত্রাস যে কবে শেষ হবে, পৃথ্বিবী থেকে এই মহাপাপ যে কবে বিদায় হবে তার খবর কে দেবে কে জানে। ইসলাম মানে নাকি শান্তি !!!! শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মুসলমানরা ইসলাম ও ত্যাগ করুন ও যার যা অন্য ধর্ম ভালো লাগে, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, কনফুসিয়ান সেই ধর্ম গ্রহন করুন। বোমাবাজী ছেড়ে শান্তির রাস্তা ধরুন। নিজেও বাঁচুন, অন্যদের ও বাঁচান। ধ্বংশ নয় সৃষ্টির পথে আসুন।
লেখক বলেছেন: যেই করুক , যে মতলবে করুক - তা আমরা মেনে নিই না। নিতে পারি না।
ভূপর্যটক বলেছেন:
লেখককে@ আজকে যারা ধিক্কার দিচ্ছেন, এরাই দুদুবার বুশকে ক্ষমতায় এনেছেন। এবার আবার অবারিত স্বাধীনতায় ধিক্কার দিয়ে,"এই মানুষই বারাক ওবামা কে প্রেসিডেন্ট বানাতে পেরেছে"। নতুন দুরাশায়। ভাবছেন এবার বোধহয় বিজয় আসন্ন।যেটা কেউ বুঝতে চাচ্ছেন না, বালিতে মুখ গুজে প্রলয় এড়ানো যায় না। সংঘাতের ধরণটা কেউ যদি লক্ষ্য করেন তো দেখবেন, এটা একটা খতমের লাইন, নকশালী রাজনীতির মত। তবে আরও ব্যাপক। নকশালীরা সীমাবদ্ধ ছিল একটা দেশের মধ্যে আর এটা দুনিয়াব্যাপী।
তবে কমন দিক হলো, এটা এনহিলেশন, পরস্পরকে উৎখাত নিঃশেষ করার লাইন। কেউ কাউকে সামান্য জায়গা ছেড়ে দিয়ে সাময়িক হলেও উভয়ের অস্তিষ্ত রক্ষা নিশ্চিত করবে - সে সুযোগও নাই।
বেশির ভাগ মানুষেরই আসন্ন বিপদের গভীরতা সম্পর্কে কোন ধারণা রাখে না।
লেখক বলেছেন: মানুষ সংগ্রাম করেই বাঁচে । এবং তা সত্যের পক্ষে ।
দেখা যাক ওবামা কাল কেমন হয় ।
ভূপর্যটক বলেছেন:
নিপাতনে সিদ্ধ @ বলছি,আপনার মন্তব্যটা ঘোরতর আপত্তিকর। ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা, একটা রেসিষ্ট কাজ। বুঝা যায় আপনি অন্য ধর্মের খারাপ জায়গায় দাঁড়িয়ে (যেখানে দাঁড়ালে অন্য সব ধর্মের বিরুদ্ধে মনে কেবল ঘৃণাই উদয় হয়) দৃষ্টি ফেলছেন।
কী রকম সেই ঘৃণা আর একবার দেখুন কী লিখেছেন, "ইসলাম মানে নাকি শান্তি !!!! শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মুসলমানরা ইসলাম ও ত্যাগ করুন ও যার যা অন্য ধর্ম ভালো লাগে, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, কনফুসিয়ান সেই ধর্ম গ্রহন করুন"।
আপনি মুসলমানদের ধর্মত্যাগ করতে বলছেন। কী মারাত্মক কথা। কী পরিমাণ ঘৃণা মনে থাকলে একথা বের হয় দুমিনিট ঠান্ডা মাথায় ভাবুন।
আশা করবো আপনি আপনার ভুল বুঝতে পারবেন। আমরা একটা খুবই খারাপ সময়ের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি। এখন অন্যের প্রতি সেনসেটিভ হবার সময় - ঘৃণা ছড়ানোর নয়।
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন:
ঘৃনা নয় এটা হল বাঁচার তাগিদ। জন্মালে মরতে তো হবেই একদিন। কিন্তু বেঘোরে জঙ্গীদের হাতে প্রাণ দিতে চাই না। ইসলামকে বাঁচিয়ে রেখে আগামী প্রজন্মের কাছে কি রকম পৃথ্বিবী রেখে যাচ্ছেন সেটা ভেবে দেখেছেন? তোবা তোবা !!! আপনি আজব কথা বলেন। যারা মানুষ খুন করছে তাদের মনে ঘৃনা নেই, আর যারা শান্তিতে বাঁচতে চায় তারাই আপনার কাছে ঘৃন্য !!!!
ভূপর্যটক বলেছেন:
নিপাতনে সিদ্ধ @ বলছেন, "ঘৃনা নয় এটা হল বাঁচার তাগিদ"। তার মানে স্রেফ নিজেকে বাঁচানোর তাগিদে সবাইকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার আবদার জানাচ্ছেন আপনি। সত্যিই আপনার স্বার্থপরতার তুলনা পাওয়া ভার! তো আপনি কোন ধর্মে আছেন বা থেকে যাবেন? আপনার তালিকার "হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, কনফুসিয়ান" কোন ধর্মটা থেকে যাবে কেবল আপনার জন্য? আপনাকে বাঁচাবার জন্য? ধন্য আপনার বাঁচবার ইচ্ছা!আপনি শুধু বাংলাদেশের জন্য না পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিক হওয়ার জন্য অযোগ্য। দুনিয়ার সব মানুষের জন্যই বিপদজনক ব্যক্তিত্ত্ব। এমনকি ইসরায়েলও দুনিয়ার সব মুসলমানকে উৎখাত করতে বা ধর্ম ত্যাগ করতে বলে না।
বাংলাদেশ তো অবশ্যই আপনার জন্য নয়।
আপনি শুধু সবাইকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে বলেই ক্ষান্ত হননি, আপনার নাকি বাঁচার তাগিদে ইসলামকে আর বাঁচিয়ে রাখতে চাননা, দরকার নাই মনে করেন। আবার আমাকে ভেবে দেখতে বলেছেন, "ইসলামকে বাঁচিয়ে রেখে আগামী প্রজন্মের কাছে কি রকম পৃথ্বিবী রেখে যাচ্ছেন সেটা ভেবে দেখেছেন?"।
দুনিয়া এপর্যন্ত হিটলারসহ যতজন জাত্যাভিমানি নোংরা রেসিষ্ট দেখেছে আপনি এদের সবার উপরে উড়তেছেন। এবং নতুন সংযোজনও বটে। আপনাকে কনগ্রাচুলেশন। তবে সত্যি দুঃখিত, আপনাকে রাখার জায়গা এই দুনিয়ার নাই।
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন:
ওবামারে নিয়া দুইটা পোস্ট দিসিলাম। উথালপাথাল 'পরিবর্তন' আর innocent (আবাল) নাগরিকদের ক্ষমতা কেমন ফইলা কোন দিকে আম্রিকারে নিয়া যাইতেছে হেড়া বুঝনের লাইগা। Click This LinkClick This Link
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















