দেশের সুপরিচিত ছড়াকার ও টিভি কর্মী ওবায়দুল গনি চন্দন এর নাম কেটে ওবায়দুল গনি করা হয়েছে। এ নিয়ে চন্দন একটা লেখাও লিখেছেন ২৪ মার্চ ২০০৯ মংগলবারের দৈনিক আমার দেশ - এ ।
Click This Link
জানা যাচ্ছে , প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার কাগজে সব লেখকের ডাকনাম ছেটে ফেলা হবে ।
এ বিষয়ে আমার কিছু প্রশ্ন আছে .........
১। আমরা জানি শওকত হোসেন নামে দেশে আরেকজন লেখক-কবি আছেন। শওকত হোসেন মাসুম কে আমরা পৃথক করবো কিভাবে ?
সদ্য প্রয়াত হয়েছেন , কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক।
তাই ঐ নাম নিয়েই কি বেঁচে থাকবেন মাহমুদুল হক ফয়েজ ?
ওবায়দুল গনি চন্দন নামটি বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্টিত । তাকে আবার
কি তবে পুনর্জন্ম নিয়ে লেখা শুরু করতে হবে ?
২। হঠাৎ করে সম্পাদক ( একতা 'র সাবেক সম্পাদক) মতিউর রহমানের
এই খায়েশ হলো কেন ? এটাও কি সুশীল বানাবার, বদলানোর ধাপ ?
৩। তারা কি তাদের আলোকচিত্র সম্পাদক নাসির আলী মামুন এর নাম ও বদলে দেবেন ? দিতে পারবেন ?
সুপ্রিয় ব্লগার , আপনাদের মতামত আশা করছি ।
=======================================
এটা আমার জন্য বিস্ময়
ও বা য় দু ল গ ণি চ ন্দ ন
-------------------------------------------------
আমি ওবায়দুল গনি চন্দন। বেসরকারি
স্যাটেলাইন টিভি
চ্যানেল বাংলাভিশনে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছি সাড়ে তিন বছর ধরে। রিপোর্টার ছাড়াও ছড়াকার হিসেবে আমার একটি পরিচয় আছে। দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে আমি ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে ছড়া লিখে আসছি। আমার ছড়ার বইয়ের সংখ্যা
২২। ২০০০ সালে শিশুসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ছড়াসাহিত্যে জাতীয় পুরস্কারর (অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার) অর্জন রয়েছে। ছড়া লেখা ছাড়াও আমি ওবায়দুল
গনি চন্দন নামেই টিভি নাটক, টিভির অসংখ্য
ম্যাগাজিন অনুষ্টানে গান রচনা করে আসছি। চলচ্চিত্রেরর গানও লিখেছি। বাংলা একাডেমীর লেখক অভিধানেও আমার নাম রয়েছে।
গত ১৬ মার্চ দৈনিক প্রথম আলোর ফান
ম্যাগাজিন রস+আলো-তে ''টিভি চ্যানেলের ময়না তদন্ত'' নামে আমার একটি দীর্ঘ ছড়া প্রকাশিত হয়। তবে লেখাটি ছাপা হয় আমার নামের অংশ ''চন্দন '' বাদ দিয়ে। প্রথম আলোর নয় বছরে আমার অসংখ্য ছড়া ছাপা হয়েছে পুরো নামেই । এবারে এমনটি ঘটার কারণ রসালোর বিভাগীয় সম্পাদকের কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে জানান, তাদের সম্পাদক মতিউর রহমান সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারো ডাক নাম প্রথম আলোতে ছাপানো হবে
না । অনৈতিক এমন সিদ্ধান্ত তারা নতুন, যশপ্রার্থী , উঠতি কোনো লেখকের বেলায় কার্যকর করতে পারেন। আমার মতো দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখির সংগে জড়িত একজনের ছড়া ছাপার সময় এ কাজটি করতে তারা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখার প্রয়োজনও মনে করলেন না! এটা আমার জন্য বিস্ময়!
ছড়াটি পড়ে আমার অনেক বন্ধু , শুভাকাংখী, পাঠক প্রশ্ন রেখেছেন, কীভাবে এমন হলো? অসহায়ের মতো আমি এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে পারিনি। কেউ কেউ বলেছেন উকিল নোটিশ কিংবা মামলা করার কথা। আমি ব্যস্ত এবং নিরীহ মানুষ। এসব কাজ করার জন্য আলোচনা এবং সময়ের প্রয়োজন। তবে এটুকু অনুভব করেছি আমার সাধ্য অনুযায়ী জোরালো প্রতিবাদ করা উচিত ।আমি মনে করি যেসব পত্রিকা আমার লেখা প্রকাশ করে আমাকে ছড়াকার বানিয়েছে সেসব পত্রিকার মাধ্যমেই এর প্রতিবাদ করা উচিত ।
দেশের স্বনামধন্য কবি, সাহিতিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, চিত্রকর, অভিনেতা, রাজনীতিবিদ, সম্পাদক, খেলোয়াড়সহ সব শ্রেণীর পেশাজীবী মানুষ আমার কম-বেশি পরিচিত। একটি পত্রিকা একজন প্রতিষ্টিত ছড়াকারের সাথে কীভাবে এরকম গর্হিত আচরণ এবং ধৃষ্টতা দেখাতে পারে তা নিয়ে কেউ না কেউ প্রতিবাদ করবেন বলে আমার বিশ্বাস ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


