আমার প্রিয় পোস্ট
- "একটি FB স্ট্যাটাস, কিছু মন্তব্য এবং চ্যানেল আই" - শ খি আ ঈয়ন
- হরফের জলসৌধ - ফকির ইলিয়াস
- মেঘলা মাঘের মুখ - ফকির ইলিয়াস
- সামাজিক সামন্তবাদের দস্যুতা - ফকির ইলিয়াস
- ছবিগুলা কী খারাপ হইলো ? - ফকির ইলিয়াস
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে উত্তাল হওয়া সেই দিনগুলির কথা - পথে প্রান্তরে
- মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিঃ আমাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন আমার মা - ফকির ইলিয়াস
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- আত্মজীবনীর রঙিন পৃষ্টা - আবু মকসুদ
- কম্পমান পৃথিবীর ছায়া - ফকির ইলিয়াস
- অন্তঃশীল - তমিজ উদ্দীন লোদী
- কথার স্বরবীজ - ফকির ইলিয়াস
- সাহায্য চাই : মন্তব্যের সাথে ছবি যোগ করা যায় কিভাবে ? - ফকির ইলিয়াস
- নেমে যাও শোকপাথর - ফকির ইলিয়াস
- দেশপ্রেমিক ধনিক শ্রেণী ও দরিদ্রতম মুক্তিযোদ্ধারা - ফকির ইলিয়াস
- আলোর জন্য মানুষের তৃষ্ণা - ফকির ইলিয়াস
- বিক্রীত জীবন ও সভ্যতার বিন্যস্ত নখর - ফকির ইলিয়াস
ফেসবুক : দীনতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে কারা ?
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৬
ফেসবুক : দীনতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে কারা?
ফকির ইলিয়াস
========================================
ফেসবুক- এই সময়ে একটি বহুল নন্দিত সোস্যাল নেটওয়ার্ক। সামাজিক যোগাযোগ এবং মানবিক সম্পর্কের উন্নয়নে জন্মলগ্ন থেকেই এই অনলাইন নেটওয়ার্কটি বিনামূল্যে তার সদস্যদের নানা সুবিধা দিয়ে আসছে। বিশেষ করে নিজ বন্ধুমহলে সৃজনশীল কোনো ভাবনা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া, মতবিনিময় করা ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ উপকৃত হচ্ছেন বলা যায়। এটা ফেসবুকের সব সদস্যই জানেন, প্রযুক্তির নতুন দরজা এই অনলাইন কম্যুনিটিরও বেশকিছু নিয়মাবলি রয়েছে। ফেসবুকে বাংলা ভাষাভাষী সদস্যদের সংখ্যা এ মুহুর্তে হয়তো লক্ষাধিক হতে পারে। কারণ এর সদস্য সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এর সদস্য হওয়ার নিয়ম হচ্ছে কেউ একজন ইনভাইটেশন পাঠাবেন। তা অনুসরণ করে সদস্য ফরম পূরণ করতে হবে অনলাইনে। তারপর সার্চ করে বন্ধু তালিকায় নাম যোগ করে আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে। আমন্ত্রিত বন্ধুরা সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে কনফারমেশন করবে। এভাবে প্রতিদিনই বাড়বে বন্ধুসংখ্যা। তারপর বন্ধুর বন্ধু কিংবা তারও বন্ধু এমন কেউ বেছে বেছে তার বন্ধু তালিকায় নাম যোগ করবে। এভাবে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়বে বন্ধুদের দল। হ্যাঁ, কেউ কাউকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তার এখতিয়ারও আছে নিজস্ব। মন চাইলে যোগ করবেন- না চাইলে করবেন না। এখানে একটি বিষয় আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি, অনেকে নিজ নাম, নিজ ছবি না দিয়ে ছদ্মনামে ভিন্ন ছবি দিয়ে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলেন কিংবা খুলছেন। কেন তারা তা করেন কিংবা নেপথ্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি-না তা তারাই ভালো বলতে পারবেন। ফেসবুক যে সুবিধাগুলো দিয়ে যাচ্ছে তার অন্যতম হচ্ছে, তাৎক্ষণিক অনলাইনে থাকা বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করা, গ্রুপ ডিসকাশন করা, আলোচনা করা, নিজ অ্যালবাম খুলে ব্যক্তিগত পারিবারিক ছবিগুলো সংরক্ষণ করা ইত্যাদি।
কিন্তু সাম্প্রতিককালে ফেসবুকে বেশকিছু নেতিবাচক কর্মকান্ড আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। আগেই বলেছি, অনলাইন কম্যুনিটির বেশকিছু নিয়মকানুন ও শর্তাবলি রয়েছে, যা মেনে চলা একজন মানুষ হিসেবে সবার নৈতিক দায়িত্ব। বড় বেদনার সঙ্গে দেখছি, এসব শর্তাবলি অমান্য করে কেউ কেউ গোটা সোস্যাল নেটওয়ার্ককে কলুষিত করার চেষ্টায় মেতে উঠেছেন। শুধু ফেসবুকে কেন, কোনো অনলাইন গ্রুপ, ব্লগ, ডিসকাশন প্লাটফর্মেই কোনো অশ্লীল ছবি যোগ করা, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা, কারো চরিত্র হনন করা মারাত্মক গর্হিত কাজ।
পরিতাপের বিষয়, কিছু বাংলা ভাষাভাষী সদস্য সে রকম কাজ করে গোটা জাতিসত্তাকে কলংকিত করার চেষ্টা করছেন। ইদানীংকালে আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করছি বেশ হতাশার সঙ্গে। ফেসবুকে ইংরেজি অক্ষরে বাংলা গালাগাল দিয়ে বেশ কিছু গ্রুপ খোলা হয়েছে এবং হচ্ছে। ‘গ্রামীণফোন’কে এমন অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়ে ব্যানার করা হয়েছে। তাছাড়া বাংলালিংক, একটেল, গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি সংস্থাকেও আক্রমণ করা হয়েছে অশ্লীল ভাষায়। মনে রাখতে হবে, বাংরেজিতে কথাগুলো লেখা হলেও এর পাঠক মূলত কে? শুধু বাংলা ভাষাভাষী নয়, অনলাইনে অন্য ভাষাভাষী বন্ধুও তো থাকতে পারে। থাকাটা স্বাভাবিক। কেউ যদি সেসব বাক্যের ইংরেজি অর্থ জানতে চায় তবে কি জবাব দেওয়া যাবে? এমনটাও লক্ষ্য করেছি, কেউ কেউ কোনো নারীর ছবি নিজ ফেভারিট বুকে যুক্ত করে- তাকে বাংলা ভাষায়, ইংরেজি অক্ষরে গালাগাল করেছেন। সোস্যাল নেটওয়ার্কে এমন মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ গোটা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্যই লজ্জাজনক। ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানোর জন্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক কি উপযুক্ত স্থান? ফেসবুকে সাম্প্রতিককালে আরো যে উৎপাতটি বেড়েছে তা হচ্ছে, আত্মপ্রচারের জন্য গ্রুপ তৈরি করে একই আমন্ত্রণ বারবার কাউকে পাঠানো। জানা দরকার, কারো আমন্ত্রণ পাঠানোর অধিকার যেমন আছে, তেমনি প্রাপকের ‘ইগনোর’ করার অধিকারও আছে। কিন্তু বারবার একই ইনভাইটেশন পাঠিয়ে কাউকে বিরক্ত করার হেতু কী? এটা কেমন দীন মানসিকতার পরিচায়ক?
প্রায় একই কায়দায় বিভিন্ন, আলোচনা গ্রুপে যুক্তিতে না পেরে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার প্রবণতাও বেড়েই চলেছে। এখানে মনে রাখা দরকার, একজন লেখক স্বনামে ,নিজ দায়িত্বে যে লেখাটা লিখেছেন- তা তিনি লিখছেন বৃহৎ কল্যাণের কথা বিবেচনায় রেখে। তার যুক্তির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করতে হলে স্বনামে আবির্ভূত হওয়াটি বাঞ্ছনীয়। যুক্তিতে না পেরে গোপন নাম নিয়ে আক্রমণ করা তো কোনো সৃজনশীল কাজ নয়। নষ্ট মননের ভ্রূণ ছড়িয়ে আমরা কাদের আক্রান্ত করতে চাইছি? সামাজিক সম্প্রীতি বন্ধনের বদলে দীনতার বিষবাষ্প কেন ছড়াচ্ছি আমরা? কার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছি? না, একটি পরিশীলিত মানবগোষ্ঠীর কাছ থেকে এমনটি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। অনলাইন কম্যুনিটি আমাদের জ্ঞানচর্চা, মতবিনিময়ের পথ প্রশস্থ করে দিতে চাইছে। এর অপব্যবহার করলে আমরাই ক্ষতিগ্রস্থ হবো সবচেয়ে বেশি। ক্ষতিগ্রস্থ হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
-------------------------------------------------------------------
দৈনিক সমকাল।ঢাকা। ১৮ এপ্রিল ২০০৯ শনিবার প্রকাশিত
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কিন্তু এটা তো সঠিক পথ নয় ।
খারেজি বলেছেন:
আর গরিব লোকজন তো, দীনতা ছড়াবেই।
পেটের কামড়ে ওরা জাতির মান ইজ্জত ভুইলা গেছে, বস্। মাফ কইরা দেন ওগো।
লেখক বলেছেন: আমি শুধু বিষয়টা সবাইকে জানাতে চেয়েছি ।
খারেজি বলেছেন:
আর এই ফকিন্নীর পুতেরা গালি গালাজ ছাড়া তো আর কিছু শেখেও নাই। নেট সস্তা হইছে, আর নেটে যাইয়া বস্তির গালিগালাজ মাইরা আসতেছে সমানে।
বরং নেট কস্টলি করে ফেলা উচিত, আর পারমিটএর ব্যবস্থা কর উচিত। রুচির পরীক্ষায় ফেল মারলে নেট ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যাবে না, গাড়ির লাইসেন্সিং এর মত।
আমার মতে এইটাই বাংলাদেশ, বাংলাভাষা ও গ্রামীনের্ ইজ্জত বাচানোর একমাত্র রাস্তা।
লেখক বলেছেন: একটু বেশি হয়ে গেল না ......!
খারেজি বলেছেন:
না, বস। জিনিসের মান রাখতে গেলে কম কমই রাখতে হয়। পাব্লিকের হইলেই এই সব আকাম কুকামে ব্যবহার করবে।
দেখচেন, দেশের মানইজ্জাত এরা রাখে না।
আগেও দেখছি এইরকম। জা.বির ছাত্রলীগের মানিক নামের একজনে ধর্ষণের সেঞ্চুরি কর্ল, ছাত্ররা সেই নিয়া আন্দোলন করলো, ইংরেজি পত্রিকায় তা আবার ছাপাও হইল। চিন্তা করেন, দেশের ইজ্জত থাকল!
খারেজি বলেছেন:
তারপর খালেদা ম্যাডাম মেয়েদের হলে পুলিশ ভইরা দিল। তো সেইখানে চাপা দিলেই হয়।
পুলাপাইন আন্দোলন শুরু করল। টানা একমাস্ নিউজ। এই খবর শুইনা বিদেশীরা আমাগো নিয়াকি ভাবলো কন তো।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
হা হা হা! ছাইড়া দেন! মন্জুর ভাইয়ের কবিতাটা মনে পড়ে গেল...
লেখক বলেছেন: গালি দিলে কি গ্রামীন ফোনের কিছু যাবে আসবে ?
এই মানসিকতা মেনে নিতে পারি নাই বলেই লিখেছি , জনাব ।
লেখক বলেছেন: পিলাস মাইনাস আমার কোনো কাজে লাগে না , খারেজি ।
খারেজি বলেছেন:
আমি সম্পূর্ণ একমত আপ্নের সাথে, ৫০০ ট্যাস্ক বহান দরকার নেটের্ উপ্রে। আর লগে রুচির পরীক্ষা। এইডাই আসল।
রিসাত বলেছেন:
গ্রামীন জিনিসটারে আমি দুই চক্ষে দেকতে পারি না,,, যেইখানে গ্রামীন সেইখানে আমি নাই,,,দুঃখিত মাইনাসের জন্য,,,
লেখক বলেছেন: দেটস ফাইন।
কিন্তু পথ এটা নয় ।
অ্যামাটার বলেছেন:
"খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি, অনেকে নিজ নাম, নিজ ছবি না দিয়ে ছদ্মনামে ভিন্ন ছবি দিয়ে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলেন কিংবা খুলছেন।"---রাইসু প্রতিষ্ঠিত সং এন্ড ভাঁড় ক্লাবে'র নতুন সদস্য হিসেবে অভিনন্দন।"। ‘গ্রামীণফোন’কে এমন অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়ে ব্যানার করা হয়েছে। তাছাড়া বাংলালিংক, একটেল, গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি সংস্থাকেও আক্রমণ করা হয়েছে অশ্লীল ভাষায়। "---কর্পোরেট বেনিয়াকে তুলাধুনা করলে আপনার চুলকাচ্ছে কেন, জানতে পারলে ভাল লাগত।
" যুক্তিতে না পেরে গোপন নাম নিয়ে আক্রমণ করা তো কোনো সৃজনশীল কাজ নয়। নষ্ট মননের ভ্রূণ ছড়িয়ে আমরা কাদের আক্রান্ত করতে চাইছি? "---ব্লগে যখন মেধাহীন বার-চৌদ্দ ভুঁইয়ার স্বৈরতন্ত্র চলে, তখন আপনার দালালী মার্কা 'বিবেক' কি কামে বিজি থাকে, বলবেন কি?
আফসোস...পত্রিকাতে তো আর মাইনাস দেওয়া যায়না!
লেখক বলেছেন: সেটাইতো আপনাদের কারিশমা।
কর্পোরেট বেনিয়াকে তুলো ধূনোর নামে
যাচ্ছে তাই লেখার মদদ দেন।
পত্রিকায় লেখার চেষ্টা কর্লে ভালো হয় । ট্রাই করেন না একটু ।
পত্রিকার পাতায় কর্পোরেট শক্তির কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার উপায় নেই। প্রায় সবগুলো মিডিয়া সম্পূর্ন কর্পোরেট ছাতার আশ্রয়ে। আজ পর্যন্ত মোবাইল কোম্পানীগুলোর গ্রাহক প্রতারনা, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে একটি রিপোর্টও দেখিনি।
কর্পোরেট শক্তির বিরুদ্ধে সেই প্রতিবাদগুলো নেটে যখন আসে অবাধ স্বাধীনতার সুযোগে গালিগালাজও চলে আসে। ফেসবুকের অপব্যবহারটা এখনো দেখিনি তাই সেটা নিয়ে বলতে পারছি না। দেখার সুযোগ পেলে, ফিরে এসে মন্তব্য করবো আবার।
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন:
একমত
ভালো-মানুষ বলেছেন:
ঋফায বাইজান আপনের সমস্যাটা কি? গুয়ের মত পোস্টে পোস্টে ভাইসা বেড়াইতাসেন আর বিদায় নিতাসেন! কারবারখান কি?
সাদা কাগজ বলেছেন:
খারেজি বলেছেন: আর এই ফকিন্নীর পুতেরা গালি গালাজ ছাড়া তো আর কিছু শেখেও নাই।
হা হা হা হা
গালি গালাজ ছাড়া তো আর কিছু শেখেও নাই।
পিন্টু রহমান বলেছেন:
এর পিছনে দীন মোহাম্মদ ভাইয়ার হাত থাকতে পারে। তিনি দীনদুনিয়ার কারবারী।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















ওরা যাবতীয় ভাষায় হয়তো গ্রামীন-বাংলা-... অমুকতমুকদের কেচ্ছা জানায়া দিতে চায়।