নূর চৌধুরী। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন , নূরের গুলিতেই শহীদ হন শেখ মুজিব, বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা ।
এই নূর চৌধুরী এখন আছে কানাডায়। রিফিউজি স্ট্যাটাসে সে কানাডার
বাসিন্দা হবার জন্য আবেদন করেছিল।
২০০৭ সালে বাংলাদেশের পাসপোর্ট পায় সে। এই পাসপোর্ট টি ইস্যু করেন কানাডার তৎকালীন হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত রফিক আহমদ খান।
যিনি কুচক্রী খন্দকার মোশতাক আহমদের দ্বিতীয় স্ত্রীর অন্যপক্ষের সন্তান।
রফিক আহমদ খান এর আগে নিউইয়র্কে কনসাল জেনারেল ছিলেন।
খুনী নূর চৌধুরী সহ অন্যান্য খুনীদেরকে ধরে বাংলাদেশে নিয়ে যাবার জন্য
প্রক্রিয়া চালু করতে বাংলাদেশের আইন মন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ
সম্প্রতি কানাডা সফর করে গেছেন।
ঢাকা ফিরে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন , এ বিষয়ে তার কথা হয়েছে কানাডার একজন মন্ত্রী সহ উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তার সাথে।
এর প্রেক্ষিতে নূর চৌধুরীর বাংলাদেশী পাসপোর্ট জব্দ করেছে কানাডার
বাংলাদেশ হাই কমিশন। নূরের রিফিউজি আবেদনও খারিজ হবার
প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে আজই চ্যানেল আই কে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, নূরের অবস্থান
নিশ্চিত হবার পর , মেজর ডালিমের অবস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত হয়েছে
সরকার। খুনী ডালিমের বিষয়েও প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে ।
এসব খুনীরা বাঙালী জাতির কলংক । বাকী খুনীদের ব্যাপারেও শীঘ্র
প্রক্রিয়া শুরু হোক , সেটাই সময়ের দাবী ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



