আমার প্রিয় পোস্ট

যে কারণে পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কল্যাণ চায় না

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৭

শেয়ারঃ
0 0 0

যে কারণে পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কল্যাণ চায় না
ফকির ইলিয়াস
=======================================
বর্তমান সময়ে তালেবান এবং আল-কায়েদার চারণভূমি বলে পরিচিত ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্রটি চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল অবস্থা চালু থাকুক। এর অন্যতম একটি কারণ আছে। আর কারণটি হচ্ছে তাদের এই মানসিকতা যে, ‘আমাদের শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে তোমরা কি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে?’
এই হীন মানসিকতা সিংহভাগ পাকিস্তানিদের মাঝে। কথাটির অনুরণন আমরা এখনো শুনতে পাই। সম্প্রতি একটি আড্ডায় পাকিস্তানি-আমেরিকান একজন শিক্ষকের কথা শুনে আমার স্পষ্টই মনে হয়, ওরা এখনো বাংলাদেশের সুখ দেখতে নারাজ। এই শিক্ষকের নাম শওকত আফসার। তিনি নিউইয়র্কে একটি কলেজে সমাজবিজ্ঞান পড়ান। বাংলাদেশের রাজনীতির প্রসঙ্গ আসলে শেখ মুজিবকে দোষারোপ সিংহভাগ পাকিস্তানিরাই করে। সঙ্গে তারা যোগ করে জুলফিকার আলী ভুট্টোর নামও। মুজিব-ভুট্টো এই দুজনে ক্ষমতা ভোগ করার জন্যই ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্রটিকে ভাগ করেছিলেন- এমন একটি উষ্মা প্রকাশ করেই পাকিস্তানিরা আলোচনা শুরু করে।
সত্তরের নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অবস্থাটি কেমন ছিল? কেমন ছিল অখণ্ড পাকিস্তানের গতি-প্রকৃতি, রাজনীতির ভবিষ্যৎ? এই প্রশ্নটির উত্তর অনেকেই জানেন। ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের উত্তরসূরি জে. ইয়াহিয়া খান সামরিক যাঁতাকলই চালু রেখেছিলেন অখণ্ড পাকিস্তানে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো ইচ্ছেই এসব জান্তাদের ছিল না। ছিল না এ জন্য, কারণ ‘ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশন’- হলেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ভোটের কাছে পাকিস্তানিরা হেরে যাবে, তা নতুন কোনো বিষয় ছিল না। তাই সামরিক নিষ্পেষণের মাধ্যমে বাঙালিকে দমিয়ে রাখা হোক- সেটিই ছিল পাকিস্তানিদের সহজ পথ।
জাতিগতভাবে পাকিস্তানিদের স্বরূপ-চরিত্র কেমন, তা একটু লক্ষ্য করলেই যে কোনো বাঙালি সহজভাবে বুঝতে পারবেন। তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে অন্যের সহানুভূতি নিতে চাইলেও পবিত্রতম ধর্ম পালনে নিজেরা সব সময়ই উদাসীন। সেই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যিনি ‘জিন্নাহ টুপি’ মাথায় রেখে রাজনীতি করতেন, তার ব্যক্তিগত জীবনাচার ছিল উদভ্রান্ত কোনো পাশ্চাত্য নাগরিকের মতোই। বিভিন্ন ইতিহাসবেত্তারা বারবারই এ প্রসঙ্গে বলেছেন।
সেই পাকিস্তান রাষ্ট্রটি এখনো মনেপ্রাণে বাংলাদেশের কল্যাণ চায় না। তারা যে কোনোভাবেই বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা থামিয়ে দিতে মাঠে আছে। এর মাধ্যমে তারা একাত্তরে পরাজয়ের সামাজিক শোধ যেমনভাবে নিতে চায়, তেমনি বিনষ্ট করতে চায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্প্রীতি। এর জন্য যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই করে যাচ্ছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। সিলেট প্রেসক্লাবে ‘মিডিয়া সেন্টার’ স্থাপনের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ঢাকাস্থ দূতাবাস কম্পিউটার দিতে চেয়েছিল। সিলেট প্রেসক্লাবে গিয়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তা উদ্বোধন করার কথা ছিল ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাস কর্মকর্তার। কিন্তু সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যরা এর প্রতিবাদ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাংবাদিকরা সোচ্চার হয়ে ঐক্য গড়ে তোলেন। ফলে পাকিস্তানি দূতাবাস সেই কম্পিউটার স্থাপনের কাজটি করতে পারেনি। এই খবরটি বিশ্বের সব বিবেকবান বাঙালি সমাজকে ভাবিয়ে তুলেছে। পাকি দূতাবাস প্রেসক্লাবে এমন মিশন চালাতে চাইছে কেন? তারা নেপথ্যে কী ষড়যন্ত্র আঁটছে?
সিলেট প্রেসক্লাবের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসক্লাবের কর্মকর্তারা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছেন। যারা এখনো পাকিস্তানি তমদ্দুন লালন করেন, তারা এক পক্ষে। অন্যদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাংবাদিকরা এক পক্ষে। ইতিমধ্যে নতুন কমিটিও ঘোষিত হয়েছে। এই ঘটনা আমাদেরকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানি চরেরা এখনো বাংলাদেশে তৎপর। এরা তাদের পাকি প্রভুদের মনোরঞ্জনের জন্য একাত্তরে যেমনটি করেছিল, সুযোগ পেলে এখনো তেমনটি করবে। সুযোগ পেলেই তারা অবমাননা করবে লাখ শহীদের রক্তের।

দুই.

ফিরে আসি সেই পাকিস্তানি শিক্ষক শওকত আফসারের সঙ্গে আড্ডা প্রসঙ্গে। তিনি বললেন, ইসলামি মূল্যবোধ ধারণ করে অখণ্ড পাকিস্তান বহাল থাকলে আজ সে রাষ্ট্র ইউরোপের মতো সমৃদ্ধ হতে পারতো! আমি বললাম, তাহলে আপনারা একাত্তরে বাঙালিদের ওপর নেতৃত্বটা ছেড়ে দিলেই পারতেন! তিনি এর মৃদু প্রতিবাদ করলেন। বললেন, পাকিস্তানিরা অন্য যে কোনো জাতির চেয়ে কর্মঠ জাতি। তারাই পারতো অখণ্ড পাকিস্তানের নেতৃত্ব দিতে। আমি বললাম তাহলে তো আর গণতন্ত্র মানার পক্ষে আপনি সায় দিচ্ছেন না। তিনি বললেন, গণতন্ত্র তো ‘গরিব লোক’দের জন্য নয়। তাই আমাদের উচিত ছিল যোগ্যতার ভিত্তিতেই পাকিস্তানের নেতৃত্ব নির্ধারণ করা। আমি কিছুটা রাগতস্বরেই বললাম এটা তো গাদ্দারি ভাষা। উপস্থিত অন্যরা যোগ দিলেন আলোচনাটা থামিয়ে দিতে। আমিও কোনো গাদ্দার মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বাড়াতে রাজি হলাম না।
ওদের এমন মানসিকতা নতুন নয়, এরা সব সময়ই কর্তৃত্ব নিজের হাতে রেখে ‘হাম ভি মুসলিম, তুম ভি মুসলিম’ এমন বুলি অনেক আওড়িয়েছে। এখনো আওড়াতে চায়। কিন্তু আদতে তারা বাংলাদেশের কোনো কল্যাণই চায় না মনেপ্রাণে। ভুলে গেলে চলবে না পাকিস্তান ও তার অনুসারী ধর্মের ধ্বজাধারীরা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল পঁচাত্তরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর। পাকিস্তানে বর্তমানে যে তালেবানি আগ্রাসন চলছে, তারা তা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে চায়। এর জন্য তারা পাকিস্তানি তো বটেই এমনকি ভারতীয় মুসলিম জঙ্গি গ্রুপকে ব্যবহার করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গেলো কিছু দিন আগে পাকিস্তানি জঙ্গি গ্রুপের কিছু তরুণ বাংলাদেশে ধরা পড়েছে। শুধু তাই নয়, ঢাকার পাকিস্তানি দূতাবাস বাংলাদেশের ডানপন্থী মৌলবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সখ্য বজায় রেখেই চলেছে। এনজিওর নামেও তারা সাহায্যের প্রজেক্ট হাতে নিয়ে বিস্তৃত রেখেছে নানা কর্মকাণ্ড। যা সরকারের ঘনিষ্ঠভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।
এটা বর্তমান বাংলাদেশের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের কথা যে, এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী এখনো মানসে পাকিস্তানি তমদ্দুন লালন করেন। এখনো তারা বলে বেড়ান ভারতই বাংলাদেশের প্রধান শত্রু। প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্র কেন শত্রু হবে? এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দিয়েই তারা ‘ভারত নিয়ে নিলো’ এমন জুজুর ভয় দেখাতে সব সময়ই তৎপর। অথচ এই ভারত মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, বিষয়টি এসব বুদ্ধির ঢেঁকিরা বেমালুম চেপে যান। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, খাবার, কৃষ্টি, সভ্যতা, সামাজিকতার দিক দিয়েও ভারত রাষ্ট্র সত্তাই, বাংলাদেশ রাষ্ট্রসত্তার অনেক কাছাকাছি। বিষয়টি তারা তো চেপে যানই, বরং তাদের ক্ষোভ এতোই বেশি যে আর কিছুদিন পর তারা যদি বাঙালি নারীদের শাড়ি আর পুরুষের পাঞ্জাবি-পাজামা পরার ওপরও ফরমান জারি করেন তবুও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কটাক্ষ করেছেন সেই সব খিস্তিখেউড় মার্কা বুদ্ধিজীবীরা। কারণ সেটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন। এরা পয়লা বৈশাখ পালনকেও হিন্দু সংস্কৃতির অংশ বলে ফতোয়া দিয়েছে। অথচ তাদের পেয়ারা তালেবানি রাষ্ট্র পাকিস্তানের বশ্যতা স্বীকারে এখনো কুণ্ঠাবোধ করে না। এসব বিষয়গুলো বর্তমান প্রজন্মকে খুব দৃঢ়তার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। একাত্তরে যারা বাঙালি নারীকে ‘গনিমতের মাল’ বলে আখ্যায়িত করেছিল সেইসব হায়েনারা এখনো বাংলাদেশে তৎপর। একাত্তরের ঘাতক দালাল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রাক্কালে তারা গর্ত থেকে বেরিয়ে কচ্ছপের মতো উঁকি দিচ্ছে। তারা নানাভাবে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের পাঁয়তারা করছে। এটা অত্যন্ত স্পষ্ট, শোনা যাচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে নাক গলিয়ে পাকিস্তান বিশ্বের বিভিন্ন মহলে ধরনা দিচ্ছে যাতে এই বিচার প্রক্রিয়া ঠেকানো যায়। এই বিষয়গুলো বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের নজরে রাখা উচিত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মানেই, মহান মুক্তি সংগ্রামে গণহত্যার বিপক্ষে নৈতিক বিজয়। এই বিজয় বাঙালি জাতিকে অর্জন করতেই হবে। #
--------------------------------------------------------------------
দৈনিক ভোরের কাগজ / ঢাকা/ ১১ জানুয়ারি ২০১০ সোমবার
প্রকাশিত

ছবি- গেইল ভ্যানএন্টর‌্যাপ


 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪০
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: লেখাটা বেশ দূর্বল মনে হল।

সিলেটের প্রেসক্লাবে যে ঘটনার বর্ণনা দিলেন আপনি, সে ঘটনায় পাকিস্তান দূতাবাসের দোষটা কেউই আপনার লেখা পড়ে খুঁজে পাবেনা। কম্পিউটার দেওয়াটা "ষড়যন্ত্র" কিভাবে হয়? হয় এটা অতি-প্রতিক্রিয়া, নয়ত ঘটনা সঠিকভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন।

আপনি বললেন, "জাতিগতভাবে পাকিস্তানিরা ধর্মের দোহাই দিয়ে অন্যের সহানুভূতি নিতে চাইলেও পবিত্রতম ধর্ম পালনে নিজেরা সব সময়ই উদাসীন"। একটা সম্পূর্ণ দেশের জনগণকে এভাবে ছোট করা ব্লগে শোভা পায়, কিন্তু একটা জাতীয় দৈনিকে কোন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন লেখক কি এভাবে লিখবেন?

আপনি বললেন "প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্র কেন শত্রু হবে? " আপনার এই কথাটা পড়ে মনে হয় আপনি বৈশ্বিক রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিভাল নন, কিংবা সজ্ঞানেই এড়িয়ে গেলেন। বরং কেউ যদি বলে ""প্রতিবেশী রাষ্ট্র মাত্রই কিছুটা শত্রু রাষ্ট্র " তাও সেটা মোর ফ্যাকচুয়াল দেন ইয়োর স্টেটমেন্ট।

বাকী অনেক কথার সাথেই সহমত।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫২

লেখক বলেছেন: তা আপনার মনে হতেই পারে ।

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০০
যোগী বলেছেন: "জাতিগতভাবে পাকিস্তানিরা ধর্মের দোহাই দিয়ে অন্যের সহানুভূতি নিতে চাইলেও পবিত্রতম ধর্ম পালনে নিজেরা সব সময়ই উদাসীন"


পাকিস্তানে এখনো বছরে ৫০০০ অনার কিলিং হয়। তাছাড়া সেখানে এখনো অনের পৈশাচিক বর্বর সমাজ নিতি প্রচলিত আছে।


আপনের লেখায় প্লাস
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে ।

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০৬
গুতুদিয়া বলেছেন: আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া - আমার জীবনে যেন দেখে যেতে পারি - এই পাকি দেশটা ভেংগে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: হতে পারে।
বেলুচ , সিন্ধ - রা তো তা চাইছেই ।

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১১
মাসুম আহমদ ১৪ বলেছেন: অনেক গুছনো ও চমৎকার উপস্হাপনা
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১২
যোগী বলেছেন: গুতুদিয়া বলেছেন: আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া - আমার জীবনে যেন দেখে যেতে পারি - এই পাকি দেশটা ভেংগে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে।


পাকিস্তান এখন নরকের আর এক নাম। ছো আপনার চাওয়া পূরন অনেকখানি এগিয়ে গেছে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: হাঁ । সেভাবেই এগুচ্ছে ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট , পোয়েট ।

৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৩
কাজল রশীদ বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো ইলিয়াস ভাই। পাকিস্তান ভাঙবে না, তবে আফগানিস্তান আর পাকিস্তান মিলে দালালদের আফপাকিস্তান হবে। তা আমরা দেখে যাব।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: একটা তালেবানিস্তান হবে ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।

৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৭
রাজিয়েল বলেছেন: গুতুদিয়া বলেছেন: আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া - আমার জীবনে যেন দেখে যেতে পারি - এই পাকি দেশটা ভেংগে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে।

১০০% সহমত


মিডিয়াতে পাকিস্তানের ১০ টা খবর আসলে ৮ টা খবর আসে আত্মঘাতী হামলায় মানুষ নিহত হওয়ার খবর। আর বাকি ২ টা আসে মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় তালিবান নিহত হওয়ার খবর। খবর গুলা শুনলে আমার মনের একটা অংশ দুঃখমিশ্রিত অদ্ভুত একটা বিকৃত আনন্দ অনুভব করে। কিন্তু আমি জানি, পাকিস্তান না হয়ে দুনিয়ার অন্য যেকোন দেশ হলে এমন অনুভব করতাম না। যতদিন ৩০ লাখ পাকিস্তানি না মরবে, এটা আসলে ওদের নিয়তিতেই লেখা হয়ে আছে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: যতদিন ৩০ লাখ পাকিস্তানি না মরবে, এটা আসলে ওদের নিয়তিতেই লেখা হয়ে আছে।


বড় শক্ত কথা বলেছেন।

শুভেচ্ছা ।

১০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৮
ধীবর বলেছেন: সাধারণ পাকিস্থানিরা বাংলাদেশের প্রতি এক ধরণের উষ্মা মিশ্রিত ঘৃণা পোষন করে সে কথা ১০০ ভাগ সত্য। কিন্তু আপনার লেখায় গোল বাজলো অন্যখানে। চায়না যেতে যেতে আপনি পৌছে গেলেন জাপানে। কথা হচ্ছিল পাকিস্থানি আর পাকিস্থানপন্থিদের নিয়ে। সেখান থেকে খুব স্থুলভাবেই ভারত তোষনের পথে চলে গেলেন। কারণটা আমি জানি, তবে লেখক হিসেবে সততার জন্যই বাকিদের জানানো আপনার কর্তব্য ব্লে মনে করছি।

পাকিস্থান আমাদের শত্রু বলেই ভারত আমাদের বন্ধু এ ধরণের অদ্ভুতুড়ে অযৌক্তিক কথা মেনে নেয়া মুশকিল। এতদিন ধরে লেখালেখি করেন, আর জ্ঞানের জানালাটা এভাবে বন্ধ করে রাখলেন? ভারত বিরোধীতার একশো একটা কারণ আছে।যা জেনে শুনে গোপন করে আপনি পাঠকদের ধোকা দিচ্ছেন।

সহজ সত্য হলো, পাকিস্থান যেমন আমাদের সমৃদ্ধিকে ভালোভাবে নেবে না, তেমনি ভারতও কোনদিন চাইবে না, তার পাশের দেশটি (বাংলাদেশ) সমৃদ্ধ হোক। মাইনাস।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৮
কগচডড বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: কিন্তু ভারতের উপর তর এত দরদ হইল কেন? তুই কি ভারতের অই পাড় থেইকা ব্লগিং করতাসস? ভারত কি করে তা কি তুই চক্ষে দেখস না? নাকি না দেখার চিন্তা করছস?

তর মতন ইন্ডিয়ান রাজাকার থেইকা আমাগো সাবধান হইতে হইব।

চোখ থাকলে দেইখা আয়, ১-১০ জানুয়ারীর মধ্যে , BSF কয়ডা বাংলাদেশি মারছে। কইডা নারী তগো ইন্ডিয়ার বেশ্যা পল্লিতে বেছা হইছে।
তর সাহস থাকলে এই কমেন্ট মুছবি না।



...... কমেন্ট মুছবো না। তবে এরকম পাকি দালালদের আমার
ব্লগে আমি শিকল পরাই ।

সেটাই পরালাম। কেন পরালাম, তা দেকাবার জন্যই আমি আবারও
ভাষা টা তুলে দিলাম ।

গুড লাক ।

১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৪
কালপুরুষ বলেছেন: বাংলাদেশের কল্যাণ একমাত্র ভারতই চায়। আর এই কল্যণের বদৌলতে বাংলাদেশ তরতর করে উন্নতির দিকে এগুচ্ছে। আর কিছুদিন পর আমরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারবো।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য রম্যর পর্যায়েই যে গেল , কালপুরুষ !

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০২
কালপুরুষ বলেছেন: শত্রুর ধ্বংশ সবাই চায়, তবে কখনোই নিজের ধ্বংশকে স্বগত জানিয়ে নয়। আমরা শত্রুর ধ্বংশে যতটা উল্লসিত হই তার সিকি পরিমাণ যদি নিজেদের উন্নতির দিকে মনযোগ দিতাম তবে আজ এই দেশটা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো। আমরা এখনো নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রা ভংগ করতে সিদ্ধহস্ত। তাই বোঁচা নাক নিয়ে খাড়া হবার স্বপ্নে বিভোর। অন্যকে দিগম্বর দেখতে যেয়ে নিজেই দিগম্বর হয়ে যাচ্ছি।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথা দার্শনিকদের মতো ।
আমি তা বুঝতে অপারগ , কালপুরুষ ।

১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৭
ধীবর বলেছেন: আপনাকে চ্যালেঞ্জ করা হলো ফকির সাহেব। আমার বিরুদ্ধে আপনার অপবাদের প্রমান দিন। আমার ব্লগের পোস্টগুলি একেবারে অকৃত্রিম ভাবে সাজানো আছে। আপনার অপবাদের স্বপক্ষে সেগুলির একটা রেফারেন্স দিন। নইলে ভাববো, আপনি একটা খেতাববাজ বৈত নয়।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: সেটা আপনি বুকে হাত দিয়ে , নিজেই বুঝতে পারবেন।

আর কী প্রমান চান বলুন ।

১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: পাকিস্হান আমাদের ভাল চায় না| আমি এটা বিশ্বাস করি|
আপনিও বিশ্বাস করেন সে জন্য ধন্যবাদ|

এই আলোচনায় ভারতকে আপনি টেনে আনলেন কোন কারনে......???
শুধু টেনে আনা নয়, ভারতের জন্য গদ গদ হয়ে যা বললেন তাতে ভারতের প্রতি অন্ধ দালালীটা একেবারেই প্রকাশ্যে চলে এসেছে|

আমি কিন্তু পাকি রাজাকার ও ভারতীয় দালাল দুইটারে ঘৃনা করি, কবি হিসাবে আপনি অনেকের ঘৃনা কুড়াচ্ছেন........|

দু:খ হয় আপনার দীনতা দেখে.....
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: আমি সত্য কথাই বলি।

আমার পাওয়া- হারানোর কিছু নাই।

আপনিও পাকতোষণ করেন , তা আমার অজানা নয়।

কোনো দালালী নয় , বাঙালী জাতিসত্তার পক্ষে আমি লিখে যাবোই ।

১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯
আইলা বলেছেন: @ বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত : ভচ ভারতের র শুনছি সুন্দরী মাইয়া ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেল করে। কবিবর ফান্দে পড়তেই পারেন।

১১৯ জনের সফরকারী দলে র এর বাংলাদেশ চীপ থাকাটাও অস্বাভাবিক না।
১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩০
আইলা বলেছেন: @ ধীবর : ভারতের র শুনছি সুন্দরী মাইয়া ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেল করে। কবিবর ফান্দে পড়তেই পারেন।

১১৯ জনের সফরকারী দলে র এর বাংলাদেশ চীপ থাকাটাও অস্বাভাবিক না। ;)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: হ

১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪১
জ্বীন বলেছেন: I hate both Pro Indian and Pro Pakistani Dalal / collaborator ।

এই দুই দালাল গোষ্টির হাত থেকে মুক্তি চাই ।প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে এরাই বেশি ক্ষতি করে ।

এক দলের কাছে পাকিস্তান মহান ।আরেক দলের কাছে ভারত মহান ।

মজার বিষয় হচ্ছে, পাকিস্তান ও ভারতের মুদ্রার নাম রুপি !!
এদের পেমেন্ট কি রুপি (পাকিস্তানী / ভারতীয়) হয় নাকি ডলারে হয়?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: অবশ্য আমার হিসেবটা ডলারে ।

১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
ধীবর বলেছেন: কবি মিয়া, এই সব রঙ্গ তামাশার কবিত্ব কথা বাদ দেন। যা কইলাম সিধা সিধা জবাব দ্যান। সবচেয়ে বাজে গালি দিবেন, আর সেইটা প্রমান করার লাইগ্যা আমারে বুকে হাত দিতে হইবো? ফাইজলামি করেন? হয় প্রমান দিবেন নইলে ক্ষমা চাইবেন।

@ আইলা... এইটা কি শুনাইলেন ভাইডি? টাস্কি খাইয়া গেলাম।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: ধীবর মীয়া , নাকে তেল দিয়া ঘুমান । কামে দিবো ।

২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
আইলা বলেছেন: @ জ্বীন : পাকিস্তান এর মুদ্রার নাম রুপিয়া
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: লেখক বলেছেন:

আপনিও পাকতোষণ করেন , তা আমার অজানা নয়।

--------------->> এই ব্লগে বা অন্য কোথাও যদি পাকি তোষনের এক লাইন দেখাতে পারেন, ব্লগ ছেড়ে দেব|

পাকি রাজাকার ও ভারতীয় দালাল দুইটারে আমি সমান ঘৃনা করি......|

লেখক বলেছেন:

আমি সত্য কথাই বলি।

------------------->> আপনি যে ভারতের দালাল সেটা সত্যি, লেখাতেই বেড়িয়ে পড়েছে| এই কদিন আগেও আপনি ভারতীয় দূতাবাসে নিরাপত্তা কর্মী নিয়ে ভারতের পক্ষে সাফাই গেয়ে বা ফপর দালালী করে পোষ্ট দিয়ে রেকর্ড পরিমান মাইনাস খেয়ে ব্লগে হাসির খোরাক হয়েছেন......!!

ধীবর আপনাকে চ্যালেন্জ দিয়েছে, আমিও চ্যালেন্জ দিলাম, দেখান এক লাইন লিখেছি পাকিস্হানের পক্ষে|

আর আপনি সুযোগ পেলেই ভারত মাতার কীত্তন গাইতে শুরু করেন, দেখেন আজকের লেখটা শুরু করেছেন পাকিস্হানকে নিয়ে, মাঝখানে খেই হারিয়ে ১০/১২ লাইন লিখে ফেললেন ভারত প্রেম নিয়ে.....

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: প্রকাশ্য পাকিদের অভাব নাই ।

মধ্যস্বত্তভোগীদেরকেই চেনা কঠিন ।

এরাই বেশি বিষাক্ত ।

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০২
আইলা বলেছেন: @ ধীবর : বাংলাদেশে কে কে র এর এজেন্ট না সেটা আগে খোজা দরকার। কারণ এই সংখ্যাটা খুবই কম হয়ত।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: লিস্টি করেন ।

২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৫
জ্বীন বলেছেন: @ আইলা , ধন্যবাদ ।
২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৮
ধীবর বলেছেন: বিদ্রোহি রণক্লান্ত ভাই, লেখাটা সেভ কইরা রাখেন। প্রমান থাকুক।

আইলা ভাই, আপনি দেখি টাস্কির উপর টাস্কি খাওয়ার মত খবর দিতাছেন। আমাগো এত উন্নতি দেইখ্যা ( কপাল চাপড়ানোর ইমো হবে)।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: শেভ তো কম করেন নাই ।

আরো করেন ।

২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৫
তাজা কলম বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষণে লেখা। ভাল লাগল পোষ্টটি। +++++++

তবে আমি আশাবাদী। অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। একজন শিক্ষক হিসেবে আমি এখন নবপ্রজন্মের খুব কাছাকাছি এবং তাদের পাঠ করে বুঝেছি তারা এখন আর ধর্মীয় সুড়সুড়ি কিংবা ভারত বিরোধী শ্লোগানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। এই প্রজন্ম অতীতমুখীও নয়। বরং এরা যায় দেশের সত্যিকার আর্থসামাজিক এবং আত্মোন্নয়ন। এরাই দেখাবে মুক্তির সনদ।

আমার একটা লেখায় চোখ বুলিয়ে আসবেন।
Click This Link
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনার জয় হোক ।

২৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৯
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

""

এখনো তারা বলে বেড়ান ভারতই বাংলাদেশের প্রধান শত্রু। প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্র কেন শত্রু হবে?

"""

এই লিখা আবার পত্রিকাতেও ছাপায়? হাহাহাহাহাহাহা

ভারতের পক্ষে চাপাই গাওয়া আর ভারতিয় জুজুর দেখানো দুগ্রুপকেই মাইনাস।


এই পোষ্টের কমেন্টগুলো দেখুন, একটা জিজ্ঞাসা পোস্ট - ফকির ইলিয়াস ব্লগ ছেড়ে গেলেন কেন?


১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার নিজের রং টা দেখান।


আর হ, ভালো কাজটি করষেন। ঐ পোস্ট টা দেখি নাই।

আপনার কল্যাণে দেখা হলো ।
সেজন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

২৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪২
নুভান বলেছেন: বর্তমান প্রজন্মের ভারতীয় বলুন আর পাকি বলুন কেউই বাংলাদেশীদের সহ্য করতে পারেনা। কেউই চায়না দক্ষিন এশিয়াতে তৃতীয় কোন শক্তির উদ্ভব ঘটুক। দুই দেশ কেই মাইনাস। নিজের দেশের সমৃদ্ধির জন্য নিজের কাজ করে যেতে হবে। ভারত বা পাকি-রা কি ভাবলো আর না ভাবলো ওটা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না।
একটা কথা মনে রাখা দরকার, ভারত অ পাকিস্তান প্রতিদ্বন্দী, আর এক প্রতিদ্বন্দী অপরজনকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখে। কিন্তু বাংলাদেশীদের তারা কি দৃষ্টিতে দেখে এটা আঁচ পাওয়া যায় ভারতীয় বা পাকির সাথে কথা বললে। এজন্যই হয়তো মন্দিরা বেদী বাংলাদেশী টিমকে "আন্ডার ডগ" বলার সুযোগ পায় কিন্তু পাকি টিমকে তা বলার সাহস পায়না।
দুর্ভাগ্য আমাদের এ জাতির যে আমরা নিজেদের উন্নতি কিভাবে হবে সেটা চিন্তা না করে ভারত বা পাকিদের তোষন বা মর্দনে ব্যস্ত।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: নিজের চিন্তা টা একটু করেন না।

কিছু প্ল্যান দেন জাতিকে।

২৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯
মিলটন বলেছেন: "লেখক বলেছেন: আপনি মিষ্টার ধীবর , পাক তোষণকারী - তা কারোই অজানা নয়।

আমি ভারত তোষণকারী নই। ইতিহাস জানি । সত্য মানি।

আপনার মতো আরো যারা যারা মাইনাস দিছে , ওগুলোরে আমি

''পাকিজাত ''- বলি।

পাকিজাত - কথাটা এই ব্লগে বেশ সমাদৃতই হয়েছে।"
=====================

একটা কঠিন গালি আপনি যেভাবে খলখলিয়ে মুখ দিয়ে বলে দিলেন, তাতে আপনার কলমের ওজন বাড়ছে না বরং কমছে। আপনি "ধীবর"-কে যে গালিটা হঠাৎ করেই দিলেন। আমার মতে সেটা আপনার উচিত হয়নি। আপনাকে আপনার কথা ফিরিয়ে নেবার জন্য অনুরোধ করছি। নিজেকে এভাবে আর সহজলভ্য আর হালকা করবেন না।

মনে রাখবেন, আপনারা কলম সৈনিক। ওটাই আপনাদের অস্ত্র। অস্ত্রকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: পাকতোষনকারী - টা কী গালি ?

তেনারা তো সেই তমদ্দুনেরই মজলিশ।

মিছাটা কী কইলাম !

২৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০০
রাজর্ষী বলেছেন: প্রেসক্লাবের ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। একে বলে প্রতিক্রিয়াশীলতা। আর ভারতের ব্যাপারে অতটা সন্দেহ মুক্ত থাকা যায় না। আপনেরা মিয়া নিজেদের স্বার্থ না বুঝে কোন না কোন দিকে কান্নি খায়া থাকেন। ভালো না।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ভালো ওয়াজ দিয়েন মাঝে মাঝে ।

৩০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: পাকিদের অবস্থান সম্পর্কে আপনার যা বিশ্লেষন তার জন্যে আপনাকে সাধুবাদ।

ভারতীয় দুতাবাসে নিরাপত্তা কর্মীর ব্যাপারে আপনার পোষ্টও আপনার গভীর জ্ঞানের পরিচায়ক।

কিন্তু ভারত সম্পর্কে এ পোষ্টে আপনি যা বল্লেন তা মেনে নেয়া অসম্ভব। আর আপনি তা জানেনও। প্রচন্ড ক্রোধটা সে জন্যেই।

আজ আর কথা বাড়ালামনা।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ভারতের বিভিন্ন দিকটা বিস্লেষণ করার জন্য আমি
আপনাকেও অনুরোধ করি ।

৩১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৩
নন্দনপুরী বলেছেন:
পাকিস্হানকে আমি ঘৃনা করি.....
ঘৃনা.........ঘৃনা..............ঘৃনা...........

পাকিস্তান একটা তালেবানিস্তান হবে ।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: তা তো হয়েই আছে ।

৩২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
তর্ষ বলেছেন: পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ১৬ জনের ভাল লাগেনি
কি অবস্থা এমন কেন? মাইনাসের বন্যা হে হে হে.....
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: গুনতে থাকেন ।

৩৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮
মুহিত চৌধুরী বলেছেন: কবি ধন্যবাদ, বাংলাদেশ বিরোধি শক্তি আছে বলেই মুজিব,জিয়া হত্যার ঘটনা ঘটে ছিল এবং ১/১১ এর জন্ম হয়ে ছিল।
যাইহোক সিলেট প্রেসক্লাব নিয়ে আপনার লেখা তথ্যভিত্তিক নয়, সম্ভবত আপনি ভুল তথ্য পেয়েছেন প্রকৃত ঘটনা আমার ব্লগে দেখুন
৩৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৬
মুহিত চৌধুরী বলেছেন: আপনি লিখেছেন সিলেট প্রেসক্লাবে ‘মিডিয়া সেন্টার’ স্থাপনের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ঢাকাস্থ দূতাবাস কম্পিউটার দিতে চেয়েছিল।এটা ঠিক নয় কম্পিউটার ওরা ইতোমধ্যে দিয়ে দিয়েছে।শুধু উদ্বোধন করা ছিল বাকী। সিলেট প্রেসক্লাবের সকল সদস্যরা সেদিন তা গ্রহন করেছিলেন।
ক্ষমতাশীনদের নেক নজরে পড়া,বিনা নির্বাচনে প্রেসক্লাবের শীর্ষ পদ দখল
করার জন্য বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারী টিভির সিলেট প্রতিনিধি রাজনীতি শুরু করেন। অথচ তিনিই পাকিস্তানি দূতাবাস কর্মকর্তার কাছ থেকে সে দিন হাসি মুখে কম্পিউটার গ্রহন করে ছিলেন। যা পত্র পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।তার সাথে বহিরাগত ছাড়া তেমন কেউ নেই। অন্যদিকে আপনি যাদেরকে পাকিস্তানি তমদ্দুন লালন কারী বলেছেন তারা হলেন সমকাল, যুগান্তর, ইত্তেফাক, প্রথম আলো, কালের কন্ঠ, ডেসটেনি, আমারদেশ, নয়াদিগন্ত, সংগ্রাম, ভোরের ডাক, সিলেটের ডাক, জালালাবাদ, বানী, যুগভেরী, এটিএন, এনটিভি, আর টিভি, বাংলাভিশন, বেশাখি, দিগন্তটিভি,ইসলামিক টিভি ইত্যদি. এবার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন আপনাকে ভুল তথ্য দেয়া হয়েছ।
৩৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২২
মুহিত চৌধুরী বলেছেন: আমি মনে করি আপনার মতো সব্যসাচী মহান লেখক কে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরো সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে, হল দখল, মাঠদখল, জায়গাদখল, বাড়িদখল এর মতো প্রেসক্লাব দখল করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ বিপক্ষ এবং পাকিস্তানি দুতাবাস কর্তৃক কম্পিউটার ইস্যু ব্যবহার করা হয়েছিল। বহিরাগত নিয়ে একবার তিনি প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টাও করে ছিলেন প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা এবং সাধারণ সদস্যদের প্রতিবাদ প্রতিরোধের মুখে তিনি চলে যেতে বাধ্য হন, সর্বসম্মতি ক্রমে তাকে সহ সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ব্যাক্তি স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধকে আর কত নির্লজ্জ ব্যাবহার চলবে?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: আমি যা পত্রপত্রিকায় পড়েছি , সেই আলোকেই লিখেছি ।

এখন তা হলে সিলেট প্রেসক্লাবের দুটি কমিটি কেন?

আল আজাদ যদি তা গ্রহণ করেই থাকেন, তবে পরে অন্য কমিটির
সভাপতি হলেন কীকরে ?

আর পাকি রা সেখানে কম্পু দেবার চিন্তাটাই কেন করলো ?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০২

লেখক বলেছেন: বি



লি

৩৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৩
ইমন সরওয়ার বলেছেন: কবি, জাতীয় দয়িত্ব আপনার উপরেই বর্তায় বেশি। আমরা খুশি হই আমাদের হয়ে কেউ একজন এ কাজগুলো করছেন দেখে।



ভালোলাগা রেখে গেলাম।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: আমি খুব নগণ্য মানুষ।

অশেষ ধন্যবাদ

৩৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৮
দ্বীপবালক বলেছেন: ভারত বোধ হয় আমাদের খুব কল্যাণ চায়।
ভাদা পোস্টে মাইনাস।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আরে বালকরাজাকার যে !

তুমারে সাইজ কর্তে এহটু দেরি হইয়া গেল !

৩৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৮
প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: রেটিং দেখে প্রমানিত হয় পাকিজাত ছাগুদের বাম্পার বংশবিস্তার হয়েছে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: হাঁ, পাকিজাতরা এখানে থাকছেই !

৪০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২
মুহিত চৌধুরী বলেছেন: কবি হয়তো বা আপনি উত্তরপূর্বে দেখেছেন, কমিটিতো এজন্য বিবাদ লাগিয়ে প্রশাসন কর্তৃক প্রত্যাশিত কমিটি গঠন করা।আপনি প্রয়োজনে কালের কন্ঠের সিলেট প্রতিনিধি আহমেদ নূরের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন০১৭১১৩৩৪৬৫১, সমকাল লিয়াকত শাহ ফরিদি ০১৭১১৩৩৪৬৫০ ধন্যবাদ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: তবে এই ঘটনা নিয়া সাংবাদিকদের বিভক্তি দুঃখজনক।

তারা তা সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করা উচিৎ ছিল ।

৪১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১২
সরসিজ আলীম বলেছেন: পাকিস্থানীরা এমনিতেই খুব অসহায় অবস্থায় আছে।পাকিস্থান যে কোন মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। জনৈক পাকিস্থানী হতাশাগুস্ত বোঝা যাচ্ছে। পাকিস্থানপন্থিদেরও একই অবস্থা। হতাশা থেকে অপরের ক্ষতির করার প্রবণতা জেগে ওঠে। এদের থেকে সাবধান হতে হবে।
এই নিবন্ধে ভারত তোষণের কোন ব্যাপার নেই। জুজুর ভয় দেখিয়ে পাকিস্থানপন্থিদের প্রতি সহানুভূতি জাগাবার চেষ্টা চলে। এই জুজুর ভয় রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের অন্যতম অস্ত্র। বিষয়টা এরমধ্যেই রয়ে গেছে, কারো কারো গাত্রদাহের কারণ কি?
অন্যদিকে ভারত আমাদের গলা টিপে ধরেছে। উদ্ধার পাবো কিভাবে এটা নিয়ে আলোচনা হোক। আমরা কারো দয়া চায়না। আমরা শুধু আমাদের ন্যায্য পাওনাটুকু চায়।
আমরা বাঙালি আমরা বাঙালি আমরা বাঙালি ...
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: অশেদ ধন্যবাদ কবি ।

৪২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: পাকিস্থান পর্যন্ত ঠিক ছিল।কিন্তু ভারতের গুনগান??
দালালি করন ভালা!!
আপনাকে তো সেরা ব্লগার নির্বাচিত করা হয়েছে।জানেন তা? না জানলে কৌতুহলী ব্লগারের ব্লগ ঘুরে আসেন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: শোনেন , আমি নতুন বামুন না।

তাই ঐসব ছাল আমার গায়ে চড়াবার দরকার নাই ।

এই সব হায়েনা তো কম দেখি নাই ।

৪৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৬
ত্রিশোনকু বলেছেন: "ভারতের বিভিন্ন দিকটা বিস্লেষণ করার জন্য আমি
আপনাকেও অনুরোধ করি ।"

-একটু সময় দিন। কিছু উদাহরন শুদ্ধ দেবার চেষ্টা করবো।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম , প্রিয় ত্রিশোনকু ।

৪৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: "ভারতের বিভিন্ন দিকটা বিস্লেষণ করার জন্য আমি
আপনাকেও অনুরোধ করি ।"

-একটু সময় দিন। কিছু উদাহরন শুদ্ধ দেবার চেষ্টা করবো।
৪৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১
মুহিত চৌধুরী বলেছেন: সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে ,
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো , কবিবর ।

৪৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩
তাহের বলেছেন: বর্তমান সময়ে তালেবান এবং আল-কায়েদার চারণভূমি বলে পরিচিত ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্রটি চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল অবস্থা চালু থাকুক। এর অন্যতম একটি কারণ আছে। আর কারণটি হচ্ছে তাদের এই মানসিকতা যে, ‘আমাদের শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে তোমরা কি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে?’
এই হীন মানসিকতা সিংহভাগ পাকিস্তানিদের মাঝে (১০০% সত্য)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: পড়েছেন দেখে ভালো লাগলো ।

৪৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: আপনি আসলে পাকিস্তানের এলিট শ্রেণীর কথা বলেছেন। এখনো হাজার হাজার সাধারণ পাকিস্তানী ৭১কে নিজেদের কলংক হিসেবে বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলে। যেসব সাংবাদিক স্থানীয় পর্যায়ে তৃনমূলের মন্তব্য তুলে ধরেছেন তারা অনেকেই এ সত্যটা স্বীকার করেছেন।
৪৮. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০২
এইচ এম বাশার বলেছেন: পাকিস্থান যেমন আমাদের সমৃদ্ধিকে ভালোভাবে নেবে না, তেমনি ভারতও কোনদিন চাইবে না, তার পাশের দেশটি (বাংলাদেশ) সমৃদ্ধ হোক। মাইনাস।
৪৯. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
খালিদ নর্থ সাউথ বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

৫০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
েপচাইললা বলেছেন: পাকি শুয়োররা জাহান্নামে যাক, আমি নির্বিকার থাকব।

কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে এই সুবিধা নিয়ে ভারত দিনের পর দিন আমাদের ওপর শোষণমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাবে, এটি আমি মেনে নিতে পারছি না।

অন্য অনেক উদাহরণে না গিয়ে আমি শুধু একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই। আমার দেশের নিরীহ মানুষকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা হচ্ছে না কেন? বিনা উস্কানিতে এসব নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করার লাইসেন্স কি মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার বিনিময়ে তাদেরকে দেয়া হযেছে?

যে বাংলাদেশকে তারা মুক্ত করতে প্রায় সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল (এই কথাটি আমি শ্রদ্ধার সাথে পজিটিভলি বলছি) তাদের দেশটিকে তাদের প্রাপ্য পানিটুকু পর্যন্ত দিতে তাদের আপত্তি কোথায় সেটিই তো এখনও আমার মাথায় আসেনি। অন্য কথা বাদ দিলাম, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যতটুকু পানি আমাদের প্রাপ্য তাও আমাদের দেয়া হচ্ছে না কেন? উল্টো প্রায় সবগুলো নদীতে বাঁধ দিয়ে আরো মরুকরণের দিকে একটি অনুজপ্রতিম রাষ্ট্রকে ঠেলে দেবার মতলব কিংবা মানসিকতা ভরতীয়দের হয় কি করে আমাকে বোঝান।

পাকিস্তানপ্রীতি যাদের আছে তাদের সাথে মারামারি করুন। আমার দেশের যারা ভাল চাইবে না তাদের ঘৃণা করবই- হোক পাকি বা ভারতীয়।

আপনার লেখার সাথে আমার পরিচয় তেমন নেই। কিন্তু পাকিস্তান বিরোধীদের সমালোচনা করতে গিয়ে ভারতকে সহীহ বাংলাদেশবন্ধু পরিচয় করিয়ে দেবার অর্থ কি? হয়ত লেখায় সেভাবে আসেনি, কিন্তু মন্তব্যে যারাই ভারতের বিরোধীতা করেছে, তারা পাকবিরোধী হওয়া সত্ত্বেও আপনি তাদের ওপর বিষোদগার করেছেন.....এই স্টাইল বলে দিয়েছে আপনার পরিচয়। এই স্টাইল পিছলানোর, দালালির। মন্তব্যের জবাব দেবার পরিবর্তে অযৌক্তিক লেভেলিং-এর চেষ্টা আপনার অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

পারলে ধীবর, রণক্লান্ত এদের বক্তব্যের জবাব দিতেন। না পারলে এদের কাছে ক্ষমা চেয়ে দালালি (কিংবা মনোভাব) ছেড়ে দেয়া উচিত। অথবা নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিন বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থরক্ষায় প্রবাসী এজেন্ট হিসেবে। এটি খারাপ কোন কিছু নয়। খোদ আমেরিকায়ই তো লবি গ্রুপ থেকে শুরু করে অনেক এজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে।

আমি জানি, আপনি এখন আমাকেও পাকি-রাজাকার কিংবা আপনার মতে বহুল জনপ্রিয় পাকিজাত বলবেন। যদিও আমি জানি আমি কি!

৫১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
হামাহুদ রোমেল বলেছেন: আমার কিছু কথা আছে - ৬
_________________


ভেরি গুড! বাট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে এক লাইন লেখা যেতো..

বাংলাদেশ যদি কখনো আবার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে তা হবে বাঙ্গালীদের জন্য।
ভারতীয় বা পাকিস্তান চাইলেও বাংলাদেশকে পৃথিবী থেকে ভ্যানিস করতে পারবে না... তবে পারবে যদি বাঙ্গালীরা সাহায্য করে। বাংলাদেশে বাঙ্গালীরাই সবকিছুর মূলে থাকবে। এই বাঙ্গালীরাই..যারা বিদেশীদের প্রভূজ্ঞান করে। ক্ষমতা দেখলেই তার সমাদার করে, ধনী দেখলেই তার দালালী করে।... এ রকম হবার কারণ কী ?
আমাদের উচিৎ তা খুঁজে বের করা। শুধু রাজনীতিকে প্রধান ইস্যূ করলে কস্মিনকালেও বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে না, বিদেশীদের হাতেই পরিচালিত হবে ৬৮ হাজার বাংলাদেশ- এখনোতো বাংলাদেশ বিদেশীদের হাতেই পরিচালিত হয়। হয় না ?

২.
যে স্বাধীনতার কথা আমরা জানি তা কার স্বাধীনতা?
জনগণের না রাজনীতির?

?

এই প্রশ্নটা করে যার উত্তরটা আমরা এখনো পাই নাই, যেদিন পাবো সেদিন ভাববো বাঙ্গালীর সময় হয়েছে তার দেশকে রক্ষা করবার।

৩.
আদার ওয়াইজ...রাজনীতি একটা খারাপ প্র্যাকটিস। রাজনীতিতে জড়ালে মানুষ আর মানুষ থাকে না, অমানুষ হয়ে যায়। ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের মানুষ আরো নিস্ব হয়েছে আরো দরিদ্র হয়েছে...পেটে ক্ষুদা...জীবনের মৌলিক চাহিদার কথা ভাবতে ভাবতে তারা জানেও না দেশের মন্ত্রী কে, সরকার কে...অথবা সত্যিকার অর্থে তারা কি করে।

তাই, জনগণ কখনো রাজনীতি করে না। রাজনীতি একটি সম্প্রদায়ের কারবারের নাম। প্রশ্ন দাঁড়াতেই পারে বাংলাদেশকে নিয়ে যারা রাজনীতি করছে তারাই দেশের সত্যিকারের শত্রু কি না?
স্বাধীনতার ৪০ বছর পর্যন্ত যে শ্রেণী বাংলাদেশকে শোষণ করছে?

৪.
যেহেতু আপনারা বাংলাদেশ নিয়ে বেশ ভাবেন।
আর চান আপনাদের ভাবনাগুলো যেন জনগণ গ্রহন করে।
কেন আপনারা তা চান?
স্বার্থছাড়া কে কি চায় কার কাছে?

_____________
ফকির ইলিয়াস ভাই.
আপনার লেখা পড়ে যে তথ্য পেলাম তার বদৌলতে আমার এই বক্তব্যগুলো জানালাম।

ভালো থাকুন।


৫২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
নিশাচর নাইম বলেছেন: ভারতের জন্য এতো দরদ কেন? এতো দরদ থাকলে ভারত গিয়া মরেন।
৫৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন: আমার কথা অন্যখানে। কেনো একজন ফাকিস্তানির সাথে ৫ টা মিনিট কথা বলা সম্ভব না। আমি না হয় বাংলাদেশী, কি দোষ করছে সুইডিশরা, জার্মানরা, সুদানিরা? যেহেতু ডক্টরেট করতে আসছে, এবং দেশে মাস্টার্স বা গ্রাজুয়েশন করে আসছে সেহেতু তারা তাদের দেশের ফার্স্ট ক্লাশ সিটিজেন। তো দেশটা এমন গ্রাজুয়েট পয়দা করে কেন যারা আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে সোশ্যালি সম্পুর্ন ব্যার্থ? কেন সরি বা থ্যাংকস বলার মত কমন সেন্স ওদের নাই। একেকটা বর্বর।

আমার ডেস্কের পাশের হাটার রাস্তা ব্লক কইরা নামায পড়ব ওরা, আবার চিটিং কইরা ধরাও পরব ওরা, ১০ ইউরোর মাউস চুরি কইরা ডিসিপ্লিনারী কমিটির কাছে জবাবদিহিতাও করব ওরা।

দুইএকজন ব্যাতিক্রম আছে। বাট যখন একটা দেশের ৯৯% মানুষই এমন তখন মনে হয় জেনারালাইজ করাই যা, কি বলেন?
৫৪. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪১
কমান্ডো বলেছেন:
আপনি বললেন "প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্র কেন শত্রু হবে? " আপনার এই কথাটা পড়ে মনে হয় আপনি বৈশ্বিক রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিভাল নন, কিংবা সজ্ঞানেই এড়িয়ে গেলেন। বরং কেউ যদি বলে ""প্রতিবেশী রাষ্ট্র মাত্রই কিছুটা শত্রু রাষ্ট্র "

দুই কোরিয়া সম্পর্কে আপনি কি বলবেন? তারা কি প্রতিবেশী নন?

মাইনাচ। আপনি নিজের মনগড়া কথা বলেছেন কোন সোর্স ছাড়া।
৫৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
জানপরী বলেছেন: দালালি করবেন ভালো কথা তাই বলে নিজেদের অস্তিত্ব বিলিয়ে দিয়ে????????
৫৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: অনেক দিন পরে বিষয়টি নিয়া মাতামাতি ...
ভালোই এনজয় কর্লাম

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪১০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।
এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া
অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য
নয়।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ