somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ফকির ইলিয়াস
আলোর আয়না এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য নয়।লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

কমরেড জ্যোতি বসু : প্রণতির পুষ্পগুচ্ছ

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বলেছিলেন, ভারতবাসী খেলে বাংলার শরণার্থীরাও খাবে। সেটা ছিল
১৯৭১ সাল। কোটি মানুষ তখন ছিন্নমূল হয়ে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম
করছে। দাঁড়িয়েছিলেন সেইসব শরণার্থীর পাশে। ঘুরেছেন ক্যাম্প থেকে
ক্যাম্পে।বলেছেন , আমি বাঙালী । আপনাদের ভয় নেই। আমারও নাড়ী
পোতা ঢাকায়।
তিনি জ্যোতি বসু। দাপটশালী মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন কম্যুনিষ্ট। গ্লাসনস্তো পেরেস্ত্রেইকা ঘটে যাবার পরও তিনি টলেন নি।
বলেছেন, গণমানুষের জয় হবেই । মানুষের সমঅধিকার প্রতিষ্টা পাবেই
বিশ্বজুড়ে।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু । তাঁর ভালোবাসায় কোনো খাদ ছিল না ।
তিনি সবসময়ই মনে করতেন- বাম ধারার রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে প্রকৃত নেতা, যে নেতা অনুন্নত এবং পিছিয়ে পড়া এলাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মতো ক্ষমতাবান হবেন। আর সেই নেতার বক্তব্য হতে পারে জাতীয় কোনো নীতিমালারই প্রতীকের মতো। সেজন্যই তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পদলোভী
ছিলেন না।
জ্যোতি বসুর প্রকৃত গুণ ছিল , তিনি রাজনীতিকে অনুধাবন করতেন
সৃজনশীল সমসাময়িকতার বিচারে।
ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির সাথে দলকে খাপ খাইয়ে তাই তিনি জাতিসত্তার
কল্যাণচিন্তা করে গেছেন আজীবন।
বাংলাদেশের সাথে ভারতের গংগা পানি বন্টন ইস্যু, পারস্পরিক বানিজ্য
ইস্যু, সন্ত্রাস দমন ইস্যু সহ অনেক বিষয়কে তিনি দেখতেন একজন
বাঙালী হিসেবে। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ
প্রকাশ পেয়েছে সব সময়ই।
তাঁর কর্মের জন্য তিনি বেঁচে থাকবেন চিরকাল।
তাঁর আত্মার প্রতি অশেষ শ্রদ্ধার্ঘ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০১
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×